আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমছে, এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে ভিসা নীতির কঠোরতা তুলে ধরা হচ্ছে।
আমেরিকার উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বব্যাপী এক শক্তিশালী শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে একাধিক দেশ থেকে, বিশেষত ভারত, চীন এবং অন্যান্য এশীয় দেশগুলোর শিক্ষার্থীরা উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের জন্য আসেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে, এবং এটি একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই কমতির মূল কারণ হিসেবে ভিসা নীতির কঠোরতা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতাকে দায়ী করা হচ্ছে। বিশেষ করে, বিভিন্ন মার্কিন প্রশাসনের সময়ে ভিসা নীতির পরিবর্তন এবং নতুন নিয়মের কারণে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষার সুযোগ আরও সংকুচিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা প্রধানত আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করেন। এর পেছনে মূল কারণ হলো এখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপস্থিতি, যেমন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইটি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা উচ্চমানের শিক্ষা অর্জন করতে পারেন এবং পরবর্তীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ভারত, চীনে কাজের সুযোগ পেয়ে থাকেন।
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনেক বড় অংশে ছিল আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের। ২০২১ সালে, প্রায় ২০ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীই ভারতীয় ছিলেন। তবে বর্তমানে ভারতের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, যার পেছনে কিছু স্পষ্ট কারণ রয়েছে।
আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার জন্য ছাত্র ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াটি অনেক জটিল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, ২০১৬ সালের পর থেকে, আমেরিকার বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের কারণে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া ধীরগতি, অতিরিক্ত কাগজপত্র, সাক্ষাৎকারের সময়সূচী, এবং বিশেষ করে, ভিসা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দেরি ভারতের শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। এ ছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উদ্বেগজনক।
অন্যদিকে, আমেরিকা তাদের নিজস্ব শিক্ষাব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে নানা কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে কিছু ভিসা নীতি আরও কঠোর করা হয়, বিশেষত স্টুডেন্ট ভিসা সম্পর্কিত বিভিন্ন নির্দেশনা। এই নীতি প্রবর্তনের পর, ভারতীয় শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারণ তারা আগে থেকেই বেশি সংখ্যায় আমেরিকায় পড়তে যাচ্ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রক্রিয়াতে ভিসা সঠিকভাবে না পাওয়ার ফলে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের জন্য অন্যান্য বিকল্প শিক্ষা ব্যবস্থা যেমন কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্য আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, কারণ সেসব দেশে ভিসা প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ এবং সুবিধাজনক। এতে করে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।
এছাড়া, ভারতে অবস্থিত শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারেও অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো শিক্ষার্থীর ব্যয় অনেক বেশি, এবং ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা বা বিলম্বের কারণে অনেক ছাত্রছাত্রী অনিশ্চয়তায় পড়েন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার নতুন প্রশাসন, যেমন জো বাইডেন প্রশাসন, কিছু ক্ষেত্রে ভিসা নীতি শিথিল করেছে, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। অনেক ভারতীয় ছাত্র এখনও তাদের ভিসা আবেদন সম্পন্ন করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে, ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা স্নাতকোত্তর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পড়াশোনা করতে চান, তারা বেশিরভাগ সময়েই নিজেদের ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন।
আমেরিকার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য শর্তাবলীতে কিছু পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে শিক্ষার্থীরা ভিসা পেতে পারেন না বা তাদের ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে। এসব কারণে, ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা অন্য দেশে গিয়ে পড়াশোনা করতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
ভারতীয় শিক্ষার্থীরা যেহেতু আর আগের মতো আমেরিকায় পড়াশোনার জন্য আগ্রহী নন, তাদের জন্য বেশ কিছু বিকল্প দেশ পছন্দ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে কানাডা অন্যতম। কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা পদ্ধতি তুলনামূলকভাবে সহজ এবং সেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগও বেশি। তাছাড়া, কানাডার উচ্চশিক্ষার মানও যথেষ্ট উচ্চ, যা ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ পছন্দ।
অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্যও ভারতীয় ছাত্রদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে, যেখানে তাদের ভিসা পাওয়ার সুযোগ সহজ এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা কমছে, এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে ভিসা নীতির কঠোরতা উল্লেখ করা হচ্ছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাহিত হচ্ছিলেন, তবে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে ভিসা নীতি শিথিল বা কঠোর হওয়ার প্রক্রিয়ার ফলে তাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এই সমস্যার বিশদ আলোচনা করার আগে, প্রথমে আমেরিকার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উপর কিছু আলোকপাত করা প্রয়োজন, কারণ এটি ভারতের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য ছিল। তারপর, বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা বাড়ছে এবং তার সাথে যুক্ত ভিসা নীতি ও প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতাগুলি কীভাবে ভারতীয় ছাত্রদের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে উঠেছে, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ অনেক পুরনো। ভারতের উচ্চশিক্ষার বাজারে আমেরিকান প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট প্রোগ্রামে ভর্তি হতে ভারতীয় ছাত্ররা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করতেন।
এটি বোঝা যায় যে, আমেরিকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন প্রোগ্রামে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এবং শিক্ষার মান বিশ্বের শীর্ষে। এছাড়া, ভারতীয় শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যারিয়ারের জন্য উন্নত গবেষণা সুযোগ, চাকরির জন্য গ্লোবাল নেটওয়ার্কিং এবং উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা লাভ করতে পারতেন। তাছাড়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য যেমন শিক্ষার উদারতা, গবেষণায় স্বাধীনতা এবং পেশাদার পরিবেশ ভারতীয় ছাত্রদের জন্য আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল।
এই কারণে, ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় পড়তে যাওয়া ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। প্রতি বছর লাখ লাখ ভারতীয় শিক্ষার্থী আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চেয়েছিলেন, এবং তাদের মধ্যে অনেকেই স্নাতকোত্তর বা ডক্টরেট প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন।
ভারতীয় শিক্ষার্থীরা যেহেতু আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা নিতে চেয়েছিলেন, তাদের জন্য সঠিক ভিসা পাওয়া ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিবর্তিত নীতির কারণে, শিক্ষার্থীরা ভিসা পেতে বিভিন্ন সমস্যা সম্মুখীন হচ্ছিলেন।
বিশেষ করে, ২০১৭ সাল থেকে আমেরিকার ভিসা নীতি কিছুটা কঠোর হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে, বিশেষত H-1B ভিসা প্রক্রিয়া ও স্টুডেন্ট ভিসা নীতির মধ্যে পরিবর্তন হয়েছে, যা ভারতের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সংকুচিত হয়ে উঠেছে। এই পরিবর্তনগুলির মধ্যে ছিল ভিসা আবেদন পদ্ধতির জটিলতা, অতিরিক্ত দাপ্তরিক কাজ এবং বিশেষজ্ঞদের মতে ভিসার অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও ধীরগতিতে পরিণত হয়েছিল।
অন্যদিকে, ২০১৬ সালের পর থেকে স্টুডেন্ট ভিসা F-1 প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বৈষম্য নির্ধারণ, অনুগ্রহমূলকভাবে ভিসা প্রদান এবং মার্কিন শ্রম বাজারের সুবিধার জন্য যাদের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ ছিল না, তাদের জন্য নতুন নিয়ম প্রবর্তন করা হয়েছে। এতে করে অনেক ভারতীয় শিক্ষার্থী ভিসা আবেদন করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন, এবং অনেকের আবেদন বাতিল হয়েছে।
এছাড়া, ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল, যা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। তাদের মধ্যে যারা নির্ধারিত সময়ে ভিসা না পেয়েছেন, তারা উচ্চশিক্ষার সুযোগ হারিয়েছেন, এবং অন্য দেশে পড়াশোনা করতে শুরু করেছেন।
ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ কমানোর পেছনে শুধুমাত্র ভিসা নীতি নয়, আরও কিছু প্রশাসনিক সমস্যাও রয়েছে। যেমন:
অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা: আমেরিকায় পড়াশোনা করতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চ খরচ একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য ভিসা পেতে হলে, তাদের নিজস্ব খরচের প্রমাণ দেয়া প্রয়োজন, যা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি বড় বাধা হয়ে উঠছে। বিশেষ করে, মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা এমন খরচ বহন করতে সক্ষম নন।
চাকরি পাওয়ার সমস্যা: অনেক ভারতীয় ছাত্র আমেরিকায় পড়াশোনা শেষে এখানেই চাকরি করার জন্য আগ্রহী থাকেন। তবে, ভিসা নীতি পরিবর্তনের কারণে তাদের চাকরি পাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠছে। উচ্চশিক্ষা শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়ছে।
অন্য দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ: ভারতের শিক্ষার্থীরা যখন আমেরিকায় ভিসা পেতে সমস্যায় পড়ছেন, তখন তারা কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে শুরু করেছেন। এর ফলে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
ভিসা নীতির কঠোরতা সত্ত্বেও, আমেরিকার প্রশাসন কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। ২০২১ সালে জো বাইডেন প্রশাসন কিছু পলিসি পরিবর্তন করে, কিন্তু সেগুলোও কিছু ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ছিল না। আমেরিকা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য, পলিসি সহজ করার চেষ্টা করছে, তবে এখনও তাত্পর্যপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।
এছাড়া, ভারতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশগুলিতে শিক্ষার মানের উন্নতি হওয়ার কারণে, শিক্ষার্থীরা আর আমেরিকায় পড়াশোনা করতে আগ্রহী হচ্ছেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য এখন কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্য আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই দেশগুলির শিক্ষাব্যবস্থা, ভিসা প্রক্রিয়া এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য আরো সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সহজ এবং ছাত্রদের জন্য আরও অনেক সুবিধা রয়েছে। এছাড়া, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগও পাচ্ছেন, যা অনেক ভারতীয় ছাত্রদের জন্য একটি বড় আকর্ষণ।