Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বিশ্বকাপ জয়ের তিন দিন পর অর্শদীপ মিচেল বিতর্কে মুখ খুললেন Gautam Gambhir কী বললেন ভারতের কো

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে বল করার সময় অর্শদীপ সিংহ ব্যাটার ড্যারিল মিচেলের দিকে বল ছুড়েছিলেন। ওই ঘটনায় জরিমানাও হয়েছে অর্শদীপের। সেই ঘটনা নিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের তিন দিন পর মুখ খুলেছেন কোচ গৌতম গম্ভীর।

ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, এটি আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং দেশের সম্মানের প্রতীক। আন্তর্জাতিক মঞ্চে যখন দুটি শক্তিশালী দল মুখোমুখি হয়, তখন প্রতিটি মুহূর্তে উত্তেজনা থাকে তুঙ্গে। বিশেষ করে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের ফাইনাল ম্যাচে খেলোয়াড়দের উপর চাপ অনেক বেশি থাকে। সেই চাপের মধ্যেই কখনও কখনও এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা মাঠের বাইরেও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

সম্প্রতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের তরুণ পেসার Arshdeep Singh-এর একটি মুহূর্তের আচরণ নিয়ে বড়সড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটার Daryl Mitchell-এর দিকে বল ছুঁড়ে দেওয়ার ঘটনাটি নিয়ে তখনই মাঠে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে সেই ঘটনার জন্য ম্যাচ ফি-র ১৫ শতাংশ জরিমানাও করা হয় অর্শদীপকে। তবে ম্যাচের কয়েক দিন পর এই ঘটনাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করলেন ভারতের কোচ Gautam Gambhir।

ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছিল

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত এবং নিউ জিল্যান্ডের মধ্যে লড়াই চলছিল সমানতালে। ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে নিউ জিল্যান্ডের ইনিংসে ব্যাট করছিলেন ড্যারিল মিচেল। তিনি তখন দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রান তোলার চেষ্টা করছিলেন।

অর্শদীপ একটি বল করেন, যেটি মিচেল প্রতিরোধ করেন। বলটি খুব বেশি দূরে যায়নি। অর্শদীপ দ্রুত বলটি কুড়িয়ে নিয়ে মিচেলের দিকে ছুঁড়ে দেন। সেই বল গিয়ে লাগে মিচেলের ঊরুতে। মুহূর্তের মধ্যে মাঠে উত্তেজনা তৈরি হয়।

বলটি জোরে লাগায় মিচেল হাত-পা ছুঁড়ে প্রতিবাদ জানান এবং সঙ্গে সঙ্গে আম্পায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে নিউ জিল্যান্ড দলের পক্ষ থেকেও আপত্তি ওঠে। দলের অধিনায়ক Mitchell Santner বিষয়টি নিয়ে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেন।

সূর্যকুমার যাদবের হস্তক্ষেপ

মাঠে যখন পরিস্থিতি একটু উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল, তখন ভারতীয় দলের ব্যাটার Suryakumar Yadav এগিয়ে আসেন। তিনি দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক সময়ই দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সূর্যকুমারও ঠিক সেটাই করেছিলেন। তার মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং খেলা আবার স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়।

ম্যাচ শেষে অর্শদীপের ক্ষমা চাওয়া

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর অর্শদীপ সিংহ নিজেই ড্যারিল মিচেলের কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেন। ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনেক সময় উত্তেজনার মুহূর্তে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো পরে খেলোয়াড়রা নিজেরাই মিটিয়ে নেন।

অর্শদীপের এই আচরণ অনেকের কাছেই ইতিবাচক হিসেবে দেখা হয়। এতে বোঝা যায় যে মাঠের উত্তেজনা থাকলেও খেলোয়াড়দের মধ্যে শ্রদ্ধা বজায় থাকে।

আইসিসির শাস্তি

এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা International Cricket Council বিষয়টি পর্যালোচনা করে। তারা মনে করে যে অর্শদীপের আচরণ ক্রিকেটের আচরণবিধির মধ্যে পড়ে না।

ফলে তাকে ম্যাচ ফি-র ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি তার আচরণের জন্য অফিসিয়ালভাবে সতর্কও করা হয়।

আইসিসি সাধারণত মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়দের আচরণ খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখে। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের আচরণ অনেক তরুণ ভক্তদের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়।

গৌতম গম্ভীরের মন্তব্য

এই ঘটনার তিন দিন পর ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর একটি সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর একটি পডকাস্টে তিনি বলেন যে ক্রিকেট মাঠে এই ধরনের প্রতিক্রিয়া অস্বাভাবিক নয়।

গম্ভীরের মতে, যখন একজন খেলোয়াড় দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন, তখন তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আগ্রাসন থাকবে। তিনি বলেন যে একজন বোলার কখনই চান না যে তাকে সহজে ছক্কা মারা হোক বা ব্যাটার তার উপর আধিপত্য দেখাক।

গম্ভীর বলেন, “আপনি দেশের হয়ে খেলছেন। সেখানে কিছুটা আগ্রাসন থাকা খুবই স্বাভাবিক। যদি বল ছুঁড়ে থাকে, তাতে অন্যায় কিছু নেই। আমি বরং বোলারদের কাছ থেকে এই ধরনের প্রতিক্রিয়াই আশা করি।”

ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন ছিল কি?

গম্ভীর আরও বলেন যে অর্শদীপ ক্ষমা না চাইলেও কোনো সমস্যা হত না। তার মতে, এটি এমন একটি ঘটনা যা খেলার উত্তেজনার মধ্যে ঘটতেই পারে।

তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “অর্শদীপ কোনো ভুল করেনি। সে যদি ক্ষমা না-ও চাইত, তাতেও কোনো সমস্যা ছিল না।”

এই মন্তব্যের পর ক্রিকেট মহলে আবার নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন যে গম্ভীর খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্যই এমন মন্তব্য করেছেন।

আগ্রাসন বনাম খেলোয়াড়সুলভ আচরণ

ক্রিকেটকে অনেক সময় “জেন্টলম্যানস গেম” বলা হয়। তবে আধুনিক ক্রিকেটে আগ্রাসনের গুরুত্বও অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলোয়াড়রা অনেক বেশি আবেগ নিয়ে খেলেন।

মাঠে আগ্রাসন থাকলেও সেটি যেন সীমা অতিক্রম না করে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়দের আচরণে ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

news image
আরও খবর

এই ঘটনাটি সেই প্রশ্নটিই আবার সামনে নিয়ে এসেছে—কতটা আগ্রাসন গ্রহণযোগ্য এবং কোথায় গিয়ে সেটি অশোভন আচরণে পরিণত হয়।

ভক্তদের প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক ভারতীয় সমর্থক মনে করছেন যে অর্শদীপের আচরণ খুব বড় কিছু নয় এবং এটি খেলার অংশ।

অন্যদিকে কিছু সমর্থক মনে করেন যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে খেলোয়াড়দের আচরণ আরও সংযত হওয়া উচিত।

তবে বেশিরভাগ ক্রিকেট বিশ্লেষকই মনে করেন যে এই ধরনের ছোটখাটো ঘটনা ক্রিকেটের অংশ এবং এগুলো সাধারণত ম্যাচ শেষ হওয়ার পর খুব বেশি প্রভাব ফেলে না।

ভবিষ্যতের শিক্ষা

এই ঘটনা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—ক্রিকেট মাঠে উত্তেজনা থাকবেই। কিন্তু সেই উত্তেজনাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সেটিও খেলোয়াড়দের শেখা প্রয়োজন।

অর্শদীপ সিংহ ভারতের অন্যতম প্রতিভাবান তরুণ পেসার। ভবিষ্যতে তার কাছ থেকে ভারতীয় দল অনেক বড় সাফল্য আশা করছে। তাই এই ধরনের অভিজ্ঞতা তার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবেই কাজ করতে পা 

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে উত্তেজনা, আবেগ এবং প্রতিযোগিতার তীব্রতা সব সময়ই দর্শকদের আকর্ষণ করে। বিশেষ করে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে খেলোয়াড়দের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিটি সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে আলোচনার বিষয়। সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এমনই একটি ঘটনা ক্রিকেট বিশ্বে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভারতের তরুণ পেসার Arshdeep Singh এবং নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার Daryl Mitchell-এর মধ্যে মাঠের একটি মুহূর্ত নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। যদিও ম্যাচ শেষে বিষয়টি মিটমাট হয়ে যায়, তবুও সেই ঘটনাকে ঘিরে ক্রিকেটবিশ্বে নানা মতামত সামনে আসে। বিশেষ করে ভারতের কোচ Gautam Gambhir এই প্রসঙ্গে যে মন্তব্য করেছেন, তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ সব সময়ই চাপের। এখানে প্রতিটি বল, প্রতিটি রান এবং প্রতিটি উইকেট দলের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের আবেগ অনেক সময় তীব্র হয়ে ওঠে। এই ম্যাচেও ঠিক তেমনটাই দেখা যায়। নিউজিল্যান্ডের ইনিংস চলাকালীন একটি ওভারে বল করেন অর্শদীপ সিংহ। সেই সময় ক্রিজে ব্যাট করছিলেন ড্যারিল মিচেল। অর্শদীপের করা একটি বল মিচেল রক্ষণাত্মকভাবে খেলেন। বলটি খুব বেশি দূরে যায়নি এবং অর্শদীপ নিজেই সেটি কুড়িয়ে নেন। কিন্তু সেই মুহূর্তেই তিনি বলটি মিচেলের দিকে ছুড়ে দেন।

ঘটনাটি খুব দ্রুত ঘটে গেলেও তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। বলটি গিয়ে লাগে মিচেলের ঊরুতে। এতে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয় মাঠে। মিচেল সঙ্গে সঙ্গে হাত-পা ছুড়ে আম্পায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এই ঘটনার পর নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক Mitchell Santner-ও বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান। মাঠের পরিবেশ তখন কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন পরিস্থিতি নতুন নয়। অনেক সময় ম্যাচের উত্তেজনা এবং প্রতিযোগিতার চাপে খেলোয়াড়রা আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন। এই পরিস্থিতিতে ভারতের অধিনায়ক এবং দলের সিনিয়র খেল

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image