আইএমডি-র সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী ২ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের একাধিক রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৪টি রাজ্যে ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে। কোথাও কোথাও বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়াতেও তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
ভারতীয় আবহাওয়া দফতর বা আইএমডি জানুয়ারির শুরুতেই দেশের আবহাওয়া নিয়ে বড় সতর্কবার্তা জারি করেছে। ২ জানুয়ারি থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অংশে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। শীতের প্রকোপ আরও বাড়বে বলে জানানো হয়েছে এবং একই সঙ্গে একাধিক রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা, বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে আবহাওয়া দফতর। শীতকাল সাধারণত এমনিতেই দেশের বিস্তীর্ণ অংশে কষ্টকর পরিস্থিতি তৈরি করে, তার ওপর এই ধরনের সতর্কতা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কৃষিকাজ, পরিবহণ ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইএমডি সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই নেমে যেতে পারে। বিশেষ করে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের কিছু অংশে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাতের তাপমাত্রা এক অঙ্কে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং কোথাও কোথাও হিমাঙ্কের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারে। ঠান্ডা উত্তর-পশ্চিমী হাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি আরও তীব্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে প্রবীণ মানুষ, শিশু এবং অসুস্থদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শুধু শৈত্যপ্রবাহই নয়, দেশের অন্তত ১৪টি রাজ্যে ঘন কুয়াশার দাপট বাড়বে বলেও জানিয়েছে আইএমডি। উত্তর ভারতের পাশাপাশি পূর্ব ভারত ও মধ্য ভারতের বেশ কিছু এলাকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা যেতে পারে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সড়ক, রেল ও বিমান চলাচলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ইতিমধ্যেই বহু জায়গায় ট্রেন দেরিতে চলা এবং বিমান পরিষেবায় বিঘ্নের খবর মিলছে। আগামী কয়েকদিন এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
পূর্ব ভারতের আবহাওয়াও বিশেষভাবে নজরে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার কিছু অংশে ঘন কুয়াশার পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ ইতিমধ্যেই অনুভূত হচ্ছে, তবে আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সকালে কুয়াশা এবং সন্ধ্যায় ঠান্ডার তীব্রতা বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের দাপট আরও বেশি হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ ভারতের আবহাওয়াও পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। তামিলনাড়ু, কেরল, কর্ণাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশের কিছু অংশে বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবেই এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা হাওয়া বইতে পারে, যা মৎস্যজীবীদের জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই সমুদ্রে না যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই সময়ে কৃষিক্ষেত্রেও প্রভাব পড়তে পারে। উত্তর ভারতের শীতপ্রধান অঞ্চলে অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং কুয়াশার কারণে রবি শস্যের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবার কোথাও বৃষ্টি হলে ফসলের গুণগত মান নষ্ট হতে পারে। কৃষকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেনে চলার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পশুপালকদেরও তাদের পশুদের ঠান্ডা থেকে রক্ষা করার জন্য সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও এই আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শৈত্যপ্রবাহের সময় শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ এবং ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঘন কুয়াশা ও দূষণের কারণে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর সময় উষ্ণ পোশাক পরা, খুব ভোরে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরিবহণ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কুয়াশার কারণে হাইওয়ে ও এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ট্রেন চালাতে গিয়ে গতি কমাতে হয় এবং অনেক সময় ট্রেন বাতিল বা দেরিতে চলে। বিমানবন্দরগুলিতেও ফ্লাইট দেরি বা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যাত্রীদের যাত্রার আগে আবহাওয়ার আপডেট দেখে নেওয়ার এবং বাড়তি সময় হাতে রেখে বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আইএমডি আরও জানিয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর ধীরে ধীরে কিছু এলাকায় আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে, তবে এখনই পুরোপুরি স্বস্তির সম্ভাবনা নেই। শীতের মরসুম এখনও মাঝপথে রয়েছে এবং ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঝে মাঝেই এই ধরনের ঠান্ডা ও কুয়াশার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে শীতের দাপট আরও কিছুদিন অনুভূত হবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, জানুয়ারির শুরুতেই দেশের আবহাওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা, বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়—এই সবকিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের সতর্কতা মেনে চলা এবং প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করাই এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতীয় আবহাওয়া দফতর বা আইএমডি জানুয়ারির শুরুতেই দেশের আবহাওয়া নিয়ে বড় সতর্কবার্তা জারি করেছে। ২ জানুয়ারি থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অংশে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। শীতের প্রকোপ আরও বাড়বে বলে জানানো হয়েছে এবং একই সঙ্গে একাধিক রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা, বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে আবহাওয়া দফতর। শীতকাল সাধারণত এমনিতেই দেশের বিস্তীর্ণ অংশে কষ্টকর পরিস্থিতি তৈরি করে, তার ওপর এই ধরনের সতর্কতা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কৃষিকাজ, পরিবহণ ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইএমডি সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই নেমে যেতে পারে। বিশেষ করে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের কিছু অংশে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাতের তাপমাত্রা এক অঙ্কে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং কোথাও কোথাও হিমাঙ্কের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারে। ঠান্ডা উত্তর-পশ্চিমী হাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি আরও তীব্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে প্রবীণ মানুষ, শিশু এবং অসুস্থদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শুধু শৈত্যপ্রবাহই নয়, দেশের অন্তত ১৪টি রাজ্যে ঘন কুয়াশার দাপট বাড়বে বলেও জানিয়েছে আইএমডি। উত্তর ভারতের পাশাপাশি পূর্ব ভারত ও মধ্য ভারতের বেশ কিছু এলাকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা যেতে পারে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সড়ক, রেল ও বিমান চলাচলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ইতিমধ্যেই বহু জায়গায় ট্রেন দেরিতে চলা এবং বিমান পরিষেবায় বিঘ্নের খবর মিলছে। আগামী কয়েকদিন এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
পূর্ব ভারতের আবহাওয়াও বিশেষভাবে নজরে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার কিছু অংশে ঘন কুয়াশার পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ ইতিমধ্যেই অনুভূত হচ্ছে, তবে আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সকালে কুয়াশা এবং সন্ধ্যায় ঠান্ডার তীব্রতা বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের দাপট আরও বেশি হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ ভারতের আবহাওয়াও পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। তামিলনাড়ু, কেরল, কর্ণাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশের কিছু অংশে বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবেই এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা হাওয়া বইতে পারে, যা মৎস্যজীবীদের জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই সমুদ্রে না যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই সময়ে কৃষিক্ষেত্রেও প্রভাব পড়তে পারে। উত্তর ভারতের শীতপ্রধান অঞ্চলে অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং কুয়াশার কারণে রবি শস্যের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবার কোথাও বৃষ্টি হলে ফসলের গুণগত মান নষ্ট হতে পারে। কৃষকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেনে চলার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পশুপালকদেরও তাদের পশুদের ঠান্ডা থেকে রক্ষা করার জন্য সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও এই আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শৈত্যপ্রবাহের সময় শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ এবং ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঘন কুয়াশা ও দূষণের কারণে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর সময় উষ্ণ পোশাক পরা, খুব ভোরে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরিবহণ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কুয়াশার কারণে হাইওয়ে ও এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ট্রেন চালাতে গিয়ে গতি কমাতে হয় এবং অনেক সময় ট্রেন বাতিল বা দেরিতে চলে। বিমানবন্দরগুলিতেও ফ্লাইট দেরি বা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যাত্রীদের যাত্রার আগে আবহাওয়ার আপডেট দেখে নেওয়ার এবং বাড়তি সময় হাতে রেখে বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আইএমডি আরও জানিয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর ধীরে ধীরে কিছু এলাকায় আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে, তবে এখনই পুরোপুরি স্বস্তির সম্ভাবনা নেই। শীতের মরসুম এখনও মাঝপথে রয়েছে এবং ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঝে মাঝেই এই ধরনের ঠান্ডা ও কুয়াশার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে শীতের দাপট আরও কিছুদিন অনুভূত হবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, জানুয়ারির শুরুতেই দেশের আবহাওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা, বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়—এই সবকিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের সতর্কতা মেনে চলা এবং প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করাই এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।