Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

রবিবাসরীয় সকালে মা হলেন অদিতি মুন্সী ঘরে এল পুত্র না কন্যা

মিষ্টি হাসি এবং লক্ষ্মী ঠাকুরের মতো ছোটখাটো চেহারার অদিতি, যিনি বাংলা সঙ্গীতের কীর্তনের সুরে পরিচিত, এখন তার সংসারে এসেছে এক নতুন অতিথি।

বলিউডে একের পর এক অভিনেত্রী মা হওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে, এবং কিছু অভিনেত্রী সম্প্রতি মা হয়েছেন। তবে এবার টলিপাড়ায় এক নতুন খবর শোনা গেল, যা সবার মধ্যে খুশির হাওয়া নিয়ে এসেছে। বছরের শুরুতেই মা-বাবা হলেন জনপ্রিয় কীর্তন শিল্পী অদিতি মুন্সী এবং তাঁর স্বামী, তৃণমূল কংগ্রেসের পৌরপিতা ও বিধায়ক দেবরাজ চক্রবর্তী। তাঁদের জীবনে এসেছে একটি নতুন অতিথি—পুত্র সন্তান। আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে দেবরাজ চক্রবর্তী এই সুখবর প্রকাশ করেছেন।

অদিতি মুন্সী, যিনি বাংলা সংগীত জগতে কীর্তনের সুরে পরিচিতি পেয়েছেন, তাঁর মিষ্টি হাসি এবং লক্ষ্মী ঠাকুরের মতো ছোটখাটো চেহারা সবার হৃদয় জয় করেছে। তাঁর গান এবং কীর্তন মানুষের মন ছুঁয়ে যায়। ২০১৮ সালে গায়িকা অদিতি মুন্সী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পৌরপিতা ও বিধায়ক দেবরাজ চক্রবর্তীর মধ্যে বিয়ের বন্ধন হয়। এই সম্পর্ক ছিল খুবই প্রেমময় এবং পরিপূর্ণ। দু’জনেই একে অপরকে সমর্থন করেছেন এবং জীবনসঙ্গী হয়ে একে অপরের পাশে থেকেছেন। তাদের জীবনে এখন এসেছে এক নতুন অতিথি, পুত্র সন্তান, যেটি তাদের দাম্পত্য জীবনকে আরও পূর্ণ করেছে।

অদিতি এবং দেবরাজের দাম্পত্য জীবনে এই নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার পর তাদের জীবনের প্রতিটি দিন নতুন উচ্ছ্বাস ও আনন্দে পূর্ণ হয়ে উঠেছে। সদ্য মা হয়েছেন অদিতি, এবং গতকাল সকাল ১০টা নাগাদ তিনি সন্তান জন্ম দিয়েছেন। দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন, এবং সঙ্গীতের জগতের পাশাপাশি পরিবারের যত্নও নিয়েছেন। তাঁর এই নতুন ভূমিকায় প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে, তার অনুরাগীরা শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে এসেছেন।

অদিতি মুন্সী বাংলা কীর্তন ও সঙ্গীতের একটি অতি পরিচিত নাম। তাঁর কণ্ঠের মাধুর্য, সুরেলা গাওয়া এবং অনন্য গায়কী সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। পাশাপাশি, দেবরাজ চক্রবর্তী, যিনি রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক, তাঁর রাজনীতির পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও বেশ সক্রিয়। দেবরাজ এবং অদিতির সম্পর্কের ভিত্তি ছিল শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, এবং একে অপরের প্রতি সমর্থন। এই দীর্ঘ সম্পর্কের পর, এই দম্পতির সংসারে এসে দাঁড়িয়েছে একটি নতুন সদস্য, যা তাদের জীবনের সবথেকে আনন্দময় মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।

তাদের দাম্পত্য জীবনের সাত বছর পূর্ণ হওয়ার পর, পুত্র সন্তানের আগমন তাঁদের জীবনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিয়ের প্রায় সাত বছর পর, এবার মা-বাবা হলেন তারা। এই নতুন অতিথির আগমন একদিকে যেমন তাদের দাম্পত্য জীবনের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করেছে, তেমনি নতুন দায়িত্বও তাদের জীবনে এসেছে। অদিতির মাতৃত্বকালীন ছুটি চলে আসার পর, তাঁর এই নতুন ভূমিকায় তাঁকে দেখতে পাওয়া গেছে একটি গানের রিয়্যালিটি শোয়ের বিচারকের আসনে। তিনি গানের বিচারক হিসেবে তাঁর দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।

এই নতুন অধ্যায়ে আসার পরে, অদিতির এবং দেবরাজের জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। পুত্র সন্তান আসার পর তাঁদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী এবং পূর্ণ হয়ে উঠেছে। মা হওয়ার পর অদিতির জীবনে অনেক কিছু বদলেছে, তবে তার সঙ্গীতের প্রতি ভালোবাসা এবং তার ক্যারিয়ার নিয়ে যে পরিমাণ দায়িত্ব ছিল, তা আজও তিনি ধরে রেখেছেন। এখন তিনি একসঙ্গে মাতৃত্বের দায়িত্বও পালন করছেন এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় রয়েছেন।

অদিতি মুন্সী এবং দেবরাজ চক্রবর্তীর এই নতুন অতিথির আগমন তাঁদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন থেকে এই ছোট্ট অতিথি তাঁদের জীবনের আনন্দের উৎস হবে। এই নতুন ভূমিকার প্রতি অদিতির যত্ন এবং দায়িত্বশীলতা তাঁর জীবনের প্রতিটি দিককেই আরও সুন্দর ও পরিপূর্ণ করে তুলেছে।

এই সুখবরের মাধ্যমে শুধু অদিতি এবং দেবরাজের পরিবারই নয়, বরং তাদের ভক্ত এবং বন্ধুদের মাঝেও খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। তাঁদের নতুন পুত্র সন্তানকে নিয়ে এখন তারা নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। তাদের জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের শুরু হয়েছে, এবং ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা যায়।

অদিতির এই নতুন ভূমিকা তার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ এবং প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। মা হওয়ার পর তার সংগীত জীবনে কোন পরিবর্তন আসে কিনা, তা সময়ই বলবে। তবে তাঁর এই অভিজ্ঞতা নতুনত্ব এবং আনন্দে পূর্ণ হতে চলেছে। তার ভক্তরা নিশ্চয়ই তার নতুন ভূমিকার দিকে নজর রেখে এগিয়ে চলবে, এবং তাঁকে নতুন উদ্যোমে সঙ্গীতজগতে আরও সফল হতে দেখতে চাইবে।

দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক জীবন এবং সংসদীয় দায়িত্বের পাশাপাশি তার পরিবারও তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এই পুত্র সন্তানের আগমন তাকে আরও দায়িত্বশীল এবং অভিভাবক হিসেবে গড়ে তুলবে। দেবরাজ এবং অদিতির জীবনে এই নতুন অতিথি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, এবং তাদের সংসারের পরিপূর্ণতা আরও বাড়িয়ে তুলবে।

এই সুখবরের পর, অদিতি মুন্সী এবং দেবরাজ চক্রবর্তীকে তাদের নতুন জীবনের জন্য আমরা শুভেচ্ছা জানাই। তাঁদের দাম্পত্য জীবন আরও সুখী এবং সমৃদ্ধ হোক, এমনটাই কামনা করি।

news image
আরও খবর

অদিতি মুন্সী, যাঁকে বাংলা সংগীতের জগতে কীর্তনের সুরে পরিচিতি পেয়েছে, তার মিষ্টি হাসি এবং লক্ষ্মী ঠাকুরের মতো ছোটখাটো চেহারা সবার হৃদয় জয় করেছে। ২০১৮ সালে গায়িকা অদিতি মুন্সী তৃণমূল কংগ্রেসের পৌরপিতা ও বিধায়ক দেবরাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সম্পর্ক ছিল খুবই সাদাসিধে এবং প্রেমময়। দীর্ঘ সাত বছর ধরে একে অপরের পাশে থেকেছেন এবং একে অপরের জীবনে সুখের উজ্জ্বল সূর্য হয়ে উঠেছিলেন।

এখন, সেই দম্পতির জীবনে এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো। তাঁদের সংসারে এসেছে একটি পুত্র সন্তান। অদিতি এবং দেবরাজের নতুন জীবনের শুরুটা ছিল এমন এক দারুণ মুহূর্ত, যা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সকাল ১০টা নাগাদ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন অদিতি। তাঁর মাতৃত্বকালীন ছুটি চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে এবং সেই সময়টাতে অদিতিকে গানের রিয়্যালিটি শোয়ের বিচারকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল জ়ি বাংলা সোনার চ্যানেলে।

অদিতির গায়কী তার ভক্তদের মধ্যে অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, বিশেষত কীর্তন সংগীতের জন্য। গানের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। কিন্তু এখন তাঁর জীবনে এই নতুন ভূমিকা তাঁর দাম্পত্য জীবনকে আরও পূর্ণ করেছে। মা হওয়ার পর, অদিতির জীবনের নতুন ধাপ শুরু হয়েছে, যেখানে তিনি শুধু একজন সঙ্গীতশিল্পী নন, বরং একজন মা এবং পরিবারের অমূল্য রত্ন।

তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক দেবরাজ চক্রবর্তী একজন রাজনৈতিক নেতা হওয়ার পাশাপাশি, একজন সঙ্গীতপ্রেমী এবং সমাজকর্মীও। তাঁর জীবনসঙ্গী অদিতির সঙ্গে একত্রে তাঁর জীবন আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। তাঁদের এই নতুন জীবন শুরুর পথে পুত্র সন্তানের আগমন তাঁদের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।

২০১৮ সালে বিয়ে হওয়ার পর, অদিতি এবং দেবরাজের জীবন ছিল একে অপরের সহযোগিতায় পূর্ণ। দেবরাজ, যিনি রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁর রাজনৈতিক কাজের পাশাপাশি গায়িকা অদিতির সংগীত জীবনও সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের সম্পর্ক ছিল এক ধরনের পরিপূর্ণতা, যেখানে তাদের একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা ছিল গভীর।

এই নতুন অতিথির আগমন অদিতি এবং দেবরাজের জীবনকে নতুন রূপ দিয়েছে। তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় শুরু হয়েছে আজ, যেখানে মা-বাবা হওয়ার আনন্দ এবং দায়িত্ব উভয়ই তাঁদের জীবনের মধ্যে প্রবাহিত হচ্ছে। অদিতির মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় তিনি পরিবারের সাথে কাটিয়েছেন, কিন্তু তার ক্যারিয়ারও একেবারে থেমে ছিল না। তিনি সংগীত এবং রাজনৈতিক জীবনের মধ্যে সমন্বয় রেখে চলছিলেন, যা তাঁর চিরকালীন উৎসাহ এবং অঙ্গীকারকে চিত্রিত করে।

অদিতির গান এবং তাঁর উপস্থিতি বাংলা সংগীত জগতে অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, কিন্তু তার নতুন ভূমিকা মা হওয়ার মাধ্যমে আরও এক নতুন দিক খুলে দিয়েছে। পুত্র সন্তানের মা হয়ে, অদিতি এখন তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এবং এর মাধ্যমে তাঁর আরও বেশি প্রেরণা এবং শক্তি পেতে চলেছেন।

এখন অদিতি এবং দেবরাজের সংসার নতুন এক রূপে ফুটে উঠেছে। একসঙ্গে তারা আরও এক নতুন পথচলার জন্য প্রস্তুত। পুত্র সন্তান তাঁদের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত এনে দিয়েছে এবং এই নতুন পরিবারে এসেছে সুখ ও সমৃদ্ধি। এই সুখের সঙ্গী তাদের সম্পর্কের শীর্ষবিন্দুতে পৌঁছেছে এবং তাদের আগামী দিনগুলো আরও সুন্দর এবং সফল হবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

তাদের জীবনে এসেছে এক নতুন সূর্য, যা তাদের জীবনের অন্ধকার কাটিয়ে আলো দেবে। এই ছোট্ট অতিথি তাদের পরিবারকে আরও পূর্ণ করেছে এবং তাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। দেবরাজ এবং অদিতির জন্য এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা, এবং তাদের ভক্তরা, সহকর্মীরা এবং বন্ধু-বান্ধবরা তাদের নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

তবে, জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের মধ্যেও অদিতি এবং দেবরাজের জীবনে একটিই পরিবর্তন হয়নি, তা হল তাঁদের একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং একে অপরের সাহায্য নিয়ে চলার অঙ্গীকার। তাঁরা জানেন যে, নতুন সন্তান আসার পরও তাদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি রয়ে যাবে এই ভালোবাসা এবং সহযোগিতার বন্ধন।

তাদের দাম্পত্য জীবন এবং ক্যারিয়ারের এই মিলিত পথচলা তাদের আরও এক নতুন স্তরে পৌঁছে দিয়েছে, যেখানে তারা শুধুমাত্র একে অপরের সঙ্গেই নয়, বরং সমাজেরও কল্যাণে কাজ করে চলেছেন। অদিতি মুন্সী এবং দেবরাজ চক্রবর্তীর এই নতুন অধ্যায় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হয়ে থাকবে।

Preview image