Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

রবিবারের ম্যাচের আগে ভারতকে হুঁশিয়ারি ‘দু’টি কনুই’ থাকা পাক স্পিনারের, ওরা ভয় পাচ্ছে বলেই তো আমাকে নিয়ে এত কথা বলছে!

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিশ্চিত হতেই ভারতকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। সাহিবজ়াদা ফারহানের পর এ বার উসমান তারিকও হুঙ্কার দিয়েছেন।আলোচনার কেন্দ্রে পাকিস্তানের স্পিনার উসমান তারিক। তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বিতর্ক এখনও থামেনি। তার মাঝেই মঙ্গলবার বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলেছেন তারিক। আমেরিকার বিরুদ্ধে নিয়েছেন ৩ উইকেট। এ বার ভারতকে হুঁশিয়ারি দিলেন ‘দু’টি কনুই থাকা’ পাক স্পিনার।

তারিকে বোলিং অ্যাকশন নিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যম ও প্রাক্তন ক্রিকেটারদের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে তারিক বলেন, “আমার মতে, ওদের উপর চাপ আছে। ওরা ভয় পাচ্ছে বলেই আমাকে নিয়ে এত কথা বলছে। ওর শুধু আমার বোলিং আক্রমণ নিয়েই আলোচনা করছে। এতে নিজেদের উপরেই চাপ তৈরি করছে ওরা। আমি নিজের খেলা ছাড়া আর কিছু ভাবছি না। মাঠের বাইরে কী হচ্ছে তা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।”

ইতিমধ্যেই তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে শ্রীবৎস গোস্বামী, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও আকাশ চোপড়া জোর তরজা চালিয়েছেন। সমাজমাধ্যমে শ্রীবৎস লেখেন, “ফুটবলেও এখন পেনাল্টি নেওয়ার আগে থামার সুযোগ নেই। সেখানে ক্রিকেটে কি এটা ঠিক? অ্যাকশন ঠিক আছে। কিন্তু থেমে যাওয়াটা কি ঠিক?” জবাবে বোলারের পাশে দাঁড়িয়েছেন অশ্বিন। তিনি বলেন, “ফুটবলে নিয়ম বদলেছে জানি। কিন্তু ক্রিকেটে যেখানে ব্যাটার রিভার্স সুইপ বা সুইচ হিট মারার আগে বোলার বা আম্পায়ারকে কিছু জানায় না, সেখানে বোলার কেন কিছু বদল করতে পারবে না। বোলারের উপরেই কি সব নিয়ম চাপানো হবে? প্রথমে এই নিয়মে বদল দরকার।”

ভারতের আর এক প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ অশ্বিনের কথার সমর্থন করলেও অন্য একটি প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “থেমে যাওয়ায় ভুল কিছু নেই। কিন্তু আমার অন্য একটা প্রশ্ন আছে। তারিক এক জায়গায় দাঁড়িয়ে বল করে। অর্থাৎ, রান আপের সুবিধা নেই। তা হলে কনুই না ভেঙে কি ঘণ্টায় ২০-২৫ কিলোমিটার গতি বাড়ানো যায়?”

তারিক অবশ্য শুধুমাত্র রবিবারের ম্যাচের কথা ভাবছেন। অতীত তাঁর মাথায় নেই। পাকিস্তানের স্পিনার বলেন, “অতীতে যা হয়েছে হয়েছে। একটা কথা ভাবতে হবে। গত কয়েক বছরে আমরা বেশি হেরেছি ঠিকই, তবে তার আগে একটা সময় আমরাই বেশি জিততাম। সেটাই আমরা মাথায় রেখেছি। রবিবার নতুন ম্যাচ। নতুন জায়গায় খেলা। এটা বিশ্বকাপ। আমরা একটাই লক্ষ্যে নামব। ভারতকে হারিয়ে তার পর বিশ্বকাপ জেতার চেষ্টা করব।”

বিশ্বকাপের আগে তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন। সেই সময় গ্রিনকে পাল্টা ‘কাঁদুনে বাচ্চা’ বলে খোঁচা মেরেছিলেন তারিক। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পাকিস্তান সুপার লিগের সময়ও তারিকের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। প্রথম ক্ষেত্রে আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব ও রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ রিপোর্ট দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে রিপোর্ট দিয়েছিলেন আম্পায়ার আহসান রাজ়া ও ক্রিস ব্রাউন। পাকিস্তান সুপার লিগে দু’বার অভিযোগ ওঠার পর লাহৌরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ল্যাবে দু’বার পরীক্ষা করিয়েছেন তারিক। কিন্তু তাঁর বোলিং অ্যাকশনে কোনও খুঁত পাওয়া যায়নি। দু’বারই তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

সেই প্রসঙ্গ তুলে তারিক বলেছেন, “আমার হাতে দুটো কনুই আছে। তাই হাত বাঁকা মনে হয়। এটা জন্মগত। আমি পরীক্ষা করে দেখিয়েছি। আমাকে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তার পরেও সকলের মনে হয়, আমি বল ছুড়ছি। এটা জন্মগত সমস্যা।” সেই সমস্যা নিয়েই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের তুরুপের তাস তারিক। এখনও পর্যন্ত ভারতের ক্রিকেটারেরা তাঁর বিরুদ্ধে খেলেননি। সেই সুবিধা কি কাজে লাগাতে পারবেন তারিক? তার আগে অবশ্য বাগ্‌যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের তরুণ গতিমান পেসার তারিককে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা শুধু একটি বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি মনস্তাত্ত্বিক লড়াই, প্রতিপক্ষের কৌশল, মিডিয়া আলোড়ন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রাজনীতির এক জটিল মিশ্রণ হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলার পর থেকেই এই বিতর্ক নতুন মাত্রা পায়। গ্রিনের অভিযোগ ছিল, তারিকের হাত ছোড়ার সময় কনুইয়ের অস্বাভাবিক বাঁক দেখা যায়, যা আইনসিদ্ধ সীমার মধ্যে পড়ে কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এই মন্তব্যের জবাব দিতে দেরি করেননি তারিক। বরং তিনি আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতেই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন। গ্রিনকে ‘কাঁদুনে বাচ্চা’ বলে খোঁচা মেরে তিনি স্পষ্ট করে দেন—সমালোচনায় তিনি ভেঙে পড়ার পাত্র নন। তাঁর এই প্রতিক্রিয়া শুধু ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং পাকিস্তান দলের ড্রেসিংরুম মানসিকতারও প্রতিফলন—যেখানে প্রতিপক্ষের মানসিক চাপের জবাব দেওয়া হয় সমান তীব্রতায়।

তবে এই বিতর্ক নতুন নয়। এর আগেও ২০২৪ এবং ২০২৫ সালের পাকিস্তান সুপার লিগ (PSL)-এ তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। প্রথমবার অভিযোগ ওঠার পর ম্যাচ আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব এবং রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর অ্যাকশন রিপোর্ট করেন। নিয়ম অনুযায়ী, কোনও বোলারের অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে হলে তাঁকে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়েছিল তারিকের ক্ষেত্রে।

পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার ২০২৫ সালের PSL চলাকালীন আবারও তাঁর অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগ ওঠে। এ বার রিপোর্ট করেন আম্পায়ার আহসান রাজ়া এবং ক্রিস ব্রাউন। টানা দু’বার রিপোর্ট হওয়া যে কোনও বোলারের জন্যই মানসিকভাবে চাপের বিষয়। কারণ প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞাও আসতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে তারিককে পাঠানো হয় লাহৌরের ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির বায়োমেকানিক্যাল ল্যাবে। সেখানে হাই-স্পিড ক্যামেরা, 3D মোশন অ্যানালিসিস, জয়েন্ট অ্যাঙ্গেল মাপার ডিজিটাল সেন্সর—সব আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর বোলিং অ্যাকশন বিশ্লেষণ করা হয়। পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল—বল ছাড়ার সময় কনুই সোজা হওয়ার মাত্রা ICC নির্ধারিত ১৫ ডিগ্রির সীমা অতিক্রম করছে কি না তা নির্ণয় করা।

দু’দুবার পরীক্ষার পর রিপোর্টে জানানো হয়—তারিকের অ্যাকশন আইনসিদ্ধ। তাঁর কনুইয়ের যে বাঁক দেখা যায়, তা বল ছোড়ার সময় অবৈধ এক্সটেনশন নয়, বরং জন্মগত শারীরিক গঠনের ফল। ফলে তাঁকে পূর্ণ ছাড়পত্র দেওয়া হয় এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে বোলিং চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি মেলে।

এই প্রসঙ্গেই সম্প্রতি তারিক একটি সাক্ষাৎকারে বলেন—
“আমার হাতে দুটো কনুই আছে, তাই হাতটা বাঁকা লাগে। এটা জন্মগত। আমি পরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করেছি। আমাকে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবুও অনেকে মনে করে আমি বল ছুড়ছি। এটা আমার শরীরের স্বাভাবিক গঠন।”

তাঁর বক্তব্যে আত্মবিশ্বাস যেমন স্পষ্ট, তেমনই একটা আক্ষেপও ধরা পড়ে। কারণ কোনও বোলারের অ্যাকশন নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠা মানে তাঁর দক্ষতার ওপর সন্দেহ তৈরি হওয়া। অথচ বোলিং অ্যাকশন একটি অত্যন্ত জটিল বায়োমেকানিক্যাল প্রক্রিয়া—যেখানে শরীরের স্বাভাবিক গঠন, নমনীয়তা, জয়েন্ট স্ট্রাকচার সবই ভূমিকা রাখে।

ক্রিকেট ইতিহাসে এমন বিতর্ক নতুন নয়। মুথাইয়া মুরলীধরন থেকে শুরু করে শোয়েব আখতার, সাঈদ আজমল—অনেক কিংবদন্তি বোলারই অ্যাকশন বিতর্কের মুখে পড়েছেন। পরবর্তীতে পরীক্ষায় বৈধ প্রমাণিত হয়ে তাঁরা বিশ্ব ক্রিকেটে সাফল্যের নজির গড়েছেন। ফলে তারিকের ক্ষেত্রেও প্রশ্নটা এখন দক্ষতা নয়, বরং মানসিক দৃঢ়তার।

news image
আরও খবর

বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টের আগে এই বিতর্ক মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিপক্ষ দল নতুন বোলারদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই সন্দেহ তৈরি করে রাখতে চায়, যাতে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিদের নজর থাকে। এতে বোলারের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়।

তারিক এখন পাকিস্তান বোলিং আক্রমণের তুরুপের তাস। তাঁর গতি, বাউন্স এবং রিভার্স সুইং—তিন মিলিয়ে তিনি মধ্য ও শেষ ওভারে অত্যন্ত কার্যকর। বিশেষ করে ডেথ ওভারে তাঁর ইয়র্কার এবং হার্ড লেংথ বল ব্যাটারদের চাপে ফেলে।

এখানেই আরেকটি কৌশলগত দিক রয়েছে—ভারতের ব্যাটাররা এখনও আন্তর্জাতিক ম্যাচে তাঁর বিরুদ্ধে খেলেননি। ফলে ভিডিও অ্যানালিসিস থাকলেও লাইভ ম্যাচ অভিজ্ঞতা নেই। নতুন বোলারের বিরুদ্ধে প্রথম কয়েক ওভার মানিয়ে নিতে সময় লাগে—এই মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা কাজে লাগাতে পারেন তারিক।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই আলাদা চাপ, আলাদা আবহ। সেখানে নতুন, দ্রুতগতির, অজানা অ্যাঙ্গেল থেকে বল করা বোলার বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে যদি তিনি আগেই বাগ্‌যুদ্ধ শুরু করে প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে চাপে রাখতে চান।

তারিক ইতিমধ্যেই সেই পথেই হাঁটছেন। মিডিয়ায় তাঁর আক্রমণাত্মক মন্তব্য, আত্মবিশ্বাসী শরীরী ভাষা—সব মিলিয়ে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন, বিতর্ক তাঁকে থামাতে পারবে না। বরং তিনি এটাকেই প্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করছেন।

পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্টও তাঁর পাশে রয়েছে। কোচিং স্টাফের মতে, বারবার পরীক্ষায় বৈধ প্রমাণিত হওয়ার পরও একই প্রশ্ন তোলা অনুচিত। তারা মনে করে, প্রতিপক্ষ তাঁর ছন্দ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।

তবে বিশ্বকাপ মঞ্চ আলাদা। এখানে প্রতিটি ডেলিভারি, প্রতিটি অ্যাঙ্গেল, প্রতিটি রিলিজ পয়েন্ট বহু ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আম্পায়ারদের নজরও তীক্ষ্ণ থাকে। ফলে তারিককে শুধু উইকেটই নিতে হবে না—নিখুঁত অ্যাকশন বজায় রেখেও পারফর্ম করতে হবে।

এই পরিস্থিতি তাঁর ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। যদি তিনি বিশ্বকাপে ধারাবাহিক সাফল্য পান, তবে সব বিতর্ক চাপা পড়ে যাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তবে অ্যাকশন বিতর্ক আবার মাথাচাড়া দিতে পারে।

মনস্তত্ত্বের দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। যেসব বোলার নিজেদের অ্যাকশন নিয়ে সচেতন হয়ে পড়েন, তাঁরা অনেক সময় স্বাভাবিক রিদম হারান। ফলে পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়ে। তারিককে তাই “ফ্রি মাইন্ড” নিয়ে বোলিং করতে হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তাঁর শক্তি তিন জায়গায়—
১. শর্ট অফ লেংথে অস্বস্তিকর বাউন্স
২. ফুল লেংথ ইয়র্কার
৩. লেট রিভার্স সুইং

ভারতীয় ব্যাটারদের বিরুদ্ধে এগুলো কতটা কার্যকর হয়, সেটাই দেখার। বিশেষ করে টপ অর্ডার যদি শুরুতেই তাঁর গতি সামলে নেয়, তবে চাপ উল্টো তাঁর ওপরেই ফিরতে পারে।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—বিতর্ক তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তিনি “প্লেয়ার টু ওয়াচ” তালিকায় উঠে গেছেন।

সবশেষে বলা যায়, তারিককে ঘিরে অ্যাকশন বিতর্ক, গ্রিনের মন্তব্য, পাল্টা বাগ্‌যুদ্ধ—সব মিলিয়ে ক্রিকেটীয় লড়াই শুরু হয়ে গেছে মাঠে নামার আগেই। এখন দেখার, বল হাতে তিনি কি সমালোচনার জবাব উইকেট দিয়ে দিতে পারেন, নাকি বিতর্কই তাঁর পারফরম্যান্সকে ছাপিয়ে যায়।

বিশ্বকাপের মঞ্চই দেবে সেই চূড়ান্ত উত্তর।

Preview image