Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মেদিনীপুরের জঙ্গলে আতঙ্ক: দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল দলছুট দাঁতালের হামলায় গুরুতর জখম দুই

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে  রবিবার ভোরে বাড়ির কাছে আলুর জমিতে জল দিতে গিয়ে দলছুট দাঁতালের আক্রমণের শিকার হন সুনীল  গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

মেদিনীপুরের জঙ্গলে আতঙ্ক: দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল দলছুট দাঁতালের হামলায় গুরুতর জখম দুই
Animal Welfare & Public Safety News

মেদিনীপুরের জঙ্গলে গত দু’-তিন দিন ধরে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে হাতির তাণ্ডবে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই এলাকায় প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি হাতির একটি বড় দল ঘোরাফেরা করছে। এরই মধ্যে রবিবার ভোরে নয়াবসত রেঞ্জের অধীন গড়বেতা-৩ নম্বর ব্লকের মঙ্গলপাড়া গ্রামে একটি দলছুট দাঁতালের হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন দুই গ্রামবাসী।

আহতদের নাম সুনীল রম (৫৫) এবং হিমাংশু কারক (৬০)। দু’জনকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ভর্তি করানো হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোরে বাড়ির অদূরে আলুর জমিতে জল দিতে গিয়েছিলেন সুনীল রম। সেই সময় আচমকাই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে একটি দলছুট দাঁতাল। পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হাতিটি শুঁড় দিয়ে তাঁকে পেঁচিয়ে তুলে আছড়ে ফেলে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় সুনীল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে শালবনি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হওয়ায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়।

অন্যদিকে, একই সময়ে মঙ্গলপাড়া গ্রামেই বাড়ির সামনে একটি পুকুরের কাছে গিয়েছিলেন হিমাংশু কারক। তখনই ওই দলছুট দাঁতাল তাঁকেও আক্রমণ করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকেও উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

এদিকে, শালবনীর কর্ণগড় এলাকায় রবিবার ভোরে একদল দাঁতালের তাণ্ডবে ভেঙে পড়েছে বেশ কয়েকটি মাটির বাড়ি। বহু পরিবার ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বন দফতরের পক্ষ থেকে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সুনীলের ভাইপো পার্থ রম বলেন, “কাকু আলুর জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে একটি হাতি হামলা চালায়।” নয়াবসত রেঞ্জের এক বন আধিকারিক জানান, “এই এলাকায় পাঁচ থেকে ছ’টি হাতি রয়েছে। গ্রামবাসীদের সতর্ক করা হয়েছে। তার মধ্যেই একটি দলছুট দাঁতাল জঙ্গল সংলগ্ন মাঠে হামলা চালায়। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে রয়েছি এবং সমস্ত ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”

ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রামবাসীদের জঙ্গলের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাতের দিকে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

মেদিনীপুরের শালবনী ব্লকের কর্ণগড় এলাকা ও সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতির তাণ্ডবে ক্রমশ বাড়ছে আতঙ্ক। রবিবার ভোরে কর্ণগড় এলাকায় একদল দাঁতাল হানা দিয়ে একাধিক মাটির বাড়ি ভেঙে তছনছ করে দেয় বলে অভিযোগ। আচমকা এই হামলায় বহু পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন। রাতের অন্ধকারে বাড়িঘর ভেঙে পড়ার শব্দে আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু হয়ে যায় গোটা এলাকায়। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন অনেকেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েকদিন ধরেই জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় হাতির আনাগোনা বেড়ে গিয়েছে। ফসলের খোঁজে দলছুট হয়ে গ্রামে ঢুকে পড়ছে একাধিক দাঁতাল। বিশেষ করে রাত ও ভোরের দিকে এই সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে। কর্ণগড় এলাকায় ভেঙে পড়া বাড়িগুলির বেশিরভাগই কাঁচা ও মাটির তৈরি হওয়ায় হাতির আক্রমণে সেগুলি মুহূর্তের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার তাঁদের সঞ্চিত খাদ্যশস্য, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, একই দিনে নয়াবসত রেঞ্জের অধীন গড়বেতা-৩ নম্বর ব্লকের মঙ্গলপাড়া গ্রামে দলছুট দাঁতালের হামলায় গুরুতর জখম হন সুনীল রম ও হিমাংশু কারক। এই ঘটনার জেরে গোটা বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একদিকে যেমন হাতির সংখ্যা বাড়ছে, তেমনই মানুষের সঙ্গে তাদের সংঘাতও বেড়ে চলেছে।

সুনীল রমের ভাইপো পার্থ রম ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন, “কাকু আলুর জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলেন। ভোরের দিকে জল দেওয়ার সময় হঠাৎ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে একটি বড় দাঁতাল। বুঝে ওঠার আগেই হামলা চালায় হাতিটি।” তাঁর কথায়, এলাকায় আগে থেকেই হাতির উপস্থিতির খবর থাকলেও এমন আচমকা আক্রমণের জন্য কেউ প্রস্তুত ছিলেন না।

এদিকে বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চলে বর্তমানে পাঁচ থেকে ছ’টি হাতি সক্রিয় রয়েছে। নয়াবসত রেঞ্জের এক বন আধিকারিক বলেন, “আমরা আগেই গ্রামবাসীদের সতর্ক করেছিলাম। তবুও একটি দলছুট দাঁতাল জঙ্গল সংলগ্ন মাঠে ঢুকে এই হামলা চালায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে আমরা রয়েছি এবং সমস্ত ধরনের সহযোগিতা করা হবে।” বন দফতরের তরফে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করার কাজও শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রামবাসীদের জঙ্গলের কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ভোর ও রাতের সময় একা জমিতে কাজ না করা, দল বেঁধে চলাফেরা করা এবং হাতির উপস্থিতি টের পেলে সঙ্গে সঙ্গে বন দফতর বা পুলিশকে খবর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, হাতির গতিবিধির উপর নজর রাখতে বনকর্মী ও পুলিশের যৌথ টহল আরও বাড়ানো হয়েছে।

news image
আরও খবর

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় বসবাসের ফলে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই বন্যপ্রাণের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হাতির তাণ্ডব যে মাত্রা নিয়েছে, তাতে আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের। অনেকেই রাত জেগে পাহারা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। শিশুদের স্কুলে পাঠানো নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর দাবি, শুধু নজরদারি নয়, স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করা হোক। প্রয়োজন হলে হাতির দলকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া, পর্যাপ্ত আলো ও সাইরেন বসানো এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর নজর রেখে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাতি–মানুষ সংঘাতের এই ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বনাঞ্চল সংলগ্ন গ্রামগুলির নিরাপত্তা নিয়ে। প্রশাসন ও বন দফতরের তৎপরতা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

মেদিনীপুরের বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকাগুলিতে হাতি–মানুষ সংঘাত নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে যে মাত্রায় এই সংঘাত বাড়ছে, তাতে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে এই অঞ্চলে পাঁচ থেকে ছ’টি হাতি সক্রিয় রয়েছে। মূলত খাবারের সন্ধানে জঙ্গল ছেড়ে তারা গ্রাম ও চাষের জমির দিকে ঢুকে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলেই একের পর এক গ্রামে হাতির তাণ্ডব ও মানুষের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে।

নয়াবসত রেঞ্জের এক বন আধিকারিক এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা আগেই গ্রামবাসীদের সতর্ক করেছিলাম। মাইকিং করে, প্রচার চালিয়ে মানুষকে জঙ্গলের দিকে না যেতে অনুরোধ করা হয়েছিল। তবুও একটি দলছুট দাঁতাল জঙ্গল সংলগ্ন মাঠে ঢুকে এই হামলা চালায়।” তাঁর দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বন দফতর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দফতর রয়েছে এবং সমস্ত ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। ইতিমধ্যেই ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করার কাজ শুরু হয়েছে বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আপাতত যেন কেউ জঙ্গলের কাছাকাছি না যান। বিশেষ করে ভোর ও রাতের সময় একা জমিতে কাজ করতে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। দল বেঁধে চলাফেরা করা, প্রয়োজনে আলো বা টর্চ ব্যবহার করা এবং হাতির উপস্থিতি টের পেলেই সঙ্গে সঙ্গে বন দফতর বা স্থানীয় পুলিশকে খবর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, হাতির গতিবিধির উপর নজর রাখতে বনকর্মী ও পুলিশের যৌথ টহল আরও বাড়ানো হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় বসবাস করার কারণে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই বন্যপ্রাণের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কখনও বুনো শুয়োর, কখনও আবার হাতির দল ফসল নষ্ট করছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হাতির তাণ্ডব যে মাত্রা নিয়েছে, তাতে আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের। অনেক পরিবারই রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারছেন না। কেউ কেউ দল বেঁধে রাত জেগে পাহারা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। শিশুদের স্কুলে পাঠানো নিয়েও দুশ্চিন্তা বেড়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। স্কুলে যাওয়ার সময় যদি পথে হাতির মুখোমুখি হতে হয়—এই আশঙ্কা তাঁদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে।

গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, হাতির সংখ্যা ও চলাচলের পথ সম্পর্কে আগাম তথ্য আরও দ্রুত দেওয়া হলে অনেকটাই বিপদ এড়ানো যেত। তাঁদের দাবি, শুধু সতর্কবার্তা দিলেই হবে না, আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গল ও জনবসতির মাঝখানে পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় এই সংঘাত বাড়ছে।

এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর প্রধান দাবি, শুধু নজরদারি বাড়ানো নয়, স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করা হোক। প্রয়োজন হলে হাতির দলকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া, তাদের স্বাভাবিক চলাচলের জন্য আলাদা করিডর তৈরি করা, গ্রামাঞ্চলে পর্যাপ্ত আলো ও সাইরেন বসানো এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। অনেকের মতে, ক্ষতিপূরণ পেতে দীর্ঘ সময় লাগলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়বে।

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। হাতির গতিপথ চিহ্নিত করে সেভাবেই টহল ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। প্রয়োজনে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। প্রশাসনের এক কর্তা জানান, মানুষের জীবন সবার আগে, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জঙ্গল সঙ্কুচিত হওয়া ও মানুষের বসতি ক্রমশ বনাঞ্চলের দিকে এগিয়ে যাওয়াই এই ধরনের সংঘাতের অন্যতম কারণ। খাদ্যের অভাবে হাতিরা বাধ্য হয়ে গ্রামে ঢুকে পড়ছে। দীর্ঘমেয়াদে এই সমস্যা সমাধানে বন সংরক্ষণ, খাদ্যব্যবস্থা উন্নত করা এবং মানুষ ও বন্যপ্রাণের সহাবস্থানের জন্য সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাতি–মানুষ সংঘাতের এই ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বনাঞ্চল সংলগ্ন গ্রামগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। প্রশাসন ও বন দফতরের তৎপরতা কতটা কার্যকর হয় এবং পরিস্থিতি কত দ্রুত স্বাভাবিক হয়, এখন সেটাই দেখার। এলাকাবাসীর চোখ এখন প্রশাসনের দিকেই—আতঙ্কের এই অধ্যায় কবে শেষ হবে, সেই অপেক্ষায় সবাই।

Preview image