কর্ণাটক সরকার চালু করেছে AI-রেডি পার্সোনাল কম্পিউটার ‘KEO’: ডিজিটাল বিপ্লবের নতুন দিগন্ত কর্ণাটক সরকার একটি নতুন ধরনের AI-রেডি পার্সোনাল কম্পিউটার চালু করেছে, যার নাম KEO (Knowledge-driven, Economical, Open-source)। এটি সাশ্রয়ী মূল্যে তৈরি করা হয়েছে এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। KEO কম্পিউটারটি একটি রিস্ক-ভি প্রসেসর, লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, এবং এআই কোর সাপোর্ট করে, যা অফলাইন মোডে AI কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম। এটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য, যারা প্রযুক্তির ব্যবহারকে সাশ্রয়ীভাবে উপভোগ করতে চায়। বিশেষ বৈশিষ্ট্য: RISC-V প্রসেসর এবং লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম। Wi-Fi, 4G, ইউএসবি পোর্ট, HDMI, অডিও জ্যাক সহ কনেক্টিভিটি ফিচার। BUDDH নামে একটি AI অ্যাসিস্ট্যান্ট, যা শিক্ষার্থীদের সাহায্য করবে। ডিজিটাল শিক্ষা এবং AI ভিত্তিক শিক্ষা সমর্থন প্রদান। এই KEO কম্পিউটারটি গ্রামীণ এলাকাগুলির জন্য বিশেষভাবে উপযোগী, যেখানে প্রযুক্তির অভাব রয়েছে এবং কম দামে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে ডিজিটাল বিভাজন কমানোর পাশাপাশি শিক্ষা এবং ব্যবসা ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। সরকারের পরিকল্পনা: সরকারের উদ্দেশ্য হলো, এই কম্পিউটারটির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণকে ডিজিটাল পরিষেবা সহজলভ্য করা, এবং কৃষক, শিক্ষার্থী এবং স্টার্টআপদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানো। BUDDH এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা করবে, যা তাদের পড়াশোনাকে আরও সহজ করবে। প্রযুক্তিগত প্রভাব: এই কম্পিউটারটি ডিজিটাল ইন্ডিয়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা গ্রামীণ ও শহুরে জনগণের মধ্যে প্রযুক্তিগত ব্যবধান কমাতে সাহায্য করবে। এটি কম খরচে প্রযুক্তি এবং এআই সেবা প্রদান করবে, যা ভারতের ডিজিটাল দক্ষতা এবং প্রযুক্তিগত প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে। KEO কম্পিউটারটির সফল বাস্তবায়ন ভারতীয় প্রযুক্তি খাতের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নতি নিশ্চিত করবে।
কর্ণাটক সরকার কর্তৃক AI-রেডি পার্সোনাল কম্পিউটার ‘KEO’ চালু: ডিজিটাল বিপ্লবের পথে একটি বড় পদক্ষেপ
কিছু সময় আগেই কর্ণাটক সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা একটি নতুন ধরনের পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি করেছে, যা পুরোপুরি এআই-রেডি এবং এটি কম খরচে মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। এই কম্পিউটারটির নাম দেওয়া হয়েছে KEO (Knowledge-driven, Economical, Open-source)। এটি একটি এআই প্রযুক্তি-সহায়ক কম্পিউটার এবং সাশ্রয়ী মূল্যে ডিজিটাল কার্যক্রমে অবদান রাখবে, বিশেষ করে ভারতের গ্রামীণ এবং উন্নয়নশীল অঞ্চলের জন্য।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্য, বিশেষ করে কর্ণাটক, যে বৈচিত্র্যময় প্রযুক্তি উদ্যোগ এবং সাশ্রয়ী সমাধানগুলো গ্রহণ করে এসেছে, তা একটি ডিজিটাল বিপ্লবের সূচনা করেছে। কেবলমাত্র শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং দক্ষতা উন্নয়নের দিকেই নয়, বরং কম্পিউটিং প্রযুক্তির দ্রুত বৃদ্ধি এবং সেই সঙ্গে অপ্রতুল ডিজিটাল সংস্থানগুলোকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ ভারতের জন্য সাশ্রয়ী প্রযুক্তির সমাধান আনা যাচ্ছে।
এলাকা এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য KEO নামের এই কম্পিউটারটি তৈরি করা হয়েছে। বিশেষত, এটি গ্রামীণ জনগণের জন্য এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
KEO-র মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বল্প খরচে, উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি আধুনিক কম্পিউটার সরবরাহ করা। এতে RISC-V প্রসেসর, লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, এবং এআই কোর সাপোর্ট রয়েছে। এটি এমন একটি কম্পিউটার যা গ্রাহক ডেটা প্রক্রিয়া করতে সক্ষম এবং কিছু ক্ষেত্রে অফলাইন মোডে এআই কার্যক্রম চালাতে পারে। এতে 4G, Wi-Fi, ইথারনেট, ইউএসবি পোর্ট, এলডি ডিসপ্লে, HDMI, অডিও জ্যাক এবং সোশ্যাল মিডিয়া-সহ অন্যান্য সেবা ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া, BUDDH নামে একটি প্রি-লোডেড এআই সহকারী রয়েছে যা ব্যবহারকারীদের শিক্ষা সমর্থন এবং এআই শিখতে সাহায্য করবে। এটি বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের সহায়ক সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি করবে। KEO কম্পিউটারটিতে রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষামূলক অ্যাপ্লিকেশন যা শিক্ষার্থীদের নতুন স্কিল শেখাতে সহায়তা করবে।
এলপিজি, ইন্টারনেট কনেক্টিভিটি, এবং মোবাইল ফোনের মতো প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনগুলি ভারতের উন্নয়নকে বৃহত্তর সুযোগ দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত অনেক গ্রামের অঞ্চলে সাশ্রয়ী প্রযুক্তির জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই KEO কম্পিউটার একটি সাশ্রয়ী, কার্যকরী ডিজিটাল সমাধান হতে চলেছে।
ডিজিটাল বিভাজন বা digital divide কমানোর জন্য, এটি কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নয়, বরং একটি বৃহত্তর উদ্যোগ হতে চলেছে। কম্পিউটারের সহজলভ্যতা গ্রামীণ জনগণের জন্য নতুন প্রযুক্তির দরজা খুলে দেবে এবং সরকার যে Digital India পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তার বাস্তবায়ন আরও ত্বরান্বিত করবে।
এটি শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং স্থায়ী প্রযুক্তি কর্মী, ইন্টারনেট রিসার্চ, এবং স্থায়ীভাবে ডিজিটাল শক্তিশালী হতে সক্ষম দেশীয় কর্মশক্তি তৈরিতেও সহায়তা করবে।
এই কম্পিউটারটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এটি শিক্ষার জন্য একটি সাশ্রয়ী, AI-সহায়ক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। সরকারী স্কুল, কলেজ, এবং স্টার্টআপ কোম্পানিগুলির জন্য এটি সহজলভ্য হবে, যা শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশন এবং টেকনোলজি ভিত্তিক শিক্ষার উন্নতি করবে।
BUDDH নামে প্রি-লোডেড এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন দিশা নিয়ে আসবে। এটি ছাত্রদের বিভিন্ন বিষয় শিখতে, সমস্যা সমাধান করতে এবং নতুন প্রযুক্তি শেখানোর জন্য উপকারী হবে।
শিক্ষার্থীরা এবং শিক্ষকরা এই কম্পিউটারের মাধ্যমে ভয়েস ইনপুট এবং এআই সহায়তার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে পারবে। এটির মাধ্যমে কম খরচে প্রযুক্তি শিক্ষা ছাত্রদের দৌড়ঝাঁপ এবং ডিজিটাল পড়াশোনা সহজতর করবে।
এই প্রযুক্তির প্রভাব শুধু শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ব্যবসা, ব্যবসায়িক প্রযুক্তি এবং স্টার্টআপ খাতে বিশাল পরিবর্তন আনবে। বর্তমানে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ভারতের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং সেখান থেকে উদ্যোক্তারা কম খরচে নতুন ধারণা তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে।
KEO এর মতো প্রযুক্তি দ্বারা, মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করতে সক্ষম হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কম খরচে সাশ্রয়ী সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে গ্রাম ও শহরের মাঝে একটি ডিজিটাল সেতু তৈরি হবে, যা সর্বত্র ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
এটি ভারতের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির উন্মোচন ঘটাচ্ছে, যেখানে দেশে প্রযুক্তির বৈষম্য কমানো সম্ভব হবে। ভারতের প্রযুক্তি শিল্প ইতিমধ্যেই আকাশচুম্বী অর্জন করেছে, তবে, গ্রামীণ অঞ্চলের মধ্যে এখনো অনেক ফাঁক-ফোকর রয়ে গেছে। সেখানকার জনগণের জন্য ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট সুবিধা না থাকলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
KEO কম্পিউটারটি স্বল্প খরচে প্রযুক্তির সাহায্যে ভারতীয় ডিজিটাল অবকাঠামোতে শক্তিশালী সেতু নির্মাণ করবে।
এই কম্পিউটারটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে, স্কুল এবং কলেজে, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহত্তর প্রযুক্তির ব্যবহারে সহায়ক হতে পারে। এটি সাধারণ জনগণ এবং ছাত্রদের জন্য সাশ্রয়ী সমাধান তৈরি করবে, যেখানে তারা নতুন প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ পাবে। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প, ডিজিটাল নাগরিক সুবিধা এবং সংযোগ নিশ্চিত করতে এই ধরনের সাশ্রয়ী প্রযুক্তি সমাধানগুলি দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতামূলকভাবে কার্যকরী হবে।
এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন অবশ্যই কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে। যেমন, অফলাইন ব্যবহারের জন্য কার্যকর প্রযুক্তির সুরক্ষা এবং ভারতীয় গ্রামীণ অঞ্চলের প্রযুক্তিগত শিক্ষা বৃদ্ধির সাথে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা। তবে, সঠিক প্রশিক্ষণ, উপকরণ সংস্থান, এবং সরকারের সহায়তার মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।
এছাড়া, প্রযুক্তি স্তরের উন্নয়ন, গ্রামীণ জনগণের প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ, এবং ব্যবহারকারীর আন্তরিকতা এই প্রযুক্তির কার্যকারিতার মূল চাবিকাঠি হতে চলেছে।
উদ্বোধন ও প্রয়োগ
এই ডিভাইসটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী Siddaramaiah দ্বারা, আগামী Bengaluru Tech Summit‑এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
উন্মোচনের পর এটি বিভিন্ন স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, ক্ষুদ্র ব্যবসা, সরকারি অফিস ও ঘরোয়া ব্যবহারে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
সরকারের বক্তব্য
রাজ্যের ইলেকট্রনিকস, আইটি ও বিএটি মন্ত্রী Priyank Kharge বলেন — “KEO কোনো বিলাসিতার ডিভাইস নয়; এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (inclusion) ডিভাইস। সাশ্রয়ী মূল্যে মেস কম্পিউটিং প্রতিটি শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ঘরেকৃত মানুষকে ডিজিটাল অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করবে।”
প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক প্রভাব
ওপেন সোর্স ভিত্তিক এই উদ্যোগ কর্ণাটকের নিজস্ব প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াবে।
কমদামি হলেও এআই‑রেডি কম্পিউটার শিক্ষার্থীদের, চাকরিধারীদের ও স্টার্টআপদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে, বিশেষ করে এমন এলাকায় যেখানে সংযোগ ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো সীমিত।
ডিজিটাল বিভাজন কমাতে এবং প্রযুক্তিতে সার্বজনীন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই ধরনের উদ্যোগ মাইলস্তম্ভ হতে পারে।
চ্যালেঞ্জ ও বিবেচ্য বিষয়
যদিও KEO‑র ধারণা প্রশংসনীয়, বাস্তবায়নে প্রযুক্তি ইন্টিগ্রেশন, সফটওয়্যার আপডেট, সাপোর্ট সিস্টেম এবং প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
গ্রামীণ ও কম সংযুক্ত এলাকার জন্য এই ডিভাইস কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করবে স্থানীয় বুনিয়াদ এবং ব্যবহারের সুযোগের উপর।
দীর্ঘ মেয়াদে এই উদ্যোগ কেমন প্রতিযোগিতামূলক থাকবে প্রতিযোগী ব্র্যান্ড ও গ্লোবাল প্রযুক্তি পরিবেশে, সেটাও দেখার বিষয়।
মূল বৈশিষ্ট্য
KEO‑তে রয়েছে ওপেন সোর্স RISC‑V প্রসেসর ও লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
এতে রয়েছে 4G, Wi‑Fi, ইথারনেট, ইউএসবি‑A ও ইউএসবি‑C পোর্ট, এইচডিএমআই এবং অডিও জ্যাক।
বিশেষভাবে রয়েছে অন‑ডিভাইস এআই কোর, যা ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই লো‑কানেক্টিভিটি এলাকায় এআই চালাতে সক্ষম।
উদ্বোধন ও প্রয়োগ
এই ডিভাইসটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী Siddaramaiah দ্বারা, আগামী Bengaluru Tech Summit‑এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
উন্মোচনের পর এটি বিভিন্ন স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, ক্ষুদ্র ব্যবসা, সরকারি অফিস ও ঘরোয়া ব্যবহারে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
এটি প্রি‑লোডেড থাকবে একটি শিক্ষা‑সিলেবাস অনুযায়ী এআই এজেন্ট “BUDDH” দিয়ে, যা ছাত্র‑ছাত্রীদের সহায়ক হবে।
KEO কম্পিউটারটি কর্ণাটক সরকারের একটি সাশ্রয়ী, আধুনিক প্রযুক্তির পন্থা যা গ্রামীণ জনগণের জন্য ডিজিটাল সেতু তৈরি করবে এবং শিক্ষা, ব্যবসা এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে ভারতকে একটি ডিজিটাল মহাশক্তিতে পরিণত করবে। এর মাধ্যমে সস্তা, শক্তিশালী এবং দক্ষ প্রযুক্তি সকলের হাতে পৌঁছাবে, যা শুধুমাত্র ভারতীয় প্রযুক্তি খাতের উন্নতি করবে না, বরং বিশ্বের মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।