নতুন ধারাবাহিক শুরু করার আগে মুম্বইয়ে কাজের অফার ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দিতিপ্রিয়া রায় কেন সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেন তা নিয়ে নিজের ভাবনা জানালেন অভিনেত্রী তাঁর নতুন ধারাবাহিক ও আগামী কাজের পরিকল্পনা ঘিরেও থাকছে কৌতূহল
নতুন ধারাবাহিক মনসামঙ্গল এর মাধ্যমে ছোটপর্দায় ফিরছেন দিতিপ্রিয়া রায়। স্টার জলসার এই ধারাবাহিকে তাঁকে মনসার চরিত্রে দেখা যাবে। নতুন কাজের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুম্বইয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে পরিবারকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছা এবং আগে থেকে দেওয়া কাজের প্রতিশ্রুতি। কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু জায়গা বা সুযোগের আকারই বিবেচ্য নয়। একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন, সময় এবং চলতি কাজের দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। দিতিপ্রিয়ার বক্তব্য সেই বাস্তব দিকটিকেই সামনে আনছে। বাইরে কাজের সুযোগ পাওয়া এবং সেই মুহূর্তে তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকা দুটি আলাদা বিষয়। পরিবার ও কাজের প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব এবিপি লাইভকে দিতিপ্রিয়া জানিয়েছেন, তিনি বাড়ি ও পরিবারের সঙ্গে থাকতে ভালোবাসেন। নিজের পোষ্যের সঙ্গে সময় কাটানোও তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। মুম্বইয়ের কাজটি গ্রহণ করলে সেখানে চলে যেতে হত। অন্যদিকে, এখানে দুটি সিরিজের কাজে তিনি ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে চেয়েছেন অভিনেত্রী। এই ব্যাখ্যা থেকে বোঝা যায়, সিদ্ধান্তটির সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য ও পেশাগত দায়িত্ব দুই দিকই যুক্ত। তবে একটি প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াকে ভবিষ্যতে মুম্বইয়ে কাজ না করার স্থায়ী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তাঁর বক্তব্য মূলত সেই সময়ের পরিস্থিতি এবং অগ্রাধিকারের ব্যাখ্যা। বিরতিতে নিজের জন্য সময় শেষ ধারাবাহিকের পরে কয়েক মাস সচেতনভাবে কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন দিতিপ্রিয়া। তাঁর কথায়, সেই সময় পড়াশোনা, ঘুরতে যাওয়া এবং শরীরচর্চায় মন দিয়েছিলেন। অভিনয়ের পরিবেশ উপভোগ করলেও মাঝেমধ্যে নিজের জন্য সময় রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। নিয়মিত শুটিংয়ের ব্যস্ততার বাইরে কিছুটা সময় কাটানো একজন শিল্পীকে নিজের পরবর্তী কাজ নিয়ে ভাবার সুযোগ দিতে পারে। বিরতি নেওয়া মানেই কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া নয়। ব্যক্তিগত সময় এবং পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যে ভারসাম্য রাখার প্রয়োজনও সেখানে থাকতে পারে। নতুন চরিত্রে ফেরার প্রস্তুতি প্রতিবেদন অনুযায়ী পুজোর পরে মনসামঙ্গল এর শুটিং শুরু হওয়ার কথা। তবে সম্প্রচার শুরুর তারিখ তখনও চূড়ান্ত হয়নি। ধারাবাহিকের পাশাপাশি সিরিজের কাজ সামলানোর পরিকল্পনাও রয়েছে দিতিপ্রিয়ার। একাধিক মাধ্যমে কাজ করলে সময়ের সমন্বয়ের পাশাপাশি ভিন্ন চরিত্রের প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ধারাবাহিকে দর্শক চরিত্রের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান। ফলে প্রথম ঝলকের আকর্ষণের পরে গল্পের অগ্রগতি ও অভিনয়ের ধারাবাহিকতাও তাঁদের অভিজ্ঞতা তৈরি করবে। দিতিপ্রিয়ার নতুন কাজকে ঘিরে তাই দুটি বিষয় নজরে থাকছে মনসার চরিত্রে তাঁর উপস্থাপনা এবং বিভিন্ন কাজের মধ্যে সময়ের ভারসাম্য। মুম্বইয়ের অফার ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাখ্যায় তিনি নিজের অগ্রাধিকার স্পষ্ট করেছেন। এখন নতুন ধারাবাহিকে সেই প্রস্তুতি কীভাবে ফুটে ওঠে, তা দেখার অপেক্ষা।
নতুন চরিত্র, নতুন গল্প এবং অভিনয়ের নতুন প্রস্তুতি এই তিন বিষয়কে সামনে রেখে ফের ধারাবাহিকে ফেরার পরিকল্পনা করছেন দিতিপ্রিয়া রায়। দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুজোর পরে মনসামঙ্গল এর শুটিং শুরু হওয়ার কথা। তবে ধারাবাহিকের সম্প্রচার শুরুর তারিখ তখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে শুটিংয়ের সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেলেও দর্শক কবে থেকে পর্দায় এই নতুন কাজ দেখতে পাবেন, তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে। দিতিপ্রিয়ার এই কাজকে ঘিরে আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে মনসার চরিত্রে তাঁর উপস্থাপনা। পরিচিত কোনও কাহিনি নতুনভাবে পর্দায় এলে দর্শকের মনে স্বাভাবিকভাবেই কিছু প্রত্যাশা তৈরি হয়। চরিত্রের পরিচিত রূপের সঙ্গে নতুন অভিনয় কতটা মিলবে, কোথায় আলাদা মাত্রা যোগ হবে এবং গল্পের মধ্যে সেই চরিত্র কীভাবে এগিয়ে যাবে এসবই হয়ে ওঠে আলোচনার বিষয়। দিতিপ্রিয়ার ক্ষেত্রেও নতুন চরিত্রের প্রস্তুতি ও পর্দায় তার প্রকাশের দিকে নজর থাকবে। চরিত্রের আবেগ ও ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলার চ্যালেঞ্জ মনসার মতো চরিত্রে অভিনয়ের ক্ষেত্রে শুধু বাহ্যিক সাজ বা পোশাক দর্শকের অভিজ্ঞতা তৈরি করে না। সংলাপ বলার ধরন, মুখের অভিব্যক্তি, শরীরী ভাষা এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে চরিত্রের প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ। চরিত্রের শক্তি, অভিমান, আকাঙ্ক্ষা কিংবা আবেগকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরতে পারলে গল্পের সঙ্গে দর্শকের সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে। তবে দিতিপ্রিয়া এই চরিত্রের জন্য ঠিক কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সে সম্পর্কে দেওয়া অংশে নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তাই তাঁর প্রশিক্ষণ, মহড়া বা বিশেষ কোনও অনুশীলন নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। আপাতত আগ্রহের বিষয় হল, নতুন ধারাবাহিকে মনসার চরিত্রের বিভিন্ন দিক তিনি অভিনয়ের মাধ্যমে কীভাবে প্রকাশ করেন। পরিচিত চরিত্রে অভিনয় করার একটি বিশেষ দিক হল দর্শকের পূর্বধারণা। কেউ কাহিনির প্রচলিত রূপের সঙ্গে মিল খুঁজবেন, আবার কেউ নতুন ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনা দেখতে চাইবেন। এই দুই ধরনের প্রত্যাশার মধ্যে গল্প ও অভিনয়ের নিজস্ব জায়গা তৈরি করাও একটি চ্যালেঞ্জ। প্রথম ঝলক সেই যাত্রার সূচনা করতে পারে, কিন্তু চরিত্রের পূর্ণ পরিচয় পাওয়া যাবে ধারাবাহিকের অগ্রগতির সঙ্গে।
প্রথম ঝলকের পরে গুরুত্বপূর্ণ হবে গল্পের ধারাবাহিকতা নতুন ধারাবাহিকের প্রথম প্রচার বা চরিত্রের প্রথম ছবি দর্শকের কৌতূহল বাড়াতে পারে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে আগ্রহ ধরে রাখার ক্ষেত্রে গল্পের গতি এবং অভিনয়ের ধারাবাহিকতা বড় ভূমিকা নেয়। একটি চরিত্র শুরুতে যতটা আকর্ষণীয় মনে হয়, পরবর্তী ঘটনাগুলিতে তার আচরণ ও সিদ্ধান্ত কতটা বিশ্বাসযোগ্য থাকে, সেটিও দর্শক বিচার করেন। ধারাবাহিকের দর্শক একই চরিত্রের সঙ্গে দিনের পর দিন সময় কাটান। তাঁরা চরিত্রের পরিবর্তন দেখেন, তার সংকটের সঙ্গে পরিচিত হন এবং গল্পের পরবর্তী বাঁক নিয়ে ভাবেন। এই দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে অভিনয়ের ছোট ছোট দিকও গুরুত্ব পায়। আবেগের প্রকাশ, সংলাপের স্বাভাবিকতা এবং দৃশ্য অনুযায়ী প্রতিক্রিয়ার সামঞ্জস্য চরিত্রকে মনে রাখার মতো করে তুলতে পারে। দিতিপ্রিয়ার নতুন কাজের ক্ষেত্রেও তাই শুধু প্রথম উপস্থিতি নয়, পরবর্তী পর্বগুলিতে তাঁর অভিনয় কীভাবে বিকশিত হয়, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হবে। মনসার চরিত্র গল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে কী অবস্থার মুখোমুখি হবে এবং সেই পরিস্থিতিগুলিকে অভিনেত্রী কীভাবে তুলে ধরবেন, তা দেখার জন্য দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ধারাবাহিকের পাশাপাশি সিরিজের কাজ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ধারাবাহিকের পাশাপাশি সিরিজের কাজ সামলানোর পরিকল্পনাও রয়েছে দিতিপ্রিয়ার। একাধিক মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ একজন অভিনেত্রীকে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের পরিসর দিতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিটি কাজের জন্য প্রয়োজন হয় আলাদা মনোযোগ ও প্রস্তুতি। ধারাবাহিকের একটি চরিত্রের সঙ্গে দীর্ঘ সময় যুক্ত থাকতে হয়। অন্যদিকে, সিরিজের গল্প ও চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী অভিনয়ের ধরন বদলাতে পারে। এক কাজ থেকে অন্য কাজে যাওয়ার সময় আগের চরিত্রের অভ্যাস সরিয়ে নতুন চরিত্রের আবেগ ও আচরণে প্রবেশ করাও প্রস্তুতির অংশ। এই পরিস্থিতিতে সময়ের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শুটিংয়ের সময়সূচির পাশাপাশি সংলাপ পড়া, দৃশ্যের প্রয়োজন বোঝা এবং চরিত্রের মানসিক অবস্থার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সময়ও রাখতে হয়। শুধু দুটি কাজের তারিখ মিলিয়ে নেওয়াই যথেষ্ট নয়; প্রতিটি চরিত্রকে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেওয়াও জরুরি। তবে সংশ্লিষ্ট সিরিজের নাম, চরিত্র বা শুটিংয়ের বিস্তারিত সময়সূচি দেওয়া অংশে উল্লেখ নেই। ফলে কোন কাজ আগে শুরু হবে কিংবা দুটি কাজের সময় কীভাবে ভাগ করা হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পর এই বিষয়গুলি আরও পরিষ্কার হবে। মুম্বইয়ের অফার ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ নতুন ধারাবাহিকের প্রস্তুতির সঙ্গে মুম্বইয়ের কাজের অফার ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গও আলোচনায় এসেছে। দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী, সেই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় দিতিপ্রিয়া নিজের অগ্রাধিকার স্পষ্ট করেছেন। তবে তাঁর বক্তব্যের বিস্তারিত অংশ এখানে নেই। তাই নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তিগত কারণ বা শর্তকে সেই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে তুলে ধরা ঠিক হবে না। কাজ বেছে নেওয়ার সময় একজন অভিনেত্রীর কাছে নানা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। চরিত্রের ধরন, কাজের সময়সূচি, আগে থেকে নেওয়া দায়িত্ব এবং নিজের অভিনয়জীবনের পরিকল্পনা সবকিছু মিলিয়েই সিদ্ধান্ত তৈরি হয়। তবে দিতিপ্রিয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয় কতটা প্রভাব ফেলেছে, তা তাঁর নির্দিষ্ট বক্তব্য ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
আপাতত তাঁর নতুন কাজের পরিকল্পনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ধারাবাহিক ও সিরিজ দুই মাধ্যমেই অভিনয়ের সুযোগ নিয়ে তিনি এগোতে চাইছেন। এই পরিকল্পনার মধ্যে মনসার চরিত্র একটি বিশেষ আগ্রহের জায়গা তৈরি করেছে। পরিচিত মুখকে নতুন চরিত্রে দেখার প্রত্যাশাই দর্শকের কৌতূহল বাড়াচ্ছে। শুটিংয়ের সম্ভাব্য সময় জানা গেলেও সম্প্রচারের অপেক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী পুজোর পরে মনসামঙ্গল এর শুটিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সম্প্রচারের তারিখ তখনও চূড়ান্ত হয়নি। এই দুটি সময়কে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। শুটিং শুরু হওয়ার সম্ভাব্য সময় জানা মানেই ধারাবাহিক একই সময়ে সম্প্রচারিত হবে, এমন নয়। তাই দর্শকের সামনে এখন দুটি অপেক্ষা রয়েছে। প্রথমটি নতুন কাজের শুটিং ও চরিত্রের আনুষ্ঠানিক ঝলক দেখার। দ্বিতীয়টি সম্প্রচারের দিন এবং সময় জানার। সংশ্লিষ্ট ঘোষণা এলে ধারাবাহিকের যাত্রা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। নতুন কাজে প্রস্তুতির প্রকাশ দেখার অপেক্ষা দিতিপ্রিয়ার নতুন ধারাবাহিককে ঘিরে সবচেয়ে বড় আগ্রহ হল মনসার চরিত্রে তাঁর অভিনয়। চরিত্রের আবেগ, ব্যক্তিত্ব ও গল্পের বিভিন্ন মুহূর্তকে তিনি কীভাবে ফুটিয়ে তুলবেন, সেটিই দর্শকের অভিজ্ঞতা গড়ে তুলবে। পাশাপাশি ধারাবাহিক ও সিরিজের কাজের মধ্যে সময়ের ভারসাম্য কীভাবে বজায় থাকে, সেদিকেও নজর থাকবে। মুম্বইয়ের অফার ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা থাকলেও তাঁর আগামী কাজকে মূল্যায়ন করার প্রধান জায়গা হবে পর্দার অভিনয়। নতুন চরিত্রের সঙ্গে দর্শকের সম্পর্ক কতটা গভীর হয় এবং গল্পের অগ্রগতিতে সেই আগ্রহ কতটা ধরে রাখা যায়, তার উত্তর পাওয়া যাবে কাজটি সামনে এলে। আপাতত মনসামঙ্গল এ দিতিপ্রিয়ার নতুন উপস্থাপনা এবং সম্প্রচারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।