Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পুজো শেষে বেশ খানিকটা কমল সোনার দাম ১০ হাজারের বেশি কমেছে রুপোর দামও

পুজো শেষে সোনা ও রুপোর দামে পতনের খবর। সোনার দাম বেশ খানিকটা কমার পাশাপাশি রুপোর দামও নেমেছে ১০ হাজার টাকার বেশি কোন শহরে কত পরিমাণের হিসাবে এই দরপতন কেনার আগে জেনে নিন বিস্তারিত।

দুর্গাপুজো শেষে সোনা ও রুপোর দামে পতনের খবর সামনে এসেছে। এবিপি লাইভ বাংলার ২২ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির প্রকাশিত দর উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, সোনার বিভিন্ন শ্রেণির পাশাপাশি রুপোর দামও কমেছে। বিশেষভাবে নজর কেড়েছে রুপোর দরপতন। ১৬ অক্টোবরের তুলনায় ২২ অক্টোবর প্রতি কেজি রুপোর বারের দাম কমেছে ১০,৫৬৪ টাকা। এটি একদিনের দরপতনের হিসাব নয়। প্রতিবেদনে প্রকাশিত দাম অনুযায়ী খাঁটি সোনার দর প্রতি গ্রামে ১৪,২৩৬ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ১৩,৫২৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ১১,১০৫ টাকা। অন্যদিকে, প্রতি কেজি রুপোর বারের দাম হয়েছে ২,০৩,৫১৩ টাকা। এগুলি নির্দিষ্ট সূত্রে প্রকাশিত দর; সব দোকানে একই দামে কেনাবেচা হবে, এমন নয়।

২২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে উল্লেখিত দর:

ধাতু ও ধরন পরিমাণ প্রকাশিত দাম
খাঁটি সোনা ১ গ্রাম ₹১৪,২৩৬
২২ ক্যারেট সোনা ১ গ্রাম ₹১৩,৫২৫
১৮ ক্যারেট সোনা ১ গ্রাম ₹১১,১০৫
রুপোর বার ১ কেজি ₹২,০৩,৫১৩

উপরের দরে গয়না তৈরির মজুরি ও জিএসটি অন্তর্ভুক্ত নেই বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ফলে গয়না কিনতে গেলে প্রকাশিত ধাতুর দরের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ যোগ হবে। দরপতনের প্রকৃত প্রভাব বুঝতে পরিমাণের হিসাবটি গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ হিসেবে, প্রতি কেজিতে ১০,৫৬৪ টাকা কমার অর্থ একই অনুপাতে প্রতি ১০০ গ্রামে ১,০৫৬.৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রামে ১০৫.৬৪ টাকা কমা। এটি প্রকাশিত কেজিপ্রতি পতন থেকে করা গাণিতিক হিসাব দোকানের চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য নয়। সোনার ক্ষেত্রেও তুলনা করার সময় একই ক্যারেট ও একই ওজনের দর দেখতে হবে। প্রতি গ্রামের দামকে প্রতি ১০ গ্রামের দামের সঙ্গে কিংবা ১৮ ক্যারেটের দরকে ২২ ক্যারেটের দরের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করলে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। একইভাবে, রুপোর বার ও তৈরি গয়নার চূড়ান্ত খরচও আলাদা হতে পারে। যাঁরা গয়না কেনার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা দোকানের কাছ থেকে ধাতুর দাম, নিট ওজন, মজুরি এবং প্রযোজ্য করের পৃথক হিসাব চাইতে পারেন। এতে প্রকাশিত বাজারদরের সঙ্গে নিজের কেনাকাটার খরচ মিলিয়ে দেখা সহজ হবে। পুরনো গয়না বদলে নতুন গয়না নিলে পুরনো গয়নার মূল্যায়ন ও কাটতির হিসাবও আলাদা করে বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। সোনা ও রুপোর দাম কমলে গয়না কেনার খরচ কিছুটা কমার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রকাশিত বাজারদর এবং দোকানে গয়না কেনার চূড়ান্ত মূল্য এক নয়। উল্লিখিত প্রতিবেদনের দরে গয়না তৈরির মজুরি ও জিএসটি অন্তর্ভুক্ত নেই। ফলে শুধু ধাতুর দাম দেখে কেনাকাটার মোট বাজেট নির্ধারণ করলে পরে অতিরিক্ত খরচের কারণে হিসাব বদলে যেতে পারে। দরপতনের প্রভাব বোঝার জন্য প্রথমেই দেখতে হবে কত ওজনের হিসাবে দাম কমেছে। রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ১০,৫৬৪ টাকা কমার অর্থ একই অনুপাতে প্রতি ১০০ গ্রামে ১,০৫৬.৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রামে ১০৫.৬৪ টাকা কমা। অর্থাৎ, বড় পরিমাণের হিসাবে পতনের অঙ্ক বেশি দেখালেও অল্প ওজনের জিনিস কেনার ক্ষেত্রে তার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম হবে। এই হিসাবটি কেজিপ্রতি প্রকাশিত পতন থেকে করা গাণিতিক রূপান্তর কোনও নির্দিষ্ট দোকানের বিক্রয়মূল্য নয়। একইভাবে সোনার দর তুলনা করার সময় ওজনের একক মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। কোনও দোকান প্রতি গ্রামের দাম জানাতে পারে, আবার অন্য কোনও সূত্রে প্রতি ১০ গ্রামের দর উল্লেখ থাকতে পারে। সঠিক তুলনার জন্য দুটি দামকেই একই ওজনের হিসাবে আনতে হবে। তা না হলে একটি দোকানের দাম অন্যটির তুলনায় কতটা বেশি বা কম, তা বোঝা কঠিন হবে।

সোনার বিশুদ্ধতার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ১৮ ক্যারেট ও ২২ ক্যারেট সোনার দর সরাসরি তুলনা করে সস্তা বা দামি বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। কেনাকাটার সময় গয়নার ক্যারেট এবং সেই ক্যারেটের জন্য দোকান যে দর ধরছে, তা স্পষ্ট করে জেনে নিতে হবে। একাধিক দোকানের হিসাব তুলনা করলেও একই ক্যারেট ও কাছাকাছি ধরনের গয়না ধরে তুলনা করা সুবিধাজনক। গয়নার ওজনের ক্ষেত্রেও বিস্তারিত হিসাব প্রয়োজন। পাথর বা অন্য উপাদান বসানো গয়নায় মোট ওজন এবং নিট সোনার ওজন আলাদা হতে পারে। তাই বিলে ধাতুর ওজন কত ধরা হচ্ছে এবং অন্য উপাদানের মূল্য কীভাবে যোগ করা হচ্ছে, তা পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া ভালো। শুধু গয়নার মোট ওজন জানলে ধাতুর প্রকৃত খরচ সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা পাওয়া যায় না। মজুরি বা মেকিং চার্জ চূড়ান্ত খরচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দোকানের কাছে জানতে হবে এই খরচ প্রতি গ্রাম অনুযায়ী, ধাতুর মূল্যের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে, নাকি একটি নির্ধারিত অঙ্কে নেওয়া হচ্ছে। কোনও ছাড় থাকলে সেটি ধাতুর দামে, মজুরিতে নাকি অন্য কোনও অংশে প্রযোজ্য, তাও জেনে নেওয়া প্রয়োজন। এতে ছাড়ের পরে মোট কত টাকা দিতে হবে, তা সহজে বোঝা যায়। রুপোর ক্ষেত্রেও বার, কয়েন এবং তৈরি গয়নার চূড়ান্ত দাম একভাবে বিচার করা উচিত নয়। প্রকাশিত রুপোর বারের দরকে ভিত্তি করে তৈরি গয়নার সম্পূর্ণ মূল্য নির্ধারণ করা যায় না। নকশা, ওজন ও তৈরির খরচের হিসাব মিলিয়ে বিক্রেতার কাছ থেকে নির্দিষ্ট মূল্য জানতে হবে। পুরনো গয়না বদলে নতুন গয়না নেওয়ার সময় দুটি হিসাব আলাদাভাবে দেখা বিশেষ প্রয়োজন। পুরনো গয়নার ওজন ও বিশুদ্ধতার ভিত্তিতে কত মূল্য দেওয়া হচ্ছে এবং কোনও কাটতি রাখা হচ্ছে কি না, তা প্রথমে বুঝতে হবে। এরপর নতুন গয়নার ধাতুর দাম, মজুরি ও করসহ মোট খরচ দেখতে হবে। এই দুটি হিসাব স্পষ্ট থাকলে অতিরিক্ত কত টাকা দিতে হচ্ছে, তা যাচাই করা সহজ হবে। কেনাকাটার আগে একটি লিখিত মূল্যবিবরণী চাইলে পুরো হিসাব আরও পরিষ্কার হয়। সেখানে গয়নার ধরন, ক্যারেট, নিট ধাতুর ওজন, প্রযোজ্য দর, মজুরি, অন্যান্য খরচ এবং কর আলাদা করে উল্লেখ থাকলে তুলনা করতে সুবিধা হয়। সোনা বা রুপোর দাম কমার সুবিধা নিজের কেনাকাটায় কতটা পাওয়া যাচ্ছে, তা বোঝার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল এই সম্পূর্ণ হিসাব মিলিয়ে দেখা।

উদাহরণ হিসেবে, প্রতি কেজিতে ১০,৫৬৪ টাকা কমার অর্থ একই অনুপাতে প্রতি ১০০ গ্রামে ১,০৫৬.৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রামে ১০৫.৬৪ টাকা কমা। এটি প্রকাশিত কেজিপ্রতি পতন থেকে করা গাণিতিক হিসাব দোকানের চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য নয়। সোনার ক্ষেত্রেও তুলনা করার সময় একই ক্যারেট ও একই ওজনের দর দেখতে হবে। প্রতি গ্রামের দামকে প্রতি ১০ গ্রামের দামের সঙ্গে কিংবা ১৮ ক্যারেটের দরকে ২২ ক্যারেটের দরের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করলে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। একইভাবে, রুপোর বার ও তৈরি গয়নার চূড়ান্ত খরচও আলাদা হতে পারে। যাঁরা গয়না কেনার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা দোকানের কাছ থেকে ধাতুর দাম, নিট ওজন, মজুরি এবং প্রযোজ্য করের পৃথক হিসাব চাইতে পারেন। এতে প্রকাশিত বাজারদরের সঙ্গে নিজের কেনাকাটার খরচ মিলিয়ে দেখা সহজ হবে। পুরনো গয়না বদলে নতুন গয়না নিলে পুরনো গয়নার মূল্যায়ন ও কাটতির হিসাবও আলাদা করে বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। সোনা ও রুপোর দাম কমলে গয়না কেনার খরচ কিছুটা কমার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রকাশিত বাজারদর এবং দোকানে গয়না কেনার চূড়ান্ত মূল্য এক নয়। উল্লিখিত প্রতিবেদনের দরে গয়না তৈরির মজুরি ও জিএসটি অন্তর্ভুক্ত নেই। ফলে শুধু ধাতুর দাম দেখে কেনাকাটার মোট বাজেট নির্ধারণ করলে পরে অতিরিক্ত খরচের কারণে হিসাব বদলে যেতে পারে। দরপতনের প্রভাব বোঝার জন্য প্রথমেই দেখতে হবে কত ওজনের হিসাবে দাম কমেছে। রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ১০,৫৬৪ টাকা কমার অর্থ একই অনুপাতে প্রতি ১০০ গ্রামে ১,০৫৬.৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রামে ১০৫.৬৪ টাকা কমা। অর্থাৎ, বড় পরিমাণের হিসাবে পতনের অঙ্ক বেশি দেখালেও অল্প ওজনের জিনিস কেনার ক্ষেত্রে তার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম হবে। এই হিসাবটি কেজিপ্রতি প্রকাশিত পতন থেকে করা গাণিতিক রূপান্তর কোনও নির্দিষ্ট দোকানের বিক্রয়মূল্য নয়। একইভাবে সোনার দর তুলনা করার সময় ওজনের একক মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। কোনও দোকান প্রতি গ্রামের দাম জানাতে পারে, আবার অন্য কোনও সূত্রে প্রতি ১০ গ্রামের দর উল্লেখ থাকতে পারে। সঠিক তুলনার জন্য দুটি দামকেই একই ওজনের হিসাবে আনতে হবে। তা না হলে একটি দোকানের দাম অন্যটির তুলনায় কতটা বেশি বা কম, তা বোঝা কঠিন হবে।

news image
আরও খবর

সোনার বিশুদ্ধতার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ১৮ ক্যারেট ও ২২ ক্যারেট সোনার দর সরাসরি তুলনা করে সস্তা বা দামি বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। কেনাকাটার সময় গয়নার ক্যারেট এবং সেই ক্যারেটের জন্য দোকান যে দর ধরছে, তা স্পষ্ট করে জেনে নিতে হবে। একাধিক দোকানের হিসাব তুলনা করলেও একই ক্যারেট ও কাছাকাছি ধরনের গয়না ধরে তুলনা করা সুবিধাজনক। গয়নার ওজনের ক্ষেত্রেও বিস্তারিত হিসাব প্রয়োজন। পাথর বা অন্য উপাদান বসানো গয়নায় মোট ওজন এবং নিট সোনার ওজন আলাদা হতে পারে। তাই বিলে ধাতুর ওজন কত ধরা হচ্ছে এবং অন্য উপাদানের মূল্য কীভাবে যোগ করা হচ্ছে, তা পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া ভালো। শুধু গয়নার মোট ওজন জানলে ধাতুর প্রকৃত খরচ সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা পাওয়া যায় না।

 

 

 

 

Preview image