Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পুজোর বাজারে মালদহে ২৫০ কোটির ব্যবসা! উৎসবের মরশুমে খুশির হাওয়া বণিকমহলে

দুর্গাপুজোকে ঘিরে মালদহ জেলায় প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা! অষ্টমীর আগের দিন পর্যন্ত কাপড়, জুতো, প্রসাধনী-সহ বিভিন্ন দোকানে ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। উৎসবের মরশুমে বিপুল বিক্রিতে খুশির হাওয়া বণিকমহলে।

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছিল মালদহ জেলা। পুজোর আনন্দ, নতুন পোশাক, সাজগোজ এবং পরিবারের সঙ্গে উৎসব কাটানোর প্রস্তুতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছিল জেলার বিভিন্ন বাজার। বণিক মহলের দাবি, এবারের দুর্গাপুজোয় মালদহ জেলায় প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে। পোশাকের দোকান থেকে জুতোর দোকান, প্রসাধনীর বিপণি থেকে শুরু করে অন্যান্য খুচরো ব্যবসার প্রতিষ্ঠান—প্রায় সর্বত্রই ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

পুজোর কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে বাজারে যে উৎসাহ দেখা গিয়েছে, তা ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। বিশেষ করে জেলা সদর ইংলিশবাজার শহরে কেনাকাটার ব্যস্ততা ছিল সবচেয়ে বেশি। শহরের একাধিক শপিং মল, নামী ব্র্যান্ডের পোশাকের দোকান এবং বিভিন্ন বিপণিতে ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়েছিল। বণিক মহলের বক্তব্য অনুযায়ী, মানুষ এবার মন খুলে পুজোর কেনাকাটা করেছেন। তারই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যে।

মালদহের পুজোর বাজারে কেনাকাটার ধুম

দুর্গাপুজো বাঙালির কাছে শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আনন্দ, নতুনত্ব এবং সামাজিক মিলনেরও উপলক্ষ। পুজোর দিনগুলিতে নতুন পোশাক পরা, পরিবারের সদস্যদের জন্য উপহার কেনা, জুতো ও প্রসাধনীর মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করা—সব মিলিয়ে কেনাকাটার একটি বিশেষ আবহ তৈরি হয়। মালদহের বাজারেও সেই পরিচিত উৎসবের ছবি দেখা গিয়েছে।

পুজোর আগে থেকেই দোকানগুলিতে ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করে। সময় যত এগিয়েছে, কেনাকাটার ব্যস্ততাও তত বেড়েছে। অষ্টমীর আগের দিন পর্যন্ত বিভিন্ন দোকানে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বহু মানুষ শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা সারতে বাজারে এসেছেন। কেউ পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য পোশাক কিনেছেন, কেউ পুজোর সাজ সম্পূর্ণ করতে জুতো ও প্রসাধনী সংগ্রহ করেছেন। আবার অনেকেই প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি বাজার ঘুরে কেনাকাটা করেছেন।

বণিক মহলের দাবি, এবারের পুজোর বাজারে মানুষের আগ্রহ ছিল যথেষ্ট বেশি। উৎসবকে ঘিরে কেনাকাটার এই প্রবণতা জেলার ব্যবসায়িক পরিবেশকে চাঙ্গা করেছে। যদিও ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার অঙ্কটি বণিক মহলের দাবি, তবু বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি যে ব্যবসায়ীদের কাছে উৎসাহজনক ছিল, তা স্পষ্ট।

ইংলিশবাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবসার দাবি

মালদহ জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ইংলিশবাজার। পুজোর কেনাকাটার ক্ষেত্রেও শহরটির গুরুত্ব বিশেষভাবে চোখে পড়েছে। বণিক মহলের বক্তব্য, জেলায় এবারের পুজোর বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা হয়েছে ইংলিশবাজার শহরে।

শহরের বিভিন্ন শপিং মল এবং নামী ব্র্যান্ডের পোশাকের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় ছিল উল্লেখযোগ্য। পুজোর পোশাক কেনার জন্য বহু মানুষ এই দোকানগুলিতে ভিড় জমিয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বেছে নেওয়া, বিভিন্ন ডিজাইন দেখা এবং উৎসবের জন্য উপযুক্ত সাজ তৈরি করা—এসব নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন ক্রেতারা।

ইংলিশবাজারে বিভিন্ন ধরনের দোকান থাকায় ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী কেনাকাটার সুযোগ পেয়েছেন। কেউ শপিং মলে গিয়ে কেনাকাটা করেছেন, আবার কেউ পরিচিত বাজারের দোকান থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করেছেন। নামী ব্র্যান্ডের দোকানের পাশাপাশি সাধারণ পোশাকের দোকানগুলিতেও উৎসবের মরসুমে ক্রেতাদের আনাগোনা ছিল।

পুজোর বাজারে এই ব্যস্ততা শুধু ক্রেতাদের উৎসাহের ছবিই তুলে ধরে না, বরং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও উৎসবের গুরুত্বকে সামনে আনে। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে কেনাকাটার চাহিদা বাড়লে বিভিন্ন ধরনের খুচরো ব্যবসায় তার প্রভাব পড়ে। পোশাক, জুতো ও প্রসাধনীর মতো সামগ্রীর দোকানগুলিতে সেই চাহিদা বিশেষভাবে অনুভূত হয়েছে বলে বণিক মহলের দাবি।

পোশাকের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়

দুর্গাপুজোর বাজারে পোশাক কেনাকাটা বরাবরই অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। পুজোর প্রতিটি দিনেই নতুন পোশাক পরার আনন্দ অনেকের কাছে উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ছোটদের জামাকাপড় থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী এবং বয়স্কদের পোশাক—সব ক্ষেত্রেই পুজোর আগে কেনাকাটার ব্যস্ততা দেখা যায়।

মালদহের বাজারেও পোশাকের দোকানগুলিতে ক্রেতাদের ভিড় ছিল উল্লেখযোগ্য। পুজোর জন্য পছন্দের পোশাক বেছে নিতে দোকানে দোকানে ঘুরেছেন মানুষজন। পরিবারের একাধিক সদস্যের জন্য কেনাকাটা করতে অনেকেই বাজারে এসেছেন। ফলে দোকানগুলিতে ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে।

উৎসবের মরসুমে পোশাকের চাহিদা বাড়ায় ব্যবসায়ীদের কাছেও এই সময়টি গুরুত্বপূর্ণ। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় দুর্গাপুজোর আগে কেনাকাটাকে ঘিরে আলাদা উৎসাহ তৈরি হয়। মালদহের ব্যবসায়ীরাও সেই উৎসবের বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করেছেন।

তবে পোশাকের বাজারে ঠিক কোন ধরনের পোশাক সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে, তার নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। তবু বণিক মহলের সামগ্রিক ব্যবসার দাবি এবং দোকানে দোকানে ভিড়ের ছবি থেকে বোঝা যায়, পুজোর কেনাকাটায় পোশাকের দোকানগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

জুতো ও প্রসাধনীর দোকানেও জমজমাট বাজার

পুজোর সাজ সম্পূর্ণ করতে পোশাকের পাশাপাশি জুতো এবং প্রসাধনীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতো কেনা কিংবা পুজোর সাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রসাধনী সংগ্রহ করতে অনেকেই উৎসবের আগে বাজারে যান।

মালদহের বিভিন্ন জুতোর দোকান এবং প্রসাধনীর বিপণিতেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গিয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বাইরে বেরোনো, প্রতিমা দর্শন এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা থাকায় অনেকে নিজেদের সাজসজ্জার প্রস্তুতি আগেভাগে সেরে নিতে চেয়েছেন। আবার কেউ কেউ শেষ মুহূর্তে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনেছেন।

বাজারে পোশাকের পাশাপাশি জুতো ও প্রসাধনীর দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় পুজোর কেনাকাটার ব্যাপ্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। উৎসবের বাজার কোনও একটি পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং একাধিক ধরনের সামগ্রী কেনার মাধ্যমে বিভিন্ন খুচরো ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত দোকানগুলিও উপকৃত হওয়ার সুযোগ পায়।

বণিক মহলের দাবি অনুযায়ী, এবারের দুর্গাপুজোয় মালদহে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে। এই সামগ্রিক অঙ্কের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার ভূমিকা থাকলেও পৃথকভাবে পোশাক, জুতো বা প্রসাধনীর ব্যবসার নির্দিষ্ট অঙ্ক জানা যায়নি।

news image
আরও খবর

দু’দিন সপ্তমী, কেনাকাটার জন্য বাড়তি সময়

এবারের পুজোর বাজারে বাড়তি সময় পাওয়ার বিষয়টিও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ব্যবসায়ীরা। সপ্তমী দু’দিন থাকায় ক্রেতারা কেনাকাটার জন্য অতিরিক্ত সময় পেয়েছেন। ফলে পুজোর আনন্দের পাশাপাশি বাজার করার পরিকল্পনাও অনেকের কাছে সহজ হয়েছে।

পুজোর সময় একদিকে প্রতিমা দর্শন, অন্যদিকে কেনাকাটা—দুইয়ের মধ্যে সময় ভাগ করে নেওয়া অনেকের কাছেই চ্যালেঞ্জের। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে হঠাৎ কোনও দোকানে ঢুকে পছন্দের সামগ্রী কেনার প্রবণতাও দেখা যায়। সপ্তমীর বিকেলে মালদহের বাজারে সেই ছবিই চোখে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অনেকেই প্রতিমা দর্শনের ফাঁকে দোকানে ঢুকে অষ্টমীর জন্য কেনাকাটা করেছেন। কারও হয়তো কোনও পোশাক বা সামগ্রী কেনা বাকি ছিল, কেউ আবার শেষ মুহূর্তে পছন্দের জিনিস সংগ্রহ করেছেন। এর ফলে বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা বজায় ছিল।

উৎসবের সময়ে কেনাকাটার জন্য অতিরিক্ত সুযোগ পাওয়া ক্রেতাদের কাছে যেমন সুবিধাজনক, তেমনই দোকানদারদের কাছেও তা গুরুত্বপূর্ণ। বেশি সময় ধরে বাজার খোলা থাকা বা ক্রেতাদের কেনাকাটার সুযোগ বাড়লে দোকানে মানুষের উপস্থিতি ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে বাড়তি সময়ের কারণে ঠিক কতটা অতিরিক্ত ব্যবসা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সামনে আসেনি।

প্রতিমা দর্শনের সঙ্গে কেনাকাটাও

দুর্গাপুজোর সময় বাজার ও মণ্ডপ—দুই জায়গাতেই মানুষের ভিড় দেখা যায়। পুজোর দিনগুলিতে অনেক পরিবার একসঙ্গে বাইরে বেরিয়ে বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন করে। সেই সঙ্গে বাজারে ঢুকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার সুযোগও খোঁজেন অনেকে।

মালদহে সপ্তমীর বিকেলে প্রতিমা দর্শনের ফাঁকে দোকানে ঢুকে অষ্টমীর বাজার করার ঘটনাটি সেই উৎসবের পরিচিত ছবিকেই তুলে ধরে। পুজোর আনন্দের সঙ্গে কেনাকাটা জড়িয়ে থাকায় বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি একাধিক দিন ধরে বজায় ছিল।

শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার পিছনে ব্যক্তিগত পছন্দ যেমন কাজ করে, তেমনই থাকে সময়ের অভাব। অনেকেই পুজোর আগে সব কেনাকাটা শেষ করতে পারেন না। তাই সপ্তমী বা অষ্টমীর আগে বাজারে গিয়ে বাকি জিনিস কেনার প্রবণতা দেখা যায়। মালদহের বাজারেও এই ব্যস্ততা ছিল বলে জানা গিয়েছে।

এবারের পুজোয় দু’দিন সপ্তমী থাকায় ক্রেতাদের হাতে বাড়তি সময় ছিল। ফলে প্রতিমা দর্শন এবং কেনাকাটার মধ্যে সমন্বয় করার সুযোগ পেয়েছেন অনেকেই। বাজারের সামগ্রিক পরিবেশে তার প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছে বণিক মহল।

বণিক মহলের দাবি, মন খুলে কেনাকাটা করেছেন মানুষ

এবারের দুর্গাপুজোর ব্যবসা নিয়ে বণিক মহলের বক্তব্য, মানুষ মন খুলে কেনাকাটা করেছেন। সাধারণত পুজোর বাজারে ক্রেতাদের উৎসাহ, দোকানে ভিড় এবং কেনাকাটার পরিমাণ ব্যবসার পরিবেশ সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়। মালদহে বিভিন্ন ধরনের দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি সেই উৎসবমুখর পরিস্থিতিরই ইঙ্গিত দিয়েছে।

পুজোর আগে নতুন পোশাক কেনা থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহ—সব মিলিয়ে কেনাকাটার একটি বড় পরিসর তৈরি হয়। ক্রেতারা দোকানে আসায় ব্যবসায়ীদেরও ব্যস্ততা বাড়ে। বিশেষ করে জেলা সদর ইংলিশবাজারে শপিং মল ও নামী ব্র্যান্ডের দোকানে ভিড় এই প্রবণতাকে সামনে এনেছে।

তবে ব্যবসার অঙ্কের পাশাপাশি খুচরো ব্যবসার ক্ষেত্রে আরও অনেক বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতাদের পছন্দ, পণ্যের দাম, দোকানের অবস্থান এবং কেনাকাটার সুবিধা—বিভিন্ন কারণ বাজারের গতিপ্রকৃতিকে প্রভাবিত করতে পারে। এবারের পুজোয় মালদহের বাজারে যে উৎসাহ দেখা গিয়েছে, তা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হিসেবে উঠে এসেছে।

স্থানীয় ব্যবসার কাছে দুর্গাপুজোর গুরুত্ব

দুর্গাপুজো পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বড় উৎসব। এই সময়ে মানুষের কেনাকাটার আগ্রহ বাড়ে এবং বিভিন্ন ধরনের দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। পোশাক, জুতো, প্রসাধনী এবং অন্যান্য সামগ্রীর দোকানগুলির কাছে পুজোর মরসুম তাই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

মালদহের ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও দুর্গাপুজোর প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে বলে বণিক মহলের দাবি। জেলার বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের ভিড় এবং ইংলিশবাজারে কেনাকাটার ব্যস্ততা উৎসবের অর্থনৈতিক দিকটিকে তুলে ধরেছে।

তবে ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার অঙ্কটি বণিক মহলের দেওয়া হিসাব হিসেবে বিবেচ্য। এই অঙ্কের মধ্যে কোন ব্যবসায়িক ক্ষেত্র কতটা অবদান রেখেছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত বিভাজন পাওয়া যায়নি। ফলে নির্দিষ্ট কোনও দোকান বা পণ্যের বিক্রির পরিমাণ সম্পর্কে আলাদা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই।

উৎসবের আনন্দে জমজমাট মালদহের বাজার

দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে মালদহের বাজারে যে ব্যস্ততা দেখা গিয়েছে, তা উৎসবের আনন্দ এবং কেনাকাটার আগ্রহের ছবিকে সামনে এনেছে। অষ্টমীর আগের দিন পর্যন্ত দোকানে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পোশাক, জুতো, প্রসাধনী এবং অন্যান্য সামগ্রী কেনার জন্য মানুষ বাজারে এসেছেন।

জেলার সদর ইংলিশবাজারে শপিং মল ও নামী ব্র্যান্ডের দোকানে ভিড় ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দু’দিন সপ্তমী থাকায় কেনাকাটার জন্য বাড়তি সময় পাওয়ার বিষয়টিও ক্রেতাদের সুবিধা দিয়েছে। প্রতিমা দর্শনের ফাঁকে অষ্টমীর বাজার সেরে নেওয়ার ছবিও দেখা গিয়েছে।

সব মিলিয়ে বণিক মহলের দাবি, এবারের দুর্গাপুজোয় মালদহ জেলায় প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে। মানুষের উৎসবমুখর কেনাকাটা এবং বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ব্যবসায়ীদের কাছে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। পুজোর আনন্দের পাশাপাশি এই কেনাকাটার ব্যস্ততাই এবারের মালদহের বাজারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হয়ে উঠেছে।

Preview image