Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শান্তিপুরে সরকারি পুকুর ভরাট করে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ নিকাশি ব্যবস্থা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যকলোনি এলাকায় প্রায় ১৯ বিঘা সরকারি পুকুর দখল ও ভরাটের অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর দাবি পুকুরের উপর অবৈধ নির্মাণ ও গোডাউন গড়ে ওঠায় তিনটি এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে পঞ্চায়েত প্রধান ও বিজেপি বিধায়ক স্বপন কুমার দাসের কাছে অভিযোগ জানিয়ে পুকুর পুনরুদ্ধারের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মধ্যকলোনি এলাকায় একটি সরকারি পুকুরকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের আলোতেই সরকারি নির্দেশ ও আইনকে উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি পুকুর ভরাট এবং সরকারি জমি দখলের কাজ চলছে। ফলে শুধু পরিবেশের ক্ষতিই নয়, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ নিকাশি ব্যবস্থাও কার্যত ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ।

অভিযোগ অনুযায়ী, হরিপুর অঞ্চলের মধ্যকলোনিতে অবস্থিত ৮৬/৮২ নম্বর সরকারি জমির অন্তর্গত একটি বৃহৎ সরকারি পুকুর রয়েছে। সরকারি নথি অনুযায়ী, ১৬ নম্বর নৃসিংহপুর মৌজার দাগ নম্বর ১৪১৪ এবং খতিয়ান নম্বর ১৪৪৬-এর অন্তর্গত এই জলাশয়ের আয়তন প্রায় ১৯ বিঘা বলে দাবি স্থানীয়দের। বহু বছর ধরে এই পুকুরটি এলাকার জল সংরক্ষণ, কৃষিকাজ এবং নিকাশি ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অবলম্বন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সরকারি সম্পত্তির উপর শুরু হয়েছে দখলদারির অভিযোগ। এলাকাবাসীদের দাবি, প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী মাটি, ছাই এবং বিভিন্ন বর্জ্য ফেলে ধীরে ধীরে পুকুরের বড় অংশ ভরাট করেছেন। শুধু তাই নয়, পুকুরের জায়গার উপর গড়ে উঠেছে একাধিক অবৈধ নির্মাণ, ব্যবসায়িক গোডাউন এবং অন্যান্য স্থাপনা। ফলে পুকুরের স্বাভাবিক জলধারণ ক্ষমতা প্রায় নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই জলাশয়ের সঙ্গে তিনটি এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা সরাসরি যুক্ত। বর্ষাকালে কিংবা অল্প বৃষ্টিতেই এলাকার জল এই পুকুরে গিয়ে জমা হওয়ার কথা। কিন্তু পুকুরের বড় অংশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেই ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলেই সামান্য বৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে যাচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন এলাকার কৃষকরা। কৃষিজমিতে দীর্ঘ সময় ধরে জল দাঁড়িয়ে থাকায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সাধারণ মানুষও নিত্যদিনের সমস্যার মুখে পড়ছেন। রাস্তা জলমগ্ন হয়ে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, পুকুরের বর্তমান অবস্থার কারণে এলাকার একমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও বৃষ্টির সময় জল জমে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত ও পাঠদানের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এলাকাবাসীদের আরও অভিযোগ, তাঁরা বহুবার এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিশেষ করে ব্লক ল্যান্ড অ্যান্ড ল্যান্ড রিফর্মস অফিসার (BLRO)-এর কাছেও একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছে। এমনকি প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিদর্শনও করা হয়েছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। কিন্তু বাস্তবে কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে সমস্যার সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, অর্থবল এবং প্রভাব খাটিয়েই দীর্ঘদিন ধরে সরকারি পুকুর দখল করা হয়েছে। তাঁরা মনে করছেন, প্রশাসনিক উদাসীনতা এবং অতীতের দুর্বল নজরদারির কারণেই পরিস্থিতি আজ এতটা জটিল আকার ধারণ করেছে। তাঁদের মতে, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হলে আজ এই অবস্থার সৃষ্টি হত না।

এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আন্দোলনের পথে হাঁটলেন মধ্যকলোনি এলাকার মানুষ। সরকারি পুকুর পুনরুদ্ধার, অবৈধ নির্মাণ উচ্ছেদ এবং নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে তাঁরা হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। শুধু সাধারণ মানুষই নন, এলাকার কৃষকরাও এই দাবিতে সরব হয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুকুরটি পুনরুদ্ধার করা না হলে আগামী দিনে জলাবদ্ধতার সমস্যা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার সময় স্থানীয় দুই পঞ্চায়েত সদস্যও এলাকাবাসীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে সরকারি সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে সকলের একজোট হওয়া বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জানিয়েছেন, বিষয়টি নতুন নয়। অতীতেও এই সমস্যা নিয়ে BLRO-কে জানানো হয়েছিল। তবে কেন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, নতুন করে এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়ার পর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পুনরায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হবে। সরকারি জমি ও পুকুরের প্রকৃত অবস্থা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হবে।

অন্যদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন শান্তিপুরের বিজেপি বিধায়ক Swapan Kumar Das। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও দুর্নীতির কারণেই সরকারি সম্পত্তি দখলের মতো ঘটনা ঘটেছে। বিধায়কের দাবি, সরকারি জমি এবং জলাশয় সাধারণ মানুষের সম্পদ। এগুলি দখলমুক্ত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টি উত্থাপন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে জলাশয় সংরক্ষণ শুধু পরিবেশগত নয়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জলাশয় ভরাট হলে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর কমে যায়, জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পায় এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি কৃষিকাজ ও নিকাশি ব্যবস্থার উপরও এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। 

নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যকলোনি এলাকায় একটি সরকারি পুকুরকে ঘিরে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় ১৯ বিঘা আয়তনের এই সরকারি জলাশয়ের বড় অংশ ধীরে ধীরে ভরাট করে অবৈধ নির্মাণ, ব্যবসায়িক গোডাউন এবং অন্যান্য স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে শুধু সরকারি সম্পত্তিই বেদখল হয়নি, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ নিকাশি ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৬ নম্বর নৃসিংহপুর মৌজার দাগ নম্বর ১৪১৪ ও খতিয়ান নম্বর ১৪৪৬-এর অন্তর্গত এই সরকারি পুকুর বহু বছর ধরে এলাকার জল সংরক্ষণ ও নিকাশি ব্যবস্থার প্রধান ভরসা ছিল। বর্ষাকালে এবং অতিবৃষ্টির সময় আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার জল এই জলাশয়ে এসে জমা হতো। ফলে জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকত। কিন্তু অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে পুকুরের বিভিন্ন অংশে মাটি, ছাই ও নির্মাণ বর্জ্য ফেলে ভরাট করা হয়েছে। সেই জায়গাগুলিতে বর্তমানে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এই পুকুরের সঙ্গে অন্তত তিনটি এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা সরাসরি যুক্ত। পুকুরের আয়তন কমে যাওয়ায় এখন অল্প বৃষ্টিতেই বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যাচ্ছে। রাস্তা, বসতবাড়ি এবং কৃষিজমি জলমগ্ন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে কৃষকদের সমস্যা সবচেয়ে বেশি। জমিতে দীর্ঘ সময় জল দাঁড়িয়ে থাকায় চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে এবং ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।

news image
আরও খবর

স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, এলাকার একমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও বৃষ্টির সময় জল জমে যায়। স্কুল চত্বরে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াত থেকে শুরু করে পাঠদান পর্যন্ত নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বহু অভিভাবক মনে করছেন, দ্রুত নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি না হলে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

অভিযোগকারীদের বক্তব্য, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। ব্লক ল্যান্ড অ্যান্ড ল্যান্ড রিফর্মস অফিসার (BLRO)-এর কাছেও বহুবার অভিযোগ জমা পড়েছে। এমনকি প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিদর্শনও হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। ফলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এই দখলদারির অভিযোগ রয়েছে। অর্থবল ও প্রভাব খাটিয়েই দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি ও পুকুর দখল করে রাখা হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসনিক উদাসীনতা এবং পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবের কারণেই সমস্যা এতটা জটিল আকার নিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি এলাকার কৃষক, সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সামাজিক স্তরের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তাঁদের মূল দাবি, সরকারি পুকুরের প্রকৃত অবস্থান ও সীমানা চিহ্নিত করে দ্রুত দখলমুক্ত করা হোক। পাশাপাশি অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং জলাশয়কে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হোক।

উল্লেখযোগ্যভাবে, অভিযোগ জমা দেওয়ার সময় স্থানীয় শাসক ও বিরোধী শিবিরের দুই পঞ্চায়েত সদস্যও এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়ান। রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে জনস্বার্থে একসঙ্গে সরব হওয়ায় বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়েছেন, বিষয়টি অতীতেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনা হয়েছিল। তবে কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা তাঁর জানা নেই। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, নতুন করে অভিযোগ পাওয়ার পর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে BLRO-কে চিঠি পাঠিয়ে তদন্তের আবেদন জানানো হবে। সরকারি জমি ও জলাশয় পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবিও জানানো হবে।

অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন শান্তিপুরের বিজেপি বিধায়ক Swapan Kumar Das। তিনি অভিযোগ করেছেন, অতীতের দুর্নীতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার ফলেই সরকারি সম্পত্তি দখলের মতো ঘটনা ঘটেছে। বিধায়ক আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টি তুলে ধরে সরকারি জমি ও পুকুর দখলমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাশয় শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাই করে না, বরং একটি এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা, ভূগর্ভস্থ জলের পুনর্ভরণ এবং কৃষিকাজের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে কোনো সরকারি পুকুর বা জলাশয় ভরাট হয়ে গেলে তার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উপর পড়ে। জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

বর্তমানে মধ্যকলোনি এলাকার বাসিন্দাদের প্রধান দাবি, দ্রুত সরকারি সমীক্ষা করে পুকুরের প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করা হোক। অবৈধ দখলদারি ও নির্মাণের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তা অপসারণ করা হোক। পাশাপাশি পুকুর সংস্কার করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হোক যাতে এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয় এবং ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে মানুষ মুক্তি পান।

এখন দেখার বিষয়, স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কত দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। সরকারি জমি ও জলাশয় দখলমুক্ত করে পুনরুদ্ধারের দাবি কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন হরিপুরের মধ্যকলোনি এলাকার হাজারো বাসিন্দা। কারণ এই পুকুর শুধুমাত্র একটি জলাশয় নয়, বরং তিনটি এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা, কৃষিকাজ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসম্পদ। প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপই এখন এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের একমাত্র পথ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

 

 

 

 

Preview image