Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

NDA সরকারের ১২ বছর পূর্তি শান্তিপুরে বিশেষ পূজা যজ্ঞ ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে বিধায়ক স্বপন কুমার দাস

কেন্দ্রে NDA সরকারের টানা ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে নদীয়ার শান্তিপুরে বিধায়ক স্বপন কুমার দাস বিভিন্ন মন্দিরে পূজা যজ্ঞ  রক্তদান শিবির ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুস্থতা দেশবাসীর মঙ্গল এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করেন।

কেন্দ্রে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (NDA) সরকারের টানা ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও নানা ধর্মীয়, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের বিস্তার, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নকে সামনে রেখে এই বিশেষ কর্মসূচিগুলি পালন করছে ভারতীয় জনতা পার্টি ও তার সমর্থক সংগঠনগুলি।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, NDA সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মন্দির, মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারে বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুস্বাস্থ্য, দেশের অগ্রগতি, দেশবাসীর মঙ্গল এবং দেশের সুরক্ষায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গেও এই উপলক্ষে বিজেপির জনপ্রতিনিধি, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং সরকারের শুভাকাঙ্ক্ষীরা একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন। বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে বিশেষ পূজা, যজ্ঞ, প্রার্থনা এবং সামাজিক পরিষেবা কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি জনসংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নদীয়া জেলার শান্তিপুরে এদিন ব্যস্ত কর্মসূচি পালন করেন বিধায়ক স্বপন কুমার দাস। সকালে তিনি ঐতিহ্যবাহী জলেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত হয়ে বিশেষ পূজা ও হোম-যজ্ঞে অংশ নেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুস্থতা, দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করা হয়।

এরপর তিনি সর্বনন্দীপাড়ার লোকনাথ মন্দিরে গিয়ে পূজা অর্চনা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং আগামী দিনে আরও বৃহত্তর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

পরে গোবিন্দপুর এলাকার কৃত্তিকা কালী মন্দিরে গিয়ে বিশেষ পূজায় অংশ নেন বিধায়ক। মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত ভক্ত ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দেশের অগ্রগতির জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগেও অংশগ্রহণ করেন তিনি। শান্তিপুরের এক নম্বর রেলগেট সংলগ্ন ব্যবসায়িক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়ে রক্তদাতাদের উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, রক্তদান মানবতার সেবা এবং সমাজের প্রতি অন্যতম বড় দায়িত্ব।

এদিন হরিপুর পঞ্চায়েতের নীলকুঠি এলাকায় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্বোধনও করেন স্বপন কুমার দাস। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

বিধায়ক জানান, শুধু ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিই নয়, জনকল্যাণমূলক একাধিক প্রকল্প এবং দলীয় সাংগঠনিক কর্মসূচিও এই দিন পালন করা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় কর্মী বৈঠক, জনসংযোগ কর্মসূচি এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পর্যালোচনা সভারও আয়োজন করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বপন কুমার দাস বলেন, “গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত অভূতপূর্ব উন্নয়নের পথে এগিয়েছে। দেশের অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। উন্নয়নের খতিয়ান এতটাই দীর্ঘ যে একদিনে তা বলে শেষ করা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, “দেশের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকার দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। একইসঙ্গে প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ বজায় রেখে সকলের উন্নয়ন, সকলের বিশ্বাস ও সকলের প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে।”

বিধায়কের দাবি, আত্মনির্ভর ভারত, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, মেক ইন ইন্ডিয়া, উন্নত সড়ক ও রেল যোগাযোগ, আধুনিক বিমানবন্দর, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।

তিনি বলেন, “আজ ভারত বিশ্বের অন্যতম দ্রুত উন্নয়নশীল অর্থনীতি। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা, প্রতিরক্ষা এবং শিল্পোন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। দেশের যুবসমাজের মেধা ও কর্মদক্ষতার বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যার সুফল আগামী দিনে আরও বেশি করে দেখা যাবে।”

news image
আরও খবর

পশ্চিমবঙ্গে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ উন্নয়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বিত উদ্যোগে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ানো সম্ভব। জনগণের সহযোগিতা ও আশীর্বাদ থাকলে আগামী বছরগুলিতে ভারত বিশ্বের দরবারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে।

কেন্দ্রে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে নদীয়ার শান্তিপুরে দিনভর নানা ধর্মীয়, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব, নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপকে সামনে রেখেই এই বিশেষ কর্মসূচিগুলির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান বিজেপি নেতৃত্ব।

এই উপলক্ষে শান্তিপুরের বিভিন্ন মন্দিরে বিশেষ পূজা, যজ্ঞ ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। সকালে বিধায়ক স্বপন কুমার দাস ঐতিহ্যবাহী জলেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত হয়ে হোম-যজ্ঞ ও পূজায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, দেশবাসীর কল্যাণ, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সীমান্তে দেশের সুরক্ষায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর সদস্যদের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরা হয়।

জলেশ্বর মন্দিরের পর তিনি সর্বনন্দীপাড়ার লোকনাথ মন্দিরে গিয়ে পূজা অর্চনা করেন। সেখানে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে কথা বলে দেশের চলমান উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন। পরে গোবিন্দপুরের কৃত্তিকা কালী মন্দিরেও বিশেষ পূজা দেন তিনি। মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দেশের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয় এদিন। শান্তিপুরের এক নম্বর রেলগেট সংলগ্ন ব্যবসায়ী সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়ে বিধায়ক রক্তদাতাদের উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, রক্তদান একটি মহৎ মানবিক কাজ এবং সমাজের প্রতি প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। একটি ইউনিট রক্ত বহু মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে, তাই সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের আরও বেশি করে এই ধরনের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া উচিত।

এদিন হরিপুর পঞ্চায়েতের নীলকুঠি এলাকায় একটি নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্বোধনও করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের দাবি ছিল এলাকায় উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার। নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক বলেন, উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মৌলিক পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করে তোলা।

দিনভর বিভিন্ন সাংগঠনিক ও জনসংযোগমূলক কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক, উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শোনার মতো একাধিক কর্মসূচি ছিল তাঁর দিনের সূচিতে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প যেমন আবাসন, পানীয় জল, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল পরিষেবা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুফল আজ দেশের কোটি কোটি মানুষ পাচ্ছেন।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক স্বপন কুমার দাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গত ১২ বছরে ভারত বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী এবং আত্মবিশ্বাসী রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশের অর্থনীতি, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে। তাঁর মতে, উন্নয়নের এই দীর্ঘ তালিকা একদিনে বর্ণনা করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় সরকার সবসময় কঠোর অবস্থান নিয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিধর দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। বিদেশনীতি থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও ভারত নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেন তিনি।

বিধায়ক আরও জানান, যুবসমাজের মেধা ও কর্মদক্ষতার বিকাশে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। স্টার্টআপ, ডিজিটাল প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে আরও শক্তিশালী করে তোলার চেষ্টা চলছে। আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশের তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শান্তিপুরে এনডিএ সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিগুলিতে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও ছিল উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন মন্দিরে পূজা, যজ্ঞ, রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্যকেন্দ্র উদ্বোধন এবং জনসংযোগ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে। আয়োজকদের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু সরকারের সাফল্য তুলে ধরা নয়, বরং সমাজের কল্যাণ, মানবিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐক্যের বার্তাও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনসেবামূলক উদ্যোগের সমন্বয়ে শান্তিপুরে এনডিএ সরকারের ১২ বছর পূর্তি উদযাপন এক বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। দেশের উন্নয়ন, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচিগুলির আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের আশা, আগামী দিনেও দেশের অগ্রগতি ও জনকল্যাণের ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

Preview image

About Us

Lenspedia brings you verified Bengali news, breaking updates, videos, and local stories. Our mission is to provide accurate and real-time coverage of events that matter to you.

সংবাদ অন্বেষণ করুন