Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মোহিত সুরির ছবিতে রণবীর

সাইয়ারা ছবির সাফল্যের পর মোহিত সুরি নতুন গ্যাংস্টার প্রেমের গল্প নিয়ে ফিরতে চলেছেন যেখানে রণবীর কাপুরকে মুখ্য চরিত্রে ভাবা হচ্ছে এবং দুজনের মধ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক আলোচনা হয়েছে

‘সাইয়ারা’ ছবির অভাবনীয় সাফল্যের পর থেকেই পরিচালক মোহিত সুরি-র পরবর্তী কাজ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। বক্স অফিসে সাফল্য এবং দর্শকের আবেগঘন সাড়া এই নির্মাতাকে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। তাঁর ছবির বিশেষত্ব সব সময়ই আবেগ সংগীত এবং সম্পর্কের গভীরতা। সেই ধারাকেই নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চলেছেন তিনি তাঁর আসন্ন ছবিতে।

ইন্ডাস্ট্রির ঘনিষ্ঠ মহলের খবর অনুযায়ী খুব শীঘ্রই নতুন ছবির প্রাক প্রযোজনা স্তরের কাজ শুরু করবেন মোহিত সুরি। গল্পের মূল সুর এবার গ্যাংস্টারকে কেন্দ্র করে। তবে এটি শুধুমাত্র অপরাধ জগতের কাহিনি হবে না। বরং এক গ্যাংস্টারের জীবনের অন্ধকার বাস্তবতার ভেতরে প্রেমের আলো এবং সংগীতের আবেগকে জুড়ে দিয়ে তৈরি হবে এক ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা। মোহিত সুরি অতীতেও দেখিয়েছেন কীভাবে কঠিন বাস্তবতার ভেতর থেকেও প্রেমের গল্প ফুটিয়ে তোলা যায়।

এই ছবির মুখ্য চরিত্রের জন্য প্রস্তাব গিয়েছে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর কাপুর-এর কাছে। ইতিমধ্যেই পরিচালক ও অভিনেতার মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে বলে জানা গেছে। চিত্রনাট্যের বিভিন্ন দিক এবং চরিত্রের মানসিক জটিলতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রণবীর কাপুর বরাবরই চরিত্রনির্ভর অভিনয়ে আগ্রহী। তাই গ্যাংস্টারের মতো একটি ধূসর চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা এনে দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি মোহিত সুরির দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল রণবীরের সঙ্গে কাজ করার। উপযুক্ত গল্প এবং সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। ‘সাইয়ারা’ ছবির সাফল্য সেই পথ আরও মসৃণ করে দিয়েছে। পাশাপাশি প্রযোজক আদিত্য চোপড়া-র সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে সহায়ক হয়েছে বলেও ইন্ডাস্ট্রিতে আলোচনা চলছে।

রণবীর কাপুরও নাকি এই প্রস্তাব নিয়ে যথেষ্ট উৎসাহী। গ্যাংস্টার ঘরানার গল্পে প্রেম এবং সংগীতের মিশেল তাঁকে আকৃষ্ট করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হয়নি। তাই চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কিছুটা অপেক্ষা করতেই হবে।

বলিউডে গ্যাংস্টারধর্মী ছবির একটি আলাদা দর্শকশ্রেণি রয়েছে। কিন্তু সেই ধারায় প্রেম এবং আবেগের গভীরতা যুক্ত হলে গল্পের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। মোহিত সুরির দক্ষতা ঠিক সেখানেই। তিনি জানেন কীভাবে গানকে কাহিনির অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তুলতে হয়। তাঁর ছবির সাউন্ডট্র্যাক প্রায়ই আলাদা জনপ্রিয়তা পায়। ফলে নতুন ছবিতেও সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

এই মুহূর্তে সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত কি এই ছবিতে একসঙ্গে কাজ করবেন মোহিত সুরি এবং রণবীর কাপুর। যদি তা হয় তবে বলিউডে এক নতুন জুটির সূচনা হতে পারে যা দর্শকদের জন্য হবে বড় আকর্ষণ। এখন অপেক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

‘সাইয়ারা’ ছবির সাফল্য বলিউডে মোহিত সুরির অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে। আবেগ প্রেম এবং সংগীতনির্ভর গল্প বলার ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা নতুন করে প্রমাণ পেয়েছে এই ছবির মাধ্যমে। দর্শকের প্রতিক্রিয়া এবং বক্স অফিসের ফলাফল মিলিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে মোহিত সুরির গল্প বলার ধরন এখনও দর্শকের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলতে সক্ষম। সেই কারণেই তাঁর পরবর্তী ছবির ঘোষণা নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে।

ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের খবর অনুযায়ী পরিচালক এবার এমন একটি গল্প বেছে নিতে চলেছেন যেখানে বাস্তবতা ও আবেগ পাশাপাশি চলবে। গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে এক গ্যাংস্টারের জীবন। অপরাধ জগতের নিষ্ঠুরতা ক্ষমতার লড়াই এবং মানসিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ধীরে ধীরে জায়গা করে নেবে প্রেম। এই প্রেম শুধু রোমান্টিক সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং চরিত্রের ভিতরের মানবিক দিকটিকে সামনে আনবে। মোহিত সুরির সিনেমায় প্রেম বরাবরই গল্পের প্রাণ হয়ে উঠেছে আর এবার সেই প্রেম আরও জটিল এক প্রেক্ষাপটে ধরা দেবে।

এই ছবিতে সংগীতের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। মোহিত সুরির ছবির গান মানেই আলাদা আবেগ এবং দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের মনে থেকে যাওয়ার ক্ষমতা। নতুন ছবিতেও গান গল্পের সঙ্গে মিশে যাবে চরিত্রের অনুভূতি প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে। গ্যাংস্টারের জীবনের অন্ধকার অধ্যায়ের মধ্যেই গান হয়ে উঠবে স্বস্তির আশ্রয় এবং প্রেমের প্রকাশ।

এই ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব গিয়েছে রণবীর কাপুর-এর কাছে। রণবীর কাপুর এমন একজন অভিনেতা যিনি চরিত্রের গভীরতা এবং মানসিক জটিলতা ফুটিয়ে তুলতে বিশেষভাবে দক্ষ। গ্যাংস্টারের মতো একটি ধূসর চরিত্রে তাঁকে দেখার আগ্রহ দর্শকদের মধ্যেও প্রবল। পরিচালক ও অভিনেতার মধ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। চরিত্রের প্রস্তুতি গল্পের কাঠামো এবং আবেগের স্তর নিয়ে কথা হয়েছে এই বৈঠকগুলিতে।

ঘনিষ্ঠ মহলের মতে মোহিত সুরি দীর্ঘদিন ধরেই রণবীর কাপুরের সঙ্গে কাজ করতে চেয়েছিলেন। তবে সঠিক গল্প এবং উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। ‘সাইয়ারা’ ছবির সাফল্য সেই সুযোগ এনে দিয়েছে। পাশাপাশি প্রযোজক আদিত্য চোপড়া-র সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথ সহজ করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

news image
আরও খবর

রণবীর কাপুরও নাকি এই ছবির গল্প এবং পরিচালকের ভাবনাকে ইতিবাচক চোখে দেখছেন। গ্যাংস্টার ঘরানার গল্পে প্রেম এবং সংগীতের মেলবন্ধন তাঁর জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হতে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি। তাই এই জুটি বাস্তবে রূপ নেবে কি না তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

বর্তমান বলিউডে যেখানে অ্যাকশন থ্রিলার এবং বড় বাজেটের সিনেমার দাপট সেখানে মোহিত সুরির এই নতুন ভাবনা আলাদা করে নজর কাড়ছে। কারণ এখানে শুধুই বাহ্যিক উত্তেজনা নয় চরিত্রের ভিতরের লড়াই এবং আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দর্শক যারা গল্প এবং অনুভূতির সঙ্গে সংযোগ খোঁজেন তাঁদের জন্য এই ছবি হতে পারে বিশেষ আকর্ষণ।

সব মিলিয়ে বলা যায় ‘সাইয়ারা’ ছবির পর মোহিত সুরির এই সম্ভাব্য নতুন প্রজেক্ট বলিউডে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গ্যাংস্টার প্রেম সংগীত এবং রণবীর কাপুরের সম্ভাব্য উপস্থিতি এই ছবিকে ঘিরে প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা কবে এই ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে এবং দর্শক জানতে পারে এই বহু প্রতীক্ষিত জুটি সত্যিই পর্দায় আসছে কি না

‘সাইয়ারা’ ছবির সাফল্যের পর যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে তা শুধু একটি হিট ছবির পরবর্তী উত্তেজনা নয় বরং একজন পরিচালকের সৃজনশীল যাত্রার পরবর্তী অধ্যায় দেখার আগ্রহ। মোহিত সুরি বরাবরই আবেগনির্ভর গল্প বলার জন্য পরিচিত। তাঁর ছবিতে প্রেম কখনও সরল নয় বরং জটিল সম্পর্কের ভেতর দিয়ে প্রকাশ পায়। সেই ধারাকেই এবার আরও গভীর এবং অন্ধকার প্রেক্ষাপটে নিয়ে যেতে চাইছেন তিনি।

নতুন ছবির গল্পে যে গ্যাংস্টারকে কেন্দ্র করা হচ্ছে তা নিছক অ্যাকশনভিত্তিক চরিত্র নয়। এই চরিত্রের ভিতরে থাকবে দ্বন্দ্ব অপরাধবোধ ভালবাসার আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা। মোহিত সুরির ভাবনায় গ্যাংস্টার মানেই কেবল বন্দুক আর রক্ত নয় বরং এক মানুষ যার জীবনের ছায়ার ভেতরেও আলো আছে। এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই ছবিটিকে অন্যরকম করে তুলতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে মুখ্য চরিত্রের জন্য রণবীর কাপুর-এর নাম উঠে আসা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। রণবীর এর আগে একাধিক জটিল চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। মানসিক টানাপোড়েন এবং আবেগের সূক্ষ্মতা ফুটিয়ে তোলায় তিনি সিদ্ধহস্ত। ফলে গ্যাংস্টার চরিত্রে তাঁর উপস্থিতি ছবিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

পরিচালক এবং অভিনেতার মধ্যে হওয়া একাধিক বৈঠকে চরিত্রের শারীরিক ভাষা মানসিক অবস্থা এবং গল্পের আবেগঘন মুহূর্তগুলি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে চরিত্রটির জন্য বিশেষ প্রস্তুতির প্রয়োজন হতে পারে যার মধ্যে থাকবে শারীরিক রূপান্তর এবং মানসিক প্রস্তুতি। রণবীর কাপুর সাধারণত নিজের চরিত্রের জন্য সময় নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন তাই এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রস্তুতির দিক থেকেও তা উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

প্রযোজক হিসেবে আদিত্য চোপড়া-র সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার কথাও ইন্ডাস্ট্রিতে ঘুরছে। তাঁর প্রযোজনায় তৈরি ছবিগুলি সাধারণত বৃহৎ পরিসরে নির্মিত হয় এবং সংগীতের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে যদি এই প্রকল্প তাঁর ছত্রছায়ায় এগোয় তবে ছবির পরিসর আরও বড় হতে পারে।

সংগীত এই ছবির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে চলেছে। মোহিত সুরির পূর্ববর্তী ছবিগুলির গান যেমন দর্শকের মনে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা করে নিয়েছে তেমনই নতুন ছবিতেও গান গল্পের আবেগকে বহন করবে। গ্যাংস্টারের জীবনের কঠিন বাস্তবতার মাঝেও প্রেমের অনুভূতি প্রকাশ পাবে সুর আর কথার মাধ্যমে। গান শুধু বিনোদন নয় বরং চরিত্রের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশের ভাষা হয়ে উঠবে।

বর্তমান সময়ে বলিউডে যে ধরনের কনটেন্ট দর্শক খুঁজছেন তার মধ্যে বাস্তবতা আর আবেগের সংমিশ্রণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সেই দিক থেকে এই সম্ভাব্য ছবিটি বাণিজ্যিক এবং সমালোচনামূলক দুই ক্ষেত্রেই সফল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে রণবীর কাপুরের চূড়ান্ত সম্মতির উপর।

যদি এই জুটি একসঙ্গে কাজ করেন তবে তা হবে এক বহুল প্রতীক্ষিত সহযোগিতা। মোহিত সুরির আবেগঘন নির্মাণশৈলী এবং রণবীর কাপুরের অভিনয় দক্ষতা মিলিয়ে তৈরি হতে পারে এক স্মরণীয় চলচ্চিত্র অভিজ্ঞতা। এখন দর্শক এবং ইন্ডাস্ট্রি উভয়ের চোখ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে। সময়ই বলবে এই সম্ভাবনা কতটা বাস্তব রূপ পায় এবং বলিউডে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয় কি না।

Preview image