রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনের সম্পর্ক, সময়ের সঙ্গে তাঁদের বন্ধুত্বে বদল এবং দলের সিনিয়র দুই তারকার পারস্পরিক সমীকরণ নিয়ে মুখ খুললেন রোহিত।
রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি—ভারতীয় ক্রিকেটের দুই অন্যতম পরিচিত এবং সফল তারকা। দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাশাপাশি খেলেছেন তাঁরা। এক সময়ের দুই জুনিয়র ক্রিকেটার আজ ভারতীয় দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং সিনিয়র ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম। মাঠে তাঁদের পারফরম্যান্স যেমন ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর কেড়েছে, তেমনই তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়েও বরাবরই ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে। এবার বিরাট কোহলির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক, দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্ব এবং জনপ্রিয় ‘রো-কো’ জুটি নিয়ে মুখ খুললেন রোহিত শর্মা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচের আগে ‘জিয়োহটস্টার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোহিত শর্মা তাঁদের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেছেন। একই সঙ্গে উঠে এসেছে ‘রো-কো’ নামটির প্রসঙ্গ, কী ভাবে এই নাম জনপ্রিয় হয়েছিল, প্রথম বার সেই নাম শুনে তাঁদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল এবং এত বছর পরেও তাঁদের বন্ধুত্ব কী ভাবে একই রকম রয়েছে।
ভারতীয় ক্রিকেটে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির নাম দীর্ঘদিন ধরেই পাশাপাশি উচ্চারিত হয়ে আসছে। দু’জনের খেলার ধরন আলাদা হলেও ভারতীয় দলের হয়ে তাঁদের লক্ষ্য ছিল একই—দেশের হয়ে ভালো খেলা এবং দলকে জেতানো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাঁদের পারফরম্যান্স ভারতীয় দলের সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিকে একসঙ্গে বোঝাতে সম্প্রচারকারী সংস্থার পক্ষ থেকে ‘রো-কো’ নামটি ব্যবহার করা শুরু হয়। পরে সেই নাম ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যেও জনপ্রিয় হয়ে যায়। দুই তারকাকে একসঙ্গে নিয়ে তৈরি এই সংক্ষিপ্ত নামটি নিয়ে তাঁদের নিজেদেরও মজার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
রোহিত জানিয়েছেন, প্রথম দিকে টেলিভিশনে ‘রো-কো’ নামটি দেখলে তাঁরা নিজেরাও হাসতেন। তাঁর কথায়, সেই সময় তাঁরা হয় অস্ট্রেলিয়ায় খেলছিলেন, অথবা কোনও সিরিজ় শেষ করে ভারতে ফিরেছিলেন। টেলিভিশনে এই নামটি দেখানো হলে বিষয়টি তাঁদের কাছে বেশ মজার লাগত।
রোহিতের বক্তব্য অনুযায়ী, ক্রিকেট সম্প্রচারে দর্শকদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য এই ধরনের নাম বা উপস্থাপনা ব্যবহার করা হয়। ‘রো-কো’ নামটিও ধীরে ধীরে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। দুই ক্রিকেটারের দীর্ঘ সময়ের পারফরম্যান্স এবং জনপ্রিয়তার কারণে নামটি ভক্তদের কাছেও পরিচিত হয়ে ওঠে।
সম্প্রতি বিরাট কোহলিও ‘রো-কো’ প্রসঙ্গে নিজের মত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যেও মজার বিষয়টি উঠে এসেছে। কোহলির মতে, ‘রো-কো’ শুনতে ভালো লাগে এবং মানুষও এই নামটি পছন্দ করেন। এখন তাঁরা মূলত একটি ফরম্যাটে খেলছেন বলে সম্প্রচারকারীরা এই নামটি বার বার ব্যবহার করেন।
রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু হয় কাছাকাছি সময়ে। রোহিতের আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় ২০০৭ সালে। বিরাট কোহলি জাতীয় দলে আসেন ২০০৮ সালে। অর্থাৎ খুব বেশি সময়ের ব্যবধান ছিল না তাঁদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশের মধ্যে।
দু’জনেই ধীরে ধীরে ভারতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন। সময়ের সঙ্গে তাঁদের দায়িত্ব বেড়েছে। দলের তরুণ ক্রিকেটার থেকে তাঁরা পরিণত হয়েছেন দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ক্রিকেটারে।
রোহিত জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকেই তাঁদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল। তাঁদের খেলার ধরন আলাদা হলেও ভারতীয় দলের জন্য নিজেদের সেরাটা দেওয়ার ক্ষেত্রে দু’জনের লক্ষ্য একই ছিল।
রোহিতের কথায়, দু’জনের মধ্যে বন্ধুত্ব রয়েছে এবং সেই বন্ধুত্ব এখনও অটুট। দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের ক্রিকেটজীবনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বহু উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়েছেন তাঁরা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের মৌলিক জায়গায় কোনও পরিবর্তন হয়নি বলেই জানিয়েছেন রোহিত।
ক্রিকেটপ্রেমীরা জানেন, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির ব্যাটিংয়ের ধরন এক নয়। রোহিত তাঁর সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় ওপেনার হিসেবে পরিচিত। অন্য দিকে বিরাট কোহলি দীর্ঘ সময় ধরে রান তাড়া করার ক্ষেত্রে তাঁর ধারাবাহিকতার জন্য পরিচিত হয়েছেন।
দু’জনের ব্যাটিং পদ্ধতি আলাদা হলেও দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের ভূমিকা পালন করেছেন তাঁরা। ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁদের জুটি শুধু বন্ধুত্বের কারণে নয়, মাঠের পারফরম্যান্সের কারণেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রোহিতের বক্তব্যে সেই বিষয়টিই উঠে এসেছে। তাঁর মতে, দু’জনের খেলার ধরন আলাদা হলেও দেশের হয়ে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার লক্ষ্য একই ছিল।
বিরাট কোহলির ক্রিকেট মানসিকতা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন রোহিত শর্মা। তাঁর মতে, ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য কোহলি যা করেছেন, তা সকলের সামনে রয়েছে। প্রথম দিন থেকেই দলের হয়ে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।
রোহিতের বক্তব্য অনুযায়ী, কোহলির মধ্যে শুরু থেকেই একটি বিষয় একই রয়েছে—দলকে জেতানোর ইচ্ছা। এখনও তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেন, মাঠে নামেন এবং দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে চান।
দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবনে কোহলির ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি তাঁর আগ্রাসী মানসিকতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক মনোভাবও বার বার আলোচনায় এসেছে। রোহিতের বক্তব্যে সেই একই মানসিকতার কথাই উঠে এসেছে।
রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির ক্রিকেটজীবন শুধু কয়েকটি সিরিজ বা কয়েকটি ম্যাচে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় দলের অংশ ছিলেন। একাধিক প্রজন্মের ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলেছেন। দলের তরুণ ক্রিকেটারদের আসতে এবং পুরনো ক্রিকেটারদের অবসর নিতে দেখেছেন।
এই দীর্ঘ পথচলার ফলে তাঁদের অভিজ্ঞতাও বেড়েছে। একটা সময় তাঁরা ছিলেন দলের অপেক্ষাকৃত নতুন ক্রিকেটার। এখন তাঁরা দলের সিনিয়র মুখগুলির মধ্যে অন্যতম।
ভারতীয় ক্রিকেটে এই ধরনের দীর্ঘস্থায়ী ক্যারিয়ার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন ক্রিকেটার শুধু নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই নয়, দলের পরিবেশ এবং নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের সঙ্গেও নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।
রোহিত শর্মা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে বিরাট কোহলির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব এখনও অটুট। ক্রিকেটে দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকার ফলে তাঁদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। মাঠের পরিস্থিতি, দলের প্রয়োজন এবং ক্রিকেটের নানা বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বোঝাপড়ার জায়গাটি দীর্ঘদিনের।
ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ থাকলেও রোহিতের বক্তব্যে মূলত তাঁদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং পেশাদার সম্পর্কের বিষয়টিই উঠে এসেছে।
একই সঙ্গে দু’জনের মধ্যে যে পারস্পরিক সম্মান রয়েছে, তাঁদের দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনেও তার প্রতিফলন দেখা যায়।
‘রো-কো’ নামটি মূলত সম্প্রচার থেকে জনপ্রিয় হলেও পরবর্তীতে এটি ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে একটি পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছে। রোহিত ও কোহলির দীর্ঘ সময়ের উপস্থিতি এই নামটিকে আরও পরিচিত করেছে।
দু’জনকে একসঙ্গে মাঠে দেখার জন্য ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আগ্রহ রয়েছে। তাঁদের ব্যাটিং, দলের প্রতি দায়িত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে এই জুটি ভারতীয় ক্রিকেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত।
এখন তাঁদের ক্রিকেটজীবনের নতুন পর্যায়ে ‘রো-কো’ প্রসঙ্গ আরও বেশি আলোচনায় আসছে। বিশেষ করে তাঁরা বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে খেলায় প্রতিটি ম্যাচে তাঁদের উপস্থিতি আরও বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠছে।
রোহিতের সাক্ষাৎকারে শুধু বর্তমান সম্পর্কের কথা নয়, তাঁদের ক্রিকেটজীবনের শুরুর সময়ের কথাও উঠে এসেছে। ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে জাতীয় দলে প্রবেশ করার পর থেকে তাঁরা ধীরে ধীরে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছেন।
একসঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে তাঁদের ক্রিকেটজীবনের অনেক স্মৃতিই পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। সিরিজ়, সফর, ড্রেসিংরুম, অনুশীলন এবং ম্যাচ—সব ক্ষেত্রেই তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।
রোহিতের বক্তব্য অনুযায়ী, এত বছর পরেও সেই পুরনো বোঝাপড়া এবং বন্ধুত্বের জায়গাটি রয়েছে।
ভারতীয় ক্রিকেটের সাম্প্রতিক ইতিহাসে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি দু’জনই গুরুত্বপূর্ণ নাম। ব্যাটার হিসেবে দু’জনেরই দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার রয়েছে। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেছেন এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অংশ ছিলেন।
রোহিত ওপেনার হিসেবে এবং কোহলি বিভিন্ন ব্যাটিং পজিশনে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দুই ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান এবং দীর্ঘ ক্যারিয়ার তাঁদের অবস্থানকে বিশেষ করে তুলেছে।
তবে রোহিতের এই সাক্ষাৎকারে পরিসংখ্যানের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত বোঝাপড়া এবং বন্ধুত্বের বিষয়টি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচের আগে রোহিত শর্মার এই বক্তব্য সামনে এসেছে। ফলে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ম্যাচের আগে দলের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সম্পর্ক এবং তাঁদের পারস্পরিক বোঝাপড়া নিয়ে এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশেষ করে ‘রো-কো’ জুটির প্রসঙ্গটি ভক্তদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে। কারণ এই নামটি বহু বছর ধরে ভারতীয় ক্রিকেট সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত।
রোহিতের বক্তব্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশগুলির একটি হল কোহলির মানসিকতা নিয়ে তাঁর মন্তব্য। রোহিত জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকে কোহলির মধ্যে দলকে জেতানোর ইচ্ছা তিনি দেখতে পেয়েছেন। সময়ের সঙ্গে সেই জায়গায় তিনি বড় কোনও পরিবর্তন দেখেননি।
অর্থাৎ দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পরেও দলের হয়ে নিজের সেরাটা দেওয়ার যে মানসিকতা কোহলির মধ্যে ছিল, রোহিতের মতে তা এখনও রয়েছে।
এই মন্তব্যের মাধ্যমে রোহিত মূলত কোহলির দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনের একটি ধারাবাহিক বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরেছেন।
প্রায় ২০ বছর ধরে একসঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থাকার পর দুই ক্রিকেটারের সম্পর্কের মধ্যে কোনও পরিবর্তন এসেছে কি না—এই প্রশ্নটি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। রোহিতের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের বন্ধুত্ব এখনও অটুট।
অবশ্য দীর্ঘ সময় ধরে একই দলের হয়ে খেললে সম্পর্কের বিভিন্ন পর্যায় আসতেই পারে। কিন্তু রোহিত জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম দিকের যে বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল, সেটি এখনও রয়েছে।
এটি ভারতীয় ক্রিকেটের ড্রেসিংরুমের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের একটি দিকও তুলে ধরে।
ভারতীয় ক্রিকেটে খুব কম জুটিই রয়েছে যাদের নিয়ে এত দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়েছে। রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির ক্ষেত্রেও একই বিষয় দেখা যায়।
একদিকে তাঁদের ব্যাটিং, অন্যদিকে তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক—দুই বিষয়ই ক্রিকেটপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে। ‘রো-কো’ নামটি সেই জনপ্রিয়তারই একটি অংশ।
রোহিতের সাম্প্রতিক বক্তব্য সেই পুরনো আলোচনাকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।
রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ক্রিকেটজীবন প্রায় দুই দশকের পথ পেরিয়েছে। জাতীয় দলে তাঁদের অভিষেকের মধ্যে মাত্র এক বছরের ব্যবধান। এক সময়ের তরুণ ক্রিকেটাররা এখন ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ মুখগুলির মধ্যে অন্যতম।
‘রো-কো’ নামটি প্রথমে সম্প্রচারকারীদের তৈরি করা একটি জনপ্রিয় শব্দ হলেও সময়ের সঙ্গে এটি ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে। প্রথম বার সেই নাম শুনে তাঁদের হাসি পাওয়া থেকে শুরু করে এখনও সেই নাম শুনে মজা লাগা—রোহিতের বক্তব্যে সেই বিষয়টিও উঠে এসেছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিরাট কোহলির সঙ্গে নিজের বন্ধুত্ব নিয়ে রোহিত শর্মা জানিয়েছেন যে তাঁদের সম্পর্ক এখনও অটুট। পাশাপাশি কোহলির ক্রিকেট মানসিকতা নিয়েও তাঁর বক্তব্য স্পষ্ট—দলের হয়ে সেরাটা দেওয়া এবং ভারতকে জেতানোর চেষ্টা তাঁর মধ্যে প্রথম দিন থেকেই ছিল এবং রোহিতের মতে এখনও সেই মানসিকতা রয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচের আগে রোহিতের এই মন্তব্য তাই নতুন করে ‘রো-কো’ জুটিকে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। দুই ক্রিকেটারের দীর্ঘ ক্রিকেটযাত্রা, বন্ধুত্ব, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং ভারতীয় দলের হয়ে তাঁদের অবদান—সব মিলিয়ে এই সাক্ষাৎকারের বিষয়গুলি ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আগ্রহের।