Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

আবার দলকে জেতালেন সমীর মুম্বইকে হারিয়ে আইপিএলের শীর্ষে দিল্লি দাম পেল না সূর্যকুমারের অর্ধশতরান

আগের ম্যাচে করেছিলেন অপরাজিত ৭০। এই ম্যাচে করলেন ৯০। দুই ম্যাচে সমীর রিজ়ভির দুই ইনিংস আইপিএলের শীর্ষে তুলে দিল দিল্লি ক্যাপিটালসকে। ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারাল তারা।

অপরাজিত সমীর রিজ়ভি: দিল্লি ক্যাপিটালসের শীর্ষে উঠল দুই ম্যাচের দাপট

এ বছরের আইপিএলে সমীর রিজ়ভির অসাধারণ পারফরম্যান্স দিল্লি ক্যাপিটালসকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আগের ম্যাচে অপরাজিত ৭০ রান করার পর, এবার ৯০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান সমীর। তার এই দাপটপূর্ণ ইনিংসের মাধ্যমে দিল্লি ক্যাপিটালস মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে। দিল্লির দলের রান রেটও এখন বেশ ভালো জায়গায় রয়েছে।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স প্রথমে ব্যাট করে ১৬২/৬ রান তুলেছিল। কিন্তু দিল্লি তাদের লক্ষ্য ১১ বল বাকি থাকতে পূর্ণ করে ফেলে, যদিও শুরুতে তারা বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। কোটলার মাঠে ১৬৩ রান তোলা আসলে খুব বড় কিছু নয়, তবে দিল্লি শুরুতে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল। প্রথম ম্যাচের মতো এবারও ব্যর্থ হন কেএল রাহুল, তিনি মাত্র ১ রান করে দীপক চহরের বলে আউট হন। এরপর দ্বিতীয় ওভারে নীতীশ রানাও আউট হন। দিল্লির সামনে তখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল।

তবে দিল্লির ভাগ্য ঘুরে দাঁড়ায় পাথুম নিসঙ্ক এবং সমীরের ওপর নির্ভর করে। বিশেষ করে নিসঙ্ক শুরুতে ছিলেন আগ্রাসী, চহর এবং স্যান্টনারকে ভালোভাবে আক্রমণ করেন। এরপর হঠাৎ করে দিল্লির রান তোলার গতি কমে যায়, যেখানে তিন ওভারে মাত্র ১৫ রান আসে। নিসঙ্ক ৪৪ রান করে ফিরে যান স্যান্টনারের বলে, কিন্তু এরপর সমীর রিজ়ভি পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দেন। তার একের পর এক বড় শট, বশ এবং শার্দূলের ওপর চড়াও হয়ে, দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যান।

সমীরের ৭টি চার এবং ৭টি ছয়ের সাহায্যে ৫১ বলের মধ্যে ৯০ রান করে দিল্লিকে জয় এনে দেন। শেষ পর্যন্ত ডেভিড মিলার অপরাজিত ২১ রান করে দলকে জয়ী করেন।

এদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সও বেশ কিছু ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। অসুস্থতার কারণে হার্দিক পান্ডিয়া খেলতে পারেননি, এবং তার জায়গায় নেতৃত্ব দেন সূর্যকুমার যাদব। দিল্লির অধিনায়ক অক্ষর পটেল টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন, যা পরবর্তীতে ফলপ্রসূ হয়। মুম্বইয়ের ব্যাটসম্যানরা যথাসম্ভব রান তোলার চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই সফল হতে পারেননি। রোহিত শর্মা এবং রায়ান রিকেলটন রান পেলেও, এ দিন ব্যর্থ হন তিলক বর্মা এবং রিকেলটন।

যতটুকু সম্ভব, মুম্বইয়ের ব্যাটিং ছিল অত্যন্ত খারাপ। এমনকি দলের ভরসাযোগ্য ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মাও পুরোপুরি নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। কিন্তু দিল্লির বোলিং আক্রমণ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল, বিশেষ করে মুকেশ কুমারের দুই উইকেট তাদের চাপে ফেলেছিল।

অতএব, এই ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের গতি এবং তাদের দলের পারফরম্যান্স দেখিয়ে দিয়েছে যে তারা এবারের আইপিএলের জন্য শক্তিশালী দল হয়ে উঠতে পারে। তাদের হারানো সম্ভব নয় যদি তারা এইভাবে ধারাবাহিকভাবে খেলে।

তবে আইপিএল আরও চমকপ্রদ হতে পারে, কারণ এখন কিছু খবর এসেছে যে কামিন্স দেশের জন্য ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও তার শারীরিক অবস্থা এবং পারফরম্যান্সের ব্যাপারে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে, তবে তার এই আচমকা প্রত্যাহার আইপিএলের জন্য কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। কামিন্সের মতো একজন প্রফেশনাল ক্রিকেটার যদি ছেড়ে চলে যান, তবে সেটা তার দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। আইপিএলের চলমান শিরোনামে, কি এই ধরনের খবরে দলের প্রভাব পড়বে, তা সময়ই বলে  

আইপিএল ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যে একটি দারুণ লড়াই দেখেছিল ক্রিকেট প্রেমীরা। দিল্লির দল ঘরের মাঠে মুম্বইকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে এবং সমীর রিজ়ভি তার অবিশ্বাস্য ব্যাটিং পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ম্যাচের পরিস্থিতি পাল্টে দেন।

প্রথম ইনিংসে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১৬২/৬ রান তুলেছিল। দিল্লির বোলাররা ভালো বোলিং করলেও মুম্বইয়ের ব্যাটিং শক্তি তাদের রান সংগ্রহে সহায়ক ছিল। তবে, ১৬৩ রান তোলা কোনো বিরাট কাজ ছিল না কোটলার মাঠে, যেখানে চাপে পড়ে প্রথমেই দিল্লি দুটি উইকেট হারিয়ে বসেছিল। কেএল রাহুল আবার ব্যর্থ হন এবং মুম্বই বোলারদের চাপে দিল্লি বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়। কিন্তু তারপরেই দলের জন্য নেমে আসেন পাথুম নিসঙ্ক এবং সমীর রিজ়ভি, যাদের অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স দিল্লিকে ম্যাচের মধ্যে ফেরায়।

সমীর রিজ়ভি ছিলেন দলের মূল খেলোয়াড়। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও তার ব্যাটিং ছিল অনবদ্য। তিনি ৫১ বলের মধ্যে সাতটি চার এবং সাতটি ছয়ের সাহায্যে অপরাজিত ৯০ রান করেন। তাঁর দুর্দান্ত ইনিংসের কল্যাণে দিল্লি ক্যাপিটালস মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারাতে সফল হয়। এটি দিল্লির দলকে আইপিএলের শীর্ষে উঠতে সাহায্য করে, যেখানে দলটির রান রেটও ভালো জায়গায় পৌঁছায়।

মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দিল্লির দল প্রথমে চাপে পড়ে গেলেও পরে সমীর এবং নিসঙ্কের পারফরম্যান্সে দলের আশা জাগে। ১৬৩ রান তোলা এমন একটি পিচে তাড়াহুড়ো না করে শান্তভাবে খেলে দিল্লি তাদের লক্ষ্য অর্জন করে এবং মুম্বইয়ের বিপক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় পায়। এই ম্যাচে দিল্লির বোলাররা কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন এবং সফলভাবে মুম্বইয়ের ব্যাটিং শক্তিকে সীমাবদ্ধ রাখতে সক্ষম হন।

এর আগে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলও সমস্যার মুখে পড়েছিল। হার্দিক পাণ্ড্য অসুস্থ থাকায় তিনি এই ম্যাচে খেলতে পারেননি এবং সূর্যকুমার যাদব নেতৃত্ব দেন। দিল্লির অধিনায়ক অক্ষর পটেল টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন এবং তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণিত হয়। মুম্বইয়ের ব্যাটসম্যানরা একে একে আউট হতে থাকেন, এবং মুম্বই শুরুর ধাক্কাতেই চাপে পড়ে যায়। মুকেশ কুমার বিশেষভাবে প্রভাবশালী ছিলেন এবং তার বোলিংয়ে মুম্বইয়ের দুই ওপেনারকে দ্রুত সাজঘরে ফিরিয়ে দিলেন।

একটি দারুণ বোলিং পারফরম্যান্স এবং সমীর রিজ়ভির অসাধারণ ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে দিল্লি ক্যাপিটালস একটি বড় জয় পায় এবং আইপিএলের টেবিলে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করে তোলে।

এদিকে, কামিন্স ভারত আসলেও বেশ কিছু কারণে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যা আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য একটি বড় ধাক্কা। এই পরিবর্তন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলকে আইপিএল ২০২৬-এ তাদের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করবে।

এখন, দিল্লি ক্যাপিটালসের সমীর রিজ়ভি এবং অন্যান্য খেলোয়াড়দের জন্য আইপিএলের শীর্ষে অবস্থান ধরে রাখা এক বড় চ্যালেঞ্জ। তারা আগামী ম্যাচগুলোতে আরও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশা করছে 

দিল্লি ক্যাপিটালসের অসাধারণ জয়: সমীর রিজ়ভির অপরাজিত ৯০ রানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারাল

news image
আরও খবর

আইপিএলের এবারের মরসুমে দিল্লি ক্যাপিটালস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যে এই ম্যাচটি বেশ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। আগের ম্যাচে অপরাজিত ৭০ রানের ইনিংস খেলা সমীর রিজ়ভি এবার আরও একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন, যেটি দিল্লি ক্যাপিটালসের ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে দিল্লির রান রেটও চমৎকার জায়গায় পৌঁছে যায়, যা টুর্নামেন্টে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করে।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দিল্লি ক্যাপিটালসের এই জয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ১৬২/৬ তুলেছিল। যদিও কোটলার মাঠে ১৬৩ রান তোলা খুব একটা বড় ব্যাপার নয়, তবে শুরুতেই ২ উইকেট হারিয়ে দিল্লি চাপে পড়ে গিয়েছিল। কেএল রাহুল, যিনি আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে রান করেছেন, তিনি এবারও ব্যর্থ হন। প্রথম ওভারেই দীপক চহরের বলে তিনি আউট হয়ে যান। রাহুলের এই ফর্ম দিল্লির জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। দিল্লি পরে দ্বিতীয় ওভারেই নীতীশ রানাকেও হারায়। বুমরাহর বলে এক রান নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন নীতীশ, কিন্তু বুমরাহ তৎক্ষণাৎ উইকেট ভেঙে দেন।

৭ রানে ২ উইকেট পড়ার পর, দিল্লিকে উদ্ধার করেন পাথুম নিসঙ্ক এবং সমীর। নিসঙ্ক শুরুতে আক্রমণাত্মক খেলছিলেন, তবে পরে সমীর রিজ়ভি খেলার গতি বাড়ান। নিসঙ্ক স্যান্টনারের বিরুদ্ধে দু’টি চার মারেন এবং পরের ওভারে শার্দূল ঠাকুরের বলে এক ছয় এবং দুটি চার মারেন। দিল্লির এই আক্রমণাত্মক মনোভাব মুম্বইয়ের বোলিংকে চাপ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image