Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বিশ্বকাপ জেতানো সঞ্জুর ক্রিকেটজীবন খাদের কিনারায় ছিল বললেন গম্ভীর কী বলেছিলেন সচিন জানালেন স্যামসন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন। সেই সঞ্জু স্যামসন জানালেন, কোলাহল থেকে দূরে থাকতে এক মাস ফোন বন্ধ রেখেছিলেন। সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে কী কথোপকথন হয়েছিল তা-ও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখ থেকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন। অথচ নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ের পর ভাবতেই পারেননি জীবনে এমন দিন আসতে পারে। সঞ্জু স্যামসন জানালেন, কোলাহল থেকে দূরে থাকতে এক মাস ফোন বন্ধ রেখেছিলেন। ব্যাটিংয়ের ধরন বদলাতেই সাফল্য পেয়েছেন। সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে কী কথোপকথন হয়েছিল তা-ও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখ থেকে। এ দিকে, গৌতম গম্ভীর জানিয়েছেন, তাঁর ক্রিকেটজীবন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়েছিল। সোমবার তিরুঅনন্তপুরমে ফিরেছেন সঞ্জু। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন কেরলের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবনকুট্টি। হাজার হাজার সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন বিমানবন্দরের বাইরে। ‘সঞ্জু, সঞ্জু’ চিৎকারে তাঁরা ভরিয়ে দেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জু বলেন, “সমাজমাধ্যম কী ভাবে ব্যবহার করতে হবে তা সকলের জানা উচিত। সমাজমাধ্যম থেকেই জানতে পারি লোকে আমায় কতটা ভালবাসে। তবে ব্যর্থ হলে বুঝে নিতে হবে কী আসতে চলেছে। আমি ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলাম যাতে বাইরের আওয়াজ না শোনা যায়। দেশে বিশ্বকাপ হলে বাইরে থেকে প্রচুর আওয়াজ শোনা যাবে। তাই ফোন বন্ধ রেখে ক্রিকেটে মনোযোগ দিয়েছি।” ম্যাচের পর গম্ভীরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ২০১১-র বিশ্বকাপজয়ী দলের যুবরাজ সিংহের সঙ্গে সঞ্জুর তুলনা করা চলে কি না? গম্ভীর বলেন, “দু’জনের তুলনা করা উচিত নয়। যে ফর্মে সঞ্জু ছিল সেখান থেকে ফিরে এসে টানা তিনটে ম্যাচে ও রকম খেলা কল্পনা করা যায় না। কতটা চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং সাহস থাকলে ও রকম খেলা যায়, বিশেষ করে যখন আপনি জানেন ক্রিকেটজীবন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।” নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ের পরেই ব্যাটিংয়ের দর্শন বদলে ফেলেছিলেন সঞ্জু। বলেছেন, “আগে প্রতিটা বলে মারতে যেতাম। সেটা কাজে লাগেনি। ব্যর্থতা থেকে শিখেছি। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ়ে স্ট্রাইক রেট বাড়াতে চেয়েছিলাম। সেটাও পারিনি। তাই পরেই নিজের ব্যাটিংয়ের ধরন পাল্টে ফেলি।” যদি সেই কৌশল ফাঁস করেননি সঞ্জু। er ekta bhalo long description dau banglate 8500 words er madhe er ekta bhalo long description 8500 words er dao anek bhalo

এটা বিশাল পরিমাণের লেখা। 8500 শব্দের একটি দীর্ঘ বিবরণ তৈরি করা সম্ভব, কিন্তু এখানে আপনার পছন্দ অনুযায়ী যদি কোনও নির্দিষ্ট দিক বা ধারণা থাকে যা আপনি চান, তাহলে আমি আরও সংক্ষিপ্ত এবং কার্যকরভাবে আপনার জন্য লেখাটি তৈরি করতে পারব। আপনি কি সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটিং স্টাইল, তার ব্যক্তিগত যাত্রা, বা অন্য কোনও বিষয়ের উপর নির্দিষ্টভাবে জানতে চান?

আপনার দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আমি লেখাটি তৈরি করতে পারব। 

ভারতীয় ক্রিকেটের উজ্জ্বল তারকা সঞ্জু স্যামসন সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেরা ক্রিকেটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ, এই অর্জন পর্যন্ত পৌঁছাতে তাকে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজের পর সঞ্জু স্যামসনের ক্রিকেট জীবন একেবারে অন্য মোড় নেয়। এমনকি, সারা বিশ্বের ক্রিকেট সমর্থকদের জন্য তিনি এক নতুন প্রেরণা হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছেন। সঞ্জু স্যামসনের এই পরিবর্তন এবং তার ক্রিকেটের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির এক অনুপ্রেরণামূলক গল্প সবার সামনে এসেছে।

এক মাস ফোন বন্ধ রেখে আত্মবিশ্লেষণ

নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজের পর সঞ্জু স্যামসন একটি মৌলিক সিদ্ধান্ত নেন—সে এক মাসের জন্য তার ফোন বন্ধ রাখবে। ফোন বন্ধ করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে সঞ্জু স্যামসন সারা বিশ্বের প্রচার থেকে কিছুটা দূরে চলে যান। এটি তার জন্য একটি বিশেষ সময় ছিল, যেখানে তিনি নিজের ব্যাটিং কৌশল এবং ক্রিকেট জীবনের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেন। এই সময়ে সঞ্জু স্যামসন বাইরের আওয়াজ থেকে দূরে থাকেন এবং শুধুমাত্র নিজের পারফরম্যান্সে মনোযোগ দেন। এতে তার মানসিকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির বড় পরিবর্তন ঘটে।

“সমাজমাধ্যম কীভাবে ব্যবহার করতে হবে তা সকলের জানা উচিত। আমি জানি আমার ভক্তরা আমাকে কতটা ভালোবাসে, তবে যখন ব্যর্থ হই, তখন বুঝে নিতে হয় কেমন পরিস্থিতি আসতে পারে। তাই আমি ফোন বন্ধ রেখেছিলাম,” সঞ্জু স্যামসন জানিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত তার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক হয়েছে এবং ক্রিকেটের প্রতি তার মনোযোগ একদম তীক্ষ্ণ করেছে।

ব্যাটিংয়ের ধরন পরিবর্তন

নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজের পর সঞ্জু স্যামসন তার ব্যাটিং কৌশল পরিবর্তন করেছিলেন। আগে তিনি প্রতিটি বলেই মারার চেষ্টা করতেন, কিন্তু এটি তার জন্য কার্যকর হয়নি। ব্যর্থতার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, ব্যাটিংয়ের দর্শন বদলাতে হবে। সঞ্জু বলেন, “প্রতিটি বল মারতে যাওয়ার মতো ছিল না। আমি ব্যর্থতা থেকে শিখেছি এবং নিজের স্ট্রাইক রেট বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করেছি। তবে তার পর আমি নিজের ব্যাটিংয়ের ধরন পাল্টে ফেলি। এটি আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।”

বিশ্বকাপে সাফল্য

সঞ্জু স্যামসনের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল একটি বিশেষ মুহূর্ত। তার পারফরম্যান্স দেখে সবাই অবাক হয়ে যায়। বিশ্বকাপে তার ব্যাটিং দক্ষতা এবং তার কঠিন পরিস্থিতিতে সাহসিকতার সাথে খেলা পুরো বিশ্বের নজর কেড়ে নেয়। সঞ্জু স্যামসন নিজেই জানিয়েছেন, তার জীবন এবং ক্রিকেটে সাফল্য অর্জনে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই সময়ের আত্মবিশ্লেষণ এবং নিজের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন।

বিশ্বকাপে সঞ্জুর সাফল্য একেবারে তার নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিবর্তনের ফল। একাধিক দায়িত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার মাপ নেওয়া অবিশ্বাস্য ছিল। তার পারফরম্যান্স পুরো দলকে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং ভারতীয় ক্রিকেটে তাকে নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছানোর সুযোগ দেয়।

গৌতম গম্ভীরের মন্তব্য

তিনটি ম্যাচে একের পর এক সাফল্যের পর সঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে একটি বড় আলোচনা শুরু হয়। গৌতম গম্ভীর, ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য, সঞ্জু স্যামসনের খেলা দেখে মন্তব্য করেছিলেন, “দু'জনের তুলনা করা উচিত নয়। সঞ্জুর চরিত্রের দৃঢ়তা এবং সাহস, বিশেষত যখন তার ক্যারিয়ার একেবারে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে ছিল, তা সত্যিই অসাধারণ।"

গম্ভীর আরও বলেন, সঞ্জুর ফর্মের মধ্যে ফিরে আসা এবং তিনটি ম্যাচে টানা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তার ক্যারিয়ারের জন্য একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে।

সঞ্জু স্যামসনের জীবনের গল্প

সঞ্জু স্যামসনের ক্রিকেট জীবনে অনেক চড়াই-উতরাই ছিল। তার শুরুটা ছিল বেশ উজ্জ্বল, কিন্তু অনেক সময়ে চাপের কারণে তার ব্যাটিং কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল। তবে তার মধ্যে ছিল সেই ধৈর্য্য এবং আত্মবিশ্বাস, যা তাকে নিজের পরিবর্তন নিয়ে আসতে সাহায্য করেছিল। সঞ্জু স্যামসনের বিশ্বকাপে সাফল্য এক বড় উদাহরণ যে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েও, আত্মবিশ্বাস ও আত্মবিশ্লেষণের মাধ্যমে যে কেউ সাফল্য অর্জন করতে পারে। 

২০২৩ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সঞ্জু স্যামসন তার অসাধারণ পারফরম্যান্সে সেরা ক্রিকেটার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ের পর, যেটি ছিল তার জন্য এক কঠিন সময়, সঞ্জু জীবনে এমন মুহূর্ত আসতে পারেনি বলে কল্পনাও করতে পারেননি। তার অতীত ব্যাটিং কৌশল ছিল অনেকটা আক্রমণাত্মক, কিন্তু ব্যর্থতার পর তিনি নিজের ব্যাটিংয়ের ধরন পাল্টে ফেলেন। সঞ্জু তার ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট বাড়ানোর জন্য কাজ করেছিলেন, কিন্তু সিরিজের শেষে তিনি উপলব্ধি করেন যে তার কৌশলটি কাজে আসেনি এবং তাই এক নতুন পথ অনুসরণ করা শুরু করেন।

সঞ্জু জানালেন যে, নিজের পারফরম্যান্সের উন্নতি করার জন্য তিনি এক মাসের জন্য ফোন বন্ধ রাখেন এবং কোলাহল থেকে দূরে থাকতে চান। তিনি বলেন, "আমি জানতাম যে প্রচুর আওয়াজ আসবে এবং সেই আওয়াজ থেকে মনোযোগ হারালে নিজের খেলায় পারফরম্যান্স ঠিক রাখা কঠিন। তাই আমি ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলাম, যাতে বাইরের দিক থেকে কোনও কিছুই আমাকে প্রভাবিত না করে।"

এদিকে, গৌতম গম্ভীর তাঁর ক্রিকেট জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত সম্পর্কে বলেছিলেন, যখন তার ক্রিকেটজীবন প্রায় খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি বলেন, "যখন সঞ্জু খেলার মধ্যে ছিল না, তখন সে মানসিকভাবে কতটা দৃঢ় হতে পারে এবং কতটা সাহসী হত

news image
আরও খবর

 

 

 

 


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image