Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

স্বাধীনতা দিবসেই ভারতের ৬০০তম টেস্ট প্রথম একাদশ নিয়ে বড় ইঙ্গিত শুভমন গিলের

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল টেস্টে জয়ই লক্ষ্য ভারতের। WTC ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে তিন বাঁহাতি স্পিনারকে নিয়ে নামতে পারেন শুভমন গিলরা।

স্বাধীনতা দিবসের দিনই ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট। শনিবার, ১৫ আগস্ট, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুরু হবে ভারতের ৬০০তম টেস্ট ম্যাচ। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় মাইলফলক। দীর্ঘ টেস্ট ক্রিকেটের যাত্রায় ভারতীয় দলের এই ঐতিহাসিক ম্যাচ ঘিরে তাই স্বাভাবিক ভাবেই তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। তার উপর প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা এবং ম্যাচের ভেন্যু গল—যেখানে স্পিনাররা বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। ফলে প্রথম টেস্টে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা।

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই দু’টেস্টের সিরিজ ভারতের কাছে শুধুমাত্র আর একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার দৌড়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে হলে এই সিরিজে ভালো ফল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গলের স্পিন সহায়ক পরিবেশে প্রথম টেস্ট থেকেই ভারতীয় দলকে নিজেদের সেরা কম্বিনেশন খুঁজে নিতে হবে। সেই কারণেই ম্যাচ শুরুর আগের দিন অধিনায়ক শুভমন গিলের সাংবাদিক বৈঠকের দিকে নজর ছিল সকলের।

দেশের ৬০০তম টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই গর্বিত শুভমন। ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের এমন একটি বিশেষ মুহূর্তে দলের অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা তাঁর কাছে বড় সম্মানের। তবে আবেগের পাশাপাশি ম্যাচের বাস্তব পরিস্থিতি নিয়েও যথেষ্ট সতর্ক ভারতীয় অধিনায়ক। গলের পিচের চরিত্র, বোলিং কম্বিনেশন এবং ব্যাটিং অর্ডার—সব কিছু নিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

গলের পিচে তিন বাঁহাতি স্পিনারের ভাবনা

গল টেস্টের আগে সবচেয়ে বড় আলোচনা পিচ নিয়ে। ম্যাচের জন্য যে উইকেট তৈরি করা হয়েছে, সেখানে ঘাস প্রায় নেই বললেই চলে। স্পিনারদের সাহায্য করার জন্যই উইকেট তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টও নিজেদের বোলিং আক্রমণে স্পিনের উপর বেশি নির্ভর করতে চাইছে।

সূত্রের ইঙ্গিত অনুযায়ী, তিন জন বাঁহাতি স্পিনারকে একসঙ্গে খেলানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে ভারতের। সেই ক্ষেত্রে রবীন্দ্র জাডেজা এবং কুলদীপ যাদবের সঙ্গে টেস্ট অভিষেকের সুযোগ পেতে পারেন মানব সুতার। অর্থাৎ গলের স্পিন সহায়ক পিচে তিন বাঁহাতি স্পিনারকে নিয়ে মাঠে নামতে পারে ভারত।

রবীন্দ্র জাডেজার অভিজ্ঞতা ভারতীয় দলের জন্য বড় সম্পদ। ব্যাট এবং বল—দুই বিভাগেই তিনি দলের ভারসাম্য বাড়ান। অন্য দিকে কুলদীপ যাদবের বৈচিত্র্যময় বোলিং শ্রীলঙ্কার ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলতে পারে। মানব সুতারকে খেলানো হলে ভারতীয় বোলিং আক্রমণে আরও একটি বাঁহাতি স্পিন বিকল্প যোগ হবে।

গলের মতো পিচে এই কম্বিনেশন কতটা কার্যকর হবে, সেটিই এখন দেখার। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন-আপের বিরুদ্ধে প্রথম দিন থেকেই স্পিনারদের ব্যবহার করে চাপ তৈরি করার পরিকল্পনা থাকতে পারে ভারতের।

বুমরাহ নেই, দ্বিতীয় পেসার কে?

ভারতের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বড় অনুপস্থিতি জসপ্রীত বুমরাহ। তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের পেস বিভাগকে সামলানোর দায়িত্ব থাকবে মহম্মদ সিরাজের উপর। সিরাজের খেলা নিয়ে বিশেষ কোনও প্রশ্ন নেই বলেই শুভমন গিলের বক্তব্য থেকে বোঝা গিয়েছে।

তবে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে কাকে নেওয়া হবে, তা এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। এই জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গুরনুর ব্রার এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। দু’জনের সম্পর্কেই ইতিবাচক কথা বলেছেন ভারতীয় অধিনায়ক।

শুভমনের বক্তব্য অনুযায়ী, পুরনো বলে গুরনুর ব্রারের বোলিং অত্যন্ত কার্যকর। তাঁর বলের গতি রয়েছে এবং পিচ থেকে বাউন্সও আদায় করতে পারেন তিনি। অন্য দিকে প্রস্তুতি ম্যাচে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণও ভালো বোলিং করেছেন। ফলে দু’জনের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়া কঠিন বলে জানিয়েছেন শুভমন।

এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, দ্বিতীয় পেসারের জায়গাটি এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে তিন স্পিনারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতীয় দলে সম্ভবত মাত্র দু’জন পেসার থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে সিরাজের সঙ্গে কে নতুন বল ভাগ করে নেবেন, সেটি ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে।

আকিব নবির সম্ভাবনা কম

জম্মু-কাশ্মীরের জোরে বোলার আকিব নবিও ভারতীয় দলের সঙ্গে রয়েছেন। কিন্তু শুভমন গিলের বক্তব্য থেকে মনে হচ্ছে, গলের প্রথম টেস্টে তাঁর খেলার সম্ভাবনা তুলনামূলক ভাবে কম।

অবশ্য টেস্ট ক্রিকেটে পিচ এবং আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী শেষ মুহূর্তে দল পরিবর্তনের সুযোগ থাকে। তাই টসের সময়ই ভারতের চূড়ান্ত একাদশ নিশ্চিত হবে। তবে অধিনায়কের কথাবার্তা থেকে সম্ভাব্য কম্বিনেশনের একটা পরিষ্কার ছবি পাওয়া গিয়েছে।

ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও বড় ইঙ্গিত

শুধু বোলিং নয়, ভারতের ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভমন গিল। সম্ভাব্য পরিকল্পনা অনুযায়ী, যশস্বী জয়সবাল এবং লোকেশ রাহুল ইনিংস ওপেন করতে পারেন। দু’জনের অভিজ্ঞতা ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ভারতকে ভালো শুরু এনে দিতে পারে।

তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে দেবদত্ত পাডিক্কলকে। এরপর চার নম্বরে নিজের স্বাভাবিক জায়গায় ব্যাট করবেন অধিনায়ক শুভমন গিল। অধিনায়ক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শুধু নেতৃত্বে সীমাবদ্ধ থাকবে না, ব্যাট হাতেও দলের বড় ভরসা হতে হবে তাঁকে।

পাঁচ নম্বরে ধ্রুব জুরেলের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উইকেটকিপার-ব্যাটারের জায়গায় তাঁকে খেলানোর সিদ্ধান্ত ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

জুরেলের ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শুভমন তাঁকে সময় দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম হল, ক্রিকেটারদের নিজেদের উন্নতি করার জন্য সময় প্রয়োজন। দলের পক্ষ থেকে সেই সময় ও আত্মবিশ্বাস দেওয়া জরুরি। অধিনায়কের এই মন্তব্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে, জুরেলের উপর এখনও টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা রয়েছে।

সাই সুদর্শনের চোটও বড় বিষয়

শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে ভারতের ব্যাটিং পরিকল্পনায় আর একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সাই সুদর্শনের চোট। প্রত্যাশা অনুযায়ী সময়ের মধ্যে তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। ফলে প্রথম টেস্টের ১৫ জনের দলে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না।

শুভমন গিল জানিয়েছেন, টেস্ট ক্রিকেটে চোট নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়। তাঁর মতে, দলে যে ১৫ জন ক্রিকেটার রয়েছেন, তাঁদের নিয়েই ভারত আত্মবিশ্বাসী। অর্থাৎ সাই সুদর্শনের অনুপস্থিতিকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছে না ভারতীয় দল।

এখানেই অধিনায়ক হিসেবে শুভমনের আত্মবিশ্বাসের ছবি ফুটে উঠেছে। দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার অনুপস্থিত থাকলেও তিনি মনে করছেন, হাতে থাকা ক্রিকেটারদের দিয়েই ম্যাচ জেতার মতো শক্তিশালী দল তৈরি করা সম্ভব।

news image
আরও খবর

বুমরাহর অনুপস্থিতিতে নতুনদের দায়িত্ব নেওয়ার বার্তা

জসপ্রীত বুমরাহর মতো বিশ্বমানের পেসার না থাকায় ভারতের বোলিং আক্রমণে স্বাভাবিক ভাবেই চাপ বাড়বে। তবে শুভমন এটিকে সমস্যা হিসেবে না দেখে অন্য ক্রিকেটারদের জন্য সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

তাঁর বক্তব্য, বুমরাহ নেই বলে অন্য কাউকে এগিয়ে এসে দায়িত্ব নিতে হবে। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করাই হবে মূল বিষয়। অধিনায়কের এই বার্তা দলের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

বুমরাহর জায়গা একজন ক্রিকেটার দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তাঁর অভিজ্ঞতা, গতি, নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা ভারতীয় দলের বড় সম্পদ। তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে সম্মিলিত বোলিং পারফরম্যান্সই ভারতের সাফল্যের চাবিকাঠি হতে পারে।

ভারতের ৬০০তম টেস্ট কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতের ৬০০তম টেস্ট শুধু একটি সংখ্যার মাইলফলক নয়। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের দীর্ঘ পথচলার একটি প্রতীকী মুহূর্ত। টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের যাত্রা শুরু হয়েছিল বহু দশক আগে। সেই পথ পেরিয়ে ৬০০তম ম্যাচে পৌঁছনো ভারতীয় ক্রিকেটের ধারাবাহিকতারই প্রমাণ।

আরও বিশেষ বিষয় হল, এই ঐতিহাসিক ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভারতের স্বাধীনতা দিবসে। ফলে ম্যাচটির সঙ্গে জাতীয় আবেগও জড়িয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার দিনে দেশের ৬০০তম টেস্ট এবং সেই ম্যাচে ভারতীয় দলের নেতৃত্বে শুভমন গিল—পুরো ঘটনাটিই আলাদা তাৎপর্য বহন করছে।

তবে আবেগকে পাশে রেখে মাঠে জয় পাওয়াই ভারতের মূল লক্ষ্য। কারণ এই সিরিজের ফল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সমীকরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

WTC ফাইনালের দৌড়ে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে প্রতিটি সিরিজের ফল গুরুত্বপূর্ণ। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজে ভারত তাই যত বেশি জয় পাবে, ততই নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে পারবে।

গল টেস্টে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করতে পারলে ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়বে। একই সঙ্গে সিরিজের পরের ম্যাচের জন্যও চাপ কমবে। কিন্তু প্রথম টেস্টে হেরে গেলে পরের ম্যাচে চাপ অনেকটাই বেড়ে যাবে।

এই কারণেই ৬০০তম টেস্টের ঐতিহাসিক আবহের পাশাপাশি ম্যাচটির ক্রিকেটীয় গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। ভারতীয় দলকে একই সঙ্গে ইতিহাস, পরিস্থিতি এবং WTC-এর সমীকরণ—তিনটি বিষয় সামলাতে হবে।

গলের স্পিনে ব্যাটারদের বড় পরীক্ষা

গলের উইকেটে ভারতীয় ব্যাটারদের জন্যও পরীক্ষা কম হবে না। স্পিন সহায়ক পিচে দীর্ঘ সময় ব্যাট করা সহজ নয়। বিশেষ করে ম্যাচ যত এগোবে, উইকেটের চরিত্র আরও বদলাতে পারে।

যশস্বী জয়সবাল এবং লোকেশ রাহুলের ওপেনিং জুটি তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বল সামলে প্রথম সেশনে ভালো শুরু করতে পারলে ভারতের মিডল অর্ডারের উপর চাপ কমবে। তিন নম্বরে দেবদত্ত পাডিক্কলের দায়িত্বও কম নয়।

শুভমন গিল নিজে চার নম্বরে নামবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। অধিনায়ক হিসেবে তাঁর উপর বাড়তি দায়িত্ব থাকবে। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের সময় ইনিংস ধরে রাখা এবং সুযোগ পেলে দ্রুত রান তোলার কাজ তাঁকেই করতে হবে।

ধ্রুব জুরেলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। উইকেটকিপিংয়ের পাশাপাশি তাঁর ব্যাটিং গভীরতা ভারতীয় দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে পারে।

সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ নিয়ে জল্পনা

শুভমন গিলের বক্তব্যের ভিত্তিতে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে একটি ছবি তৈরি করা যায়। ওপেনিংয়ে যশস্বী জয়সবাল এবং লোকেশ রাহুলকে দেখা যেতে পারে। তিন নম্বরে দেবদত্ত পাডিক্কল এবং চার নম্বরে শুভমন গিল। পাঁচ নম্বরে ধ্রুব জুরেল।

বোলিং বিভাগে রবীন্দ্র জাডেজা, কুলদীপ যাদব এবং মানব সুতার—তিন বাঁহাতি স্পিনারের সম্ভাবনা রয়েছে। পেস বিভাগে মহম্মদ সিরাজের সঙ্গে গুরনুর ব্রার অথবা প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের মধ্যে একজন থাকতে পারেন।

অবশ্য চূড়ান্ত একাদশ টসের আগে নিশ্চিত নয়। পিচের শেষ মুহূর্তের অবস্থা, আবহাওয়া এবং দলের কৌশল অনুযায়ী পরিবর্তনও হতে পারে।

ঐতিহাসিক ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে শুভমন

ভারতের ৬০০তম টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা শুভমন গিলের কেরিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হতে চলেছে। তরুণ অধিনায়কের সামনে তাই একদিকে রয়েছে ঐতিহাসিক ম্যাচের চাপ, অন্য দিকে রয়েছে দলের প্রত্যাশা।

শুভমনের নেতৃত্বে ভারতীয় দল কোন কৌশলে খেলে, সেটিও দেখার বিষয়। বিশেষ করে বুমরাহর অনুপস্থিতিতে বোলিং আক্রমণ কী ভাবে ব্যবহার করা হয় এবং গলের স্পিন সহায়ক পিচে তিন স্পিনারের পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হয়, তার উপর ম্যাচের ফল অনেকটাই নির্ভর করতে পারে।

সব মিলিয়ে ১৫ আগস্টের গল টেস্ট ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। ভারতের ৬০০তম টেস্ট, স্বাধীনতা দিবস, শুভমন গিলের নেতৃত্ব, WTC ফাইনালের দৌড় এবং তিন বাঁহাতি স্পিনারকে নিয়ে সম্ভাব্য একাদশ—সব মিলিয়ে ম্যাচটির গুরুত্ব এবং আকর্ষণ দুটোই অনেক বেশি।

এখন অপেক্ষা টসের। সেখানেই স্পষ্ট হবে ভারত শেষ পর্যন্ত কোন কম্বিনেশন নিয়ে মাঠে নামে। তবে শুভমন গিলের ইঙ্গিত যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তা হলে গলের স্পিন সহায়ক পিচে তিন বাঁহাতি স্পিনারকে নিয়ে ভারতের বোলিং আক্রমণ নিঃসন্দেহে ম্যাচের অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হতে চলেছে।

Preview image