Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বেগুন ও লাউয়ে সীসার উপস্থিতি! গবেষকরা সতর্ক করেছেন কাঁচা আনাজে সীসা-মিশ্রণ নিয়ে

সবচেয়ে বেশি বেগুনে, তার পরেই লাউ। কাঁচা সব্জিতে এমন পরিমাণে সিসা মিশছে, যা দেখে চমকে গিয়েছেন বেঙ্গালুরুর গবেষকেরা। রোজের আর কোন কোন সব্জিতে মিশেছে এই ধাতু?

এটি একটি গম্ভীর বিষয়, যেখানে সব্জির মধ্যে ভারী ধাতু এবং রাসায়নিকের মিশ্রণ আমাদের স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের গবেষকরা ৭২টি কাঁচা আনাজ পরীক্ষা করে দেখেছেন এবং ১৯টি সব্জিতে বিষাক্ত ধাতু যেমন সিসা বা লেড পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এই ধাতুগুলি শরীরে প্রবাহিত হলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই সব্জিগুলির মধ্যে বেগুনে সবচেয়ে বেশি সিসা পাওয়া গেছে, যা মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। অন্যান্য সব্জি যেমন লাউ, বিন, বিট, বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, কাঁচালঙ্কা, শসা, স্কোয়াশ, পালংশাক, লালশাকেও সিসা ও অন্যান্য ভারী ধাতু পাওয়া গেছে। এই সব্জিগুলির মধ্যে ১১ প্রকার ভারী ধাতু এবং ২৩০ প্রকার বিষাক্ত কীটনাশক পাওয়া গেছে, যা আমাদের খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবাহিত হতে পারে।

ভারী ধাতু, বিশেষ করে সিসা, শরীরে প্রবাহিত হলে তা নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সিসা শরীরে প্রবাহিত হলে এটি নানান শারীরিক অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যেমন মস্তিষ্ক, কিডনি, হার্ট, লিভার ইত্যাদি। শিশুদের ক্ষেত্রে, সিসার উপস্থিতি তাদের মস্তিষ্কের বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতিশক্তি ও কগনিটিভ দক্ষতাও কমিয়ে দিতে পারে।

এই গবেষণার ফলে, এটি প্রমাণিত হয় যে, আমরা যেসব সব্জি খাচ্ছি, তা প্রায়ই রাসায়নিক এবং ভারী ধাতুর মিশ্রণ হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাজারে যে সব্জি বিক্রি হচ্ছে, সেগুলি পরীক্ষার মাধ্যমে তাতে কীটনাশক ও ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আমরা যতটা সম্ভব সতর্ক হই এবং বাজার থেকে কীভাবে সঠিকভাবে সব্জি নির্বাচন করতে হবে, তা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

এমনকি, এটি সরকারের জন্য একটি গুরুতর সতর্কবার্তা যে, খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা উচিত এবং বাজারে বিক্রি হওয়া সব্জির মান পরীক্ষা করা উচিত। স্থানীয় বাজারের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করা উচিত, যাতে সাধারণ মানুষকে বিষাক্ত রাসায়নিক বা ধাতু থেকে রক্ষা করা যায়।

এছাড়া, বাজার থেকে সব্জি কেনার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন সে সব্জির উত্পত্তিস্থল বা খামার স্থানীয় এবং সেগুলিতে ভারী ধাতু বা রাসায়নিক ব্যবহার না করা হয়। সব্জির প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় যতটা সম্ভব রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহৃত না হয়ে থাকলে, তা আমাদের জন্য স্বাস্থ্যকর হতে পারে।

এছাড়া, কিছু সব্জি যেমন অর্গানিক এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে উত্পাদিত, তা বেশি স্বাস্থ্যকর হতে পারে। বাজারে আরও সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে যাতে সবাই জানে কীভাবে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। 

বাজারে আমরা যে সব্জি কিনে আনি, সেগুলির মধ্যে অনেক সময় রাসায়নিক উপাদান ও ভারী ধাতু মিশে থাকে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের গবেষকরা ৭২ রকম কাঁচা আনাজ পরীক্ষা করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন যে, বহু সব্জির মধ্যে বিষাক্ত ধাতু ও রাসায়নিক মিশে রয়েছে। এই গবেষণায় বিশেষ করে ১৯টি সব্জিতে সিসা বা লেডের মতো ক্ষতিকর ধাতু পাওয়া গিয়েছে।

গবেষকরা জানান, তারা বাজার থেকে ৭২ রকম কাঁচা সব্জি সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছেন। এর মধ্যে ১৯টি সব্জিতে সিসা বা লেডের মতো ধাতু পাওয়া গেছে, যা মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক হতে পারে। এমনকি কিছু সব্জির মধ্যে ১১ ধরনের ভারী ধাতু ও ২৩০ ধরনের বিষাক্ত কীটনাশকও পাওয়া গেছে। এমনকি কিছু সব্জি এমন পরিমাণে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে, যা প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য একেবারেই অনুচিত। বিশেষভাবে, বেগুনে সিসার উপস্থিতি মারাত্মক পরিমাণে ছিল, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।

গবেষকরা জানিয়েছে, বাজারে যে সব সব্জি বিক্রি হচ্ছে, তাদের মধ্যে সিসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিকসহ অন্যান্য বিষাক্ত ভারী ধাতু পাওয়া গেছে। এসব ধাতু মিশে থাকার কারণে দীর্ঘকাল ধরে এসব সব্জি খেলে মানুষের স্বাস্থ্য বিপর্যস্ত হতে পারে। বিশেষত বেগুন, লাউ, বিন, বিট, বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, কাঁচালঙ্কা, শসা, স্কোয়াশ, পালংশাক এবং লালশাকের মতো সব্জিগুলিতে অত্যাধিক মাত্রায় সিসা পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে। এগুলির মধ্যে বিশেষভাবে বেগুনে সিসার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। সিসা মানুষের শরীরে প্রবাহিত হলে, তা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে, যা দীর্ঘকালীন অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে।

এছাড়াও, এসব সব্জির মধ্যে কীটনাশক ও রাসায়নিক সারও পাওয়া গেছে, যা সাধারণত ক্ষেত্রগুলিতে পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধের জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এদের অবশিষ্টাংশ এসব সব্জির মধ্যে মিশে গিয়ে মানুষের শরীরে প্রবাহিত হতে থাকে। কীটনাশকগুলির মধ্যে ক্লোরপাইরিফস, ডিলাক্লোরোস, প্রোফেনোফোস, ম্যালাথিয়নসহ আরও বেশ কয়েকটি বিষাক্ত উপাদান রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে কিডনি, লিভার, এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

গবেষকরা আশঙ্কা করছেন যে, এসব সব্জি নিয়মিত ব্যবহারে মানুষের শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান জমা হতে পারে, যা শ্বাসযন্ত্র, রক্তচাপ, স্নায়ুতন্ত্র, এবং কিডনি সংক্রান্ত রোগের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এসব রাসায়নিকের প্রভাব আরও বেশি হতে পারে, কারণ তাদের শরীর এখনও পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয় না এবং কোনো বিষাক্ত উপাদান দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে, একমাত্র বাজারে বিক্রি হওয়া সব্জিগুলোই নয়, কিছু ক্ষেত্রে কৃষকরা নিজেরাও যেসব কীটনাশক ও সার ব্যবহার করেন, তা অনেক ক্ষেত্রেই অস্বাস্থ্যকর হতে পারে। তারা যদি নিয়মিত মান নিয়ন্ত্রণ না করে এই সব্জি চাষ করেন, তবে তা আরও ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে। গবেষকরা তাদের প্রতিবেদনে জানান যে, স্থানীয় বাজারগুলিতে যেসব সব্জি বিক্রি হচ্ছে, সেগুলিতে সঠিকভাবে মান নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

এমনকি, এই গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সংস্থা ও পরিবেশবাদীরা দাবি করেছেন যে, বাজারে বিক্রি হওয়া সব্জির মান যাচাইয়ের জন্য সরকারের উচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সব্জিগুলির মধ্যে যে সিসা ও অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে, তা দ্রুত প্রতিরোধ করতে হলে কঠোর আইন এবং নিয়মের প্রয়োগ দরকার। কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোও খুব জরুরি, যাতে তারা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কৃষি পদ্ধতি অনুসরণ করেন।

সবশেষে, আমাদের সকলেরই দায়িত্ববোধের সঙ্গে বাজার থেকে সব্জি কিনতে হবে এবং স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পদ্ধতিতে সেগুলির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। 

news image
আরও খবর

বাজারে আমরা প্রতিদিন যে কাঁচা সব্জি কিনে থাকি, তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকারক হতে পারে, তা আমরা বেশিরভাগ সময় জানি না। তবে সম্প্রতি বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের গবেষকরা এক চমকপ্রদ রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন, যা শুনে আমাদের চোখ খোলা উচিত। এই গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে, বাজারে পাওয়া কাঁচা সব্জিগুলিতে ব্যাপকভাবে রাসায়নিক ও ভারী ধাতু মিশে যাচ্ছে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ৭২ রকম কাঁচা আনাজ পরীক্ষা করার পর জানা গেছে, ১৯টি সব্জিতে পাওয়া গেছে সিসা বা লেডের মতো বিষাক্ত ধাতু। আর এই রিপোর্টটি জমা পড়েছে জাতীয় পরিবেশ আদালতে, যা বিষয়টিকে আরো গুরুত্ব দিয়েছে। এই গবেষণায় অন্তত ১১ রকম ভারী ধাতু এবং ২৩৬ ধরনের বিষাক্ত কীটনাশক পাওয়া গেছে, যা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মিশে যাচ্ছে।

গবেষকদের দাবি, বাজারে যেসব সব্জি বিক্রি হচ্ছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাসায়নিক সারের ব্যবহারের কারণে বিষাক্ত ধাতু মিশে যাচ্ছে। আরও আশঙ্কার কথা হলো, অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ কীটনাশকও মিশে থাকছে, যা আমাদের শরীরের জন্য বিপজ্জনক। গবেষকরা বিশেষ করে বেগুনের কথা উল্লেখ করেছেন, কারণ এতে সিসার পরিমাণ মারাত্মকভাবে বেশি পাওয়া গেছে। এরপর লাউ, বিন, বিট, বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, কাঁচালঙ্কা, শসা, স্কোয়াশ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image