Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

অন্ধকার থেকে আলোয় ফিরল ভারত বিশ্বের প্রথম বায়োনিক চোখ দৃষ্টি আবিষ্কার এবং অন্ধত্ব দূরীকরণে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক ঐতিহাসিক বিজয়

ভারতের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক স্বর্ণালী দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে দিল্লির এইমস হাসপাতালে আজ সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হলো ভারতের তৈরি প্রথম বায়োনিক চোখ দৃষ্টি জন্মন্ধ মানুষ পেলেন চোখের আলো এবং রঙের দুনিয়া দেখার সুযোগ আইআইটি খড়গপুর এবং এইমস এর যৌথ গবেষণায় তৈরি এই যন্ত্রটি সস্তা এবং কার্যকর যা বিশ্বের কোটি কোটি দৃষ্টিহীন মানুষের জীবনে নতুন ভোরের আলো নিয়ে এল

News Title অন্ধকার থেকে আলোয় ফিরল ভারত বিশ্বের প্রথম বায়োনিক চোখ দৃষ্টি আবিষ্কার এবং অন্ধত্ব দূরীকরণে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক ঐতিহাসিক বিজয়

URL Slug india-launches-first-bionic-eye-drishti-cures-blindness-aiims-delhi-medical-miracle-make-in-india-2026

Short Description ১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ভারতের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক স্বর্ণালী দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে দিল্লির এইমস হাসপাতালে আজ সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হলো ভারতের তৈরি প্রথম বায়োনিক চোখ দৃষ্টি জন্মন্ধ মানুষ পেলেন চোখের আলো এবং রঙের দুনিয়া দেখার সুযোগ আইআইটি খড়গপুর এবং এইমস এর যৌথ গবেষণায় তৈরি এই যন্ত্রটি সস্তা এবং কার্যকর যা বিশ্বের কোটি কোটি দৃষ্টিহীন মানুষের জীবনে নতুন ভোরের আলো নিয়ে এল

Article Body

নয়া দিল্লি ও খড়গপুর ১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মধ্যে চোখ হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমরা এই সুন্দর পৃথিবী দেখি চোখের মাধ্যমে কিন্তু যাদের চোখ নেই তাদের কাছে পৃথিবীটা শুধুই অন্ধকার এতদিন অন্ধত্ব ছিল এক অভিশাপ যার কোনো প্রতিকার ছিল না বিশেষ করে যাদের রেটিনা বা অপটিক নার্ভ নষ্ট হয়ে গেছে তাদের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনা ছিল অসম্ভব কিন্তু আজ সেই অসম্ভব সম্ভব হলো ভারতের মাটিতে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মেধা এবং কঠোর পরিশ্রমে তৈরি হলো বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ কার্যকরী বায়োনিক চোখ বা কৃত্রিম চোখ যার নাম দেওয়া হয়েছে দৃষ্টি আজ সকালে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস বা এইমস এর অপারেশন থিয়েটারে এক ঐতিহাসিক অস্ত্রপচারের মাধ্যমে এক জন্মন্ধ যুবকের চোখে এই যন্ত্রটি বসানো হয় এবং সুইচ অন করার সাথে সাথেই তিনি আলো দেখতে পান

আজকের এই যুগান্তকারী ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং আইআইটি খড়গপুরের একদল বিজ্ঞানী অস্ত্রপচারের পর যখন ওই যুবক প্রথমবারের মতো তার মায়ের মুখ দেখলেন তখন হাসপাতালের করিডরে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয় মা এবং ছেলের কান্নায় উপস্থিত ডাক্তার এবং নার্সদের চোখেও জল চলে আসে প্রধানমন্ত্রী বলেন আজ ভারত বিশ্বকে দেখিয়ে দিল যে আমরা কেবল প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নই আমরা প্রযুক্তির উদ্ভাবকও দৃষ্টি কেবল একটি যন্ত্র নয় এটি হলো ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের আশার আলো যা অন্ধকারের বুক চিরে নতুন সূর্য দেখাবে

দৃষ্টি তৈরির নেপথ্য কাহিনী এবং প্রযুক্তি

এই বায়োনিক চোখ তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে আইআইটি খড়গপুরের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং এইমস এর চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে এই প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিলেন তাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি যন্ত্র তৈরি করা যা মানুষের নষ্ট হয়ে যাওয়া চোখের বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে এবং যা হবে সস্তা ও সহজলভ্য কারণ বিশ্বে প্রচলিত বায়োনিক চোখের দাম কোটি টাকার ওপরে যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে

দৃষ্টি যন্ত্রটি মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত প্রথমত একটি বিশেষ চশমা যাতে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ছোট ক্যামেরা বসানো থাকে এই ক্যামেরাটি মানুষের চোখের মতোই কাজ করে এবং সামনের দৃশ্য রেকর্ড করে দ্বিতীয়ত একটি সিগন্যাল প্রসেসর বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট যা ক্যামেরার ছবিকে বৈদ্যুতিক সংকেতে বা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালে রূপান্তরিত করে তৃতীয়ত একটি মাইক্রো চিপ বা ইলেকট্রোড অ্যারে যা অস্ত্রপচারের মাধ্যমে রোগীর রেটিনা বা মস্তিষ্কের ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সে বসিয়ে দেওয়া হয়

যখন চশমার ক্যামেরা কোনো ছবি তোলে তখন সেই ছবি প্রসেসরে গিয়ে সংকেতে পরিণত হয় এবং তারবিহীন বা ওয়্যারলেস প্রযুক্তিতে চোখের ভেতরে থাকা চিপে পৌঁছে যায় চিপটি সেই সংকেত পেয়ে অপটিক নার্ভ বা স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করে এবং মস্তিষ্ক সেই সংকেতকে ছবি হিসেবে বুঝতে পারে ফলে অন্ধ ব্যক্তি দেখতে পান বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত চিপটি মানুষের চুলের চেয়েও সরু এবং এটি সম্পূর্ণ বায়োকম্প্যাটিবল বা শরীরের সাথে মানানসই উপাদানে তৈরি তাই ইনফেকশন হওয়ার কোনো ভয় নেই

প্রথম রোগীর অভিজ্ঞতা

যিনি এই নতুন দৃষ্টি পেলেন তিনি হলেন বিহারের মুজাফফরপুরের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী রাকেশ কুমার রাকেশ জন্ম থেকেই অন্ধ ছিলেন তিনি কোনোদিন সূর্য দেখেননি বা কোনোদিন রঙের দুনিয়া দেখেননি অস্ত্রপচারের পর যখন ডাক্তাররা যন্ত্রটি চালু করেন তখন রাকেশ প্রথমে কিছু আলোর ঝলকানি দেখতে পান তারপর ধীরে ধীরে তার সামনে থাকা ডাক্তারদের অবয়ব ফুটে ওঠে

রাকেশ বলেন আমি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে আমি কিছু দেখছি আমার মনে হলো আমি স্বপ্ন দেখছি তারপর যখন আমি আমার মায়ের গলার স্বর শুনলাম এবং তার দিকে তাকালাম তখন আমি তার মুখটা অস্পষ্ট হলেও দেখতে পেলাম ওই মুহূর্তটা আমি জীবনে কোনোদিন ভুলব না আমি ভগবানকে দেখিনি কিন্তু ডাক্তারবাবুরাই আমার কাছে ভগবান আমাকে তারা নতুন জীবন দিলেন আমি এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব এবং আর কারোর বোঝা হয়ে থাকব না

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ও বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

ভারতের এই সাফল্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বিপ্লব এনেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু এর ডিরেক্টর জেনারেল ভারতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বলেছেন দৃষ্টি হলো এই শতাব্দীর অন্যতম সেরা মেডিকেল ব্রেকথ্রু বা চিকিৎসা আবিষ্কার আমেরিকা এবং ইউরোপের দেশগুলো যেখানে এই প্রযুক্তির জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করছে সেখানে ভারত মাত্র কয়েক হাজার টাকায় এই সমাধান দিতে পেরেছে

এতদিন রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা বা ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এর মতো রোগে আক্রান্ত রোগীরা ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলতেন এবং তাদের কোনো চিকিৎসা ছিল না দৃষ্টি যন্ত্রটি তাদের জন্য এক নতুন আশা নিয়ে এসেছে এছাড়াও দুর্ঘটনায় চোখ হারানো বা অ্যাসিড হামলার শিকার হওয়া মানুষেরাও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আবার দৃষ্টি ফিরে পেতে পারেন

খরচ এবং সাধারণ মানুষের নাগাল

সবচেয়ে বড় চমক হলো এই যন্ত্রের দাম বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে বায়োনিক চোখের দাম প্রায় ১ কোটি টাকা কিন্তু ভারতীয় বিজ্ঞানীদের তৈরি দৃষ্টি এর দাম রাখা হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে সরকার জানিয়েছে বিপিএল বা দারিদ্র্য সীমার নিচে থাকা মানুষদের জন্য এই অপারেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় এই চিকিৎসা আনা হয়েছে অর্থাৎ টাকার অভাবে আর কাউকে অন্ধ থাকতে হবে না

news image
আরও খবর

প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ভারতের প্রতিটি জেলা হাসপাতালে দৃষ্টি ক্লিনিক খোলা হবে যেখানে এই অপারেশন করা হবে সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে অন্ধত্বমুক্ত দেশ বা ব্লাইন্ডনেস ফ্রি ইন্ডিয়া হিসেবে গড়ে তোলা

দৃষ্টির বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা সুপার পাওয়ার

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন দৃষ্টি কেবল সাধারণ চোখের কাজ করে না এর কিছু বিশেষ ক্ষমতা বা সুপার পাওয়ার আছে ১ জুম ইন এবং জুম আউট ব্যবহারকারী চাইলে চশমার পাশে থাকা বোতাম টিপে বা ভয়েস কমান্ড দিয়ে দূরের জিনিস কাছে এনে দেখতে পারেন অর্থাৎ এটি একটি বাইনোকুলারের মতো কাজ করে ২ নাইট ভিশন বা রাতের দৃষ্টি এই যন্ত্রে ইনফ্রারেড সেন্সর বা অবলোহিত সেন্সর আছে যার ফলে ঘুটঘুটে অন্ধকারেও ব্যবহারকারী পরিষ্কার দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষের চোখের চেয়ে এই চোখের ক্ষমতা বেশি ৩ ওয়াইফাই কানেক্টিভিটি ভবিষ্যতে এই চোখের সাথে ইন্টারনেট যুক্ত করা হবে ফলে ব্যবহারকারী রাস্তাঘাটের ম্যাপ বা গুগল ম্যাপ সরাসরি চোখের সামনে দেখতে পাবেন এবং ইমেল বা মেসেজ চোখের ইশারায় পড়তে পারবেন

সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব

ভারতে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ দৃষ্টিহীন যা বিশ্বের মোট দৃষ্টিহীন জনসংখ্যার এক বড় অংশ এই বিপুল সংখ্যক মানুষ এতদিন সমাজের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন তারা পড়াশোনা বা চাকরি করতে পারতেন না দৃষ্টি যন্ত্র আসার ফলে এই মানুষগুলো এখন কর্মক্ষম হবেন তারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন সরকার তাদের জন্য বিশেষ স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে

একজন অর্থনীতিবিদ বলেন অন্ধত্বের কারণে ভারতের জিডিপি বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রায় ২ শতাংশ ক্ষতি হয় এই মানুষগুলো যদি কাজ করতে পারেন তবে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এছাড়াও তাদের পরিবারের ওপর থেকে মানসিক এবং আর্থিক চাপ কমবে সামাজিকভাবে তারা আর করুণার পাত্র হয়ে থাকবেন না বরং তারা সম্মানের সাথে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারবেন

চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যতের গবেষণা

তবে সব ভালো জিনিসেরই কিছু চ্যালেঞ্জ থাকে ডাক্তাররা বলছেন এই যন্ত্রটি ব্যবহার করতে শেখা একটু সময়সাপেক্ষ কারণ মস্তিষ্ককে নতুন ধরনের সংকেত বুঝতে শিখতে হয় তাই অপারেশনের পর রোগীকে কয়েক মাস রিহ্যাবিলিটেশন বা পুনর্বাসন কেন্দ্রে থাকতে হবে এবং প্রশিক্ষণ নিতে হবে এছাড়াও এই যন্ত্রের ব্যাটারি লাইফ বাড়ানো এবং আকার আরও ছোট করা নিয়ে গবেষণা চলছে

আইআইটি খড়গপুরের বিজ্ঞানীরা এখন কাজ করছেন কীভাবে এই চোখ দিয়ে আরও পরিষ্কার এবং রঙিন ছবি দেখানো যায় বর্তমানে এটি মূলত সাদা কালো বা অল্প রঙের ছবি দেখায় কিন্তু আগামী ২ বছরের মধ্যে হাই ডেফিনিশন বা এইচডি রঙিন ছবি দেখানো সম্ভব হবে বলে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী

নৈতিকতা এবং সাইবর্গ বিতর্ক

মানুষের শরীরে যন্ত্র বসানো নিয়ে কিছু নৈতিক প্রশ্নও উঠছে অনেকে বলছেন এর ফলে মানুষ ধীরে ধীরে সাইবর্গ বা আধা মানুষ আধা রোবটে পরিণত হবে যদি সুস্থ মানুষও তাদের সাধারণ চোখ পাল্টে এই সুপার পাওয়ার যুক্ত চোখ লাগাতে চায় তবে কি তা ঠিক হবে হ্যাকাররা কি এই চোখের মাধ্যমে মানুষের মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারবে সরকার জানিয়েছে এই বিষয়ে কড়া আইন বা রেগুলেশন তৈরি করা হচ্ছে চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়া এই যন্ত্র কাউকে দেওয়া হবে না এবং এর সাইবার নিরাপত্তা বা সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের দাপট

দৃষ্টির সাফল্যের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতের কাছে অর্ডারের বন্যা বয়ে যাচ্ছে আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার গরিব দেশগুলো ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে ভারত সরকার জানিয়েছে আমরা বসুধৈব কুটুম্বকম বা বিশ্ব এক পরিবার নীতিতে বিশ্বাসী তাই আমরা এই প্রযুক্তি সবার সাথে ভাগ করে নেব ভারত এখন চিকিৎসা পর্যটন বা মেডিকেল টুরিজম এর হাব হয়ে উঠবে সারা বিশ্ব থেকে রোগীরা ভারতে আসবে চোখ অপারেশন করানোর জন্য

সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া

রাকেশ কুমারের গ্রামের বাড়িতে এখন উৎসবের মেজাজ গ্রামের লোকেরা নাচ গান করছে এবং মিষ্টি বিতরণ করছে রাকেশের বাবা বলেন আমি জমি বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা করাতে চেয়েছিলাম কিন্তু ডাক্তাররা বলেছিলেন কোনো লাভ হবে না আজ সরকার আমার ছেলেকে নতুন জীবন দিল আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ সোশ্যাল মিডিয়ায় #Drishti এবং #SightForAll হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ডিং হচ্ছে মানুষ বিজ্ঞানীদের স্যালুট জানাচ্ছে

স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও এই আবিষ্কারে দারুণ উৎসাহিত তারা বলছে আমরাও বড় হয়ে বিজ্ঞানী হব এবং দেশের জন্য এমন কিছু করব যা মানুষের জীবন বদলে দেবে এই ঘটনাটি ভারতের যুব সমাজের মধ্যে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে

উপসংহার

২০২৬ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি দিনটি প্রমাণ করল যে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয় অন্ধত্ব যা একসময় ছিল নিয়তি আজ তা হলো নিরাময়যোগ্য রোগ দৃষ্টি কেবল একটি লেন্স বা চিপ নয় এটি হলো মানবতার বিজয় বিজ্ঞান যখন মানুষের চোখের জল মুছিয়ে মুখে হাসি ফোটায় তখনই তা সার্থক হয় ভারত আজ সেই সার্থকতা অর্জন করল আজ থেকে আর কোনো মা তার অন্ধ সন্তানের জন্য কাঁদবেন না আজ থেকে আর কোনো প্রতিভাবান যুবক দৃষ্টির অভাবে হারিয়ে যাবেন না আমরা এখন এক নতুন ভারতের নাগরিক যেখানে কেউ অন্ধকারে থাকবে না সবার চোখে থাকবে আলো এবং সবার মনে থাকবে স্বপ্ন দেখার সাহস জয় বিজ্ঞান জয় ভারত

Preview image