Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পুজোকমিটি ও ঈদে সরকার থেকে মাইক বাজানো নিষিদ্ধ করা হল

পুজো কমিটি ও ঈদের অনুষ্ঠানে মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সরকারের এই পদক্ষেপ বলে দাবি প্রশাসনের

রাজ্যে পুজো কমিটি এবং ঈদের অনুষ্ঠানগুলিতে মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতন মহল এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও, অন্যদিকে বহু সংগঠন ও সাধারণ মানুষের একাংশ এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, উৎসবের সময় অতিরিক্ত শব্দদূষণের কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েন। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি এবং পরীক্ষার্থীদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশও দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছেন। প্রশাসনের মতে, নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং অনুমোদিত শব্দমাত্রা মেনে চলার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র পুজো বা ঈদের অনুষ্ঠান নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হতে পারে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আইন সবার জন্য সমান এবং শব্দদূষণ রোধে কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ ও প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরকে ইতিমধ্যেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

তবে এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশের অভিযোগ, সরকারের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবেগের সঙ্গে জড়িত বিষয়গুলিতে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ। তাঁদের দাবি, উৎসবের পরিবেশে মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম বহু বছর ধরে একটি সাধারণ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। অন্যদিকে সরকারের সমর্থকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে শব্দদূষণ একটি বড় সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতাল, স্কুল, আবাসিক এলাকা এবং সংবেদনশীল জায়গাগুলিতে অতিরিক্ত শব্দ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে প্রশাসনের এই ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

বিভিন্ন পুজো কমিটি এবং সামাজিক সংগঠনের মধ্যেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্ন মত দেখা গিয়েছে। কিছু সংগঠনের দাবি, মাইক ছাড়া বড় অনুষ্ঠান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঘোষণা এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে তাঁদের মত। অন্যদিকে কিছু কমিটি জানিয়েছে, তারা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে প্রস্তুত এবং বিকল্প পদ্ধতির কথা ভাবা হচ্ছে। ঈদের অনুষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ধর্মীয় আবেগের সঙ্গে জড়িত বিষয় হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসনের উচিত ছিল বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। তবে প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপ কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়, বরং সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শহর ও শহরতলিতে শব্দদূষণ বর্তমানে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন রিপোর্টেও অতিরিক্ত শব্দের কারণে মানসিক চাপ, অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই নিয়ম মেনে শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। তবে একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত বলে মত অনেকের। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ একে অতিরিক্ত কঠোর পদক্ষেপ বলে দাবি করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সামাজিক কর্মীরাও নিজেদের মত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। ফলে বিষয়টি এখন শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা বৃহত্তর সামাজিক বিতর্কের রূপ নিয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর নজরদারি চালানো হবে। নিয়ম না মানলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও পরিবেশ রক্ষায় সচেতন ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে, পুজো কমিটি ও ঈদের অনুষ্ঠানে মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত এখন রাজ্যের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। একদিকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন, অন্যদিকে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবেগ এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন প্রশাসনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অনেকে। আগামী দিনে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

রাজ্যে পুজো কমিটি ও ঈদের অনুষ্ঠানে মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আগামী দিনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর নজরদারি চালানো হবে এবং নির্ধারিত নিয়ম ভঙ্গ করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। পরিবেশ রক্ষা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। তবে এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, উৎসবের সময় অতিরিক্ত শব্দদূষণের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু এবং পরীক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। চিকিৎসকদের একাংশও দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে অতিরিক্ত শব্দ মানুষের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক চাপ এবং শ্রবণজনিত সমস্যার মতো নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। সেই কারণেই প্রশাসন এবার কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র পুজো বা ঈদের অনুষ্ঠান নয়, ভবিষ্যতে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও শব্দ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আরও কড়া নির্দেশিকা কার্যকর করা হতে পারে। প্রশাসনের বক্তব্য, আইন সবার জন্য সমান এবং কোনওভাবেই নিয়ম ভাঙার সুযোগ দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যেই পুলিশ ও প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, স্কুল ও সংবেদনশীল অঞ্চলে শব্দমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশের অভিযোগ, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কঠোরতা দেখানো হচ্ছে। তাঁদের মতে, বহু বছর ধরে উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বদলে নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। তাঁদের আরও দাবি, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি বিবেচনা না করেই প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

news image
আরও খবর

অন্যদিকে সরকারের সমর্থকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে শব্দদূষণ একটি বড় সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে দিনরাত অতিরিক্ত শব্দ সাধারণ মানুষের জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে প্রশাসনের এই ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের মতে, ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠান অবশ্যই হবে, কিন্তু তা যেন সাধারণ মানুষের অসুবিধার কারণ না হয়, সেদিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

পুজো কমিটি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মধ্যেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্ন মত দেখা গিয়েছে। কিছু কমিটির দাবি, বড় অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে মাইক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘোষণা, জনসচেতনতা প্রচার  সব ক্ষেত্রেই সাউন্ড সিস্টেমের প্রয়োজন হয়। তাই সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবসম্মত নয় বলে তাঁদের মত। অন্যদিকে কিছু সংগঠন প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পক্ষেও মত প্রকাশ করেছে এবং বিকল্প প্রযুক্তি বা কম শব্দের ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে।

ঈদের অনুষ্ঠানগুলিকেও এই নির্দেশিকার আওতায় আনা নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে। অনেকের মতে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ফলে প্রশাসনের উচিত ছিল বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া। তবে প্রশাসনের দাবি, এই সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়; বরং সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য একটি নিয়ম হিসেবেই কার্যকর করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ সরকারের সিদ্ধান্তকে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ একে সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ বলে দাবি করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সমাজকর্মী এবং সাধারণ মানুষ নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। ফলে বিষয়টি এখন শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশ রক্ষা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা  এই দুইয়ের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি, অন্যদিকে মানুষের আবেগ ও সংস্কৃতির বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। তাই প্রশাসনের উচিত সচেতনতা বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প ব্যবস্থার দিকেও নজর দেওয়া।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং সমাজের প্রত্যেক মানুষের দায়িত্ব বলেও বার্তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়ম ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, পুজো কমিটি ও ঈদের অনুষ্ঠানে মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত এখন রাজ্যের অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। একদিকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন, অন্যদিকে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবেগ এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগামী দিনে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

 


 

Preview image