Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জনাব সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সাহেবের পরিচালনায় এসআইয়ের কাজ চলছে

মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জনাব সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নেতৃত্বে বর্তমানে এসআই–এর কাজ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ও নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে রাজ্যজুড়ে যে উদ্বেগ এবং বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় তিনি নিজেই মাঠে নেমে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এসআই অফিসগুলিতে মানুষের ভিড় বাড়ছে, কারণ বহু মানুষ দেখছেন—তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে গেছে, কারও ঠিকানা ভুল, কারও আবার বয়সের তথ্য মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে মানুষের মনোবল ভেঙে না পড়ে এবং কেউ যেন অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী নিজে প্রতিটি জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।  

রাজনীতি

মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জনাব সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর পরিচালনায় এসআই–এর কাজ চলছে: রাজ্যজুড়ে ভোটার সচেতনতার নতুন দিশা — ৪০০০ শব্দের বিশদ প্রতিবেদন

পশ্চিমবঙ্গের মন্তেশ্বর বিধানসভা এলাকাসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভোটার তালিকা সংশোধন ও নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে যে উদ্বেগ, বিভ্রান্তি ও তৎপরতা দেখা দিয়েছে, সেই সময় রাজ্যের মন্ত্রী এবং মন্তেশ্বরের জনপ্রিয় বিধায়ক জনাব সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সরাসরি মাঠে নেমে এসআই–এর কাজ তদারকি করছেন। এটি সাধারণ কোনও প্রশাসনিক নজরদারি নয়—বরং মানুষের অধিকার রক্ষায় এক গভীর দায়বদ্ধতা থেকে জন্ম নেওয়া বিশেষ উদ্যোগ। তাঁর নেতৃত্বে চলছে ভোটার সচেতনতার বৃহৎ প্রক্রিয়া, যা ধীরে ধীরে একটি রাজ্যব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হচ্ছে।

এসআই অফিসে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ প্রতিদিনই চলছে, কিন্তু মানুষের অভিযোগ, বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ ধীরে ধীরে বাড়ছিল। অনেকেই জানতেন না কীভাবে ফর্ম ভরতে হয়, কাকে দেখাতে হবে, কোন কাগজ লাগবে, সময়সীমা কত—এসব নিয়ে সাধারণ মানুষ চরম অসুবিধায় পড়েছিলেন। অনেক জায়গায় দেখা গেছে, কয়েক বছরের পুরনো ভোটার হঠাৎ দেখছেন তাঁর নাম নেই। কেউ ঠিকানার ভুল দেখছেন, কেউ পাচ্ছেন সংক্ষিপ্ত তথ্য, কেউ আবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাজ করতে পারছেন না। ঠিক এই সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষ যখন হতাশ হয়ে পড়ছিলেন, তখন সামনে এসে দাঁড়ালেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

তিনি মন্তেশ্বর থেকে শুরু করে পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার নানা এলাকায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে নিজের চোখে দেখছেন—মানুষ আসলে কী সমস্যায় পড়ছেন এবং প্রশাসন কতটা সহযোগিতা করছে। তাঁর উপস্থিতি এসআই অফিসের কর্মীদেরও আরও দায়িত্বশীল করে তুলছে। তিনি নিজের ব্যবস্থায় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, জনগণের থেকে অভিযোগ শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশ দিচ্ছেন। সাধারণ মানুষকে এমনভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছেন—এই প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র কাগজপত্র সংশোধন নয়, এটি তাদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করার একটি অংশ।

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর জোর বার্তা হলো—প্রকৃত ভোটারের নাম কোনও অবস্থাতেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া চলবে না। তিনি মানুষকে বারবার বলছেন, “এটা শুধু ভোটের বিষয় নয়; এটা আপনাদের অস্তিত্ব, আপনাদের অধিকার। এই অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।” তিনি জানিয়ে দিয়েছেন—যেখানে মানুষ নিজের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন, সেখানে তিনি নিজে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর কথায়, “প্রয়োজনে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন হবে। মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা, মানুষকে অজ্ঞতায় রাখার চেষ্টা—এসব সহ্য করা হবে না।”

অনেক জায়গায় দেখা গেছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়সীমা এতই কম ছিল যে, মানুষ বুঝতেই পারেননি কখন কাজ শেষ হয়ে গেল। জনগণের এই অসহায় পরিস্থিতি দেখে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী তীব্র বক্তব্য রেখেছেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, “এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া দূরদর্শিতার অভাবের পরিচয়। সাধারণ মানুষকে সচেতন করার সুযোগ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।” রাজ্যের বিভিন্ন মসজিদ, ক্লাব, গ্রামসভা এবং সামাজিক সংগঠনকেও তিনি সচেতনতার কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি শুধু কথা বলছেন না; প্রতিটা এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। কোথাও কোনও বৃদ্ধ ব্যক্তি ভোটার তালিকায় নিজের নাম ঠিক আছে কিনা জানেন না—তাঁকে এসআই অফিস পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছেন। কোথাও কোনও এক মহিলা জানেন না তাঁর নাম বাদ গেছে কিনা—মন্ত্রী তাঁর হয়ে ফর্ম পূরণ করানোর ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। সেখানে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং একজন দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন।

এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন জমিয়ত উলামা হিন্দের জেলা–মহকুমা–গ্রাম পর্যায়ের কর্মীরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতে যা যা প্রয়োজন, আইনি লড়াই হোক বা মাঠে আন্দোলন, সবই করা হবে। তাদের প্রচেষ্টায় বহু গ্রামে বিশেষ ভোটার ক্যাম্প আয়োজন করা হচ্ছে। কেউ যদি তার ভোটার কার্ডে ভুল পান, তাকে সঙ্গে সঙ্গে সংশোধনের রাস্তা দেখানো হচ্ছে। কেউ যদি নিজের নাম না পান, সঙ্গে সঙ্গেই ফর্ম–৬ পূরণ করানো হচ্ছে। এমনকি যারা অসুস্থ বা চলাফেরা করতে অক্ষম, তাদের বাড়িতে দল গিয়ে সাহায্য করছে।

এসআই–এর কাজ যাতে দুর্নীতিমুক্ত, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছেন মন্ত্রী। তিনি প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছেন—কেউ যদি সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন, অযথা ঘোরান বা ঘুষ দাবি করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বহু জায়গায় দেখা গেছে, তাঁর নির্দেশে কর্মীরা রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রেখেছেন যাতে মানুষ কাজ করতে পারেন।

মানুষের মনোবল বাড়াতে তিনি প্রত্যেকটি সমাবেশে বারবার বলছেন—“ভোটার তালিকা গণতন্ত্রের ভিত্তি। নাম বাদ গেলে অধিকার হারাবেন। আর সেই অধিকার ফিরে পেতে লড়াই করা আপনার দায়িত্ব, আর পাশে থাকা আমার দায়িত্ব।” তাঁর প্রতিটি কথায় রয়েছে দৃঢ়তা এবং মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ।

news image
আরও খবর

এই আন্দোলন ধীরে ধীরে সারা রাজ্যে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। জেলার সাধারণ মানুষ বলছেন—তাঁর এই উদ্যোগ একদম সময়োপযোগী, কারণ এতদিন মানুষ জানতেন না তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ আছে কিনা। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর এই ভূমিকা মানুষের মনে এক নতুন আশা সৃষ্টি করেছে। তাঁর প্রচেষ্টা শুধুমাত্র রাজনৈতিক পটভূমিকে হায় ভরসা দিয়ে ওঠেনি—এটি মানুষের অধিকার রক্ষার প্রকৃত দৃষ্টান্ত।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর এই উদ্যোগ রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াকে আরও মানবিক ও দায়বদ্ধ করে তুলবে। সাধারণ মানুষ যেসব সমস্যার মুখে প্রতিদিন পড়ছেন, সেসব সমস্যাকে সরাসরি মাঠ থেকে তুলে এনে তা সমাধান করার যে চেষ্টা তিনি করছেন, তা রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করেছে। এ এক ধরনের জনঅভিযান—যেখানে নেতা ও জনগণ একই সুরে এক লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে—নিজেদের অধিকার রক্ষা।

মন্তেশ্বর থেকে শুরু হওয়া এই সচেতনতার ঢেউ আজ ছড়িয়ে পড়েছে মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, নদীয়া, বীরভূম, হুগলি, পূর্ব–পশ্চিম বর্ধমান, দুই ২৪ পরগনা এবং কলকাতাসহ পুরো রাজ্যে। যেখানে যেখানে তিনি যান, মানুষের মধ্যে নতুন সাহস তৈরি হয়। মানুষ বলছেন—“সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী আমাদের কণ্ঠস্বর হয়ে দাঁড়িয়েছেন।”

মানুষের প্রতি তাঁর এই নিবেদিত দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে আলাদা করে তোলে। প্রশাসনিক বোঝাপড়া, রাজনৈতিক বাক্য নয়—তিনি সরাসরি মানুষের কথা শুনে সমস্যার সমাধান করছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন—যদি দরকার পড়ে, তিনি আবারও রাজ্যের প্রতিটি জেলা ঘুরে ঘুরে মানুষকে সচেতন করবেন। তাঁর বার্তা পরিষ্কার—“মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় কোনও আপস নেই। আমাদের গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে মানুষের অংশগ্রহণে, মানুষের সচেতনতায়।”

সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে মন্তেশ্বর বিধানসভা ও বৃহত্তর পশ্চিমবঙ্গ এক বিশেষ আন্দোলনের সাক্ষী হচ্ছে। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নেতৃত্বে এসআই–এর কাজ শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়—এটি মানুষের অস্তিত্ব ও অধিকার রক্ষার জন্য এক ঐতিহাসিক প্রয়াস। মানুষের আশ্বাস, সচেতনতা ও অংশগ্রহণই এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করছে।

তিনি শুধু প্রশাসনিকভাবে কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন না; বরং সরাসরি জনগণের অভিযোগ শুনছেন, কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় তা নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন এবং现场েই নির্দেশ দিচ্ছেন। তাঁর উপস্থিতিতে অনেক জায়গায় কাজ দ্রুত হয়েছে। অনেক বৃদ্ধ মানুষ, মহিলা, শ্রমজীবী ও নিয়মিত কাজকর্মে ব্যস্ত সাধারণ মানুষ তাঁর সহায়তায় সহজে ভোটার তালিকা সংশোধন করতে পারছেন। তিনি মানুষের কাছে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন যে—প্রকৃত ভোটারের নাম কোনও পরিস্থিতিতেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া চলবে না। এই বিষয়কে তিনি মানুষকে আশ্বস্ত করার পাশাপাশি একটি গণঅধিকার রক্ষার আন্দোলন হিসেবেও দেখছেন।

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী জানিয়েছেন—ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়সীমা খুব কম হওয়ায় সাধারণ মানুষ ঠিকমতো তথ্য জানতে পারেননি, ফলে বহু প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। তিনি এই বিষয়টিকে নির্বাচন কমিশনের দূরদর্শিতার অভাব বলে উল্লেখ করেছেন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিভ্রান্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তিনি প্রতিটি মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছেন যাতে তারা এসআই–এর সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের নাম তালিকায় সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি আশ্বস্ত করেছেন—যদি কোনও প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ যায়, তাহলে জমিয়ত উলামা হিন্দের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে গণআন্দোলনও গড়ে তোলা হবে।

তাঁর এই সক্রিয় ভূমিকা রাজ্যজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। জেলার পর জেলা ঘুরে তাঁর বক্তব্য, মানুষের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন এবং তাঁদের সমস্যার সমাধানে তাঁর আন্তরিকতা প্রমাণ করছে—তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি নন, বরং একজন দায়িত্ববান সমাজনেতা। তাঁর নেতৃত্বে বর্তমানে বহু এলাকায় বিশেষ ভোটার ক্যাম্প করা হচ্ছে, যেখানে মানুষ বিনা ঝামেলায় ফর্ম পূরণ করতে পারছেন। অসুস্থ বা চলাফেরা করতে অক্ষম ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাহায্য পাচ্ছেন জমিনে থাকা কর্মীদের মাধ্যমে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর এই উদ্যোগ রাজ্যের ভোটার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াকে আরও মানবিক করে তুলেছে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতনতার নতুন মাত্রা দিয়েছে। তিনি ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন না, বরং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করার একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন। তাঁর এই ভূমিকা বর্তমানে শুধুমাত্র মন্তেশ্বরই নয়, পুরো পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের মধ্যে নতুন আশার আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে।

Preview image