বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের সামনে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীদের ফেলে যাওয়া ভাঙা কাঁচের বোতল পরিষ্কার করে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচালেন ট্রাফিক পুলিশ আধিকারিক চিন্ময় ব্যানার্জি এবং তার সিভিক ভলান্টিয়ার টিম। তাদের এই স্বতঃপ্রণোদিত মানবিক কাজে মুগ্ধ গোটা বর্ধমানবাসী এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার ঝড়।
পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর এবং দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শহর বর্ধমানের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কার্জন গেট বা বিজয় তোরণ। এই কার্জন গেট কেবল একটি ঐতিহাসিক সৌধ নয়, এটি বর্ধমান শহরের হৃৎপিণ্ড এবং যোগাযোগের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিদিন ভোরবেলা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত এই কার্জন গেট চত্বর এবং সংলগ্ন জিটি রোড ও বিসি রোডের মোড়ে হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকে। বিশেষ করে সকালের দিকে এই পথ দিয়ে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য স্কুল পড়ুয়া, কলেজ ছাত্রছাত্রী, অফিস যাত্রী, ব্যবসায়ী এবং নিত্য পথচারীরা যাতায়াত করেন। শহরতলির বাস, টোটো, অটো, সাইকেল এবং মোটর বাইকের প্রবল ভিড়ে এই মোড় সারাক্ষণ সরগরম থাকে। কিন্তু আজ, ২৭শে মার্চ শুক্রবার সকালে এই চিরচেনা ব্যস্ত এবং কোলাহলপূর্ণ কার্জন গেট চত্বরে এমন এক দৃশ্য দেখা গেল যা একাধারে অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং অন্যদিকে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। রাতের অন্ধকারে কেউ বা কারা সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাস্তার ঠিক মাঝখানে কাঁচের বোতল ভেঙে ফেলে রেখে গিয়েছিল, যা থেকে এক ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটতে পারত যেকোনো মুহূর্তে। কিন্তু সেই বিশাল বিপদের হাত থেকে বর্ধমানবাসীকে রক্ষা করলেন ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিক চিন্ময় ব্যানার্জি এবং তার সাথে থাকা কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়াররা।
ঘটনার সূত্রপাত আজ ভোরবেলার দিকে। অন্যান্য দিনের মতোই কার্জন গেট চত্বরে সকাল থেকেই ধীরে ধীরে যানবাহনের ভিড় বাড়তে শুরু করেছিল। সকালের দিকে এই রাস্তায় ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়ারা সাইকেল চালিয়ে বা বাবা মায়ের সাথে স্কুটারের পেছনে বসে স্কুলে যায়। অনেকেই আবার পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হন। এমন সময় সেখানে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিক চিন্ময় ব্যানার্জির নজরে আসে যে, রাস্তার ঠিক মাঝখানে, যেখানে সবচেয়ে বেশি গাড়ির যাতায়াত, সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে অসংখ্য ভাঙা কাঁচের টুকরো। খুব সম্ভবত রাতের অন্ধকারে কোনো মদ্যপ দুষ্কৃতী বা অসামাজিক লোকেরা মদের বোতল ভেঙে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে চলে গেছে। কাঁচের টুকরোগুলো এতই ধারালো এবং বিপজ্জনক অবস্থায় পড়েছিল যে, যেকোনো চলন্ত মোটর বাইক, স্কুটার বা সাইকেলের চাকা তার ওপর পড়লে সাথে সাথে টায়ার ফেটে গিয়ে চালক ভারসাম্য হারিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারতেন। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুদের জন্য এটি ছিল এক প্রাণঘাতী ফাঁদ। পায়ে হাঁটা কোনো পথচারী বা শিশু যদি ভুলবশত সেই কাঁচের ওপর পা ফেলত, তবে তাদের পা গভীরভাবে কেটে গিয়ে মারাত্মক রক্তপাত হতে পারত।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা এবং বিপদের আশঙ্কা বুঝতে পেরে এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করেননি ট্রাফিক আধিকারিক চিন্ময় ব্যানার্জি। তিনি এবং তার টিমের সিভিক ভলান্টিয়াররা সাধারণত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং যানজট সামলানোর কাজ করে থাকেন। রাস্তা পরিষ্কার করা বা ঝাড়ু দেওয়া তাদের প্রথাগত ডিউটি বা কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। এর জন্য পুরসভার আলাদা পরিচ্ছন্নতা কর্মী বা সুইপার রয়েছেন। কিন্তু সেই মুহূর্তে পুরসভার কর্মীদের খবর দিয়ে তাদের আসার জন্য অপেক্ষা করার মতো সময় বা পরিস্থিতি ছিল না। কারণ সকালের ব্যস্ত সময়ে প্রতি সেকেন্ডে ওই রাস্তা দিয়ে প্রচুর গাড়ি এবং মানুষ যাতায়াত করছিলেন। যেকোনো মুহূর্তে একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। তাই প্রথাগত নিয়ম বা পদমর্যাদার পরোয়া না করে চিন্ময় বাবু এবং তার সিভিক ভলান্টিয়াররা এক অভাবনীয় এবং প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে রাস্তার পাশ থেকে ঝাড়ু এবং বেলচা জোগাড় করে আনেন এবং সরাসরি রাস্তার মাঝখানে নেমে সেই বিপজ্জনক ভাঙা কাঁচের টুকরোগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করেন।
দৃশ্যটি ছিল সত্যিই অভূতপূর্ব এবং সাধারণ মানুষের চোখ খুলে দেওয়ার মতো। একদিকে যখন প্রবল বেগে গাড়ি ছুটে আসছে, তখন ট্রাফিক পুলিশের পোশাকে থাকা এই মানুষগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার ওপর থেকে সাবধানে কাঁচের টুকরোগুলো সরিয়ে ফেলছিলেন। তারা শুধু কাঁচ পরিষ্কার করেই থেমে থাকেননি, বরং পুরো জায়গাটি এমনভাবে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে দেন যাতে একটি ছোট কাঁচের কণাও রাস্তায় পড়ে না থাকে এবং কোনো পথচারীর পায়ে না ফোটে। তাদের এই কাজ করার সময় অন্যান্য সিভিক ভলান্টিয়াররা চারপাশের ট্রাফিক অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করছিলেন যাতে পরিষ্কার করার কাজে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে এবং যানজটও তৈরি না হয়। সকালের ব্যস্ত সময়ে ট্রাফিক পুলিশের এই স্বতঃপ্রণোদিত এবং মানবিক রূপ দেখে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ এবং গাড়ির চালকরা মুগ্ধ হয়ে যান।
এই মহৎ এবং দায়িত্বশীল কাজ সম্পন্ন করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাফিক আধিকারিক চিন্ময় ব্যানার্জি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে যে কথাগুলো বলেন, তা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে দাগ কেটেছে। চিন্ময় বাবু বলেন, "রাস্তায় ওই বিপজ্জনক ভাঙা কাঁচগুলো পড়ে থাকতে দেখে আমরা আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা করতে পারিনি। আমাদের চোখে না পড়লে বা আমরা যদি ওই কাঁচগুলো পরিষ্কার না করতাম, তাহলে যেকোনো সময় কোনো স্কুল বাচ্চা বা স্কুটার চালক ওই কাঁচের ওপর দিয়ে গিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারতেন। চাকা ফেটে গাড়ি উল্টে গিয়ে মানুষের প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারত। আমরা পুলিশ কর্মী, আমরা শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল দেওয়া বা যানজট সামলানোর দায়িত্ব পালন করি না। আমাদের প্রধান এবং সবচেয়ে বড় কর্তব্য হলো সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। পথ চলতে মানুষের যাতে কোনো রকম অসুবিধা না হয়, কেউ যেন কোনো রকম বিপদে না পড়ে, সেটা দেখাও আমাদেরই কাজ। আমরা সদা তৎপর থাকি যাতে রাস্তায় চলাচলকারী প্রতিটি মানুষের যাত্রা সুরক্ষিত হয়। এই কাজ করতে পেরে আমরা তৃপ্ত, কারণ আমরা আজ হয়তো কোনো বড় দুর্ঘটনাকে আটকাতে পেরেছি।"
চিন্ময় ব্যানার্জির এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে, পুলিশের উর্দি কেবল আইন শৃঙ্খলার প্রতীক নয়, এটি সমাজসেবা এবং মানবিকতারও এক বিশাল প্রতীক। সাধারণ মানুষের মনে অনেক সময় পুলিশ সম্পর্কে নানা রকম নেতিবাচক ধারণা থাকে, কিন্তু চিন্ময় বাবু এবং তার টিমের এই কাজ সেই সমস্ত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দিয়েছে। তারা দেখিয়ে দিয়েছেন যে, পুলিশ আসলে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু এবং রক্ষাকর্তা। বিপদ যখন দোরগোড়ায় আসে, তখন তারা নিজেদের পদের অহংকার বা প্রথাগত নিয়মের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান। তাদের এই মানবিক কাজের খবর সকাল থেকেই পুরো বর্ধমান শহরে মুখে মুখে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। বর্ধমানবাসী, বিশেষ করে ওই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী স্কুল পড়ুয়াদের অভিভাবকরা ট্রাফিক পুলিশ এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের এই কাজের জন্য তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে, বিশেষ করে ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলোতে চিন্ময় ব্যানার্জি এবং তার টিমের ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করে সাধারণ মানুষ তাদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই লিখেছেন যে, "আজকের দিনে এমন পুলিশ অফিসার এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্যই আমরা সাধারণ মানুষরা রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি এবং সকালে নিরাপদে রাস্তায় বের হতে পারি।" স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাদের এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। বর্ধমান শহরের বিশিষ্ট নাগরিকরা জানিয়েছেন যে, ট্রাফিক পুলিশের এই কাজ কেবল একটি রাস্তাকে পরিষ্কার করা নয়, এটি সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে এক গভীর এবং শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। এটি আমাদের শেখায় যে, সমাজের প্রতি আমাদের প্রত্যেকের কিছু নিজস্ব দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালন করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট পদ বা পোশাকের প্রয়োজন হয় না, প্রয়োজন কেবল একটি সুন্দর এবং সংবেদনশীল মনের।
তবে এই ঘটনার সাথে সাথে আমাদের সমাজের একটি চরম অন্ধকার এবং নেতিবাচক দিকও অত্যন্ত নগ্নভাবে উন্মোচিত হয়েছে। যারা রাতের অন্ধকারে এই ধরনের অসামাজিক কাজ করেছে, রাস্তার মাঝখানে কাঁচের বোতল ভেঙে ফেলে রেখে গেছে, তাদের মানসিকতা নিয়ে এক বিশাল প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। কার্জন গেটের মতো শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক একটি জায়গায় যারা এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করতে পারে, তাদের কোনোভাবেই সুস্থ নাগরিক বলা চলে না। এরা সমাজের এক একটি বিষফোঁড়া। এই ধরনের দুষ্কৃতীরা কেবল রাস্তা নোংরা করে না, তারা সাধারণ নিরীহ মানুষের জীবনের সাথে ছিনিমিনি খেলে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কার্জন গেট চত্বরে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে এই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এই ধরনের জঘন্য কাজ করার সাহস না পায়।
স্থানীয় প্রশাসন এবং পুরসভার কাছেও সাধারণ নাগরিকদের দাবি, রাতের বেলা কার্জন গেট এবং শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশি টহল আরও বৃদ্ধি করতে হবে। গভীর রাতে মদ্যপ যুবকদের আড্ডা এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণ বন্ধ করার জন্য প্রশাসনকে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কারণ শহরকে সুন্দর এবং সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব কেবল পুলিশের একার নয়, এটি পুরসভা এবং সাধারণ নাগরিকদেরও সমান দায়িত্ব। আমাদের সকলকেই সচেতন হতে হবে। যদি আমরা রাস্তায় কোনো বিপজ্জনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখি, তবে পাশ কাটিয়ে চলে না গিয়ে আমাদেরও উচিত সেটা সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো। চিন্ময় বাবু এবং তার সিভিক ভলান্টিয়াররা আজ আমাদের সামনে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা থেকে আমাদের সকলেরই শিক্ষা নেওয়া উচিত।
পূর্ব বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনে আজকের এই ঘটনাটি হয়তো প্রতিদিনের অসংখ্য খবরের ভিড়ে একটি ছোট ঘটনা বলে মনে হতে পারে, কিন্তু এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর। এটি আমাদের মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং সমাজসেবার প্রকৃত অর্থ শিখিয়ে দেয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমাজে এখনও এমন অনেক নিঃস্বার্থ মানুষ রয়েছেন যারা নিজেদের কর্তব্যের ঊর্ধ্বে উঠে অপরের মঙ্গলের জন্য কাজ করেন। ট্রাফিক আধিকারিক চিন্ময় ব্যানার্জি এবং তার সিভিক ভলান্টিয়ার টিম আজ বর্ধমানবাসীর হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে নিয়েছেন। তাদের এই সজাগ দৃষ্টি এবং মানবিক উদ্যোগের ফলেই আজ কার্জন গেট চত্বরে একটি সম্ভাব্য রক্তক্ষয়ী দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। আমরা আশা করব, তাদের এই কাজ সমাজের অন্যান্য স্তরের পুলিশ কর্মীদের এবং সাধারণ নাগরিকদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে। একটি সুরক্ষিত, সুন্দর এবং দুর্ঘটনা মুক্ত শহর গড়ে তোলার জন্য আমাদের সকলেরই এই ধরনের দায়িত্বশীল মানসিকতা একান্ত প্রয়োজন। বর্ধমান ট্রাফিক পুলিশের এই মানবদরদী এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপকে আমরা কুর্নিশ জানাই এবং আশা করি আগামী দিনেও তারা এভাবেই সাধারণ মানুষের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন।