Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শাহরুখ আলিয়ার দেহরক্ষীরা কত টাকা পান জানলে চমকে যাবেন

একসময় দেহরক্ষীদের কোনও বেতনই ছিল না ইয়াসিনই প্রথম সেই নিয়ম বদলান।

বলিউড তারকাদের দেহরক্ষীরা নাকি বছরে কোটি কোটি টাকা আয় করেন—এই ধারণা বহুদিন ধরেই মানুষের মধ্যে প্রচলিত। বিশেষ করে Shah Rukh Khan বা Alia Bhatt-এর মতো সুপারস্টারদের সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীদের জীবনযাপন দেখে অনেকেই মনে করেন তাঁদের পারিশ্রমিকও আকাশছোঁয়া। কিন্তু বাস্তবে কি সত্যিই তা-ই? এই বিতর্কিত বিষয় নিয়েই মুখ খুললেন শাহরুখ খানের প্রাক্তন দেহরক্ষী Yaseen Khan।

ইয়াসিন খানের দাবি, দেহরক্ষীদের নিয়ে যে কোটি টাকার বেতনের গল্প শোনা যায়, তার বেশিরভাগই অতিরঞ্জিত। তাঁর কথায়, “কেউই বছরে ২-২.৫ কোটি টাকা আয় করেন না। যদি কেউ বড় তারকার সঙ্গে কাজ করেন, তাহলে তাঁদের নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক থাকে। এছাড়া সিনেমার শুটিংয়ের সময় প্রযোজকরা আলাদা করে দেহরক্ষীদের পারিশ্রমিক ঠিক করেন।” অর্থাৎ, দেহরক্ষীদের আয় নির্ভর করে কাজের ধরন, তারকার জনপ্রিয়তা এবং চুক্তির উপর।

আরও চমকপ্রদ তথ্য হল—একসময় দেহরক্ষীদের কোনও নির্দিষ্ট বেতনই ছিল না। ইয়াসিন খানই প্রথম এই প্রথার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। তিনি উদ্যোগী হয়ে পারিশ্রমিকের দাবি তোলেন এবং সেই সময় থেকেই ধীরে ধীরে দেহরক্ষীদের কাজের মূল্য নির্ধারণ শুরু হয়। তাঁর এই পদক্ষেপের পর অন্যান্য দেহরক্ষীরাও পারিশ্রমিক দাবি করতে শুরু করেন। ফলে একটি অনানুষ্ঠানিক পেশা ধীরে ধীরে সংগঠিত রূপ পায়।

ইয়াসিন আরও জানান, যখন দেহরক্ষীরা সিনেমার শুটিংয়ে পারিশ্রমিক পেতে শুরু করেন, তখন তিনি Gauri Khan-এর কাছে নিজের পারিশ্রমিকের বিষয়টি তোলেন। তিনি বলেন, “শুটিংয়ে অন্যরা পারিশ্রমিক পাচ্ছেন, আমারও পাওয়া উচিত।” গৌরী খান সেই প্রস্তাবে সঙ্গে সঙ্গে সম্মতি দেন। এই ঘটনাই দেহরক্ষীদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে ওঠে।

তবে বর্তমানে দেহরক্ষীদের আয় নিয়ে যে ভুল ধারণা রয়েছে, সেটাও ভাঙতে চান ইয়াসিন। তাঁর মতে, মাসে ৮-১০ লক্ষ টাকা বেতন পাওয়াও বিরল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেহরক্ষীদের মাসিক আয় এর থেকে অনেক কম।

বলিউড তারকাদের দেহরক্ষীদের আয় নিয়ে নানা সময়েই নানা জল্পনা-কল্পনা শোনা যায়। অনেকেই মনে করেন, সুপারস্টারদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এই দেহরক্ষীরা বছরে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেন। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা একেবারেই আলাদা—এই বিষয়টি আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন Alia Bhatt-এর দেহরক্ষী Yusuf Ibrahim।

একটি সাক্ষাৎকারে ইউসুফ ইব্রাহিম জানান, বলিউড দেহরক্ষীদের মাসিক বেতন সাধারণত ২৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। খুব কম ক্ষেত্রেই এই অঙ্কের বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া যায়। অর্থাৎ, যে কোটি টাকার বেতনের গল্প প্রচলিত রয়েছে, তা বাস্তবে অনেকটাই অতিরঞ্জিত বা গুজব বলেই মনে করা হচ্ছে। এই তথ্য অনেকের কাছেই বিস্ময়কর, কারণ বাইরে থেকে দেহরক্ষীদের জীবনযাত্রা বেশ আড়ম্বরপূর্ণ বলেই মনে হয়।

তবে এই ক্ষেত্রেও কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। বিশেষ করে Salman Khan-এর দীর্ঘদিনের দেহরক্ষী Shera-র নাম আলাদা করে উল্লেখযোগ্য। শেরা শুধু একজন দেহরক্ষী নন, তিনি নিজস্ব ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। তাঁর এই অতিরিক্ত আয়ের উৎসের কারণেই তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি বলে জানা যায়। ফলে তাঁকে সাধারণ দেহরক্ষীদের সঙ্গে একসারিতে ফেলা ঠিক নয়।

বলিউড তারকাদের দেহরক্ষীদের জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই এক ধরনের কৌতূহল কাজ করে। বড় বড় তারকাদের সঙ্গে ছায়ার মতো ঘুরে বেড়ানো, ভিড় সামলানো, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা—সব মিলিয়ে তাঁদের কাজ যেমন কঠিন, তেমনই অনেকের চোখে তা বেশ গ্ল্যামারাস। কিন্তু এই ঝলমলে ছবির আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক ভিন্ন বাস্তবতা, যা অনেকটাই অজানা। বিশেষ করে তাঁদের পারিশ্রমিক নিয়ে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা বাস্তবের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই মেলে না।

একটা সময় ছিল, যখন দেহরক্ষীদের এই পেশা এতটা সংগঠিত বা সম্মানজনক ছিল না। আজকের মতো নির্দিষ্ট বেতন, চুক্তি বা পেশাগত নিয়ম তখন ছিল না বললেই চলে। অনেক ক্ষেত্রেই দেহরক্ষীরা শুধুমাত্র দায়িত্ববোধ বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে কাজ করতেন। তাঁদের কাজের কোনও নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করা হত না, এমনকি অনেক সময় তাঁরা কোনও পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করতেন। ফলে এই পেশার মধ্যে নিরাপত্তা বা স্থায়িত্বের অভাব ছিল স্পষ্ট।

এই পরিস্থিতির পরিবর্তন শুরু হয় ধীরে ধীরে। আর সেই পরিবর্তনের অন্যতম মুখ ছিলেন Yaseen Khan। তিনি শুধু একজন দেহরক্ষী ছিলেন না, বরং এই পেশার ভিত শক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ইয়াসিন খান প্রথমদের মধ্যে একজন, যিনি দেহরক্ষীদের জন্য নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের দাবি তোলেন। তাঁর এই পদক্ষেপ সেই সময়ের জন্য যথেষ্ট সাহসী ছিল, কারণ তখন এই ধরনের দাবি তোলা খুব একটা প্রচলিত ছিল না।

ইয়াসিন খানের উদ্যোগের ফলে ধীরে ধীরে অন্যান্য দেহরক্ষীরাও নিজেদের পারিশ্রমিকের বিষয়ে সচেতন হতে শুরু করেন। তাঁরা বুঝতে পারেন যে, তাঁদের কাজের গুরুত্ব এবং ঝুঁকি বিবেচনা করে একটি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক থাকা উচিত। এই পরিবর্তনের ফলে দেহরক্ষীদের পেশা ধীরে ধীরে একটি সংগঠিত কাঠামোর মধ্যে আসতে শুরু করে। চুক্তিভিত্তিক কাজ, নির্দিষ্ট বেতন এবং পেশাগত শর্তাবলীর মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে শুরু করে।

বর্তমানে বলিউডে দেহরক্ষীদের কাজ অনেক বেশি পেশাদার এবং সংগঠিত। বড় তারকাদের ক্ষেত্রে তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দেহরক্ষীদের উপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই বেড়েছে। তাঁরা শুধু শারীরিক নিরাপত্তাই নিশ্চিত করেন না, বরং ভিড় নিয়ন্ত্রণ, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং বিভিন্ন ইভেন্টে সঠিকভাবে পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্বও পালন করেন। ফলে তাঁদের কাজের পরিধি আগের তুলনায় অনেকটাই বিস্তৃত হয়েছে।

তবে এই পেশার গ্ল্যামার দেখে অনেকেই মনে করেন যে দেহরক্ষীদের আয়ও অত্যন্ত বেশি। বাস্তবে কিন্তু সেই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেহরক্ষীদের আয় নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকে। যদিও বড় তারকার সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাঁদের পারিশ্রমিক কিছুটা বেশি হতে পারে, তবুও তা কোটি টাকার অঙ্কে পৌঁছায় না। বরং তাঁদের আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে কাজের ধরন, অভিজ্ঞতা এবং চুক্তির উপর।

news image
আরও খবর

এখানেই আসে বাস্তবতা আর প্রচলিত ধারণার মধ্যে পার্থক্য। বাইরে থেকে দেহরক্ষীদের জীবন যতটা ঝলমলে মনে হয়, ভেতরে তা ততটাই পরিশ্রমসাধ্য এবং দায়িত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা, সবসময় সতর্ক থাকা এবং যেকোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা—এই সবই তাঁদের নিত্যদিনের অংশ। ফলে তাঁদের কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি হলেও, পারিশ্রমিক সেই তুলনায় সবসময় সমানভাবে প্রতিফলিত হয় না।

তবুও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পেশার মর্যাদা অনেকটাই বেড়েছে। আগে যেখানে দেহরক্ষীদের গুরুত্ব কম ছিল, এখন সেখানে তাঁদের উপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তারকাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নিরাপত্তার গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহরক্ষীদের প্রয়োজনীয়তাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে তাঁদের কাজ এখন অনেক বেশি স্বীকৃতি পাচ্ছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বলিউড তারকাদের দেহরক্ষীদের জীবন একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জিং, অন্যদিকে তেমনই সম্মানজনক। যদিও তাঁদের আয় নিয়ে নানা ধরনের ভুল ধারণা রয়েছে, বাস্তবে তাঁদের পারিশ্রমিক সীমিত হলেও কাজের গুরুত্ব এবং দায়িত্ব অনেক বেশি। আর এই পেশাকে আজকের জায়গায় নিয়ে আসার পিছনে Yaseen Khan-এর মতো ব্যক্তিদের অবদান অস্বীকার করা যায় না।

বর্তমানে দেহরক্ষীদের পেশা আর শুধুমাত্র একটি সাধারণ চাকরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পেশা এক নতুন পরিচিতি পেয়েছে—এটি এখন একটি অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ এবং সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ করে বলিউডের মতো উচ্চপ্রোফাইল ইন্ডাস্ট্রিতে, যেখানে তারকাদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়, সেখানে দেহরক্ষীদের ভূমিকা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

একসময় এই পেশাকে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হত না। দেহরক্ষীরা অনেক ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক ছাড়া কাজ করতেন, তাঁদের কাজের কোনও স্থায়ী কাঠামো ছিল না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলেছে। এই পরিবর্তনের পিছনে বড় ভূমিকা রয়েছে Yaseen Khan-এর মতো কিছু মানুষের, যাঁরা দেহরক্ষীদের কাজের যথাযথ মূল্য দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হয়েছিলেন। তাঁদের প্রচেষ্টার ফলেই আজ এই পেশা একটি সংগঠিত রূপ পেয়েছে।

বর্তমানে বড় তারকাদের সঙ্গে কাজ করা দেহরক্ষীরা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বই পালন করেন না, বরং তাঁদের কাজের পরিধি অনেক বেশি বিস্তৃত। ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা, পাবলিক ইভেন্টে তারকাকে নিরাপদ রাখা, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামলানো, এমনকি কখনও কখনও তারকার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখাও তাঁদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এই কাজের জন্য প্রয়োজন হয় শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।

বলিউডের জনপ্রিয় তারকা যেমন Shah Rukh Khan, Alia Bhatt বা Salman Khan-এর ক্ষেত্রে দেহরক্ষীদের ভূমিকা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাঁদের চারপাশে সবসময় ভক্তদের ভিড়, মিডিয়ার উপস্থিতি এবং বিভিন্ন ধরনের অনির্দেশ্য পরিস্থিতি থাকে। এই সব কিছু সামলে তারকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দেহরক্ষীদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

তবে এই পেশার বাইরের চাকচিক্য দেখে অনেকেই মনে করেন যে দেহরক্ষীদের আয়ও অত্যন্ত বেশি। বাস্তবে কিন্তু সেই ধারণা অনেকটাই ভুল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁদের পারিশ্রমিক নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকে এবং তা কাজের ধরন ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। যদিও বড় তারকার সঙ্গে যুক্ত থাকলে কিছু অতিরিক্ত সুবিধা বা সুযোগ পাওয়া যায়, তবুও কোটি টাকার বেতনের ধারণা অনেকটাই অতিরঞ্জিত।

এখানেই এই পেশার আসল দিকটি সামনে আসে। দেহরক্ষীরা যে কাজটি করেন, তা শুধু একটি চাকরি নয়—এটি একটি দায়িত্ব, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে সতর্ক থাকতে হয়। তাঁদের কাজের মধ্যে রয়েছে ঝুঁকি, চাপ এবং অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই সত্ত্বেও তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন, যা এই পেশাকে আরও বেশি সম্মানজনক করে তোলে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেহরক্ষীদের কাজের স্বীকৃতি এবং মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যেখানে তাঁদের কাজকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হত না, এখন সেখানে তাঁদের ছাড়া তারকাদের দৈনন্দিন জীবন প্রায় অচল। ফলে এই পেশা এখন শুধুমাত্র নিরাপত্তা পরিষেবার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাগত ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ভবিষ্যতের দিক থেকেও এই পেশার সম্ভাবনা যথেষ্ট উজ্জ্বল। নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা যত বাড়বে, ততই দেহরক্ষীদের গুরুত্বও বৃদ্ধি পাবে। নতুন প্রযুক্তি, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আরও সংগঠিত কাঠামোর মাধ্যমে এই পেশা আরও আধুনিক ও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। ফলে বলা যায়, দেহরক্ষীদের পেশা আগামী দিনে আরও বেশি পেশাদার এবং সম্মানজনক রূপ পাবে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্ল্যামারের আড়ালে থাকা এই পেশার আসল মূল্য এখন ধীরে ধীরে সামনে আসছে। দেহরক্ষীরা শুধু তারকাদের ছায়াসঙ্গী নন, তাঁরা তাঁদের নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় ভরসা। আর সেই কারণেই, পারিশ্রমিক যতই সীমিত হোক না কেন, এই পেশার মর্যাদা এবং গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

 

Preview image