Lenskart-এ SBI Mutual Fund-এর ১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, IPO-র আগে ৭.৭ বিলিয়ন ডলারের মূল্যায়ন দেশের শীর্ষ মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থা SBI Mutual Fund ভারতের চোখের চশমা বিক্রেতা জায়ান্ট Lenskart Solutions Ltd-এ ₹১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে। এই বিনিয়োগটি হয়েছে কোম্পানির IPO (Initial Public Offering) ঘোষণার আগেই, এবং এর ফলে Lenskart-এর সর্বমোট মূল্যায়ন পৌঁছেছে US $7.7 বিলিয়ন, অর্থাৎ প্রায় ₹৭০,০০০ কোটি টাকায়। Moneycontrol-এর তথ্য অনুযায়ী, এই বিনিয়োগ SBI Mutual Fund-এর দুটি স্কিম — SBI Optimal Equity Fund ও SBI Emergent Fund — এর মাধ্যমে করা হয়েছে। এই দুটি ফান্ড মিলে Lenskart-এর প্রি-IPO রাউন্ডে প্রায় ২৪.৮৭ লক্ষ শেয়ার, প্রতিটির দাম ₹৪০২, ক্রয় করেছে। শেয়ারগুলি বিক্রি করেছেন Lenskart-এর অন্যতম প্রমোটার ও প্রতিষ্ঠাতা পেয়ুশ বংশলের স্ত্রী নেহা বংশল (Neha Bansal)। Lenskart বর্তমানে ভারতের অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল রিটেইল স্টার্টআপ। সংস্থার ব্যবসা অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমেই বিস্তৃত — বর্তমানে ভারতের ২০০টিরও বেশি শহরে ২০০০টির বেশি আউটলেট রয়েছে। কোম্পানিটি ইতিমধ্যে বিদেশেও নিজের ব্যবসা প্রসারিত করেছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিনিয়োগ Lenskart-এর প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের গভীর আস্থার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি ভারতের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে এক ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে—যেখানে এখন আবারও বড় মাপের প্রি-IPO বিনিয়োগ দেখা যাচ্ছে। Lenskart শিগগিরই IPO বাজারে আনতে চলেছে, যেখানে তারা ₹৪,০০০–₹৫,০০০ কোটি টাকার ফান্ড সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। এই অর্থ ব্যবহৃত হবে নতুন স্টোর খোলার, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ মূল্যায়ন থাকা সত্ত্বেও Lenskart-এর ব্যবসায়িক ভিত্তি দৃঢ়। যদি IPO-পরবর্তী সময়ে সংস্থার লাভজনকতা অব্যাহত থাকে, তবে এটি ভারতের অন্যতম সফল কনজিউমার টেক ব্র্যান্ড হিসেবে উঠে আসবে।
ভারতের শীর্ষ বিনিয়োগ সংস্থা SBI Mutual Fund দেশের শীর্ষ চশমা বিক্রেতা ও টেক-ভিত্তিক রিটেইল কোম্পানি Lenskart Solutions Ltd-এ ₹১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে। এই বিনিয়োগটি Lenskart-এর আসন্ন IPO (Initial Public Offering)–এর আগেই সম্পন্ন হয়েছে, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে আসতে চলেছে।
এই লেনদেনের মাধ্যমে কোম্পানিটির সর্বমোট মূল্যায়ন দাঁড়িয়েছে প্রায় US $7.7 বিলিয়ন, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ₹৭০,০০০ কোটি। এই বিনিয়োগ বাজারে এক বড় আস্থা ও বার্তা বহন করছে—ভারতের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে এখন আবারও বড় মাপের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের ঢেউ উঠছে।
Moneycontrol-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিনিয়োগটি SBI Mutual Fund-এর দুইটি বিশেষ স্কিমের মাধ্যমে হয়েছে—
SBI Optimal Equity Fund, এবং
SBI Emergent Fund।
এই দুটি স্কিম মিলে Lenskart-এর প্রি-IPO পর্বে প্রায় ₹১০০ কোটি মূল্যের শেয়ার কিনেছে। শেয়ারগুলি বিক্রি করেছেন কোম্পানির অন্যতম প্রমোটার নেহা বংশল (Neha Bansal), যিনি Lenskart-এর প্রতিষ্ঠাতা পেয়ুশ বংশল (Peyush Bansal)-এর স্ত্রী।
লেনদেনটি হয়েছে প্রতি শেয়ারের দাম ₹৪০২, এবং এই দামে মোট ২৪.৮৭ লক্ষ শেয়ার হস্তান্তরিত হয়েছে।
এই বিনিয়োগ এমন এক সময় এসেছে যখন Lenskart IPO-এর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। কোম্পানিটি শেয়ার বাজারে প্রবেশের আগে বড় মাপের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের থেকে আস্থা অর্জন করতে চেয়েছিল, যা সফলভাবে সম্ভব হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই লেনদেনের ফলে কোম্পানির মূল্যায়ন (valuation) ৭.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দাঁড়ানো Lenskart-এর প্রতি বিনিয়োগকারীদের দৃঢ় আস্থার প্রতিফলন।
এই মূল্যায়ন Lenskart-কে ভারতের সবচেয়ে মূল্যবান কনজিউমার টেক কোম্পানিগুলির তালিকায় রাখছে, যেখানে ইতিমধ্যেই আছে Byju’s, Swiggy, Zomato, এবং Oyo-র মতো বড় স্টার্টআপ।
২০১০ সালে পেয়ুশ বংশল (Peyush Bansal) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত Lenskart, ভারতের অনলাইন চশমা বিক্রির বাজারে এক বিপ্লব এনেছিল।
কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত ২০০টির বেশি শহরে ২০০০+ রিটেইল স্টোর চালাচ্ছে।
Lenskart-এর ব্যবসা শুধুমাত্র ভারতে সীমাবদ্ধ নয়; কোম্পানি এখন মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারেও প্রবেশ করেছে।
সংস্থাটি ইতিমধ্যে SoftBank Vision Fund, Kedaara Capital, TPG Growth, এবং Premji Invest-এর মতো বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহ করেছে।
IPO-এর আগে SBI Mutual Fund-এর এই বিনিয়োগকে বাজার বিশেষজ্ঞরা “confidence booster” হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়াবে।
Lenskart-এর IPO ২০২৫ সালের শেষের দিকে বা ২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
কোম্পানি পরিকল্পনা করছে, প্রাথমিক পাবলিক অফারে (IPO) ₹৪,০০০–₹৫,০০০ কোটি পর্যন্ত তহবিল সংগ্রহ করবে।
এই ফান্ড মূলত ব্যবহৃত হবে—
স্টোর সংখ্যা বাড়াতে,
প্রোডাকশন ও লজিস্টিক সেন্টার সম্প্রসারণে,
টেকনোলজিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার শক্তিশালী করতে, এবং
আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে।