নদীয়ার শান্তিপুর ফুলিয়ার কৃষিপল্লী এলাকায় একটি কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া ১৮টি তাজা বোমা নিষ্ক্রিয় করল বোম স্কোয়াড ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় পুলিশ ও দমকলের কড়া নিরাপত্তায় নিরাপদ স্থানে বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করা হয়।
নদীয়া জেলার শান্তিপুর থানা এলাকার ফুলিয়ার কৃষিপল্লী অঞ্চলে একটি কলাবাগান থেকে বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। সেখানে একটি কলাবাগানের ভেতরে মজুদ করে রাখা অবস্থায় প্রায় ১৮টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। কে বা কারা এই বোমাগুলি সেখানে মজুদ করে রেখেছিল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর তদন্ত।
ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। স্থানীয় মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং গোটা এলাকায় কড়া নজরদারি চালায় পুলিশ প্রশাসন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। পাশাপাশি যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাখা হয় দমকল বাহিনীর একটি ইঞ্জিন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি অত্যন্ত শক্তিশালী ও তাজা ছিল। ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে দ্রুত বোম স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে বিশেষ প্রতিনিধি দল নিয়ে শান্তিপুর থানায় পৌঁছায় বোম স্কোয়াড। এরপর নিরাপদ ও নির্জন একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে একে একে নিষ্ক্রিয় করা হয় উদ্ধার হওয়া ১৮টি তাজা বোমা।
বোমা নিষ্ক্রিয় করার সময় গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। পুলিশ, বোম স্কোয়াড এবং দমকল বাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখে। যাতে কোনওরকম দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভোট পরবর্তী সময় থেকেই শান্তিপুর থানা এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিকবার তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। এর আগেও বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ ও বোম স্কোয়াড। এবার একসঙ্গে ১৮টি বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় কিছু দুষ্কৃতী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে এবং তারাই এই ধরনের বিস্ফোরক মজুদের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। যদিও পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নদীয়া জেলার শান্তিপুর থানা এলাকার ফুলিয়ার কৃষিপল্লী অঞ্চলে একটি কলাবাগান থেকে বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে সন্দেহজনক কিছু বস্তু দেখতে পান কলাবাগানের ভেতরে। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হতেই খবর দেওয়া হয় শান্তিপুর থানায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় প্রায় ১৮টি তাজা বোমা। এত বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকাজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল এবং সেগুলি সক্রিয় অবস্থায় মজুদ করে রাখা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, কোনও দুষ্কৃতী চক্র এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি কিংবা অপরাধমূলক কাজের উদ্দেশ্যে এই বোমাগুলি মজুদ করে রেখেছিল। যদিও কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন স্থানীয় মানুষজন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকও। প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় যাতে কোনওরকম দুর্ঘটনা না ঘটে।
শুধু পুলিশ নয়, আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ঘটনাস্থলে রাখা হয় দমকল বাহিনীর একটি ইঞ্জিনও। কারণ উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি বিস্ফোরিত হলে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলের আশপাশে অযথা ভিড় না করার আবেদন জানানো হয়।
পরবর্তীতে সোমবার বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য খবর দেওয়া হয় বোম স্কোয়াডকে। সোমবার দুপুরে বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল শান্তিপুর থানায় পৌঁছায়। এরপর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্জন ও নিরাপদ স্থানে। সেখানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে একে একে নিষ্ক্রিয় করা হয় সবকটি তাজা বোমা। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় পুলিশ, বোম স্কোয়াড এবং দমকল বাহিনীর যৌথ তৎপরতায়।
বোমা নিষ্ক্রিয় করার সময় গোটা এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হয়। কোনওরকম ঝুঁকি এড়াতে আগে থেকেই সমস্ত রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে প্রশাসন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতগুলি তাজা বোমা একসঙ্গে উদ্ধার হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা। সময়মতো পুলিশ খবর না পেলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভোট পরবর্তী সময় থেকে শান্তিপুর থানা এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে বারবার তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। এর আগেও একাধিক এলাকায় পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে বোমা উদ্ধার করেছে। সেইসব বোমাও পরবর্তীতে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছিল। এবার একসঙ্গে ১৮টি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এলাকায় কিছু দুষ্কৃতী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে এবং তাদের কারণেই এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। সাধারণ মানুষ চাইছেন দ্রুত অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করুক পুলিশ প্রশাসন। কারণ বারবার বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
যদিও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমাজের অপরাধমূলক কাজ দমন করতে তারা অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে দাবি, এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চলছে এবং দুষ্কৃতীদের গতিবিধির উপর পাখির চোখ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে টহলদারি। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের উপর নজর রাখছে তদন্তকারী দল।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়ালেও পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং বোম স্কোয়াডের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের তৎপরতায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। তবে এখনও আতঙ্ক পুরোপুরি কাটেনি সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবারগুলি।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলির উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। কোথা থেকে এই বিস্ফোরক আনা হয়েছিল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও সূত্রের খবর। পাশাপাশি এলাকায় থাকা সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও অপরাধ দমন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ একইভাবে সক্রিয় থাকবে। সমাজবিরোধী কাজের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
নদীয়া জেলার শান্তিপুর থানা এলাকার ফুলিয়ার কৃষিপল্লী অঞ্চলে একটি কলাবাগান থেকে ১৮টি তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসে কলাবাগানের ভেতরে সন্দেহজনক কিছু বস্তু পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হতেই খবর দেওয়া হয় শান্তিপুর থানায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় প্রায় ১৮টি তাজা বোমা।
ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ প্রশাসন। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং এলাকায় বাড়ানো হয় নজরদারি। উপস্থিত ছিলেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। পাশাপাশি কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে রাখা হয় দমকল বাহিনীর একটি ইঞ্জিন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। ফলে দ্রুত বোম স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে বিশেষ প্রতিনিধি দল নিয়ে শান্তিপুর থানায় পৌঁছায় বোম স্কোয়াড। এরপর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি নিয়ে যাওয়া হয় একটি নিরাপদ জায়গায়। সেখানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে একে একে নিষ্ক্রিয় করা হয় সবকটি তাজা বোমা।
বোমা নিষ্ক্রিয় করার সময় পুলিশ, বোম স্কোয়াড এবং দমকল বাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখে। যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগে থেকেই সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, সময়মতো পুলিশ ঘটনাস্থলে না পৌঁছালে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী সময় থেকে শান্তিপুর থানা এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে বারবার তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। এর আগেও একাধিক এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে পুলিশ। এবার একসঙ্গে ১৮টি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমাজের অপরাধমূলক কাজ দমন করতে তারা অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে দাবি, এলাকায় নিয়মিত টহলদারি ও নজরদারি চলছে এবং দুষ্কৃতীদের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখা হয়েছে।
সব মিলিয়ে শান্তিপুর ফুলিয়ার কৃষিপল্লী এলাকায় কলাবাগান থেকে ১৮টি তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ, বোম স্কোয়াডের দক্ষতা এবং প্রশাসনের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেই মনে করছেন এলাকাবাসী।