৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬: ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মুকুটে নতুন পালক। ৫জি পরিষেবার সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই ভারত পা রাখল ৬জি (6G)-র যুগে। আজ টেলিকম মন্ত্রক ঘোষণা করেছে, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু এবং দিল্লিতে শুরু হয়েছে ৬জি প্রযুক্তির ট্রায়াল। রিলায়েন্স জিও এবং এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে আসা এই প্রযুক্তিতে ইন্টারনেটের গতি হবে ৫জি-র চেয়ে ৫০ গুণ বেশি। সায়েন্স ফিকশন এবার বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে ভারতে।
ইন্টারনেট বা যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বে ভারত যে আর কেবল অনুসরণকারী নয় বরং পথপ্রদর্শক আজকের দিনটি তার এক জ্বলন্ত প্রমাণ। যখন বিশ্বের অনেক দেশ এখনো ৫জি পরিকাঠামো ঠিকমতো গড়ে তুলতে হিমশিম খাচ্ছে তখন ভারত এক বিশাল লাফে পৌঁছে গেল পরবর্তী প্রজন্মে। আজ সকালে নয়া দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করলেন ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ৬জি বা সিক্সথ জেনারেশন টেলিকম প্রযুক্তির ট্রায়াল রান শুরু করেছে।
এই ঘোষণা কেবল একটি প্রযুক্তির আপগ্রেড নয় এটি ভারতের ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের এক নতুন ঘোষণা। মুম্বাইয়ের নরিমান পয়েন্ট বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিক সিটি এবং দিল্লির কনট প্লেস এই তিনটি জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে ৬জি টাওয়ার সক্রিয় করা হয়েছে। আর প্রাথমিক ট্রায়ালে যে গতির দেখা মিলেছে তা এক কথায় অবিশ্বাস্য যা সেকেন্ডে ১০০ গিগাবাইট বা ১০০ জিবিপিএস।
৫জি বনাম ৬জি পার্থক্যটা ঠিক কোথায়
সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে ৫জি তো দিব্যি চলছে তাহলে এখনই ৬জি র দরকার কী এবং এর পার্থক্যটাই বা কী। সহজ কথায় বলতে গেলে ৫জি আমাদের দিয়েছিল গতির স্বাদ আর ৬জি আমাদের দেবে সংযোগের এক অভূতপূর্ব অনুভূতি। ৫জি প্রযুক্তিতে সর্বোচ্চ গতি বা পিক স্পিড ছিল ১০ থেকে ২০ জিবিপিএস। কিন্তু ৬জি প্রযুক্তিতে এই গতি পৌঁছাবে ১ টিবিপিএস বা ১০০০ জিবিপিএস পর্যন্ত। আজকের ট্রায়ালে ১০০ জিবিপিএস গতি পাওয়া গেছে যা বর্তমানের ৫জি গতির চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি।
কিন্তু ৬জি র আসল ম্যাজিক কেবল গতিতে নয় এর ল্যাটেন্সি বা সাড়াদানের সময়ে। ৫জি তে ল্যাটেন্সি ছিল ১ মিলিসেকেন্ড যা মানুষের চোখের পলক ফেলার সময়ের চেয়েও কম। কিন্তু ৬জি তে এই ল্যাটেন্সি হবে ১ মাইক্রোসেকেন্ড বা ১ মিলিসেকেন্ডের ১০০০ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ আপনি অনলাইনে কোনো নির্দেশ দিলে তা আলোর গতিতে কাজ করবে। এর ফলে রিয়েল টাইম যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
জিও এবং এয়ারটেল প্রতিদ্বন্দী যখন সহযোগী
ভারতের টেলিকম বাজারে রিলায়েন্স জিও এবং ভারতী এয়ারটেল একে অপরের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে এবং ভারত ৬জি মিশন এর আওতায় এই দুই টেলিকম জায়ান্ট হাত মিলিয়েছে। সরকারের উদ্যোগে গঠিত ভারত ৬জি অ্যালায়েন্স এর অধীনে তারা যৌথভাবে এই ট্রায়াল চালাচ্ছে।
মুকেশ আম্বানি এবং সুনীল ভারতী মিত্তল উভয়েই আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকেন। জিও র প্রযুক্তিগত দল কাজ করছে টেরাহার্টজ তরঙ্গ নিয়ে যা ৬জি র মূল ভিত্তি। অন্যদিকে এয়ারটেল কাজ করছে স্যাটেলাইট বা উপগ্রহের সাথে ৬জি নেটওয়ার্কের সংযোগ স্থাপনে। এই যৌথ উদ্যোগ ভারতের টেলিকম শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
৬জি কি কেবল দ্রুত ইন্টারনেট
না ৬জি মানে কেবল দ্রুত সিনেমা ডাউনলোড করা নয়। ৬জি আমাদের জীবনযাত্রার ধরণটাই বদলে দেবে। আজকের ট্রায়াল রান এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে ৬জি র কিছু অভাবনীয় প্রয়োগ নিচে আলোচনা করা হলো।
হলোগ্রাফিক কমিউনিকেশন স্টার ওয়ার্স বা সায়েন্স ফিকশন সিনেমায় আমরা দেখেছি মানুষ ভিডিও কলে কথা বলছে না বরং তার একটি থ্রি ডি প্রতিচ্ছবি বা হলোগ্রাম উল্টো দিকের মানুষের সামনে ভেসে উঠছে। ৬জি প্রযুক্তির অসম্ভব গতির কারণে এটি বাস্তবে সম্ভব হবে। আপনি দিল্লিতে বসে লন্ডনের বন্ধুর সাথে কথা বলবেন এবং মনে হবে সে আপনার ড্রয়িং রুমে সোফায় বসে আছে। আজকের ট্রায়ালে মুম্বাই থেকে দিল্লিতে একটি সফল হলোগ্রাফিক কল করা হয়েছে যা ছিল ঝকঝকে এবং ল্যাগ মুক্ত।
ইন্টারনেট অফ সেন্সেস এখন আমরা ইন্টারনেটে কেবল দেখতে এবং শুনতে পাই। ৬জি যুগে আমরা অনুভব করতে পারব। স্পর্শ গন্ধ এবং স্বাদও ডিজিটালি আদান প্রদান করা সম্ভব হবে। হ্যাপটিক স্যুট এবং উন্নত সেন্সরের মাধ্যমে আপনি অনলাইনে জামা কেনার সময় কাপড়ের টেক্সচার অনুভব করতে পারবেন অথবা ফুড ভ্লগ দেখার সময় রান্নার ঘ্রাণ নিতে পারবেন। এটি শুনতে অবাস্তব মনে হলেও ৬জি প্রযুক্তিতে এটিই লক্ষ্য।
রিমোট সার্জারি ও স্মার্ট হেলথকেয়ার ৫জি তে রিমোট সার্জারির কথা বলা হয়েছিল কিন্তু ৬জি তে তা হবে ১০০ শতাংশ নিরাপদ। মাইক্রোসেকেন্ড ল্যাটেন্সির কারণে আমেরিকার কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রোবোটিক হাতের মাধ্যমে ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামের কোনো রোগীর জটিল অস্ত্রোপচার করতে পারবেন। ডাক্তার যখন হাত নাড়াবেন ঠিক সেই মুহূর্তেই রোবটটি কাজ করবে বিন্দুমাত্র দেরি হবে না। আজকের ঘোষণায় এইমসের সাথে ৬জি প্রযুক্তির ইন্টিগ্রেশনের কথাও বলা হয়েছে।
ডিজিটাল টুইন ৬জি প্রযুক্তির সাহায্যে পুরো শহরের একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল প্রতিলিপি তৈরি করা সম্ভব হবে। ট্রাফিক জ্যাম দূষণ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস এই ডিজিটাল টুইন মডেলে আগে থেকেই দেখা যাবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। মুম্বাইয়ের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
চালকবিহীন গাড়ি ও ড্রোন হাইওয়ে স্বয়ংক্রিয় বা চালকবিহীন গাড়িগুলোর নিজেদের মধ্যে এবং ট্রাফিক সিগন্যালের সাথে কথা বলার জন্য ৬জি অপরিহার্য। এর ফলে দুর্ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। এছাড়া আকাশে ড্রোন চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট করিডোর তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করাও ৬জি র মাধ্যমে সম্ভব হবে।
অর্থনৈতিক প্রভাব ৫ ট্রিলিয়ন থেকে ১০ ট্রিলিয়নের পথে
ভারত ২০২৬ সালে ইতিমধ্যেই ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির খুব কাছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন ৬জি প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়ন ভারতকে ২০৩২ সালের মধ্যে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে মূল ভূমিকা নেবে।
ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ বা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে স্মার্ট ফ্যাক্টরিগুলোর জন্য ৬জি হবে মেরুদণ্ড। কারখানার মেশিনগুলো একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে উৎপাদন বাড়াবে। এর ফলে ভারতের উৎপাদন শিল্পে বা ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে বিশাল জোয়ার আসবে। এছাড়া ৬জি সম্পর্কিত পেটেন্ট বা মেধাস্বত্বে ভারত এখন বিশ্বের প্রথম তিনটি দেশের মধ্যে রয়েছে। এর অর্থ ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলো যখন ৬জি ব্যবহার করবে ভারতকে রয়্যালটি দিতে হবে।
চ্যালেঞ্জসমূহ বাস্তবের মাটিতে পা রেখে
স্বপ্ন অনেক বড় কিন্তু চ্যালেঞ্জও কম নয়। ৬জি ট্রায়াল সফল হলেও এটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে আরও ৩ থেকে ৪ বছর সময় লাগবে। এর প্রধান বাধাগুলো হলো পরিকাঠামোগত খরচ। ৬জি তরঙ্গের রেঞ্জ বা পাল্লা খুব কম। তাই ৫জি র তুলনায় ৬জি তে অনেক বেশি সংখ্যক টাওয়ার বা স্মল সেল বসাতে হবে। এর জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত ডিভাইসের অভাব। বর্তমানে আমাদের হাতে থাকা ৫জি ফোনগুলোতে ৬জি চলবে না। এর জন্য নতুন অ্যান্টেনা এবং প্রসেসরযুক্ত স্মার্টফোন বা গ্যাজেট দরকার যা শুরুতে বেশ ব্যয়বহুল হবে। তৃতীয়ত শক্তির ব্যবহার। ৬জি নেটওয়ার্ক প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে গ্রিন ৬জি বা পরিবেশবান্ধব নেটওয়ার্ক তৈরি করা বিজ্ঞানীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
গ্লোবাল রেস কোথায় দাঁড়িয়ে ভারত
বিশ্বে ৬জি প্রযুক্তির দৌড়ে আমেরিকা চীন দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান একে অপরের সাথে পাল্লা দিচ্ছে। চীন ইতিমধ্যেই মহাকাশে ৬জি স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে। কিন্তু ভারত ভারত ৬জি ভিশন ডকুমেন্টের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ভারত অন্য দেশের প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব ইন্ডিজেনাস বা দেশীয় প্রযুক্তিতে ৬জি তৈরি করছে। আইআইটি মাদ্রাজ এবং আইআইটি কানপুরে তৈরি হয়েছে ৬জি টেস্টবেড যেখানে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা এই প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করছে। টেলিকম মন্ত্রীর দাবি আমরা ৫জি তে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলেছি কিন্তু ৬জি তে আমরা বিশ্বকে নেতৃত্ব দেব।
ভবিষ্যৎ ২০৩০ এর ভারত
আজকের এই ট্রায়াল রান ২০৩০ সালের ভারতের এক ঝলক। কল্পনা করুন এমন এক ভারতের কথা যেখানে গ্রামের স্কুলের ছাত্ররা হলোগ্রাফিক প্রজেকশনের মাধ্যমে মহাকাশ বিজ্ঞানী বা ইতিহাসের শিক্ষকদের ক্লাস করছে। যেখানে কৃষকরা ড্রোনের মাধ্যমে রিয়েল টাইমে জমির প্রতিটি কোণা পর্যবেক্ষণ করছে। যেখানে ট্রাফিক জ্যাম নেই কারণ সব গাড়ি একে অপরের সাথে সংযুক্ত।
২০২৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে সেই দিন হিসেবে যেদিন ভারত ভবিষ্যতের দিকে এক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিল। ১০০ জিবিপিএস গতি কেবল একটি সংখ্যা নয় এটি ভারতের অদম্য আকাঙ্ক্ষার গতি। এই গতি আমাদের নিয়ে যাবে এক নতুন যুগে যেখানে বাস্তব এবং ভার্চুয়ালের সীমারেখা মুছে যাবে। ইন্টারনেটের এই মহাসড়কে ভারত এখন চালকের আসনে। সিটবেল্ট বেঁধে নিন কারণ যাত্রাটা হতে চলেছে রোমাঞ্চকর।
সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া
দিল্লির এক কলেজ পড়ুয়া প্রিয়া শর্মা বলেন আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আমরা এত দ্রুত প্রযুক্তির দিকে এগোচ্ছি। ৫জি আসার পর আমাদের পড়াশোনার ধরন বদলে গেছে। এখন ৬জি এলে আমরা বিশ্বের যেকোনো লাইব্রেরি বা ল্যাবরেটরিতে ভার্চুয়ালি বসে ক্লাস করতে পারব। এটি আমাদের মতো ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক বিশাল সুযোগ।
অন্যদিকে মুম্বাইয়ের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রাহুল মেহতা বলেন আমি একজন গেমার এবং ডেভেলপার। ১০০ জিবিপিএস স্পিড এবং জিরো ল্যাটেন্সি আমার কাজের জগতকে সম্পূর্ণ বদলে দেবে। আমরা এখন মেটাভার্স এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি নিয়ে কাজ করছি যা বর্তমান ইন্টারনেটে কিছুটা ধীর গতির। ৬জি আমাদের স্বপ্নগুলো সত্যি করার সুযোগ দেবে।
প্রযুক্তিবিদদের মতামত
আইআইটি দিল্লির এক অধ্যাপক বলেন ৬জি কেবল গতির খেলা নয় এটি হলো বুদ্ধিমত্তার নেটওয়ার্ক। ৬জি নেটওয়ার্ক নিজেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করবে। নেটওয়ার্ক নিজেই বুঝবে কোথায় বেশি স্পিড দরকার এবং কোথায় কম। এটি নিজেই নিজেকে মেরামত করতে পারবে। ভারত যেভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে ৬জি টেস্টবেড তৈরি করেছে তা প্রশংসনীয়। তবে আমাদের এখন হার্ডওয়্যার উৎপাদনের দিকেও নজর দিতে হবে যাতে আমরা চীনের ওপর নির্ভরশীল না থাকি।
উপসংহার
আজকের দিনটি ভারতের জন্য এক বিশাল গর্বের দিন। ৫জি এখন অতীত এবং ৬জি এখন বর্তমানের বাস্তব। ১০০ জিবিপিএস স্পিড নিয়ে ভারত আজ বিশ্বের দরবারে এক নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল। রিলায়েন্স জিও এবং এয়ারটেলের এই যৌথ উদ্যোগ প্রমাণ করল যে দেশের স্বার্থে সবাই এক হতে পারে। আগামী কয়েক বছরে ভারত প্রযুক্তি বিশ্বে এক সুপারপাওয়ার হিসেবে উঠে আসবে এই আশা করাই যায়। ৬জি র হাত ধরে ডিজিটাল ইন্ডিয়া এখন ডিজিটাল ইউনিভার্সের পথে পা বাড়িয়েছে।