Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

কলকাতার খিদিরপুরে বেদখল হওয়া খাস জমি উদ্ধার করে তৈরি হচ্ছে নতুন অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র কাউন্সিলর শামীমা রেহান খানের উদ্যোগে এম এম আলি রোডের বাসিন্দাদের মধ্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস এবং গর্বের পরিবেশ

১৬ই মে ২০২৬ কলকাতার খিদিরপুর বা তেইশ নম্বর পিনকোড এলাকার ৬ এম এম আলি রোডের সামনের বেদখল হওয়া সরকারি খাস জমি আজ কাউন্সিলর শামীমা রেহান খান এবং স্থানীয় মানুষের যৌথ উদ্যোগে সম্পূর্ণ জঞ্জালমুক্ত করে উদ্ধার করা হয়েছে এই উদ্ধার হওয়া জমিতে এবার তৈরি হতে চলেছে একটি অত্যাধুনিক ওয়ার্ড হেলথ সেন্টার বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র দীর্ঘদিনের অসামাজিক কাজকর্ম এবং নোংরা পরিবেশের অবসান ঘটিয়ে এই নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘোষণায় সমগ্র এলাকা জুড়ে এখন চরম আনন্দ স্বস্তি এবং গর্বের পরিবেশ বিরাজ করছে  

কলকাতা ১৬ই মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী শহর কলকাতার বুকে নগরোন্নয়ন জনস্বাস্থ্য এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার রক্ষার ইতিহাসে আজকের দিনটি এক নতুন এবং অত্যন্ত গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে আজ সকালে কলকাতা কর্পোরেশনের তেইশ নম্বর পিনকোড এলাকা অর্থাৎ খিদিরপুর এবং মোমিনপুর সংলগ্ন অঞ্চলের ৬ এম এম আলি রোডের সামনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে বেদখল হয়ে থাকা সরকারি খাস জমিকে সম্পূর্ণভাবে জঞ্জালমুক্ত করে এবং জবরদখলকারীদের হাত থেকে মুক্ত করে সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করা হলো বিগত কয়েক দশক ধরে এই বিশাল এবং মূল্যবান সরকারি জমিটি কিছু অসাধু চক্র এবং জবরদখলকারীদের কবলে পড়ে এক চরম নোংরা অস্বাস্থ্যকর এবং অসামাজিক কাজকর্মের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল এলাকার সাধারণ মানুষ বিশেষ করে মহিলা এবং শিশুরা এই জমির পাশ দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় পেতেন কিন্তু আজ কলকাতা কর্পোরেশনের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কর্মঠ কাউন্সিলর শামীমা রেহান খানের অদম্য জেদ বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই অভিশপ্ত জমিটি তার হারানো মর্যাদা ফিরে পেয়েছে এবং সবচেয়ে বড় খুশির খবর হলো এই উদ্ধার হওয়া জমিতে এবার একটি অত্যাধুনিক এবং সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ওয়ার্ড হেলথ সেন্টার বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এই ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র ৬ এম এম আলি রোড এবং সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এক বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস উৎসবের মেজাজ এবং নিজেদের এলাকার প্রতি এক চরম গর্বের পরিবেশ তৈরি হয়েছে যা শহরের বুকে এক নতুন নাগরিক বিপ্লবের দৃষ্টান্ত স্থাপন করল

এই ঐতিহাসিক এবং যুগান্তকারী সাফল্যের পেছনের গল্পটি এক দীর্ঘ এবং অত্যন্ত কঠিন নাগরিক সংগ্রামের ইতিহাস খিদিরপুরের এই ৬ এম এম আলি রোডের সামনের খাস জমিটি ভৌগোলিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে এটি অবহেলার শিকার হয়ে আসছিল ধীরে ধীরে কিছু অসাধু মানুষ এবং জবরদখলকারী এই সরকারি জমিটিকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে সেখানে অবৈধভাবে ছোট ছোট ঝুপড়ি গড়ে তোলা হয় এবং এলাকার সমস্ত ময়লা ও জঞ্জাল ফেলার এক অঘোষিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড বা ভাগাড়ে পরিণত করা হয় বৃষ্টির দিনে এই জঞ্জালের স্তূপ থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত সমগ্র এলাকায় যার ফলে ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া এবং কলেরার মতো মারাত্মক জলবাহিত এবং মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব লেগেই থাকত এলাকার সাধারণ মানুষ বারবার এই অবৈধ দখলদারি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিরুদ্ধে সরব হলেও জবরদখলকারীদের রাজনৈতিক পেশিশক্তির কাছে তাদের হার মানতে হতো ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়া শিশু এবং বয়স্ক মানুষদের এই জঞ্জাল এবং অসামাজিক আড্ডার পাশ দিয়ে অত্যন্ত আতঙ্কের সাথে যাতায়াত করতে হতো দীর্ঘ দিন ধরে সাধারণ মানুষের মনে এক প্রবল ক্ষোভ এবং হতাশা পুঞ্জীভূত হচ্ছিল তারা এক পরিচ্ছন্ন এবং সুরক্ষিত পরিবেশের স্বপ্ন দেখতেন কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার মতো কোনো যোগ্য এবং সাহসী নেতৃত্বের অভাব ছিল এত দিন ধরে

কিন্তু প্রতিটি দীর্ঘ অন্ধকারের পরেই যেমন এক নতুন এবং উজ্জ্বল ভোরের সূচনা হয় ঠিক তেমনই খিদিরপুরের এই অবহেলিত মানুষের জীবনে এক বিশাল আশার আলো হয়ে দেখা দিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং কলকাতা কর্পোরেশনের অত্যন্ত সম্মানীয় কাউন্সিলর শামীমা রেহান খান তিনি যখন এই এলাকার মানুষের দুর্দশা এবং এই সরকারি জমির বেহাল অবস্থার কথা জানতে পারেন তখন তিনি আর এক মুহূর্তও কালবিলম্ব করেননি তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে এবং সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে এক বিশাল নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন শামীমা রেহান খান খুব ভালো করেই জানতেন যে কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে এই বিশাল জবরদখল এবং জঞ্জালের পাহাড় সরানো সম্ভব নয় এর জন্য প্রয়োজন এলাকার প্রতিটি মানুষের সক্রিয় এবং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তিনি দিনের পর দিন এম এম আলি রোডের প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন তাদের বোঝান যে এই সরকারি জমিটি তাদের নিজস্ব সম্পত্তি এবং একে রক্ষা করার দায়িত্ব তাদের নিজেদেরই তার এই নিরলস প্রচেষ্টা এবং অনুপ্রেরণামূলক কথায় এলাকার সাধারণ মানুষ বিশেষ করে যুবক যুবতী এবং মহিলারা বিপুল উৎসাহে সাড়া দেন এবং এই জমি উদ্ধারের এক বিশাল কর্মযজ্ঞে শামিল হন

জমি উদ্ধারের সেই ঐতিহাসিক দিনটি ছিল এলাকার মানুষের কাছে এক সত্যিকারের উৎসবের মতো ভোরবেলা থেকেই শত শত স্থানীয় বাসিন্দা হাতে ঝাড়ু বেলচা এবং কোদাল নিয়ে ৬ এম এম আলি রোডের সেই বেদখল হওয়া জমির সামনে এসে জড়ো হতে শুরু করেন কলকাতা কর্পোরেশনের সাফাই কর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ এবং স্বয়ং কাউন্সিলর শামীমা রেহান খান নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এই বিশাল জঞ্জাল পরিষ্কার করার কাজে হাত লাগান জবরদখলকারীদের অবৈধ কাঠামো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা টন টন পচা জঞ্জাল কর্পোরেশনের বড় বড় লরি করে শহরের বাইরে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এই পরিষ্কার করার কাজে এলাকার তরুণ সমাজ যে বিপুল উদ্যম এবং সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তা সত্যিই অভাবনীয় তারা প্রমাণ করেছে যে এলাকার জনপ্রতিনিধি যদি সৎ এবং কর্মঠ হন তবে সাধারণ মানুষ যেকোনো অসাধ্য সাধন করতে পারে সারাদিনের অমানুষিক পরিশ্রমের পর যখন বিকেলের পড়ন্ত আলোয় সেই জমিটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠল তখন এলাকার মানুষের চোখে মুখে যে তৃপ্তি এবং আনন্দের ছাপ দেখা গেল তা কোনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয় যে জমিটি একদিন দুর্গন্ধ এবং আতঙ্কের কারণ ছিল আজ সেই জমিটি এক সুন্দর এবং উন্মুক্ত প্রান্তরে পরিণত হয়েছে যা দেখে স্থানীয় বয়স্ক মানুষেরা আনন্দে কেঁদে ফেলেন এবং কাউন্সিলর শামীমা রেহান খানকে দুহাত ভরে আশীর্বাদ করেন

এই জমি উদ্ধারের পর এলাকার মানুষের আনন্দকে কয়েক হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়ে শামীমা রেহান খান এক অত্যন্ত যুগান্তকারী এবং ঐতিহাসিক ঘোষণা করেন তিনি জানান যে এই উদ্ধার হওয়া মূল্যবান সরকারি জমিতে আর কোনো জঞ্জাল ফেলা হবে না বা কাউকে জবরদখল করতে দেওয়া হবে না বরং এই জমিতে কলকাতা কর্পোরেশনের উদ্যোগে তৈরি করা হবে একটি সম্পূর্ণ আধুনিক উন্নত মানের এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ওয়ার্ড হেলথ সেন্টার বা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এই ঘোষণার সাথে সাথেই সমগ্র এম এম আলি রোড এবং খিদিরপুর এলাকা জুড়ে এক বাঁধভাঙা উল্লাস এবং হাততালির ঝড় বয়ে যায় এলাকার সাধারণ মানুষ যারা সামান্য জ্বর সর্দি বা প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতেন তাদের কাছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘোষণা এক আক্ষরিক অর্থেই জাদুর কাঠির মতো কাজ করেছে এই প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সমস্ত রকম সুবিধা উপলব্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে এখানে প্রতিদিন অভিজ্ঞ ডাক্তাররা বসবেন এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করবেন গর্ভবতী মহিলাদের প্রসবকালীন চেকআপ শিশুদের টিকাকরণ এবং বয়স্ক মানুষদের জন্য বিশেষ জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা বার্ধক্যজনিত চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এর পাশাপাশি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রকল্প যেমন বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ এবং ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার রক্ত পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হবে যা এলাকার গরিব এবং মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনে এক বিশাল অর্থনৈতিক স্বস্তি নিয়ে আসবে

news image
আরও খবর

একটি এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সবচেয়ে বেশি জরুরি এবং কাউন্সিলর শামীমা রেহান খান তার এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে তিনি তার এলাকার মানুষের প্রকৃত কল্যাণের জন্য কতটা দায়বদ্ধ এই নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি কেবল ইটের তৈরি একটি ভবন হবে না এটি হবে এই এলাকার মানুষের সুস্থভাবে বাঁচার অধিকারের এক জীবন্ত প্রতীক এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে লেন্সপিডিয়া এর প্রতিনিধিকে জানান আমরা কোনোদিন স্বপ্নেও ভাবিনি যে আমাদের বাড়ির এত কাছে এমন একটি আধুনিক হাসপাতাল তৈরি হবে আগে কেউ অসুস্থ হলে তাকে নিয়ে ছুটতে ছুটতে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে যেত কিন্তু এখন এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র হলে আমাদের আর কোনো চিন্তা থাকবে না শামীমা রেহান খান আমাদের যে উপহার দিয়েছেন তা আমরা জীবনেও ভুলব না তার জন্যই আজ আমাদের এলাকা দালালদের হাত থেকে মুক্ত হয়েছে এবং আমরা এক পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্বাস নিতে পারছি এলাকার মহিলারাও এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘোষণায় অত্যন্ত খুশি তারা বলছেন যে নিজেদের এবং শিশুদের চিকিৎসার জন্য এখন আর তাদের কারো মুখাপেক্ষী হতে হবে না এই ওয়ার্ড হেলথ সেন্টার তাদের জীবনে এক নতুন আশা এবং পরম নিশ্চিন্তের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

এই অসাধারণ এবং অনুপ্রেরণামূলক সাফল্যের পেছনে সাধারণ মানুষের একতা এবং প্রশাসনের সঠিক সমন্বয়ের এক বিশাল ভূমিকা রয়েছে জবরদখল মুক্ত করার এই পুরো প্রক্রিয়ায় কলকাতা পুলিশের স্থানীয় থানা অত্যন্ত সক্রিয় এবং প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে তারা নিশ্চিত করেছে যাতে এই উচ্ছেদ অভিযানের সময় কোনো রকম আইন শৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে এবং জবরদখলকারীরা যাতে সাধারণ মানুষের ওপর কোনো হামলা করতে না পারে পুলিশ প্রশাসন এবং সাধারণ নাগরিকের এই যৌথ উদ্যোগ প্রমাণ করে যে সদিচ্ছা থাকলে সমাজের বুকের সবচেয়ে বড় ক্যানসার বা জবরদখলকেও চিরতরে নির্মূল করা সম্ভব এই ঘটনা সমগ্র কলকাতার অন্যান্য ওয়ার্ডের মানুষের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে যে সমস্ত এলাকায় এখনও সরকারি জমি বেদখল হয়ে পড়ে আছে সেখানকার মানুষ এখন শামীমা রেহান খানের এই মডেল অনুসরণ করে নিজেদের এলাকার জমি উদ্ধার করার জন্য সোচ্চার হচ্ছেন এটি এক নতুন নাগরিক জাগরণের সূচনা করেছে যেখানে সাধারণ মানুষ নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন এবং তারা নিজেদের চারপাশের পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন এবং সুরক্ষিত রাখার জন্য নিজেরাই উদ্যোগ নিচ্ছেন

আধুনিক ডিজিটাল যুগে এই ধরনের ইতিবাচক এবং গঠনমূলক খবর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষের মনে এক গভীর প্রভাব ফেলে এম এম আলি রোডের এই জমি উদ্ধার এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরির খবর মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন ডিজিটাল নিউজ প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে এলাকার তরুণরা নিজেদের স্মার্টফোনে এই পরিষ্কার করা জমির ছবি এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রস্তাবিত নকশা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে অত্যন্ত গর্বের সাথে নিজেদের এলাকার পরিবর্তনের কথা সমগ্র বিশ্বকে জানাচ্ছেন অনেকেই ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপে কাউন্সিলর শামীমা রেহান খানকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট করছেন এবং তার এই নিঃস্বার্থ সমাজসেবার ভূয়সী প্রশংসা করছেন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার এই যুগে তৃণমূল স্তরের এই ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ যখন সাধারণ মানুষের সামনে আসে তখন তা সমাজের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং আশাকে আরও দৃঢ় করে অনেক তরুণ যারা লেন্সট্যাক্স সলিউশনস এর মতো কর্পোরেট সংস্থায় রিমোট ওয়ার্ক করেন তারা এখন নিজেদের এলাকায় এই উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে ওঠার খবরে অত্যন্ত খুশি কারণ একটি সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ আধুনিক জীবনযাপনের অন্যতম প্রধান শর্ত

খিদিরপুর বা তেইশ নম্বর পিনকোড এলাকা বরাবরই তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং ঐতিহ্যবাহী ব্যবসার জন্য পরিচিত কিন্তু এই ধরনের ঘিঞ্জি এলাকায় স্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্নতার অভাব চিরকালই এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এই নতুন ওয়ার্ড হেলথ সেন্টার সেই দীর্ঘদিনের শূন্যতা অত্যন্ত সফলভাবে পূরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র কেবল চিকিৎসা পরিষেবা দেবে তা নয় এটি এলাকার মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রেও এক বিশাল ভূমিকা পালন করবে এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য শিবির পালস পোলিও ক্যাম্প এবং রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে যা এলাকার মানুষকে আরও বেশি করে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে তুলবে এছাড়া এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণের ফলে স্থানীয় স্তরে বেশ কিছু কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে আয়া নার্স এবং সাফাই কর্মী হিসেবে এলাকার বেকার যুবক যুবতীদের নিয়োগ করা হবে যা গ্রামীণ এবং আধা শহর এলাকার অর্থনীতিতে এক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে

রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং শামীমা রেহান খান তার এই কাজের মাধ্যমে সেই মূল উদ্দেশ্যকেই অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়িত করেছেন রাজনীতিতে অনেক সময় প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি দেখা যায় কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন খুব কমই ঘটে কিন্তু এই ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন যে কীভাবে তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা মাত্র কয়েক দিনের চেষ্টায় সম্পূর্ণ সমাধান হয়ে গেল এটি জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এক গভীর এবং অটুট বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করেছে যা যেকোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় শক্তি এলাকার মানুষ এখন অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলছেন যে তারা যদি একজোট থাকেন তবে আগামী দিনে তাদের এলাকার আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব হবে এই বিশ্বাস এবং গর্ববোধই হলো এম এম আলি রোডের বাসিন্দাদের আজকের এই আনন্দের সবচেয়ে বড় কারণ তারা এখন বুক ফুলিয়ে বলতে পারেন যে তাদের এলাকা আর জঞ্জালের ভাগাড় নয় বরং এটি এক আধুনিক এবং উন্নত শহরের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ

পরিশেষে এটা বলাই বাহুল্য যে কলকাতার এম এম আলি রোডের ৬ নম্বর ঠিকানার সামনের এই জমি উদ্ধারের ঘটনা কেবল একটি নির্দিষ্ট এলাকার খবর নয় এটি সমগ্র রাজ্যের মানুষের জন্য এক বিশাল শিক্ষণীয় বিষয় এটি প্রমাণ করে যে মানুষের একতা এবং যোগ্য নেতৃত্বের সামনে কোনো বাধাই টিকতে পারে না সরকারি জমি হলো সাধারণ মানুষের সম্পত্তি এবং তাকে রক্ষা করার অধিকার ও দায়িত্ব আমাদের সকলের শামীমা রেহান খান এবং তার এলাকার মানুষের এই অসাধারণ সাফল্য বাংলার ইতিহাসে এক নতুন এবং উজ্জ্বল নাগরিক বিপ্লবের উদাহরণ হয়ে থাকবে আমরা আশা করব খুব দ্রুত এই জমিতে অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি গড়ে উঠবে এবং সাধারণ মানুষ তার সুফল ভোগ করতে শুরু করবেন এই অসামান্য কাজের জন্য শামীমা রেহান খানকে আমাদের পক্ষ থেকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কুর্নিশ আপনার এই নিঃস্বার্থ ডেডিকেশন বা উৎসর্গ আগামী প্রজন্মের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বাংলার প্রতিটি এলাকায় যদি এমন নেতৃত্ব এবং এমন সচেতন নাগরিক গড়ে ওঠে তবে খুব শিগগিরই আমাদের রাজ্য এক সুন্দর পরিচ্ছন্ন এবং সুস্থ সমাজে পরিণত হবে বিস্তারিত খবরের জন্য এবং এই জমি উদ্ধারের সম্পূর্ণ ভিডিও দেখতে কমেন্ট বক্সে থাকা লিঙ্কে এখনই ক্লিক করুন এবং চোখ রাখুন লেন্সপিডিয়া এর পর্দায়

Preview image