Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শিশু কি কানে কম শুনছে শ্রবণশক্তির সমস্যা হওয়ার কারণ অনেক বাবা-মায়েরা কখন সতর্ক হবেন

শিশুর কানে সমস্যা হচ্ছে কি না, বুঝবেন কী উপায়ে? শ্রবণশক্তির সমস্যা হওয়ার কারণ অনেক। বাবা-মায়েরা সঠিক সময়ে লক্ষণ চিনলে, চিকিৎসায় তা সারিয়ে তোলা সম্ভব।

নিশ্চিতভাবেই শিশুর শ্রবণশক্তি নিয়ে উদ্বেগ হওয়া খুবই স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক। কারণ শোনা শুধু একটি ইন্দ্রিয়গত ক্ষমতাই নয়—এটি শিশুর ভাষা শেখা, সামাজিক আচরণ, মানসিক বিকাশ এবং সামগ্রিক মস্তিষ্কের উন্নতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শিশু ঠিকমতো শুনতে না পারলে তার কথা বলার ক্ষমতা দেরিতে বিকশিত হয়, শেখার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয় এবং ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসের অভাবও তৈরি হতে পারে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, শিশুদের শ্রবণশক্তির সমস্যা অনেক সময়েই প্রথম দিকে ধরা পড়ে না। ফলে চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয় এবং তত দিনে ক্ষতিটা অনেকটাই স্থায়ী হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর জীবনের প্রথম কয়েক বছর শ্রবণ ও ভাষা বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের মধ্যে যদি শ্রবণশক্তির কোনও সমস্যা শনাক্ত করে চিকিৎসা বা প্রয়োজনীয় থেরাপি শুরু করা যায়, তাহলে শিশুর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই বাবা-মায়েদেরই প্রথম দায়িত্ব, শিশুর আচরণ, প্রতিক্রিয়া এবং কথা বলার ধরণ খুব ভালো করে লক্ষ্য করা।

বয়সভেদে শ্রবণশক্তির সমস্যার লক্ষণ

শিশুর বয়স অনুযায়ী শ্রবণ সমস্যার লক্ষণ আলাদা আলাদা ভাবে প্রকাশ পায়। নবজাতক থেকে শুরু করে স্কুলপড়ুয়া বয়স পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কিছু নির্দিষ্ট বিষয় খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি।

নবজাতক থেকে ৩ মাস বয়স পর্যন্ত:
এই বয়সে শিশু সাধারণত হঠাৎ জোরে শব্দ হলে চমকে ওঠে বা ঘুমের মধ্যে শব্দ শুনলে নড়েচড়ে ওঠে। যদি দেখা যায়, জোরে দরজা বন্ধ হওয়া, থালা পড়ার শব্দ বা হর্নের আওয়াজেও শিশু কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না, তাহলে তা সতর্কতার ইঙ্গিত হতে পারে। একই ভাবে ঘুমের মধ্যে জোরে শব্দ হলেও যদি শিশুর ঘুম না ভাঙে বা নড়াচড়া না করে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪ থেকে ৯ মাস বয়স:
এই সময় শিশু ধীরে ধীরে চারপাশের শব্দের প্রতি সচেতন হতে শেখে। মা-বাবার ডাক, খেলনার শব্দ বা পরিচিত কোনও আওয়াজ হলে সে সাধারণত সেই দিকের দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকায়। যদি শিশুকে ডাকলেও সে সাড়া না দেয় বা শব্দের উৎসের দিকে তাকাতে না চায়, তাহলে শ্রবণশক্তির সমস্যা থাকতে পারে।

১০ থেকে ১৫ মাস বয়স:
এই পর্যায়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ১০–১২ মাসের মধ্যেই শিশু ছোট ছোট শব্দ করা শুরু করে এবং ১৫ মাসের মধ্যে ‘মা’, ‘বা’, ‘দা’ ইত্যাদি শব্দ উচ্চারণ করতে শেখে। যদি শিশু এই বয়সেও কোনও অর্থপূর্ণ শব্দ না করে, বাবা-মায়ের গলার স্বর চিনতে না পারে বা কথাবার্তায় আগ্রহ না দেখায়, তাহলে অবশ্যই শ্রবণ পরীক্ষার প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৫ মাস পার হওয়ার পরও যদি শিশু কথা বলা শুরু না করে, তাহলে দেরি না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত।

স্কুলপড়ুয়া শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা:
এই বয়সে শ্রবণ সমস্যার লক্ষণ অনেক সময় আচরণগত সমস্যার সঙ্গে মিশে যায়। যেমন—শিশুকে কথা বোঝাতে বারবার উচ্চস্বরে বলতে হচ্ছে, ক্লাসে শিক্ষকের কথা ঠিকমতো শুনতে পাচ্ছে না, পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে বা টিভি ও মোবাইলের শব্দ অস্বাভাবিক রকম বেশি রাখছে—এসবই শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকরা এটিকে অবাধ্যতা বা অমনোযোগী ভাবলেও, এর নেপথ্যে শ্রবণ সমস্যা লুকিয়ে থাকতে পারে।

কেন শিশুদের শ্রবণশক্তির সমস্যা হয়?

শিশুর শ্রবণশক্তির সমস্যা হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। শিশুরোগ চিকিৎসক প্রিয়ঙ্কর পালের মতে, জন্মের সময় শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তী সময়ে নানা কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

একটি বড় কারণ হলো মাথায় আঘাত। খেলাধুলা বা দুর্ঘটনার ফলে মাথায় গুরুতর আঘাত পেলে কানের অভ্যন্তরীণ গঠন বা শ্রবণ স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এ ছাড়া টাইফয়েড, এনসেফেলাইটিস, মেনিনজাইটিস-এর মতো সংক্রামক রোগও শ্রবণশক্তি কমিয়ে দিতে পারে। এই রোগগুলো সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে কানের স্নায়ুতে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যেমন হারপিস বা রুবেলা, শিশুর শ্রবণশক্তির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় মায়ের রুবেলা হলে, শিশুর জন্মগত বধিরতার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

কিছু ক্ষেত্রে শিশুর কানের গঠনগত ত্রুটি জন্ম থেকেই থাকতে পারে। তখন শিশু আংশিক বা সম্পূর্ণ বধির অবস্থায় জন্মায়। আবার অনেক সময় জন্মের সময় সমস্যা না থাকলেও, ছোট বয়সে বারবার কানের সংক্রমণ, জ্বর বা জটিল অসুখবিসুখের কারণে ধীরে ধীরে শোনার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, যে সব শিশু নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই জন্মায় (প্রি-ম্যাচিওর বেবি) অথবা যাদের জন্মের সময় ওজন খুব কম থাকে, তাদের ক্ষেত্রে শ্রবণ স্নায়ুর গঠনে ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা বেশি। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

কেন দ্রুত চিকিৎসা জরুরি?

শ্রবণশক্তির সমস্যা যত দ্রুত শনাক্ত করা যায়, ততই শিশুর ভবিষ্যৎ উন্নতির সুযোগ বাড়ে। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এখন নবজাতক থেকেই শ্রবণ পরীক্ষা (নিওনেটাল হিয়ারিং স্ক্রিনিং) করা সম্ভব। প্রয়োজনে হিয়ারিং এইড, ককলিয়ার ইমপ্লান্ট, স্পিচ থেরাপি এবং বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুকে স্বাভাবিক জীবনের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা যায়।

অভিভাবকদের মনে রাখতে হবে, শ্রবণ সমস্যা লুকিয়ে রাখা বা “বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে” ভেবে এড়িয়ে যাওয়া শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। তাই সামান্য সন্দেহ হলেই দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

শিশুর শ্রবণশক্তি শুধু শোনা-বোঝার ক্ষমতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সরাসরি জড়িয়ে আছে তার ভাষা শেখা, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ, সামাজিক মেলামেশা এবং ভবিষ্যতের শিক্ষাজীবনের সঙ্গে। তাই সন্তানের কানে শোনার ক্ষমতা ঠিক আছে কি না, তা নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা হলো, শিশুদের শ্রবণশক্তির ঘাটতি অনেক সময়েই সহজে ধরা পড়ে না। ফলে অজান্তেই চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে শিশুর সার্বিক বিকাশে।

news image
আরও খবর

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর জীবনের প্রথম তিন বছর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়েই মস্তিষ্ক দ্রুত বিকশিত হয় এবং শোনা ও কথা বলার ক্ষমতা গড়ে ওঠে। যদি এই সময়ের মধ্যে শিশুর শ্রবণশক্তিতে সমস্যা থাকে এবং তা শনাক্ত না হয়, তাহলে কথা বলা শিখতে দেরি হয়, শেখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং পরবর্তীকালে আচরণগত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই শিশুর বয়স অনুযায়ী তার প্রতিক্রিয়া ও আচরণ খুব মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

বয়সভিত্তিক লক্ষণে লুকিয়ে থাকে ইঙ্গিত

নবজাতক থেকে শুরু করে স্কুলপড়ুয়া বয়স পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে শ্রবণশক্তির সমস্যার লক্ষণ আলাদা আলাদা ভাবে প্রকাশ পায়।

নবজাতক থেকে ৩ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুরা সাধারণত হঠাৎ জোরে শব্দ হলে চমকে ওঠে, চোখ বড় করে তাকায় বা ঘুমের মধ্যে শব্দ হলে নড়ে ওঠে। যদি দেখা যায়, দরজা বন্ধ হওয়ার আওয়াজ, জোরে কথা বলা কিংবা কোনও উচ্চ শব্দেও শিশুর কোনও প্রতিক্রিয়া হচ্ছে না, তবে তা শ্রবণ সমস্যার প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে।

৪ থেকে ৯ মাস বয়সে শিশুরা ধীরে ধীরে চারপাশের শব্দের উৎস চিনতে শেখে। মা-বাবা ডাকলে সে দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকানো, খেলনার শব্দ শুনে আগ্রহ দেখানো—এগুলো স্বাভাবিক লক্ষণ। কিন্তু ডাকাডাকিতে সাড়া না দেওয়া বা শব্দের উৎসের দিকে না তাকানো হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

১০ থেকে ১৫ মাস বয়সে সাধারণত শিশু ছোট ছোট শব্দ করা শুরু করে। “মা”, “বা”, “দা”-র মতো সহজ শব্দ উচ্চারণ করে এবং পরিচিত কণ্ঠস্বর চিনতে শেখে। ১৫ মাস পার হয়ে গেলেও যদি শিশু কোনও অর্থপূর্ণ শব্দ না করে বা বাবা-মায়ের কথা বুঝতে না পারে, তবে দ্রুত শ্রবণ পরীক্ষা করানো জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, এই সময় দেরি হলে পরবর্তী ভাষা বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

স্কুলপড়ুয়া শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও সূক্ষ্মভাবে ধরা পড়ে। যেমন—স্বাভাবিক স্বরে কথা বললে না বোঝা, বারবার “কি বললে?” প্রশ্ন করা, ক্লাসে মনোযোগ না থাকা, পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া কিংবা টিভি-মোবাইলের শব্দ অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে রাখা। অনেক সময় বাবা-মা বা শিক্ষকরা একে অবহেলা, জেদ বা অমনোযোগী ভাবলেও, এর নেপথ্যে থাকতে পারে শ্রবণশক্তির সমস্যা।

কেন বাড়ছে শিশুদের শ্রবণশক্তির সমস্যা?

শিশুরোগ চিকিৎসক প্রিয়ঙ্কর পালের মতে, শিশুদের শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। কিছু শিশু জন্মগতভাবেই কানের গঠনগত ত্রুটি নিয়ে জন্মায়, যার ফলে তারা আংশিক বা সম্পূর্ণ বধির হতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে জন্মের সময় শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তী সময়ে নানা কারণে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মাথায় আঘাত পাওয়া, দুর্ঘটনা, বা খেলাধুলার সময় গুরুতর চোট কানের অভ্যন্তরীণ অংশ ও শ্রবণ স্নায়ুকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এছাড়া টাইফয়েড, এনসেফেলাইটিস, মেনিনজাইটিসের মতো সংক্রামক রোগ শ্রবণশক্তি কমিয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ। এই ধরনের অসুখে সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে স্থায়ী বধিরতার ঝুঁকি তৈরি হয়।

ভাইরাসজনিত রোগ যেমন হারপিস, রুবেলা কিংবা মাম্পসও শিশুদের শ্রবণশক্তির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় মায়ের রুবেলা হলে শিশুর জন্মগত বধিরতার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া বারবার কানের সংক্রমণ, দীর্ঘদিন জ্বর, কিংবা অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারও কানে শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

যে সব শিশু নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই জন্মায় বা খুব কম ওজন নিয়ে জন্মায়, তাদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি বেশি। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের শিশুদের অডিটরি স্নায়ুর গঠন সম্পূর্ণভাবে বিকশিত না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে।

সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসার গুরুত্ব

বর্তমানে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে নবজাতক অবস্থাতেই শ্রবণ পরীক্ষা করা সম্ভব। নিওনেটাল হিয়ারিং স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে জন্মের পরপরই শিশুর শ্রবণশক্তি যাচাই করা যায়। সমস্যা ধরা পড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী হিয়ারিং এইড, ককলিয়ার ইমপ্লান্ট, স্পিচ থেরাপি এবং বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বারবারই সতর্ক করছেন, “বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে” ভেবে অপেক্ষা করা শিশুর ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ একবার ভাষা শেখার গুরুত্বপূর্ণ সময় পেরিয়ে গেলে, পরে সেই ঘাটতি পূরণ করা অনেক কঠিন হয়ে যায়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, শিশুর শ্রবণশক্তি রক্ষা করা মানে তার ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করা। বাবা-মায়ের সচেতনতা, লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করা এবং সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই পারে একটি শিশুকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের পথে এগিয়ে দিতে।

 

Preview image