Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

চতুর্থ টি টোয়েন্টি হারের পর দলের বোলিংকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন শ্রেয়স

চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে হারের পর দলের বোলিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন শ্রেয়স পরাজয়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বোলারদের পারফরম্যান্সকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি তাঁর মন্তব্যে দলের বোলিংয়ের দুর্বলতা এবং তা শুধরে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে বড় রান তাড়া করেও জয় পেল না ভারত। হায়দরাবাদে ২৪ রানে হারের পর দলের বোলিংয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘাটতির কথা সামনে আনলেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তাঁর মূল্যায়নে, বল হাতে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারা ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-২ সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচ শেষে শ্রেয়সের বক্তব্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তাঁর অসন্তোষের মূল জায়গা ছিল বোলারদের লাইন ও লেংথ এবং পরিকল্পনার প্রয়োগ। শুধু কৌশল তৈরি করলেই হয় না, মাঠে পরিস্থিতি অনুযায়ী তা কার্যকর করাও প্রয়োজন হারের ব্যাখ্যায় সেই সমস্যার দিকেই নজর দিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় সংগ্রহ কঠিন চ্যালেঞ্জ ভারতের সামনে প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তিন উইকেটে ২৪৭ রান তোলে। জবাবে ভারত ২২৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে ভারতের ইনিংসে লড়াই থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় লক্ষ্যে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতীয় ব্যাটারদের সামনে শুরু থেকেই দ্রুত রান তোলার চ্যালেঞ্জ রেখেছিল। ভারতের জন্য ম্যাচটি ছিল সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ে সেই সম্ভাবনা থেমে যায় এবং সিরিজের ফল নির্ধারণের বিষয়টি শেষ ম্যাচে গড়ায়। চতুর্থ ম্যাচের পর তাই ভারতের সামনে বোলিংয়ের ভুলগুলো দ্রুত চিহ্নিত করার প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। শাই হোপের শতরানে চাপে ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় সংগ্রহের অন্যতম কারিগর ছিলেন অধিনায়ক শাই হোপ। তিনি ৫০ বলে অপরাজিত ১০২ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও নয়টি ছক্কা। এই সিরিজে এটি তাঁর দ্বিতীয় শতরান। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে হোপের এই ইনিংসই ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যগুলোর একটি হয়ে দাঁড়ায়। হোপের ব্যাটিং নিয়ে প্রকাশিত বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি বোলারদের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন এবং ফাঁকা জায়গা বেছে শট খেলেছেন। অর্থাৎ শুধু শক্তির প্রয়োগ নয়, সুযোগ বুঝে আক্রমণ করাও তাঁর ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রণের ঘাটতি নিয়ে শ্রেয়সের মূল্যায়নের সঙ্গে এই বিষয়টির যোগ রয়েছে। শ্রেয়সের প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যায়, দলের পরিকল্পনা এবং মাঠে তার প্রয়োগের মধ্যে ফারাক নিয়েই তিনি বেশি চিন্তিত। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম হলো, ভারত বল হাতে নিজেদের পরিকল্পনা যথাযথভাবে কার্যকর করতে পারেনি। ক্রিকেটের সাধারণ বিশ্লেষণে, বড় শট খেলতে সক্ষম ব্যাটারদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সঠিক জায়গায় বল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বারবার সহজে মারার সুযোগ দিলে ব্যাটারকে ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলার প্রয়োজন কম পড়ে। এই ম্যাচে লাইন ও লেংথের প্রয়োগ নিয়ে অধিনায়কের আক্ষেপকে সেই প্রেক্ষাপটেই দেখা যায়। তবে এটি ম্যাচের বিশ্লেষণ; শ্রেয়সের সরাসরি উদ্ধৃতি নয়।

ভারতের ব্যাটিংয়ের বিরুদ্ধে কিমো পলের পাঁচ উইকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ে ব্যাট হাতে হোপের পাশাপাশি বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন কিমো পল। তিনি ৪১ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন। ভারতের রান তাড়ার পথে তাঁর উইকেটগুলো বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। হোপের শতরান এবং পলের পাঁচ উইকেট মিলিয়েই সফরকারী দল ম্যাচটি নিজেদের দিকে নিয়ে যায়। অন্যদিকে পরাজয়ের পরও ভারতের ব্যাটিংয়ের আক্রমণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করেছেন শ্রেয়স এমনটাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়াকে গোটা দলের প্রচেষ্টা খারিজ করে দেওয়া হিসেবে দেখার বদলে, বোলিংয়ের নির্দিষ্ট ঘাটতি চিহ্নিত করার বক্তব্য হিসেবে বোঝা বেশি যথাযথ ২-২ অবস্থায় সিরিজের শেষ ম্যাচ দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শ্রেয়সের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী, ভারতের প্রয়োজন পরিকল্পনা আরও ভালোভাবে কার্যকর করা এবং নতুন মানসিকতা নিয়ে পরের ম্যাচে নামা। বিশ্লেষণের জায়গা থেকে ভারতের সামনে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে শুরুর ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ, প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকতা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিংয়ের পরিবর্তন। এগুলো সম্ভাব্য করণীয়; দল আনুষ্ঠানিকভাবে কী পরিবর্তন করবে, তা এই বক্তব্য থেকে নিশ্চিত করা যায় না। হায়দরাবাদের পরাজয় ভারতের সামনে একটি স্পষ্ট প্রশ্ন রেখেছে: প্রতিপক্ষ বড় শট খেলতে শুরু করলে বল হাতে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা যাবে শেষ ম্যাচে শ্রেয়সের দলের বোলিং সেই প্রশ্নের কী উত্তর দেয়, সেদিকেই থাকবে নজর।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ভারতের পরাজয়ের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলেন কিমো পল। ব্যাট হাতে শাই হোপের শতরানের পর বল হাতে পলের পাঁচ উইকেট সফরকারী দলের জয়ের পথ তৈরি করে। তিনি ৪১ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নামা ভারতের সামনে তাঁর বোলিং বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত ২৪ রানে ম্যাচ জিতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-২ সমতা ফেরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই জয়ে ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেরই অবদান ছিল। প্রথমে হোপের ইনিংস ভারতকে বড় রানের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। পরে পলের উইকেট নেওয়ার দক্ষতা ভারতের রান তাড়ার পথে চাপ বাড়ায়। একজন ব্যাটার প্রতিপক্ষের সামনে কঠিন লক্ষ্য রাখলেন, আর একজন বোলার সেই লক্ষ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেন। রান তাড়ার ম্যাচে উইকেট ধরে রাখার গুরুত্ব বড় রান তাড়া করার সময় ব্যাটিং দলের সামনে একসঙ্গে দুটি চ্যালেঞ্জ থাকে প্রয়োজনীয় গতিতে রান তোলা এবং হাতে পর্যাপ্ত উইকেট রাখা। দ্রুত রান তুলতে গিয়ে ঝুঁকি নিতে হয়, আবার উইকেট হারালে পরের ব্যাটারের উপর বাড়তি দায়িত্ব এসে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের একজন বোলারের পাঁচ উইকেট নেওয়া রান তাড়ার হিসাবকে কঠিন করে দিতে পারে। কিমো পলের সাফল্যকে সেই প্রেক্ষাপটে দেখা যায়। শুধু কত রান খরচ হলো, তা দিয়ে একটি বোলিং পারফরম্যান্সের সম্পূর্ণ মূল্যায়ন হয় না। উইকেট নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা ভাঙাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বড় লক্ষ্য তাড়া করার ম্যাচে নতুন ব্যাটারকে দ্রুত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। সেই সুযোগ কমিয়ে দিতে পারলে বোলিং দল সুবিধা পায়। এটি ম্যাচ পরিস্থিতির সাধারণ বিশ্লেষণ। পলের প্রতিটি উইকেটের সময় ও প্রভাব আলাদাভাবে বিচার করতে বিস্তারিত স্কোরকার্ড প্রয়োজন। হারলেও ব্যাটিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গিতে আস্থা শ্রেয়সের পরাজয়ের পর ভারতের বোলিংয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘাটতির কথা বলেছেন শ্রেয়স আইয়ার। একই সঙ্গে দলের ব্যাটিংয়ের আক্রমণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গিকেও সমর্থন করেছেন তিনি। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর প্রতিক্রিয়ার এই দুটি দিকই উঠে এসেছে। এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, শ্রেয়স পরাজয়ের পর দলের সমস্ত পরিকল্পনা বদলে দেওয়ার কথা বলছেন না। বরং যে জায়গায় প্রয়োগের সমস্যা হয়েছে, সেখানে উন্নতির প্রয়োজন চিহ্নিত করছেন। বড় লক্ষ্য তাড়া করার সময় আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন থাকতে পারে। কিন্তু প্রথম ইনিংসে প্রতিপক্ষের রান নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সেই লক্ষ্যও তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে ম্যাচ বিশ্লেষণে এই সম্পর্কটি গুরুত্বপূর্ণ।

news image
আরও খবর

তবে অধিনায়কের বক্তব্যকে শুধুমাত্র বোলারদের ব্যক্তিগত ব্যর্থতার অভিযোগ হিসেবে দেখা যথাযথ হবে না। বোলিংয়ের ফলাফলের সঙ্গে পরিকল্পনা, মাঠের পরিস্থিতি, ফিল্ডিং এবং প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ের মানও জড়িয়ে থাকে। নির্দিষ্ট ম্যাচে কোন বিষয় কতটা প্রভাব ফেলেছে, তা বিস্তারিত পর্যালোচনার বিষয়। পরিকল্পনা ও প্রয়োগের মধ্যে ফারাক কমানোই চ্যালেঞ্জ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি পরিকল্পনা দীর্ঘ সময় ধরে একইভাবে কার্যকর নাও থাকতে পারে। ব্যাটার আক্রমণের ধরন বদলালে বোলার ও অধিনায়ককেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোথায় বল করা হবে, কোন ব্যাটারের বিরুদ্ধে কীভাবে ফিল্ডিং সাজানো হবে এবং কখন বোলার পরিবর্তন করা প্রয়োজন এই সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সমন্বয় দরকার। বিশ্লেষণের জায়গা থেকে ভারতের সামনে প্রথম কাজ হতে পারে ভুলের ধরন চিহ্নিত করা। পরিকল্পনা সঠিক থাকলেও বল নির্দিষ্ট জায়গায় না পড়লে সমস্যা একরকম। আবার প্রতিপক্ষ পরিকল্পনাটি বুঝে ফেললে প্রয়োজন হয় বিকল্প কৌশলের। এই দুই পরিস্থিতির সমাধানও আলাদা। শ্রেয়সের প্রতিক্রিয়ায় বোলিংয়ের প্রয়োগ নিয়ে আক্ষেপ উঠে এসেছে। ফলে পরের ম্যাচের প্রস্তুতিতে ধারাবাহিকভাবে সঠিক লাইন ও লেংথ বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে। তবে দল কী নির্দিষ্ট কৌশল নেবে বা একাদশে পরিবর্তন করবে কি না, তা এই বক্তব্য থেকে নিশ্চিত করা যায় না। প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারকে থামাতে প্রয়োজন ধৈর্য ও নিয়ন্ত্রণ কোনও ব্যাটার ক্রিজে সময় কাটিয়ে ফেললে তাঁর বিরুদ্ধে বোলিং আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তখন তিনি পিচের গতি, বাউন্স এবং বোলারদের ধরন সম্পর্কে ভালো ধারণা পেয়ে যান। এই অবস্থায় তাঁকে আউট করার চেষ্টার পাশাপাশি সহজ রান নেওয়ার সুযোগ কমানোও গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ ক্রিকেট বিশ্লেষণে, প্রতিটি বলে বড় পরিবর্তন আনার বদলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ধারাবাহিকতা বজায় রাখাও কার্যকর হতে পারে। আবার ব্যাটার কোনও নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে নিয়মিত রান তুললে ফিল্ডিং ও বোলিংয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য প্রয়োজন হয়। ভারতের পরবর্তী ম্যাচের সম্ভাব্য করণীয় নিয়ে আলোচনায় এই বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক, যদিও এগুলো দলের ঘোষিত পরিকল্পনা নয়।

২-২ অবস্থায় শেষ ম্যাচে বাড়তি গুরুত্ব ওয়েস্ট ইন্ডিজ সমতা ফেরানোয় সিরিজের শেষ ম্যাচ এখন নির্ণায়ক হয়ে উঠেছে। শ্রেয়সের প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উন্নত প্রয়োগ এবং নতুন মানসিকতা নিয়ে পরের ম্যাচে নামার প্রয়োজনের কথা উঠে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে আগের ম্যাচের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সেই পরাজয়ের চাপ থেকে বেরিয়ে আসা দুটিই প্রয়োজন। ভুল নিয়ে আলোচনা প্রস্তুতির অংশ, কিন্তু মাঠে নামার পর নতুন পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ভারতের জন্য তাই প্রস্তুতির লক্ষ্য হতে পারে দায়িত্বের স্পষ্টতা কোন পর্যায়ে কার ভূমিকা কী, চাপের সময় কোন পরিকল্পনায় ভরসা রাখা হবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা কী থাকবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিক থেকেও চতুর্থ ম্যাচের জয় আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি হতে পারে। হোপের ব্যাটিং ও পলের বোলিং দেখিয়েছে, আলাদা বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স একসঙ্গে এলে ম্যাচের ফল বদলে দেওয়া সম্ভব। তবে শেষ ম্যাচে দুই দলকেই নতুন করে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। ভারতের সামনে এখন বোলিংয়ের ভুল সংশোধনের পাশাপাশি ব্যাটিংয়ের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। প্রতিপক্ষ আক্রমণ শুরু করলে রান নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনের সময়ে উইকেট এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য কতটা রাখতে পারে দল, সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

Preview image