Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী! পাকিস্তানের ভারত-ম‍্যাচ বয়কটে প্রথম প্রতিক্রিয়া আইসিসির, জয় শাহেরা হুঁশিয়ারি দিলেন নকভিদের

পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে আইসিসি বলেছে, জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকাকে তারা সম্মান করে, কিন্তু পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে খেলবে না, পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানাল আইসিসি। যতক্ষণ না পাকিস্তান নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা সরকারি ভাবে তাদের জানাচ্ছে, মুখ খুলবে না বললেও আর অপেক্ষা করতে পারল না আইসিসি।

পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েই বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা বলেছে, জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের ভূমিকাকে আইসিসি সম্মান করে। কিন্তু পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী। গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী, যাঁদের মধ‍্যে পাকিস্তানের সমর্থকেরাও রয়েছেন, তাঁদের ভালর কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নয়।

আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত‍্যাশা করে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি লিখেছে, “পিসিবি তাদের দেশের ক্রিকেটের উপর এর সুদূরপ্রসারী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের কথা বিবেচনা করবে। কারণ এটি বিশ্ব ক্রিকেটের বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে, যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেই।”

আইসিসি আরও লিখেছে, “পাকিস্তানের ‘বাছাই করা ম‍্যাচ খেলার’ অবস্থান বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মূল ভিত্তির সঙ্গে মেলানো কঠিন। কারণ, এ ধরনের প্রতিযোগিতায় যোগ্যতা অর্জন করা সকল দলের কাছে প্রত্যাশা থাকে যে, তারা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সমান শর্তে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।”

পাক বোর্ডকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়ে আইসিসি শেষে লিখেছে, “আইসিসির অগ্রাধিকার হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফল ভাবে আয়োজন করা। পিসিবি-সহ এর সকল সদস্যেরও এটা দায়িত্ব হওয়া উচিত। আইসিসি আশা করে পিসিবি একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বার করবে, যা বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত সকলের স্বার্থ রক্ষা করবে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফের একবার তীব্র আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-র সম্পর্ক। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পিসিবি যে ‘বাছাই করা ম্যাচ খেলার’ অবস্থান নিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছে আইসিসি। সংস্থার মতে, এই অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মূল দর্শনের সঙ্গেই সাংঘর্ষিক।

আইসিসি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, কোনও দল যদি যোগ্যতা অর্জন করে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, তবে তার কাছে প্রত্যাশা থাকে যে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সমান শর্তে, সকল ম্যাচ খেলবে। প্রতিযোগিতার মাঝপথে বা রাজনৈতিক–কূটনৈতিক কারণে নির্দিষ্ট ম্যাচ এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা শুধু প্রতিযোগিতার ন্যায্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে না, বরং গোটা টুর্নামেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

‘বাছাই করা ম্যাচ খেলা’—কেন বিতর্ক?

পাকিস্তানের অবস্থান মূলত ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলা ঘিরে। অতীতে একাধিকবার দেখা গেছে, দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ভারত–পাকিস্তান মুখোমুখি হয় না। যদিও আইসিসি ইভেন্টে দুই দলকে একই গ্রুপে পড়লে খেলতে হয়, তবু সাম্প্রতিক সময়ে পিসিবি এমন ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না হলে কিছু ম্যাচ খেলতে অনিচ্ছুক।

আইসিসির মতে, এ ধরনের মনোভাব বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত তৈরি করে। যদি একটি দেশ রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কারণে ম্যাচ বেছে নিতে শুরু করে, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলিও একই পথে হাঁটতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কার্যত খণ্ডিত হয়ে পড়বে।

আইসিসির কড়া বার্তা

আইসিসি তাদের বিবৃতিতে আরও লিখেছে,

“পাকিস্তানের ‘বাছাই করা ম্যাচ খেলার’ অবস্থান বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মূল ভিত্তির সঙ্গে মেলানো কঠিন।”

এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আইসিসি সাধারণত সদস্য দেশগুলির অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে এতটা কঠোর ভাষা ব্যবহার করে না। বিশ্লেষকদের মতে, এই বার্তার মাধ্যমে আইসিসি বুঝিয়ে দিতে চেয়েছে—বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ মানে শুধু খেলার অধিকার নয়, সমান দায়িত্বও বহন করা।

পিসিবির প্রতি দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেওয়া

বিবৃতির শেষাংশে আইসিসি আরও একধাপ এগিয়ে পিসিবিকে তাদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। আইসিসি বলেছে, তাদের অগ্রাধিকার হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করা। শুধু আইসিসি নয়, পিসিবি-সহ সমস্ত সদস্য বোর্ডেরও সেই দায়িত্ব থাকা উচিত।

এই বক্তব্যে স্পষ্ট, আইসিসি চায় না যে কোনও একটি বোর্ডের অনমনীয় অবস্থানের কারণে বিশ্বকাপের সূচি, সম্প্রচার পরিকল্পনা বা বাণিজ্যিক চুক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হোক।

বাণিজ্যিক ও সম্প্রচার দিক

ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক আকর্ষণ। টেলিভিশন রেটিং, স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন—সব দিক থেকেই এই ম্যাচগুলির গুরুত্ব অপরিসীম। আইসিসি ইভেন্টের রাজস্বের বড় অংশই আসে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচগুলি থেকে।

যদি পাকিস্তান কোনও ম্যাচ খেলতে অস্বীকার করে, তাহলে—

  • সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গের আশঙ্কা তৈরি হবে

  • স্পনসররা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে

  • গোটা টুর্নামেন্টের আর্থিক কাঠামো নড়বড়ে হয়ে যাবে

এই কারণেই আইসিসি বিষয়টিকে শুধু ক্রীড়াগত নয়, অর্থনৈতিক সংকট হিসেবেও দেখছে।

অন্যান্য সদস্য দেশের প্রতিক্রিয়া

আইসিসির ভিতরের সূত্র অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি সদস্য দেশও পিসিবির অবস্থান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে। তাদের যুক্তি—একটি দেশ যদি বিশেষ সুবিধা বা ব্যতিক্রম দাবি করে, তাহলে অন্য দেশগুলিও নিজেদের রাজনৈতিক সমস্যার কথা তুলে একই দাবি জানাতে পারে। এতে বিশ্বকাপ আয়োজন কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠবে।

news image
আরও খবর

পিসিবির যুক্তি কী?

পিসিবির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির এই মন্তব্যের বিস্তারিত জবাব দেওয়া হয়নি। তবে অতীতে পিসিবি জানিয়েছে, তাদের সিদ্ধান্ত অনেকাংশেই নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। পাকিস্তানের বক্তব্য—তাদের বোর্ড একা সিদ্ধান্ত নেয় না, সরকারের নির্দেশও মানতে হয়।

কিন্তু আইসিসির পাল্টা যুক্তি হল, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার আগে এই বিষয়গুলি বিবেচনা করাই উচিত। যোগ্যতা অর্জনের পর শর্ত বদলানো গ্রহণযোগ্য নয়।

খেলাধুলা বনাম রাজনীতি

এই বিতর্ক নতুন নয়। আন্তর্জাতিক খেলাধুলায় রাজনীতির প্রভাব বহু পুরনো। তবে আইসিসি দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা করেছে, ক্রিকেটকে যতটা সম্ভব রাজনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে রাখতে। এই বিবৃতির মাধ্যমে আইসিসি কার্যত সেই নীতিকেই আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আইসিসি যদি এই বিষয়ে নরম অবস্থান নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে অলিম্পিক্স বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মতো ক্রিকেটও রাজনৈতিক টানাপোড়েনে জর্জরিত হয়ে পড়বে।

সম্ভাব্য সমাধানের পথ

আইসিসি শেষ পর্যন্ত আশাবাদী সুরেই বিবৃতি শেষ করেছে। তারা জানিয়েছে, পিসিবি যেন একটি “পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান” খুঁজে বার করে, যা বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত সকলের স্বার্থ রক্ষা করবে।

এর অর্থ হতে পারে—

  • নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজন

  • নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশেষ ব্যবস্থা

  • কূটনৈতিক স্তরে সমঝোতা

আইসিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা সংঘাত নয়, সমাধান চায়।

উপসংহার

আইসিসি ও পিসিবির এই টানাপোড়েন শুধু দুটি সংস্থার মধ্যেকার মতবিরোধ নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিশ্বকাপ কি কেবল ক্রিকেটীয় যোগ্যতার ভিত্তিতে চলবে, না কি রাজনৈতিক শর্তেও পরিচালিত হবে—এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে এই মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলির উপর।

আইসিসির কড়া বার্তা পরিষ্কার করে দিয়েছে, তারা সমান নিয়ম, সমান শর্ত এবং প্রতিযোগিতার অখণ্ডতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে চায়। এখন দেখার, পিসিবি সেই বার্তা কতটা গুরুত্ব দিয়ে নেয় এবং শেষ পর্যন্ত ক্রিকেট জিতবে, না কি বিতর্কই শিরোনামে থাকবে।

এই বিতর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল আইসিসির সাংবিধানিক ক্ষমতা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনও সদস্য বোর্ড যদি ইচ্ছাকৃতভাবে টুর্নামেন্টের সূচি ভঙ্গ করে বা প্রতিযোগিতার অখণ্ডতা নষ্ট করে, তবে আইসিসির হাতে জরিমানা, ম্যাচ বাতিল ঘোষণা, এমনকি ভবিষ্যৎ ইভেন্টে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও রয়েছে। যদিও আইসিসি এখনই সেই পথে হাঁটতে চাইছে না, তবু তাদের কড়া ভাষার বিবৃতি ইঙ্গিত দিচ্ছে—প্রয়োজনে তারা কঠোর অবস্থান নিতেও পিছপা হবে না।

বিশ্বকাপের সূচি ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি তৈরি করতে আইসিসিকে বহু মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হয়। ভেন্যু নির্বাচন, দলের যাতায়াত, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সম্প্রচার সূচি—সবকিছু পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। কোনও একটি দল শেষ মুহূর্তে ম্যাচ না খেলার ইঙ্গিত দিলে পুরো কাঠামো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকে। আইসিসির কর্মকর্তারা মনে করছেন, পিসিবির অবস্থান যদি দীর্ঘদিন অনিশ্চিত থাকে, তাহলে বিকল্প পরিকল্পনা করতে বাধ্য হবে আইসিসি, যা পাকিস্তানের ক্রিকেটের জন্যও ভালো বার্তা নয়।

পাকিস্তানের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি

এই পরিস্থিতি পিসিবির আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকেও প্রভাবিত করতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পাকিস্তান ক্রিকেট ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে—দেশে আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফিরেছে, বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের চেষ্টা চলছে। কিন্তু ‘বাছাই করা ম্যাচ খেলার’ অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানকে আবারও একটি সমস্যাসঙ্কুল অংশীদার হিসেবে তুলে ধরতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারের মত, মাঠের বাইরে রাজনৈতিক চাপ থাকলেও বোর্ডের উচিত ক্রিকেটীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। তাঁদের মতে, আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণ মানে শুধু খেলা নয়, বিশ্ব ক্রিকেট পরিবারের অংশ হওয়া।

সমর্থকদের দৃষ্টিভঙ্গি

এই বিতর্কে সমর্থকদের প্রতিক্রিয়াও উল্লেখযোগ্য। পাকিস্তানের অনেক ক্রিকেটভক্ত মনে করছেন, আইসিসি টুর্নামেন্টে না খেললে তার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে খেলোয়াড় ও সমর্থকদেরই। কারণ বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের সেরা প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ হারাতে পারে দল। অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সমর্থকেরাও চাইছেন, রাজনৈতিক জটিলতা দূরে রেখে মাঠে সেরা ক্রিকেটই হোক মূল আকর্ষণ।

ভবিষ্যতের দৃষ্টান্ত

আইসিসির কাছে এই বিষয়টি এক ধরনের দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত। তারা যদি এখন কঠোর বা স্পষ্ট অবস্থান না নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য বোর্ডগুলিও নিজেদের সুবিধামতো শর্ত আরোপ করতে পারে। এতে বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা অন্য আইসিসি ইভেন্টের কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়বে।

শেষ কথা

সব মিলিয়ে, আইসিসি–পিসিবি এই টানাপোড়েন শুধুই একটি নির্দিষ্ট ম্যাচ বা একটি দেশের সিদ্ধান্ত ঘিরে নয়। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কীভাবে চলবে, কোন নীতিতে চলবে—সেই বৃহত্তর প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত। আইসিসি আপাতত সংলাপ ও সমাধানের পথেই হাঁটতে চাইছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যদি স্পষ্ট সমাধান না আসে, তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থে তাদের আরও দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতেই হবে—এ কথা বলাই যায়।

Preview image