Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

নতুন বছরের শুরুতেই ইরানে ভয়াবহ বিক্ষোভ সংঘর্ষে নিহত সাত কেন ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে জনরোষ

গত সপ্তাহখানেক ধরে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে ক্রমশ তীব্র হচ্ছে বিক্ষোভ। নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ছাড়াও এক নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত কুড়ি জন

নতুন বছরের শুরুতেই অশান্ত হয়ে উঠেছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশ জুড়ে গত কয়েক দিন ধরে ক্রমশ তীব্র আকার নিচ্ছে জনবিক্ষোভ। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে জমে উঠেছে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ। শুরুতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত সাত জন। নিহতদের মধ্যে সাধারণ বিক্ষোভকারীদের পাশাপাশি এক জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে বিশ জন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশজুড়ে ধরপাকড় শুরু করেছে প্রশাসন। অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে অন্তত ত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংবাদসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই বিক্ষোভের সূচনা হয়েছিল ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে। তেহরানের একাংশে দোকানিরা প্রথম মুদ্রাস্ফীতি এবং লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পথে নামেন। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবন ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছিল। খাদ্য সামগ্রী জ্বালানি এবং ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি মানুষের সহ্যসীমা অতিক্রম করে যায়। সেই ক্ষোভ থেকেই প্রথম প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে।

প্রথমে রাজধানী তেহরানেই সীমাবদ্ধ থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। লোর্ডেগান কুহদাশত এবং ইসফাহান সহ একাধিক শহর থেকে বিক্ষোভের খবর সামনে আসে। বিভিন্ন প্রদেশে মানুষ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে শুরু করে। প্রশাসনিক ভবনের সামনে জমায়েত হয় জনতা। অনেক জায়গায় সরকারি সম্পত্তিতে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটেছে।

এই আন্দোলনে বড় ভূমিকা নেয় ইরানের তরুণ সমাজ। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা তেহরানের রাস্তায় নেমে পড়েন। তাঁরা স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দাবিতে আওয়াজ তোলেন। স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজপথ। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ এই আন্দোলনের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে শুরু করে।

বিক্ষোভ দমাতে দ্রুত মাঠে নামে নিরাপত্তাবাহিনী। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে একাধিক সংঘর্ষে এক দিনে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। লোর্ডেগানে দুজন কুহদাশতে একজন এবং ইসফাহান প্রদেশে একজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়। আজ়না শহরে আরও তিন জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে এক জন নিরাপত্তাকর্মীও রয়েছেন। আহতের সংখ্যা বিশ ছাড়িয়েছে।

বিক্ষোভের জেরে বহু এলাকায় বাজার হাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইরানে একের পর এক বিক্ষোভ হয়েছে। কখনও নারী অধিকার কখনও খরা কখনও বেকারত্ব আবার কখনও রাজনৈতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে পথে নেমেছেন মানুষ। প্রতিবারই সরকার কড়া হাতে সেই আন্দোলন দমন করেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা দেশ। তবে তাতে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

বর্তমান বিক্ষোভের মূল কারণ হিসেবে উঠে আসছে ইরানের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট। পশ্চিমি দেশগুলির নিষেধাজ্ঞার জেরে দীর্ঘদিন ধরেই চাপে রয়েছে দেশের অর্থনীতি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সরকারি আয় কমেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। মূল্যবৃদ্ধি পৌঁছেছে চরমে।

ডিসেম্বর মাসে ইরানে মুদ্রাস্ফীতি চল্লিশ শতাংশের বেশি ছুঁয়েছে। দেশের মুদ্রা রিয়ালের মূল্য দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। এক ডলারের বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ রিয়াল দিতে হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের সঞ্চয় কার্যত মূল্যহীন হয়ে পড়ছে। মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়েছেন।

এই আর্থিক সংকটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রাজনীতির চাপও ইরানের অবস্থানকে দুর্বল করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সামরিক সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এসব কারণ মিলিয়েই বর্তমান বিক্ষোভ এমন বিস্তৃত আকার নিয়েছে।

সমাজমাধ্যমেও এই আন্দোলন নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। ইরানের বাইরে থাকা বহু বিরোধী কণ্ঠ এই বিক্ষোভকে সমর্থন জানিয়েছে। প্রাক্তন শাসক পরিবারের উত্তরসূরি রেজা পাহলভিও এই আন্দোলনের পক্ষে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি বলেছেন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার আরও অবনতি হবে। জনগণের দাবি ন্যায্য এবং জয় অবশ্যম্ভাবী।

এই মন্তব্য ঘিরে শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা বিদেশি শক্তি এই আন্দোলনকে উসকে দিতে পারে। সেই কারণেই আরও কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে খবর।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার আলোচনার পথে এগোনোর ইঙ্গিত দিয়েছে। সরকার জানিয়েছে বিক্ষোভকারীদের দাবির একটি অংশ বৈধ। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন যে মুদ্রার অবমূল্যায়ন এই মুহূর্তে রোখা অত্যন্ত কঠিন।

news image

বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান এক গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে জনগণের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ অন্যদিকে অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং আন্তর্জাতিক চাপ। সরকার যদি বাস্তবসম্মত সমাধানের পথে না হাঁটে তবে অশান্তি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নতুন বছরের শুরুতেই ইরানের রাজপথে যে উত্তেজনার আগুন জ্বলছে তা কবে এবং কীভাবে শান্ত হবে সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

লোর্ডেগান কুহদাশত এবং ইসফাহান সহ একাধিক শহর থেকে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। বিভিন্ন প্রদেশে আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত গতিতে। শুধু শ্রমজীবী মানুষই নন এই আন্দোলনে সামিল হন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। তেহরানের রাস্তায় নামেন বহু ছাত্রছাত্রী। সরকারের বিরুদ্ধে এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজপথ।

বিক্ষোভ চলাকালীন বহু জায়গায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জমায়েত হয় জনতা। লোর্ডেগান শহরে সরকারি দপ্তরে পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটে। বহু এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয় বাজার হাট। রাস্তায় রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী কড়া ব্যবস্থা নেয়। এর ফলেই সংঘর্ষ আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে এক দিনে একাধিক সংঘর্ষে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। লোর্ডেগানে দুজন কুহদাশতে একজন এবং ইসফাহান প্রদেশে একজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়। আজ়না শহরে আরও তিন জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে এক জন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। এই সংঘর্ষে আহতের সংখ্যা বিশ ছাড়িয়েছে।

ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একের পর এক সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে। মূল্যবৃদ্ধি বেকারত্ব খরা নারী অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বহু বার পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। প্রতিবারই সরকার কঠোর হাতে এই বিক্ষোভ দমন করেছে। দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এতে ক্ষোভ কমেনি বরং আরও গভীর হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে বর্তমান বিক্ষোভের পেছনে মূল কারণ ইরানের ভেঙে পড়া অর্থনীতি। পশ্চিমি দেশগুলির নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় রাজস্ব আয় কমেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। মূল্যবৃদ্ধি চরমে উঠেছে। খাদ্য জ্বালানি ও ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

ডিসেম্বর মাসে ইরানে মুদ্রাস্ফীতি চল্লিশ শতাংশেরও বেশি পৌঁছেছে। দেশের মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ভয়াবহভাবে কমে গেছে। এক ডলারের বিনিময়ে এখন বিপুল পরিমাণ রিয়াল দিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঞ্চয় কার্যত মূল্যহীন হয়ে পড়েছে। মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা।

এই আর্থিক সংকটের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক উত্তেজনাও পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল এবং আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত ইরানের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। সামরিক ও পরমাণু পরিকাঠামো নিয়ে উত্তেজনা দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থাকে আরও দুর্বল করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিক্ষোভ চলাকালীন সমাজমাধ্যমেও এই আন্দোলন নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ইরানের বাইরে থাকা বহু বিরোধী নেতা এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। প্রাক্তন শাহ পরিবারের উত্তরসূরি রেজা পাহলভিও সমাজমাধ্যমে এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেছেন যত দিন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকবে তত দিন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটতেই থাকবে। তাঁর দাবি জনগণের আন্দোলন ন্যায্য এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত।

এই মন্তব্য ঘিরে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা বিদেশি শক্তি এই আন্দোলনকে উসকে দিতে পারে। সেই কারণেই আরও কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অন্য দিকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। সরকার জানিয়েছে তারা বিক্ষোভকারীদের দাবির বৈধতা স্বীকার করছে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন যে এই মুহূর্তে মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোখা সরকারের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেছেন কেউ যেন এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এক দিকে ক্রমবর্ধমান জনরোষ অন্য দিকে ভেঙে পড়া অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক চাপ। সরকার আলোচনার পথে এগোতে পারলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতে পারে। তবে দমন নীতি অব্যাহত থাকলে অশান্তি আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা। নতুন বছরের শুরুতেই ইরানের রাজপথে যে আগুন জ্বলছে তা সহজে নিভবে কি না তা সময়ই বলবে।

Preview image