Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

৬০ এও সুপারস্টার জন্মদিনে সলমনের ঝলক, বয়স যেন শুধুই একটা সংখ্যা

বলিউডের ইতিহাসে যাঁর নাম আলাদা করে কোনও পরিচয়ের অপেক্ষা রাখে না, তিনি সলমন খান। ৬০ বছরে পা দিয়েও আজও তিনি কোটি কোটি অনুরাগীর হৃদয়ে একইরকমভাবে রাজত্ব করছেন। জন্মদিন এলেই সলমন মানেই অনুরাগীদের উন্মাদনা, উৎসব আর আবেগের বিস্ফোরণ। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ৬০তম জন্মদিনে পৌঁছেও সলমনের ঝলক, ফিটনেস আর স্টারডম প্রমাণ করে দিল বয়স তাঁর কাছে সত্যিই শুধুই একটি সংখ্যা। বলিউডে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সলমন খান নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন। রোমান্টিক হিরো থেকে শুরু করে অ্যাকশন সুপারস্টার প্রতিটি রূপেই তিনি দর্শকের মন জয় করেছেন। ম্যায়নে পেয়ার কিয়া  দিয়ে যাত্রা শুরু, তারপর হাম আপকে হ্যায় কৌন, তেরে নাম , ওয়ান্টেড , দাবাং, এক থা টাইগার কিংবা বজরঙ্গি ভাইজান একটির পর একটি হিট ছবি তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে বলিউডের শীর্ষস্থানে। ৬০ বছর বয়সেও তাঁর ছবির ঘোষণা মানেই বক্স অফিসে ঝড় ওঠার প্রত্যাশা। জন্মদিন উপলক্ষে সলমনের বাড়ি গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে ভিড় করেন হাজার হাজার অনুরাগী। রাত থেকেই জমে ওঠে উৎসবের আবহ। কেক কাটার মুহূর্ত, অনুরাগীদের শুভেচ্ছা, সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যা সব মিলিয়ে জন্মদিন যেন এক জাতীয় উৎসব। দেশ বিদেশের বহু তারকা, পরিচালক ও সহকর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইজানের ছবি, ভিডিও আর স্মৃতিচারণায় ভরে যায় টাইমলাইন।

বলিউডের আকাশে যে ক’টি নক্ষত্র দীর্ঘদিন ধরে একই জ্যোতিতে জ্বলছে, সলমন খান তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ৬০ বছরে পা দিয়েও তাঁর জনপ্রিয়তা, প্রভাব এবং তারকাখ্যাতি একচুলও কমেনি। জন্মদিন এলেই সলমন খান মানেই শুধুই একটি তারিখ নয়, বরং অনুরাগীদের কাছে এক আবেগ, এক উৎসব। এ বছর ৬০তম জন্মদিনে পৌঁছে সলমন আবারও প্রমাণ করলেন বয়স তাঁর কাছে শুধুই একটা সংখ্যা, আর সুপারস্টারডম তাঁর রক্তে মিশে থাকা এক স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।

সলমন খানের যাত্রা শুরু হয়েছিল একেবারে সাধারণ ভাবে, কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন বলিউডের হৃদস্পন্দন। ম্যায়নে পেয়ার কিয়া ছবির মাধ্যমে রাতারাতি জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর থেকে তাঁর কেরিয়ার আর পিছনে ফিরে তাকায়নি। নব্বইয়ের দশকে রোমান্টিক হিরো হিসেবে যেভাবে তিনি তরুণ প্রজন্মের মন জয় করেছিলেন, সেই স্মৃতি আজও দর্শকের মনে টাটকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজেকে বদলেছেন, চরিত্রের ধরন পাল্টেছেন, কিন্তু জনপ্রিয়তার গ্রাফ কখনও নামতে দেননি।

দুই হাজার দশকের পর সলমন খান নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেন অ্যাকশন হিরো হিসেবে। ওয়ান্টেড, দাবাং, এক থা টাইগার, কিক কিংবা সুলতান এই ছবিগুলি শুধু বক্স অফিসে ঝড় তোলেনি, বরং সলমন খানের সুপারস্টার ভাবমূর্তিকে আরও শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়েছে। ৬০ বছরে পৌঁছেও যেভাবে তিনি অ্যাকশন দৃশ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েন, তা অনেক তরুণ অভিনেতার পক্ষেও ঈর্ষণীয়। তাঁর শক্তিশালী উপস্থিতি, চোখের দৃষ্টি, শরীরী ভাষা আজও দর্শককে মুগ্ধ করে।

জন্মদিন মানেই সলমন খানের বাড়ি গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে উপচে পড়া ভিড়। মধ্যরাত পেরোনোর আগেই হাজার হাজার অনুরাগী সেখানে জড়ো হন শুধুমাত্র এক ঝলক ভাইজানকে দেখার জন্য। কেক কাটার মুহূর্ত, হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানানো, অনুরাগীদের উল্লাস এই দৃশ্য প্রতি বছরই যেন এক অঘোষিত উৎসবে পরিণত হয়। ৬০তম জন্মদিনেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গোটা এলাকা জুড়ে ছিল উৎসবের আবহ, আনন্দ আর আবেগের ঢেউ।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও সলমনের জন্মদিন মানেই শুভেচ্ছার বন্যা। বলিউডের তারকা থেকে শুরু করে ক্রীড়াজগত, রাজনীতি ও বিনোদন দুনিয়ার নানা ব্যক্তিত্ব তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনুরাগীরা পুরনো ছবি, সিনেমার সংলাপ, ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে তাঁদের ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। ট্রেন্ডিং লিস্টে উঠে এসেছে সলমন খানের নাম, প্রমাণ করে দিয়েছে ডিজিটাল যুগেও তাঁর প্রভাব কতটা গভীর।

বয়স বাড়লেও সলমন খানের ফিটনেস আজও আলোচনার কেন্দ্রে। কঠোর শরীরচর্চা, নিয়মিত ব্যায়াম এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপন তাঁকে আজও অ্যাকশন হিরোর আসনে বসিয়ে রেখেছে। পর তার শরীরী গঠন, পর্দায় তাঁর শক্ত উপস্থিতি দেখে বোঝাই যায়, কেন তিনি এখনও দর্শকের প্রথম পছন্দ। ৬০ বছর বয়সে দাঁড়িয়েও নতুন ছবির ঘোষণা মানেই অনুরাগীদের মধ্যে উত্তেজনার সঞ্চার।

সলমন খানের জনপ্রিয়তা শুধু সিনেমার পর্দায় সীমাবদ্ধ নয়। টেলিভিশনের পর্দাতেও তিনি সমানভাবে সফল। বিগ বস শো এর মাধ্যমে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। তাঁর স্বতঃস্ফূর্ততা, রসিকতা, কখনও কঠোর আবার কখনও স্নেহশীল আচরণ দর্শকদের আলাদা করে আকর্ষণ করে। এই শো র মাধ্যমে তিনি নতুন প্রজন্মের কাছেও নিজের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়েছেন।

অভিনয়ের বাইরেও সলমন খানের একটি মানবিক পরিচয় রয়েছে, যা অনুরাগীদের কাছে তাঁকে আরও প্রিয় করে তুলেছে। বিইং হিউম্যান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি সমাজসেবার কাজ করে চলেছেন দীর্ঘদিন ধরে। দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা, শিশুদের শিক্ষা, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এই সমস্ত কাজে তাঁর অবদান নিঃশব্দ হলেও গভীর। জন্মদিনে অনেক অনুরাগী এই মানবিক দিকটিকেই বেশি করে স্মরণ করেন এবং তাঁর মতো একজন তারকার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পান।

সলমন খানের জীবন যেমন সাফল্যে ভরা, তেমনই বিতর্কও তাঁর সঙ্গী হয়েছে বহুবার। কিন্তু প্রতিবারই তিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, আরও শক্ত হয়ে ফিরেছেন। সমালোচনা, চ্যালেঞ্জ, প্রতিকূলতা সব কিছুকে ছাপিয়ে তিনি নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন বলিউডের শীর্ষে। ৬০ বছরে পৌঁছেও তাঁর আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং স্টার পাওয়ার অটুট।

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সলমন খান শুধুই একজন অভিনেতা নন, তিনি একটি ব্র্যান্ড, একটি অনুভূতি। তাঁর সিনেমা মানেই পরিবার নিয়ে দেখার আনন্দ, আবেগ আর বিনোদনের পূর্ণ প্যাকেজ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম বড় হয়েছে তাঁর সিনেমা দেখে। অনেকের শৈশব, কৈশোর কিংবা যৌবনের স্মৃতিতে জড়িয়ে রয়েছে সলমন খানের কোনও না কোনও ছবি।

৬০তম জন্মদিনে দাঁড়িয়ে সলমন খান আবারও প্রমাণ করলেন, সময় তাঁর জন্য থেমে থাকে না, বরং তাঁর সঙ্গেই এগিয়ে চলে। বয়স বাড়লেও তাঁর জনপ্রিয়তা, শক্তি আর প্রভাব আজও অটুট। অনুরাগীদের কাছে তিনি আজও সেই প্রিয় ভাইজান, যাঁর এক ঝলক দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ রাত জাগতে পারেন। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, সলমন খানের ক্ষেত্রে বয়স সত্যিই শুধুই একটা সংখ্যা, আর সুপারস্টারডম তাঁর চিরসঙ্গী।                                                                                                                                                                                                                                                                 

news image
আরও খবর

ছয় দশক পেরিয়েও যিনি আজও কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে একইভাবে রাজত্ব করছেন, তিনি সলমন খান। ৬০তম জন্মদিনে দাঁড়িয়েও তাঁর চারপাশের উন্মাদনা, ভালোবাসা আর স্টারডম একটুও ম্লান হয়নি। বরং সময় যত এগিয়েছে, সলমন খান ততই নিজেকে প্রমাণ করেছেন এক অনন্য সুপারস্টার হিসেবে। জন্মদিন এলেই তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে যে আবেগ, উত্তেজনা আর উৎসবের আমেজ দেখা যায়, তা বলিউডে খুব কম তারকার ক্ষেত্রেই দেখা সম্ভব।

বলিউডে সলমন খানের যাত্রা কোনও একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে সংগ্রাম, সাফল্য, ব্যর্থতা, সমালোচনা এবং প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। নব্বইয়ের দশকে রোমান্টিক নায়ক হিসেবে যে সলমন খানের আত্মপ্রকাশ, তা আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল। সেই সময়ে তাঁর হাসি, সরলতা আর পর্দার রোমান্স তরুণ প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছিল। সময় বদলেছে, দর্শকের রুচি বদলেছে, কিন্তু সলমন খান নিজেকে সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে।

পরবর্তী সময়ে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন অ্যাকশন হিরো হিসেবে। শক্তিশালী সংলাপ, দুর্দান্ত ফাইট সিন আর পর্দায় আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে আলাদা উচ্চতায়। ৬০ বছর বয়সেও তাঁর শরীরী ভাষা, পরিশ্রম আর পর্দায় দাপট দেখে বোঝা যায় কেন তিনি আজও দর্শকের প্রথম সারির পছন্দ। তাঁর ছবি মানেই বক্স অফিসে আলোচনার ঝড়, প্রত্যাশার চাপ আর দর্শকের ভিড়।

জন্মদিন মানেই সলমন খানের বাড়ির সামনে ভক্তদের জমায়েত। মুম্বইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে মধ্যরাত থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে। কেউ হাতে কেক নিয়ে আসে, কেউ পোস্টার, কেউ শুধুই এক ঝলক ভাইজানকে দেখার আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে। সলমন খান বারান্দায় এসে যখন হাত নাড়ান, তখন সেই মুহূর্তটা ভক্তদের কাছে আজীবনের স্মৃতি হয়ে যায়। ৬০তম জন্মদিনেও সেই চেনা দৃশ্যের কোনও ব্যতিক্রম হয়নি।

                                                      

 

 

 

 

 

 

Preview image