Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বৈভবকে কেন খেলাচ্ছেন না গম্ভীর? জানালেন কারণ

গৌতম গম্ভীর জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমের চাপে নয়, পরিস্থিতি ও প্রতিপক্ষ বিচার করেই প্রথম একাদশ ঠিক করবেন কোচ ও অধিনায়ক। বৈভব সূর্যবংশী ভাল ফর্মে থাকলেও তাঁকে খেলাতে হলে সঞ্জু স্যামসন বা অভিষেক শর্মার মতো নিয়মিত পারফর্মারদের একজনকে বাদ দিতে হবে। তাই আপাতত বৈভবকে দলে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

বৈভব সূর্যবংশীকে কেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ভারতের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে প্রথম একাদশে খেলানো হচ্ছে না? তরুণ এই ক্রিকেটারকে নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হওয়া প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। বৈভবের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। বরং তাঁর ব্যাটিং পারফরম্যান্স এবং প্রতিভা নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ভাল ফর্মে থাকলেই যে কোনও ক্রিকেটারের প্রথম একাদশে জায়গা নিশ্চিত হয়ে যাবে, এমন নীতি অনুসরণ করতে রাজি নন গম্ভীর। দলের ভারসাম্য, প্রতিপক্ষ, ম্যাচের পরিস্থিতি এবং দীর্ঘ দিন ধরে ভাল পারফর্ম করে আসা ক্রিকেটারদের ধারাবাহিকতা—সব কিছু বিচার করেই প্রথম একাদশ নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন বৈভব সূর্যবংশী। সেই পারফরম্যান্সের পর অনেকেই মনে করেছিলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়েও তরুণ ওপেনারকে নিয়মিত ভাবে প্রথম একাদশে দেখা যেতে পারে। কিন্তু একটি সিরিজ়ে সুযোগ পাওয়া মানেই পরের সিরিজ়েও জায়গা নিশ্চিত—এমনটা মনে করছেন না গৌতম গম্ভীর। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, বৈভবের সামনে ভারতীয় দলের দরজা খোলা থাকলেও বর্তমান কম্বিনেশন ভেঙে তাঁকে জায়গা করে দেওয়ার বিষয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না টিম ম্যানেজমেন্ট।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরুর আগে ‘জিয়োস্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গৌতম গম্ভীর প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তাঁর মতে, সমাজমাধ্যমে কোনও ক্রিকেটারকে নিয়ে যতই আলোচনা হোক বা তাঁকে খেলানোর দাবি উঠুক, সেই মতামতের ভিত্তিতে ভারতীয় দলের প্রথম একাদশ তৈরি করা হবে না। ম্যাচের পরিস্থিতি এবং প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা বিচার করে কোচ ও অধিনায়ক ঠিক করবেন কোন ক্রিকেটাররা দলের জন্য সবচেয়ে কার্যকর হতে পারেন। সেই কারণেই বৈভবের ফর্ম ভাল হলেও তাঁকে প্রত্যেক ম্যাচে খেলানো সম্ভব নয়।

গম্ভীর বিশেষ ভাবে জানিয়েছেন, বৈভবকে তিনি নিজেই বুঝিয়েছেন যে ভাল ফর্মে থাকার অর্থ প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া নিশ্চিত নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দলের মধ্যে জায়গা তৈরি করতে হলে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি অপেক্ষা করার মানসিকতাও প্রয়োজন। ভারতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ভাল পারফর্ম করা ক্রিকেটারদের প্রাপ্য সম্মান এবং সুযোগ দিতে হবে। নতুন কোনও ক্রিকেটার ভাল খেললেই দীর্ঘ সময় ধরে দলের হয়ে অবদান রাখা ক্রিকেটারকে সরিয়ে দেওয়া যায় না। এই ভারসাম্য বজায় রাখাই টিম ম্যানেজমেন্টের অন্যতম বড় দায়িত্ব।

বৈভব সূর্যবংশীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিষয় হল, তাঁকে প্রথম একাদশে জায়গা দিতে হলে বর্তমান কম্বিনেশনে পরিবর্তন আনতে হবে। সঞ্জু স্যামসন অথবা অভিষেক শর্মার মধ্যে একজনকে বাইরে রাখতে হতে পারে। দু’জনেই ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার এবং দীর্ঘ সময় ধরে দলের পরিকল্পনার অংশ। তাই শুধুমাত্র বৈভব ভাল ফর্মে রয়েছেন বলে তাঁদের কাউকে বসিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সহজ নয়। গম্ভীর নিজেই জানিয়েছেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন।

ভারতীয় দলের বর্তমান কম্বিনেশন নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন গম্ভীর। তাঁর মতে, গত এক থেকে দেড় বছর ধরে যে দল ভাল পারফর্ম করেছে, সেটিকে হঠাৎ করে বদলে ফেলা সম্ভব নয়। কোনও ক্রিকেটার তিন-চারটি ম্যাচে রান করতে না পারলেই তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে বাদ দেওয়া উচিত নয়। ক্রিকেটারদের সামর্থ্য, দীর্ঘমেয়াদি পারফরম্যান্স এবং দলের জন্য তাঁদের গুরুত্ব টিম ম্যানেজমেন্ট জানে। ফলে কখনও কখনও নতুন প্রতিভাবান ক্রিকেটারকে নিজের সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। গম্ভীরের মতে, বৈভবও এখন সেই অপেক্ষার পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন।

তবে বৈভবকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে মানেই তাঁর উপর আস্থা নেই, এমনটা একেবারেই নয়। বরং গম্ভীরের আগের সিদ্ধান্তই তার প্রমাণ। ইংল্যান্ড সফরে সঞ্জু স্যামসনের পরিবর্তে বৈভব সূর্যবংশীকে প্রথম একাদশে খেলিয়েছিলেন ভারতের প্রধান কোচ। সেই সিদ্ধান্তের কথা বলতে গিয়ে গম্ভীর জানিয়েছেন, তাঁর দু’বছরের কোচিং কেরিয়ারে সেটি ছিল অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্ত। এমনকি সেই সিদ্ধান্তের কারণে তিনি রাতে ঘুমোতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন।

সঞ্জু স্যামসনকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত কেন এত কঠিন ছিল, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন গম্ভীর। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সঞ্জু তার আগেই ভারতকে বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং বিশ্বকাপে অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন। এমন একজন ক্রিকেটারকে তিন-চারটি ম্যাচের জন্য বাইরে রাখা কোনও ভাবেই সহজ সিদ্ধান্ত ছিল না। কিন্তু সেই সময় বৈভব সূর্যবংশীর ফর্ম এতটাই ভাল ছিল যে তাঁকে সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেছিলেন গম্ভীর। ফলে পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেও যে তিনি পিছপা হন না, সেই বার্তাও দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ।

এই ঘটনা থেকেই বোঝা যায়, গম্ভীরের কাছে দল নির্বাচন শুধু সাম্প্রতিক ফর্মের উপর নির্ভরশীল নয়। কোনও ক্রিকেটার কত দিন ধরে ভাল খেলছেন, দলের জন্য তাঁর অবদান কতটা, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর ভূমিকা কী হতে পারে এবং দলের ভারসাম্য কেমন থাকবে—সব কিছু একসঙ্গে বিচার করা হয়। বৈভবের ক্ষেত্রে একই নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। এশিয়ান গেমসে প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার পরেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে তাঁর জায়গা নিশ্চিত না হওয়ার মূল কারণ এই দলীয় ভারসাম্য।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরুর আগে তাই ভারতীয় দলের প্রথম একাদশ নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে সঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা এবং বৈভব সূর্যবংশীকে ঘিরে নজর রয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের। বৈভবকে খেলাতে গেলে বর্তমান কম্বিনেশনে পরিবর্তন আনতে হবে। অন্য দিকে, সঞ্জু ও অভিষেকের মতো ক্রিকেটারদের বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট কারণ প্রয়োজন। ফলে টিম ম্যানেজমেন্ট আপাতত বর্তমান দলীয় কাঠামোকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বলে গম্ভীরের বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত মিলেছে।

news image
আরও খবর

বৈভবের জন্য এই পরিস্থিতি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে উঠতে পারে। তরুণ বয়সে জাতীয় দলের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে জায়গা পাওয়ার জন্য শুধু প্রতিভা এবং ফর্মই যথেষ্ট নয়। দলের প্রয়োজন অনুযায়ী অপেক্ষা করা, নিজের প্রস্তুতি ধরে রাখা এবং সুযোগ এলে পারফর্ম করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গম্ভীরের বক্তব্যে সেই বার্তাই পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বৈভবকে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বাইরে রাখেননি, বরং তাঁকে নিজের সুযোগের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।

সমাজমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও গম্ভীরের মন্তব্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে কোনও ক্রিকেটারকে নিয়ে সমর্থকদের মতামত খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোনও ম্যাচে ভাল খেললে তাঁকে নিয়মিত খেলানোর দাবি ওঠে, আবার ব্যর্থ হলে তাঁকে বাদ দেওয়ার দাবিও দেখা যায়। কিন্তু দলের প্রথম একাদশ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই চাপকে গুরুত্ব দিতে চান না গম্ভীর। তাঁর মতে, মাঠের বাস্তব পরিস্থিতি এবং দলের প্রয়োজনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোচ ও অধিনায়কই জানেন কোন পরিস্থিতিতে কোন ক্রিকেটার দলের জন্য বেশি কার্যকর হতে পারেন।

বৈভব সূর্যবংশীর ক্ষেত্রেও তাই শুধুমাত্র তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার সঙ্গে তাঁর তুলনাও শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ফর্মের ভিত্তিতে করা হচ্ছে না। দলের কম্বিনেশন, ব্যাটিং অর্ডার, ম্যাচের পরিস্থিতি এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা—সব কিছু মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এই কারণেই বৈভব ভাল ফর্মে থাকা সত্ত্বেও তাঁকে কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে সিরিজ়ে বৈভব সুযোগ পান কি না, তা নিয়ে এখনও ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ রয়েছে। তবে গম্ভীরের বক্তব্য থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার—তরুণ এই ক্রিকেটার ভারতীয় দলের পরিকল্পনায় রয়েছেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী তাঁকে আবারও প্রথম একাদশে দেখা যেতে পারে। ইংল্যান্ড সফরে তাঁকে সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তই প্রমাণ করে, প্রয়োজন হলে গম্ভীর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত। তাই বর্তমান সিরিজ়ে সুযোগ না পেলেও বৈভবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কেরিয়ার নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।

অন্য দিকে, সঞ্জু স্যামসনের ভবিষ্যৎ নিয়েও গম্ভীরের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তাঁকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত যে কতটা কঠিন, তা কোচ নিজেই জানিয়েছেন। বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে সঞ্জুর প্রতি টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা রয়েছে। ফলে তাঁকে শুধুমাত্র কয়েকটি ম্যাচের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সরিয়ে দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই। এই কারণেই বৈভবকে জায়গা দিতে হলে সিদ্ধান্তটি আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

অভিষেক শর্মার ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ফলে বৈভবকে খেলাতে হলে শুধু একজন ক্রিকেটারের জায়গা খালি করতে হবে না, বরং পুরো ব্যাটিং কম্বিনেশন নিয়েও ভাবতে হবে। গম্ভীরের বক্তব্যে সেই কারণটিই বার বার উঠে এসেছে। তাঁর মতে, একটি শক্তিশালী দল তৈরি করতে হলে ব্যক্তিগত প্রতিভার পাশাপাশি পুরো দলের ভারসাম্যকে গুরুত্ব দিতে হয়।

সব মিলিয়ে বৈভব সূর্যবংশীকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে না রাখার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে তাঁর ফর্মকে দায়ী করা যাচ্ছে না। বরং বর্তমান দলের ধারাবাহিকতা, সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মার মতো ক্রিকেটারদের প্রতি আস্থা এবং দলের সামগ্রিক ভারসাম্যই বড় বিষয়। গৌতম গম্ভীরের বক্তব্যে স্পষ্ট, তরুণ বৈভবকে সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বিরোধী নন; বরং সঠিক সময় এবং পরিস্থিতির জন্য অপেক্ষা করছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে তাই ভারতীয় দলের প্রথম একাদশ নিয়ে বিশেষ নজর থাকবে। বৈভব সূর্যবংশী শেষ পর্যন্ত সুযোগ পান কি না, সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স কেমন হয় এবং ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী গৌতম গম্ভীর কী সিদ্ধান্ত নেন—সব কিছুর দিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের। তবে আপাতত গম্ভীরের বক্তব্য থেকে সবচেয়ে বড় যে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে, তা হল—বৈভবকে বাইরে রাখা তাঁর ফর্মের কারণে নয়, বরং বর্তমান দলীয় কম্বিনেশন এবং দীর্ঘ দিন ধরে ভাল পারফর্ম করা ক্রিকেটারদের প্রতি আস্থার কারণেই তাঁকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি বৈভবের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় দলের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জায়গায় সুযোগ পাওয়া যতটা কঠিন, সেই জায়গা ধরে রাখাও ততটাই কঠিন। তাই প্রথম একাদশে সুযোগ না পেলেও বৈভবের সামনে নিজের প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে দলের প্রয়োজন তৈরি হলে আবারও তাঁর দিকে তাকাতে পারেন গৌতম গম্ভীর এবং ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়ে বৈভবের অপেক্ষা শেষ না হলেও, ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাঁর গুরুত্ব যে রয়েছে, গম্ভীরের বক্তব্যে সেই ইঙ্গিত যথেষ্ট স্পষ্ট।

Preview image