বড়দিনের সময় রাজ্যজুড়ে শীতের দাপট আরও বাড়তে চলেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে আরও কমবে। উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব বাড়ার ফলে রাতের দিকে ঠান্ডার অনুভূতি অনেকটাই বেশি হবে। শহর থেকে জেলা সর্বত্রই শীতের আমেজ স্পষ্ট হয়ে উঠবে। বিশেষ করে ভোর এবং গভীর রাতের দিকে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বড়দিনের আগে থেকেই পারদ নামতে শুরু করবে। দিনের বেলায় রোদের দেখা মিললেও হালকা শীত অনুভূত হবে। তবে সূর্য অস্ত যাওয়ার পর থেকেই ঠান্ডা বাড়বে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে। পাহাড়ি এলাকায় কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে। সমতলের জেলাগুলিতেও সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নামতে পারে। শীতের এই দাপট নববর্ষের সময় পর্যন্ত বজায় থাকার ইঙ্গিত মিলছে। ফলে হাড়কাঁপানো রাতেই বর্ষবরণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠান বা পার্টির পরিকল্পনা থাকলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সাবধানতা প্রয়োজন। গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব আরও বেশি অনুভূত হতে পারে। ভোরের দিকে মাঠঘাট ঢেকে যেতে পারে কুয়াশায়। কৃষকদের ক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন ফসলের জন্য এই ঠান্ডা কিছুটা উপকারী হলেও অতিরিক্ত কুয়াশা সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই আবহাওয়ার আপডেট নিয়মিত দেখে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। ফলে রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও দ্রুত নামতে পারে। শীতপ্রেমীদের জন্য এই সময়টা বেশ উপভোগ্য হলেও যারা ঠান্ডা সহ্য করতে পারেন না তাদের জন্য কিছুটা কষ্টকর হতে পারে। সব মিলিয়ে বড়দিন থেকে নববর্ষ পর্যন্ত রাজ্যে শীত তার আসল রূপ দেখাতে চলেছে। উষ্ণ পোশাক প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যর দিকে নজর দেওয়াও জরুরি। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে চলাই এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বড়দিন ও নববর্ষ ঘিরে শীতের আবহাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ সব সময়ই বেশি থাকে। বছরের এই সময়টাতে উৎসবের আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা কতটা বাড়বে তা নিয়েই আলোচনা চলে সর্বত্র। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম নয়। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী বড়দিনের সময় থেকেই রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে এবং নববর্ষের সময় সেই শীত আরও জাঁকিয়ে বসবে। ফলে এই বছর বর্ষবরণ হতে চলেছে কনকনে ঠান্ডার মধ্যেই।
ডিসেম্বর মাসের শেষভাগে সাধারণত উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব বাড়ে। এই হাওয়া উত্তর দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস নিয়ে আসে যার ফলে রাতের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়। চলতি বছরেও সেই একই ছবি দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে বড়দিনের আগেই উত্তুরে হাওয়া সক্রিয় হয়ে উঠবে। এর ফলে দিনের তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও রাতের দিকে পারদ বেশ খানিকটা নেমে যাবে। শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চল সর্বত্রই শীতের আমেজ স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকলে রোদের দেখা মিলতে পারে। তবে সেই রোদ খুব একটা গরম অনুভূতি দেবে না। সকাল ও সন্ধ্যার দিকে শীতের কামড় বেশি অনুভূত হবে। বিশেষ করে ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে। কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের বাইরের জেলাগুলিতে কুয়াশার পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।
বড়দিন এবং নববর্ষের সময় রাজ্যজুড়ে শীতের প্রভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। বছরের এই সময়ে মানুষের মধ্যে উৎসবের আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রতীক্ষা থাকে। চলতি বছরও বড়দিনের আগে থেকেই শীতের তীব্রতা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী উত্তুরে হাওয়ার প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে এবং রাতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। দিনের বেলায় রোদ থাকলেও তাপমাত্রা বেশি বাড়বে না। বিশেষ করে রাতের দিকে পারদ অনেকটা নেমে যাবে। শহর এবং গ্রামাঞ্চল সর্বত্রই শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হবে। হাওয়া উত্তর দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস নিয়ে আসে যার ফলে রাতের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়। এবছরও সেই একই প্রভাব দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে বড়দিনের আগেই উত্তুরে হাওয়া সক্রিয় হবে এবং রাতের দিকে শীত আরও তীব্র হবে। দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকলেও রোদের তাপ স্বাভাবিক থাকবে। ভোর এবং সন্ধ্যার দিকে শীতের কামড় বেশি অনুভূত হবে
গ্রামাঞ্চলে শীত আরও তীব্রভাবে অনুভূত হয়। সকালবেলা মাঠে কাজ করা বা বাইরে যাওয়া কিছুটা কষ্টকর হতে পারে। কৃষকদের ক্ষেত্রেও আবহাওয়ার এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন ফসল যেমন আলু, সর্ষে এবং বিভিন্ন সবজি জন্য ঠান্ডা উপকারী। তবে অতিরিক্ত কুয়াশা কিছু সমস্যার কারণ হতে পারে। ভোরে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে। তাই গ্রামীণ এলাকায় শীতের সময় সতর্ক থাকা জরুরি।
শীতকালীন স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা বেশি থাকে। শরীরকে গরম রাখার জন্য উষ্ণ জামাকাপড় এবং গরম খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। শীতের সময় কাশি, ঠান্ডা জ্বর বা ঠান্ডা লাগার সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকে। পর্যাপ্ত জল পান করা জরুরি যদিও এই সময় তৃষ্ণা কম অনুভূত হয়। স্যুপ, গরম দুধ বা তরল জাতীয় খাবার শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করে।
বড়দিনের পর থেকেই নববর্ষের উৎসব শুরু হয়। এই সময়ে বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান, পার্টি এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকে। তবে এবছর শীতের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা জরুরি। রাতে খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠান করলে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং শীতের জন্য সংবেদনশীল ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নববর্ষের রাতে শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী ডিসেম্বরের শেষ কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে বর্ষবরণের রাত হতে পারে হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যেই। যারা বাইরে অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছেন তাদের জন্য ঠান্ডা কিছুটা চ্যালেঞ্জের হতে পারে। শীতপ্রেমীদের কাছে এই সময়টা নিঃসন্দেহে আনন্দের।
আকাশ সাধারণত পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকবে। আকাশ পরিষ্কার থাকার কারণে রাতে তাপমাত্রা আরও দ্রুত কমতে পারে। আর্দ্রতা কম থাকার কারণে ঠান্ডা আরও বেশি অনুভূত হবে। ফলে শীতের প্রকোপ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।
শহরে শীতের সময় ত্বকের যত্নও গুরুত্বপূর্ণ। ঠান্ডার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। উষ্ণ জল এবং উপযুক্ত ত্বকের ক্রিম ব্যবহার করে ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি। রাতে ঘুমানোর সময় হালকা কুয়াশা থাকলেও উষ্ণ রাখার ব্যবস্থা রাখা দরকার।
শীতকে উপভোগ করার জন্য মানুষ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম করে থাকে। কিছু মানুষ সকালে হালকা হাঁটাহাঁটি করে। শীতকালীন খেলাধুলা যেমন ফুটবল, ব্যাডমিন্টন বা অন্যান্য খেলায় সক্রিয় থাকা শরীরকে গরম রাখে। এছাড়াও শীতকালীন উৎসব এবং পার্টি উপভোগ করার জন্য মানুষ বাড়িতে বা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে সময় কাটায়।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে। পাহাড়ি এলাকায় তাপমাত্রা আরও নিচে নামতে পারে। দার্জিলিং কালিম্পং ও সংলগ্ন অঞ্চলে শীতের সঙ্গে সঙ্গে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনাও রয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় শীতের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়তে পারে। পর্যটকদের ক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যারা বড়দিন বা নববর্ষে পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের উষ্ণ পোশাক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও শীতের দাপট ধীরে ধীরে বাড়বে। নদিয়া মুর্শিদাবাদ বীরভূম বাঁকুড়া পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলায় রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে যেতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের অনুভূতি বেশি হবে। খোলা মাঠ ও গ্রামাঞ্চলে রাতের ঠান্ডা বেশ কষ্টকর হতে পারে। অনেক জায়গায় ভোরের দিকে শিশির পড়ার পরিমাণও বাড়বে।
বড়দিনের পর থেকেই নববর্ষের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। এই সময় বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান পার্টি ও ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকে। তবে এবছর আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। রাতের দিকে খোলা জায়গায় থাকলে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা বেশি। তাই বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। শীতজনিত অসুস্থতা এড়াতে গরম জামাকাপড় ব্যবহারের পাশাপাশি গরম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
নববর্ষের রাতে শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে। আবহাওয়া দফতরের ইঙ্গিত অনুযায়ী ডিসেম্বরের শেষ কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। ফলে বর্ষবরণের রাত হতে পারে হাড়কাঁপানো। যারা বাইরে অনুষ্ঠান করতে চান তাদের জন্য এই ঠান্ডা কিছুটা চ্যালেঞ্জের হতে পারে। তবে শীতপ্রেমীদের কাছে এই সময়টা নিঃসন্দেহে আনন্দের।
গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য শীতের এই সময়টা আলাদা রকমের প্রভাব ফেলে। ভোরের দিকে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে। কৃষকদের ক্ষেত্রেও আবহাওয়ার এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন ফসল যেমন আলু সর্ষে ও বিভিন্ন সবজির জন্য এই ঠান্ডা উপকারী হলেও অতিরিক্ত কুয়াশা কিছু সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। ফলে আবহাওয়ার আপডেট নিয়মিত খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
এই সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে বলে পূর্বাভাস। বৃষ্টির অনুপস্থিতিতে রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও দ্রুত কমে যেতে পারে। শীতের সময় আর্দ্রতা কম থাকায় ঠান্ডা আরও বেশি অনুভূত হয়। ফলে শীতের প্রকোপ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।
শহরের রাস্তাঘাটে শীতের প্রভাব সকালে বেশি দেখা যায়। কুয়াশার কারণে যান চলাচলে ধীরগতি হতে পারে। বিশেষ করে হাইওয়ে ও শহরের বাইরের রাস্তায় সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সকালে অফিস বা স্কুলে বেরোনোর সময় উষ্ণ পোশাক ব্যবহার করা জরুরি। অনেকের ক্ষেত্রে শীতের কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। তাই এই সময় ত্বকের যত্ন নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে শীতের সময় পর্যাপ্ত জল পান করা অত্যন্ত জরুরি যদিও এই সময় তৃষ্ণা কম পায়। গরম খাবার স্যুপ ও তরল জাতীয় খাবার শরীরের জন্য উপকারী। ঠান্ডা লাগা কাশি বা জ্বরের মতো সমস্যা এড়াতে শরীর গরম রাখা দরকার। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর সময় হালকা ঠান্ডা থেকেও সমস্যা হতে পারে।
সব মিলিয়ে বড়দিন থেকে নববর্ষ পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে শীত তার পূর্ণ শক্তি নিয়ে হাজির হতে চলেছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তন উৎসবের আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করলেও সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। উষ্ণ পোশাক প্রস্তুত রাখা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং নিয়মিত আবহাওয়ার খবর জানা এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শীতকে উপভোগ করার পাশাপাশি নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার দিকেও নজর দেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।