ওমান উপকূলে মার্কিন বাহিনীর হামলায় আরও এক বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর। জাহাজে কয়েক জন ভারতীয় নাবিক থাকার আশঙ্কায় উদ্বেগ বাড়ছে, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ওমান উপকূলের কাছে আবারও এক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক জলপথে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, গালফ অব ওমান ও হরমুজ প্রণালীর আশপাশে বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে জাহাজগুলিতে ভারতীয় নাবিকদের উপস্থিতি। বিদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজে ভারতীয় নাবিকদের কাজ করা নতুন বিষয় নয়, কিন্তু সংঘাতপূর্ণ জলপথে বারবার হামলার ঘটনায় তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, ওমান উপকূলে আক্রান্ত জাহাজগুলির মধ্যে একটিতে কয়েক জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতীয় মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করা হয়েছে, তবে একই অঞ্চলে এর আগে হামলার ঘটনায় ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে।
ওমান উপকূলের এই অঞ্চল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও কৌশলগত জলপথ, কারণ এই পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও জ্বালানি পরিবহণ হয়। ভারত-সহ বহু দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ নিয়মিত এই পথ ব্যবহার করে। ফলে কোনও সামরিক উত্তেজনা বা হামলার ঘটনা শুধু সংশ্লিষ্ট জাহাজ বা নাবিকদের জন্য বিপজ্জনক নয়, বরং এর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, তেলের বাজার এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তার উপরেও। সাম্প্রতিক ঘটনায় সেই আশঙ্কাই আরও জোরালো হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ওমান উপকূলের কাছে আক্রান্ত জাহাজটির পরিচয় ‘জলবীর’ বা ‘এমটি জলবীর’ হিসাবে সামনে এসেছে। কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, জাহাজটি গিনি-বিসৌয়ের পতাকাবাহী ছিল। জাহাজে ভারতীয় নাবিক ছিলেন বলে জানা যাওয়ার পরই উদ্বেগ বাড়ে। যদিও প্রাথমিক ভাবে নাবিকেরা নিরাপদে আছেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, তবু ধারাবাহিক হামলার কারণে ভারতীয় নাবিকদের পরিবার এবং সামুদ্রিক শ্রমিক সংগঠনগুলির মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কারণ এই ঘটনার আগেও ওমান উপকূলের কাছেই আর একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার খবর সামনে আসে, যেখানে ভারতীয় ক্রুদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকারও উদ্বেগ প্রকাশ করে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল, এই ধরনের হামলা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর তরফে কিছু ক্ষেত্রে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন পক্ষের দাবি, সন্দেহভাজন ভাবে ইরানি তেল পরিবহণ বা নিষেধাজ্ঞা ভাঙার অভিযোগে কয়েকটি জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে। কিন্তু যে কোনও সামরিক পদক্ষেপে বেসামরিক নাবিকদের প্রাণহানি বা বিপদের সম্ভাবনা থাকলে তা আন্তর্জাতিক মানবিক ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে।
ভারতের জন্য এই ঘটনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারতীয় নাবিকরা বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত। আন্তর্জাতিক শিপিং ইন্ডাস্ট্রিতে ভারতীয় নাবিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য, গালফ অঞ্চল, আফ্রিকা ও ইউরোপগামী বহু জাহাজে ভারতীয় ক্রু থাকেন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ভারতের কূটনৈতিক ও মানবিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সেই কারণেই ওমান উপকূলের ঘটনায় ভারত সরকার মার্কিন পক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বিদেশ মন্ত্রক মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানায়।
এই ঘটনার আগে পালাউ পতাকাবাহী ‘এমটি সেটেবেলো’ নামে একটি জাহাজে হামলার খবর সামনে আসে। ওই জাহাজে ২৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। হামলার পর বেশিরভাগ নাবিককে উদ্ধার করা গেলেও কয়েক জন নিখোঁজ হন এবং পরে ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের মন্তব্যের ভিত্তিতে কিছু প্রতিবেদনে তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই ভারতীয় শিপিং মহল এবং নাবিক সংগঠনগুলি আরও সতর্ক অবস্থান নেয়।
ওমান উপকূলের সাম্প্রতিক হামলাগুলি দেখিয়ে দিচ্ছে, আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার প্রভাব কত দ্রুত বাণিজ্যিক জাহাজে গিয়ে পড়তে পারে। একটি বাণিজ্যিক জাহাজে থাকা নাবিকদের মূল কাজ পণ্য পরিবহণ নিরাপদে সম্পন্ন করা। তাঁরা সামরিক সংঘাতের অংশ নন। কিন্তু যখন কোনও জাহাজ সন্দেহভাজন পণ্য বহনের অভিযোগে সামরিক হামলার মুখে পড়ে, তখন তার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি বহন করেন সাধারণ নাবিকরাই। তাঁদের অনেকেই হয়তো জানেনও না জাহাজে কোন পণ্য বা কোন রাজনৈতিক বিতর্ক জড়িয়ে রয়েছে। ফলে এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক স্তরে আরও স্পষ্ট নিয়ম, সতর্কতা এবং মানবিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা সামনে আনে।
এই অঞ্চলে উত্তেজনা দীর্ঘদিনের। ইরান, আমেরিকা এবং পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন শক্তির মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন বারবার সমুদ্রপথকে প্রভাবিত করেছে। হরমুজ প্রণালী ও গালফ অব ওমানের মতো অঞ্চল শুধু সামুদ্রিক মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত সংবেদনশীল। কোনও জাহাজে হামলা হলে তেলের সরবরাহ শৃঙ্খল, বীমা খরচ, জাহাজ চলাচলের রুট এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে তার প্রভাব পড়তে পারে। ফলে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা শুধু ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।
ভারতীয় নাবিকদের পরিবারগুলির উদ্বেগও অস্বাভাবিক নয়। সমুদ্রে কর্মরত নাবিকদের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ অনেক সময় সীমিত থাকে। কোনও জাহাজে হামলার খবর ছড়ালে পরিবারগুলি প্রথমেই জানতে চায়, তাঁদের আপনজন নিরাপদে আছেন কি না। কিন্তু আন্তর্জাতিক জলপথে হামলা, উদ্ধার অভিযান, জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্রু তালিকা যাচাই করতে সময় লাগে। এই সময়ের অনিশ্চয়তা নাবিকদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে ওঠে। তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, শিপিং কোম্পানি এবং দূতাবাসগুলির কাছ থেকে দ্রুত ও স্বচ্ছ তথ্যপ্রবাহ অত্যন্ত জরুরি।
এই ঘটনায় সামুদ্রিক শ্রমিক সংগঠনগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। নাবিকদের নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ, উদ্ধার ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে ঝুঁকিপূর্ণ জলপথে কাজের শর্ত নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলছে। কোনও জাহাজ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে প্রবেশ করলে নাবিকদের আগাম সতর্ক করা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, বিপদকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা এবং উদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি রাখা জরুরি। শুধু জাহাজ মালিক বা অপারেটর নয়, আন্তর্জাতিক শিপিং নিয়ন্ত্রক সংস্থা, পতাকাবাহী দেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারগুলিরও দায়িত্ব রয়েছে।
ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে আরও একটি প্রশ্ন সামনে আসছে—বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা কীভাবে আরও ভালভাবে নিশ্চিত করা যায়? কারণ বহু ভারতীয় নাবিক বিভিন্ন দেশের পতাকাবাহী জাহাজে কর্মরত থাকেন। জাহাজের মালিকানা, নিবন্ধন, অপারেটর এবং চার্টারারের মধ্যে দায়িত্ব ভাগাভাগি অনেক সময় জটিল হয়। হামলা বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কোন দেশ কতটা দায়িত্ব নেবে, সেটিও সবসময় স্পষ্ট থাকে না। তাই ভারতীয় নাবিকদের জন্য জরুরি সহায়তা ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক হটলাইন এবং দ্রুত কূটনৈতিক যোগাযোগের ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার দাবি উঠতে পারে।
মার্কিন বাহিনীর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যদি কোনও জাহাজকে সন্দেহভাজন পণ্য বহনের অভিযোগে আটকানো বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়, তবে সরাসরি হামলার বদলে বিকল্প পদক্ষেপ নেওয়া যেত কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা হতে পারে। সামরিক অভিযান চালানোর আগে জাহাজে বেসামরিক নাবিকদের উপস্থিতি যাচাই করা, সতর্কবার্তা দেওয়া এবং উদ্ধার ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামরিক সিদ্ধান্তের ভুল মূল্য দিতে হতে পারে সাধারণ নাবিকদের প্রাণ দিয়ে।
ওমান উপকূলের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি ভারতের কূটনৈতিক পরীক্ষাও বাড়িয়ে দিয়েছে। একদিকে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা যায় না। ফলে নয়াদিল্লিকে ভারসাম্য বজায় রেখে কঠোর বার্তা দিতে হবে। ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা, নিহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণ, নিখোঁজদের সন্ধান, আহতদের চিকিৎসা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ—এই সব বিষয়েই ভারতকে সক্রিয় অবস্থান নিতে হবে।
এদিকে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলির মধ্যেও সতর্কতা বাড়ছে। সংঘাতপূর্ণ জলপথে জাহাজ পাঠানোর আগে ঝুঁকি মূল্যায়ন, বীমা কভারেজ এবং ক্রু নিরাপত্তা পরিকল্পনা নতুন করে পর্যালোচনা করা হতে পারে। কিছু কোম্পানি হয়তো সাময়িকভাবে বিকল্প রুট খোঁজার চেষ্টা করবে। তবে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পথ এড়িয়ে যাওয়া সবসময় সহজ নয়। কারণ তা করলে সময়, খরচ এবং জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যায়। ফলে বাণিজ্যিক বাস্তবতা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির নৌবাহিনী এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বাণিজ্যিক জাহাজকে সামরিক সংঘাতের বাইরে রাখার নীতিও শক্তভাবে মেনে চলা প্রয়োজন। কারণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তাহীনতা বাড়লে তার প্রভাব পড়ে খাদ্য, জ্বালানি, পণ্য পরিবহণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উপর।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ওমান উপকূলে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা শুধু একটি সামরিক অভিযান নয়, এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার বড় সংকেত। ভারতীয় নাবিকদের উপস্থিতি এই ঘটনাকে ভারতের জন্য আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। একের পর এক হামলার ফলে নাবিকদের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথের স্থিতিশীলতা এবং সামরিক পদক্ষেপের সীমা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন সবচেয়ে জরুরি হল, আক্রান্ত নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক স্তরে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
ওমান উপকূলের এই উত্তেজনা আগামী দিনে আরও বাড়বে না কি কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার—সমুদ্রপথে কর্মরত নাবিকরা কোনও ভূরাজনৈতিক সংঘাতের বলি হতে পারেন না। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি দেশের দায়িত্ব। ভারতীয় নাবিকদের জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তাই শুধু ভারতের নয়, গোটা আন্তর্জাতিক শিপিং ব্যবস্থার জন্যও সতর্কবার্তা।