বঙ্গোপসাগরে আগামী সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আবহাওয়ার বদল, বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর
বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে কারণ আগামী সপ্তাহে সেখানে একটি নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর। বছরের শেষ ভাগে শীতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে যখন রাজ্যজুড়ে হালকা ঠান্ডার পরশ অনুভূত হতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময় নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় ভরসা রাখার মতো শান্ত আবহাওয়া যে এখনও আসেনি তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাধারণত নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরের জলীয়বাষ্প এবং তাপমাত্রা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির পক্ষে অনুকূল থাকে এবং সেই কারণেই এই সময় প্রায় প্রতি বছরই একটি-দুটি ঘূর্ণিঝড় জন্ম নেয়। যদিও তার সবকটিই সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধেয়ে আসে না, তবুও এর প্রভাব রাজ্যের আবহাওয়ায় পড়তে বাধ্য।
মৌসম ভবনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে যে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ সংলগ্ন দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হবে এবং তা ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ডিপ্রেশনে পরিণত হতে পারে। সেই ডিপ্রেশনই আরও সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিতে পারে। এমনটি হলে এটি কোন দিকে অগ্রসর হতে পারে, তার গতি কতটা হবে অথবা তা কতটা শক্তিশালী হবে—এসব বিষয়ে বর্তমানে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবু আবহাওয়াবিদেরা ধারণা করছেন যে যদি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, তাহলে প্রথমে তা উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে এবং পরবর্তীতে স্থলভাগের দিকে ঝুঁকতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলির উপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল এবং সুন্দরবন সংলগ্ন দ্বীপগুলিতে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।
এমন সময়ে সাধারণ মানুষের ভাবনা স্বাভাবিকভাবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমফান, যশ বা বুলবুলের মতো ঘূর্ণিঝড় রাজ্যবাসীর মনে গভীর দাগ রেখে গেছে। বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কৃষিজমি ধ্বংস হয়েছে, উপকূলবর্তী অঞ্চলে লোনা জলের প্রকোপে চাষের জমি দীর্ঘদিন ধরে চাষের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাই নতুন কোনও সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের খবর এলেই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে এই মুহূর্তে আবহাওয়া দপ্তর বলছে যে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কিন্তু সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ ঘূর্ণিঝড় হোক বা না হোক, নিম্নচাপ ঘনীভূত হলে তার থেকে কিছুটা হলেও বৃষ্টি, দমকা হাওয়া কিংবা সমুদ্র উত্তাল হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। ফলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ সতর্কতামূলক নির্দেশ আসতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতের আগমনী বার্তা যখন বাতাসে মিলতে শুরু করেছে, তখন এই ধরনের সাগরবর্তী আবহাওয়ার পরিবর্তন স্বাভাবিক। বছরের এই সময়টাতে উত্তর-পশ্চিম ভারতের দিকে শুষ্ক হাওয়া প্রবাহিত হলেও বঙ্গোপসাগরের ওপর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কমে না। ফলে সেখানকার জলস্তর উষ্ণ থাকায় ঘূর্ণিঝড় জন্ম নেওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। তবে সব নিম্নচাপই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় না। বেশিরভাগই সাগরেই দুর্বল হয়ে যায় অথবা স্থলভাগে পৌঁছনোর আগেই ভেঙে পড়ে। বর্তমানে যে নিম্নচাপটি তৈরি হতে চলেছে তার শক্তি কতটা হবে এবং তা আদৌ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কি না, তা জানার জন্য আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। আবহাওয়া দপ্তর নিয়মিত আপডেট দিচ্ছে এবং স্যাটেলাইট নজরদারিও চলছে।
তবে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় এর প্রভাব কেমন হতে পারে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বেশি। বর্তমান হিসেব অনুযায়ী এই নিম্নচাপের কারণে দক্ষিণবঙ্গে আগামী সপ্তাহ থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ, বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা এবং নদিয়া-মুর্শিদাবাদেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে উত্তরবঙ্গে এর তেমন প্রভাব না পড়ারই সম্ভাবনা বেশি। দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে কারণ মেঘলা আকাশ থাকলে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে না। ফলে নভেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষভাগের যে ঠান্ডা সাধারণত অনুভূত হয়, তা আরও কয়েকদিন পিছিয়ে যেতে পারে।
এদিকে, মৎস্যজীবীদের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা জারি হতে পারে। সাধারণত ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপের সম্ভাবনা দেখা দিলেই সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়। মৎস্য দপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসন নৌকাগুলিকে রাডার ও জিপিএস ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকে, যাতে আকস্মিক আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে দ্রুত নিরাপদ বন্দরে ফিরে আসা যায়। উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে আগে থেকেই মাইকে ঘোষণা শুরু করা হয় যাতে মানুষ সতর্ক থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপদ আশ্রয় স্থলে যেতে পারে। প্রতিরক্ষা দেওয়াল, খাল-বিলের জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা, বাঁধের মজবুতিকরণ—এসব বিষয়েও প্রশাসন আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।
রাজ্য সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগও পরিস্থিতি নজরে রাখছে। যদি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় এবং রাজ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ দল মোতায়েন করা হতে পারে। সুন্দরবন এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়াতে হবে, কারণ সেখানকার বেড়িবাঁধ যে কোনও সময় জলস্রোতে ভেঙে যেতে পারে। পাশাপাশি ঢেউয়ের উচ্চতা বেড়ে গেলে নৌপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়। পুজো কিংবা উৎসবকাল না হলেও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছুটি, ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হওয়া, ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন, রাস্তাঘাটে গাছ পড়ে যান চলাচল ব্যাহত হওয়া—এসব সমস্যা তৈরি হতে পারে।
কলকাতার ক্ষেত্রেও আলাদা প্রস্তুতি নিতে হয়। শহরে জলনিকাশির সমস্যা এখনো পুরোপুরি মেটেনি, ফলে মাঝারি বৃষ্টি হলেও অনেক জায়গায় জল জমে যায়। ড্রেন পরিষ্কার রাখা, পাম্পিং স্টেশন সক্রিয় রাখা, জরুরি পরিষেবা কীভাবে চালু থাকবে—এসব বিষয়ে আগেই পরিকল্পনা করা দরকার। পুরসভা সাধারণত জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু করে এবং নাগরিকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়। বেসরকারি সংস্থাগুলিও সতর্ক থাকে কারণ বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কর্মীদের মোতায়েন করতে হয় এবং ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি বা তার ভেঙে গেলে সমস্যা বেশি বেড়ে যায়।
এদিকে আবহাওয়ার এই অনিশ্চয়তা কৃষকদের উদ্বিগ্ন করে তুলছে। কারণ শীতের আগে দাঁত-নাড়া ধান কাটার সময়, তার ওপর সরষে চাষের প্রস্তুতিও চলছে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ ভারী বৃষ্টি হলে ধান ভিজে নষ্ট হতে পারে, মাঠ থেকে ধান ঘরে তুলতে দেরি হলে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক বেশি। জল জমলে আলু চাষেও সমস্যা দেখা দেয়। কৃষি দপ্তর ইতিমধ্যেই পরামর্শ দিচ্ছে যাতে কৃষকেরা দ্রুত পাকা ধান কেটে ফেলেন এবং মাঠে যাতে জল না জমে সেদিকে নজর রাখেন। আবহাওয়ার আপডেট নিয়মিত শোনা এবং প্রয়োজন হলে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে আগামী সপ্তাহে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রাজ্যের আবহাওয়ায় কতটা পরিবর্তন আনতে পারে তা এখনই বলা না গেলেও সতর্কতা অবলম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। আবহাওয়া দপ্তরের নিয়মিত আপডেটই এই বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য দেবে। পরিস্থিতি একবার স্পষ্ট হলে মানুষও কিছুটা নিশ্চিন্ত হতে পারবেন। তবে গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা বলছে যে উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রতি বছরই প্রকৃতির এই অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হয়। তাই প্রয়োজন সচেতনতা, সঠিক পূর্বাভাস, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও মানুষের সহযোগিতা। ঘূর্ণিঝড় যতই শক্তিশালী হোক, সঠিক প্রস্তুতি থাকলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
বঙ্গোপসাগরের সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় নিয়ে যখন রাজ্যজুড়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শহর ও উপশহরের মানুষদের ক্ষেত্রে অফিস-আদালত, যানজট, পরিবহণের উপর আবহাওয়ার প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আগামী সপ্তাহে আবহাওয়া খারাপ হয়, তাহলে বাস, মেট্রো কিংবা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় বহু মানুষকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। কলকাতার ব্যস্ত ব্যবসায়িক অঞ্চল বা অফিসপাড়া বরাবরই আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রতি সংবেদনশীল, কারণ সামান্য বৃষ্টিতেই বড় রাস্তাগুলিতে জল জমে গেলে যান চলাচল ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে। ফলে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা থাকলেই মানুষ আগেভাগে প্রস্তুতি নিয়ে রাখেন, কেউ কেউ বাড়ি থেকে কাজ করার পরিকল্পনাও করে ফেলেন।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। যদি বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া বাড়ে, তাহলে স্কুল-কলেজে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষত যেসব স্কুলে ছোট ছাত্রছাত্রী বেশি, তারা আগেভাগেই সতর্কতামূলক ছুটি ঘোষণা করে। অভিভাবকদেরও উদ্বেগ থাকে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে। তাই আবহাওয়া দপ্তরের প্রতিটি আপডেট আতঙ্কের সঙ্গে নয়, বরং বাস্তব প্রস্তুতি নেওয়ার মানসিকতা নিয়েই দেখা উচিত বলে বিশেষজ্ঞদের মত।
দোকান-পাট, বাজার এবং দৈনন্দিন ব্যবসার উপরও এমন আবহাওয়ার প্রভাব অনস্বীকার্য। ভারী বৃষ্টি হলে বাজারে পণ্য সরবরাহ কমে যায়, ফলে সবজির দাম বাড়তে পারে। মাছের বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে কারণ মৎস্যজীবীরা যদি কয়েকদিন সমুদ্রে যেতে না পারেন, তাহলে মাছের যোগান কমে গিয়ে দাম বাড়তে বাধ্য। এই পরিস্থিতিতে মানুষ আগেই বাজার-সদাই সেরে রাখার চেষ্টা করেন যাতে ঘূর্ণিঝড়ের সময় অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়তে না হয়। এছাড়া বাড়িতে প্রয়োজনীয় পানীয় জল, ব্যাটারি, মোমবাতি, শুকনো খাবার ইত্যাদি মজুত রাখার পরিবেশও তৈরি হয়।
সামাজিক মাধ্যমেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে হুড়োহুড়ি বাড়ে। আবহাওয়া দপ্তরের আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে নানা ভুয়ো খবর, অতিরঞ্জিত তথ্য বা গুজব ছড়াতে শুরু করে। অনেকেই এমন খবর দেখে আতঙ্কিত হয়ে যান। তাই বিশেষজ্ঞরা সর্বদা সরকারী সূত্র থেকে আপডেট নেওয়ার পরামর্শ দেন। আবহাওয়া দপ্তর, রাজ্য সরকার, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর—এদের থেকে পাওয়া তথ্যই সঠিক ও নির্ভরযোগ্য। গুজব বা ভুয়ো ছবির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিলে উল্টো ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।
প্রকৃতপক্ষে ঘূর্ণিঝড় মানেই আতঙ্ক নয়, বরং প্রতিবারই মানুষের কাছে এটি প্রকৃতির শক্তিকে বোঝার একটি সুযোগ। আজকের যুগে উন্নত প্রযুক্তির কারণে অনেক আগেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রাথমিক পথ ও গঠন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ফলে যে কোনও বড় বিপর্যয়কে আগেই প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও যদি সচেতন হন, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমবে। তাই সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে সতর্ক থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ, তবে অযথা আতঙ্কিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।