নতুন বছরে প্রেমের সুখবর দিলেন জেসমিন রায়। শেফ প্রেমিকের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় উপভোগ করছেন অভিনেত্রী।ঘিবলি ইঙ্গিতের পর এবার প্রকাশ্যে প্রেমের কথা জানালেন জেসমিন রায়। আপাতত ভালোবাসার মুহূর্তেই মন অভিনেত্রীর।কাজের ব্যস্ততার মাঝেই ব্যক্তিগত জীবনে নতুন শুরু। শেফ প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন জেসমিন রায়।ভাঙা অতীত পেরিয়ে আবার প্রেমে বিশ্বাস ফিরেছে জেসমিন রায়ের। নতুন বছরে নিজেই ভাগ করে নিলেন সুখবর।বিয়ে নয় এখনই, আগে একে অপরকে চেনা। প্রেম নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন জেসমিন রায়
২০২৫ সাল জেসমিন রায়ের জীবনে একাধিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পেশাগত সাফল্য, কাজের ব্যস্ততা আর নিজেকে ভাঙা–গড়ার পর্বের মধ্যেই বছরটা যেন অভিনেত্রীর জীবনে এনে দিয়েছে একেবারে আলাদা রঙ। ক্যামেরার সামনে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি আর চরিত্রের গভীরতায় দর্শকের মন জয় করা জেসমিন এবার আলোচনায় একেবারে ব্যক্তিগত কারণে। বছরের শেষ লগ্নে এসে অভিনেত্রীর জীবনে যে প্রেমের আগমন ঘটেছে, তা নতুন বছরের শুরুতেই তিনি নিজেই সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।
নতুন বছরের প্রথম দিকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে নিজের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন জেসমিন। ছবিতে প্রেমিকের সঙ্গে তাঁর হাসিমুখ, স্বাভাবিক ও শান্ত এক মুহূর্ত—যেখানে আলাদা করে কোনও জাঁকজমক নেই, কিন্তু আছে পরিপূর্ণতার ছাপ। সেই পোস্টের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে যায়, জেসমিন এখন সম্পর্কে রয়েছেন এবং এই সম্পর্ক তাঁর কাছে ভীষণই বিশেষ। তবে ভালোবাসার কথা জানালেও প্রেমিকের পরিচয় নিয়ে এখনই বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। শুধু এটুকুই জানিয়েছেন, তাঁর মনের মানুষ পেশায় একজন শেফ।
এই ঘোষণার আগেও অবশ্য ভক্তদের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। কয়েক সপ্তাহ আগে ইনস্টাগ্রামে ঘিবলি স্টাইলের একটি ইমেজ পোস্ট করেছিলেন জেসমিন, যেখানে তাঁর পাশে এক পুরুষের উপস্থিতির ইঙ্গিত মিললেও মুখ ছিল আড়াল করা। তখন থেকেই অনেকেই আন্দাজ করছিলেন, অভিনেত্রীর জীবনে হয়তো বিশেষ কেউ এসেছেন। যদিও সেই সময় কোনও স্পষ্ট মন্তব্য করেননি জেসমিন। কিন্তু নতুন বছরে আর কোনও রাখঢাক রাখেননি তিনি। সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রেমে রয়েছেন এবং সেই সম্পর্ক তাঁকে আনন্দ দিচ্ছে।
জেসমিনের কথায়, এই সম্পর্কের শুরুটা একেবারেই হঠাৎ। কোনও পরিকল্পনা বা প্রত্যাশা নিয়ে নয়, বরং স্বাভাবিক বন্ধুত্ব থেকেই ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে বোঝাপড়া। প্রথমে পরিচয়, তারপর বন্ধুত্ব, আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে সম্পর্ক গভীর হয়েছে। অভিনেত্রী মনে করেন, এই ধরণের স্বাভাবিক যাত্রাপথই কোনও সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে। তাড়াহুড়ো নয়, চাপ নয়—বরং সময় নিয়ে একে অপরকে জানা, বোঝা আর সম্মান করাই তাঁদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি।
যদিও বিয়ের প্রসঙ্গও যে ওঠেনি, এমন নয়। জেসমিন খোলাখুলিই স্বীকার করেছেন, কথা হয়েছে বিয়ে নিয়েও। তবে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চান না তাঁরা। দু’জনেই মনে করেন, সম্পর্কের শুরুতেই বড় কোনও সামাজিক বাঁধনে জড়ানোর আগে একে অপরকে আরও ভালোভাবে জানা জরুরি। আপাতত তাঁদের লক্ষ্য একটাই—এই সময়টা উপভোগ করা এবং সম্পর্কটাকে স্বাভাবিক গতিতে এগোতে দেওয়া।
মজার ছলে জেসমিন জানান, বর্তমানে তাঁদের সময় কাটে একে অপরকে রান্না করে খাওয়ানোর মধ্যেই। প্রেমিক যেহেতু পেশায় একজন শেফ, তাই রান্নাঘরে সময় কাটানো তাঁদের সম্পর্কের একটি বড় অংশ হয়ে উঠেছে। কখনও নতুন কোনও রেসিপি ট্রাই করা, কখনও পুরনো কোনও পছন্দের খাবার বানিয়ে একে অপরকে চমকে দেওয়া—এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলিই তাঁদের কাছে সবচেয়ে দামি। জেসমিনের মতে, ভালোবাসা মানে শুধু বড় বড় কথা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের ছোট আনন্দগুলো ভাগ করে নেওয়াই আসল।
এই নতুন সম্পর্ক জেসমিনের জীবনে এসেছে এমন এক সময়ে, যখন তিনি নিজেকে নিয়ে অনেকটাই স্থির। অতীতে প্রেমে পড়লেও সেই সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগে। সেই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। সম্পর্ক ভাঙার পর দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, বিয়ে করবেন না। নিজের কাজ, নিজের স্বাধীনতা আর মানসিক শান্তিকেই প্রাধান্য দেবেন বলে ঠিক করেছিলেন।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যেমন বদলায়, তেমনই বদলায় দৃষ্টিভঙ্গিও। জেসমিন আজ স্পষ্ট করে বলছেন, সঠিক মানুষ জীবনে এলে পুরনো সব সিদ্ধান্ত নতুন করে ভাবতে হয়। তাঁর কথায়, “আমি কখনও ভাবিনি আবার এমনভাবে কাউকে বিশ্বাস করতে পারব। কিন্তু এই মানুষটার সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর বুঝেছি, সব অভিজ্ঞতা খারাপ হয় না। কিছু অভিজ্ঞতা শুধু আমাদের আরও পরিণত করে তোলে।”
এই সম্পর্ক তাঁকে শুধুই প্রেমে ফিরিয়ে আনেনি, বরং নিজের পুরনো ভয়গুলোকে মুখোমুখি হওয়ার সাহসও দিয়েছে। জেসমিন মনে করেন, প্রেম মানেই নিজেকে হারানো নয়। বরং সঠিক মানুষের সঙ্গে থাকলে নিজেকে আরও ভালোভাবে খুঁজে পাওয়া যায়। সেই উপলব্ধিই তাঁকে আবার নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।
কাজের দিক থেকেও ২০২৫ সাল জেসমিন রায়ের জন্য অত্যন্ত সফল। একাধিক উল্লেখযোগ্য প্রজেক্টে কাজ করেছেন তিনি। চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সচেতন থেকেছেন। টেলিভিশন হোক বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম—সব ক্ষেত্রেই নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে আলাদা করে নজর কেড়েছেন। ব্যস্ত শুটিং শিডিউল, দীর্ঘ কাজের সময়—সবকিছুর মাঝেই ব্যক্তিগত জীবনে এই সুখের উপস্থিতি যেন তাঁকে আরও শক্তি জুগিয়েছে।
জেসমিন বারবারই বলেছেন, কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা তাঁর কাছে খুব জরুরি। অতীতে শুধুই কাজকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে অবহেলা করেছেন বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। কিন্তু এখন তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, সুস্থ সম্পর্ক একজন মানুষকে মানসিকভাবে আরও স্থিতিশীল করে তোলে, যা কাজের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
প্রেমিকের পরিচয় প্রকাশ্যে না আনার সিদ্ধান্তটাও ভেবেচিন্তেই নিয়েছেন জেসমিন। তাঁর মতে, সম্পর্কের শুরুর দিকে অপ্রয়োজনীয় আলোচনার চাপে পড়তে চান না তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ব্যক্তিগত জীবন খুব সহজেই জনসমক্ষে চলে আসে, কিন্তু সবকিছু যে প্রকাশ্যে আনতেই হবে, এমনটা তিনি মনে করেন না। তাই আপাতত এই সম্পর্ককে যতটা সম্ভব ব্যক্তিগত রাখতেই আগ্রহী অভিনেত্রী।
এই ঘোষণার আগে অবশ্য দর্শক ও অনুরাগীদের মধ্যে জল্পনার কমতি ছিল না। কয়েক সপ্তাহ আগেই জেসমিন তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে একটি ঘিবলি স্টাইলের ইলাস্ট্রেশন পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তাঁর পাশে এক পুরুষ অবয়বের উপস্থিতি থাকলেও মুখ ছিল স্পষ্টভাবে আড়াল করা। সেই পোস্টের ক্যাপশনেও ছিল রহস্যের ইঙ্গিত। তখন থেকেই অনেকে অনুমান করতে শুরু করেন, অভিনেত্রীর জীবনে বিশেষ কেউ প্রবেশ করেছেন। যদিও সেই সময় জেসমিন কোনও রকম ব্যাখ্যা দেননি। বরং নীরবতাই ছিল তাঁর উত্তর।
নতুন বছরে এসে সেই নীরবতা ভাঙলেন তিনি নিজেই। তবে এখানেও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ সংযম বজায় রেখেছেন। প্রেমের কথা স্বীকার করলেও প্রেমিকের নাম বা পরিচয় প্রকাশ্যে আনতে চাননি। শুধু এটুকু জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গী পেশায় একজন শেফ। এই সামান্য তথ্যই যেন সম্পর্কটিকে আরও মানবিক করে তোলে। আলো-ঝলমলে বিনোদন জগতের বাইরে, একেবারে আলাদা পেশার একজন মানুষের সঙ্গে তাঁর এই সম্পর্কের বিষয়টি ভক্তদের কাছে বেশ আগ্রহের হয়ে ওঠে।
জেসমিন নিজেই জানিয়েছেন, এই সম্পর্কের শুরুটা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। কোনও পরিকল্পনা, কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে নয়। হঠাৎ করেই আলাপ, তারপর ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব। সেই বন্ধুত্বই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রূপ নেয় গভীর বোঝাপড়ায়। অভিনেত্রীর মতে, আজকের দিনে যেখানে সম্পর্ক মানেই দ্রুত সিদ্ধান্ত, দ্রুত প্রত্যাশা আর দ্রুত ভাঙন—সেখানে তাঁদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে ধীরে, খুব স্বাভাবিক গতিতে।
তিনি বিশ্বাস করেন, সম্পর্কের ক্ষেত্রে সময় নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। একে অপরকে চেনা, বোঝা, সম্মান করা—এই বিষয়গুলো ছাড়া কোনও সম্পর্কই টেকসই হয় না। সেই কারণেই হয়তো তাঁদের মধ্যে এখনও কোনও তাড়াহুড়ো নেই। বিয়ের প্রসঙ্গ যে একেবারেই ওঠেনি, এমন নয়। তবে সেটি আপাতত আলোচনার স্তরেই রয়েছে। দু’জনেই চান, সম্পর্কের ভিতটা আরও শক্ত হোক, তারপরে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা যাবে।
জেসমিন মজার ছলে বলেন, এই মুহূর্তে তাঁদের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় আনন্দের জায়গা রান্নাঘর। প্রেমিক যেহেতু পেশায় শেফ, তাই খাবার ঘিরেই তাঁদের অনেকটা সময় কাটে। কখনও নতুন কোনও পদ বানানো, কখনও পুরনো কোনও প্রিয় রেসিপি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা—এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলিই তাঁদের কাছে বড় সুখের কারণ। জেসমিনের মতে, ভালোবাসা মানে শুধু বিশেষ দিন বা বড় সিদ্ধান্ত নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনের এই সাধারণ মুহূর্তগুলোকেই বিশেষ করে তোলা।
এই সম্পর্ক জেসমিনের জীবনে এসেছে এমন এক সময়ে, যখন তিনি নিজেকে নিয়ে অনেকটাই স্থিতিশীল। অতীতের অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে, নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করে কোনও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না। কয়েক বছর আগে তাঁর জীবনে প্রেম এসেছিল, কিন্তু সেই সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায়। সেই ভাঙন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি মানসিকভাবে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, বিয়ে করবেন না।
সেই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল ভয়, অভিমান আর নিজেকে রক্ষা করার প্রবণতা। জেসমিন খোলাখুলি স্বীকার করেন, তখন তিনি বিশ্বাস করতেন, একা থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ। নিজের কাজ, নিজের স্বাধীনতা, নিজের জগৎ—এই নিয়েই তিনি সন্তুষ্ট থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভাবনাও বদলেছে। তাঁর মতে, জীবন কখনও একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে না। মানুষ বদলায়, পরিস্থিতি বদলায়, আর সেই সঙ্গে বদলায় সিদ্ধান্তও।
আজ তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, সঠিক মানুষ জীবনে এলে পুরনো সব সিদ্ধান্ত নতুন করে ভাবতে হয়। এই সম্পর্ক তাঁকে আবার বিশ্বাস করতে শিখিয়েছে। ভালোবাসাকে নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছে। তিনি মনে করেন, প্রেম মানেই নিজেকে হারিয়ে ফেলা নয়। বরং সঠিক মানুষের সঙ্গে থাকলে নিজেকে আরও গভীরভাবে চেনা যায়।
এই উপলব্ধিই তাঁকে আজকের জেসমিন রায় হিসেবে গড়ে তুলেছে—যিনি নিজের অনুভূতি নিয়ে আর লুকোচুরি করতে চান না, কিন্তু একই সঙ্গে ব্যক্তিগত সীমারেখাও অটুট রাখতে জানেন। প্রেমিকের পরিচয় প্রকাশ্যে না আনার সিদ্ধান্তও সেই জায়গা থেকেই নেওয়া। তাঁর মতে, সম্পর্কের শুরুতে অতিরিক্ত নজরদারি বা আলোচনার চাপে পড়া ঠিক নয়। সম্পর্ককে নিজের মতো করে বেড়ে উঠতে দিতে চান তিনি।
কাজের দিক থেকেও ২০২৫ সাল জেসমিন রায়ের জন্য ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত এবং সফল। একাধিক উল্লেখযোগ্য প্রজেক্টে কাজ করেছেন তিনি। চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই ছিলেন সচেতন। শুধুমাত্র পর্দায় উপস্থিতি নয়, চরিত্রের গভীরতা ও গল্পের গুরুত্বকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন। টেলিভিশন, ওয়েব সিরিজ কিংবা বিশেষ প্রজেক্ট—সব ক্ষেত্রেই তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।
তবে এটুকু স্পষ্ট যে, এই সম্পর্ক নিয়ে তিনি লুকোচুরি করতে চান না। ভালোবাসার কথা স্বীকার করতে তাঁর কোনও দ্বিধা নেই। বরং তিনি মনে করেন, জীবনের সুখের মুহূর্তগুলো লজ্জা বা ভয় ছাড়াই গ্রহণ করা উচিত। নতুন বছরের শুরুতে সেই বার্তাই যেন তিনি দিতে চেয়েছেন।
ভক্তদের প্রতিক্রিয়াও বেশ ইতিবাচক। সোশ্যাল মিডিয়ায় জেসমিনের পোস্টের পর শুভেচ্ছা আর ভালোবাসার বন্যা বয়ে যায়। অনেকেই লিখেছেন, তাঁকে এতটা শান্ত আর সুখী আগে কখনও দেখেননি। কেউ কেউ আবার আশা প্রকাশ করেছেন, অভিনেত্রীর জীবনের এই নতুন অধ্যায় যেন দীর্ঘস্থায়ী হয়।
সব মিলিয়ে, জেসমিন রায়ের জীবনে এখন এক সুন্দর সময় চলছে। পেশাগত সাফল্য আর ব্যক্তিগত সুখ—দুটোই একসঙ্গে উপভোগ করছেন তিনি। অতীতের ভাঙন, দ্বিধা আর সিদ্ধান্তের বেড়া পেরিয়ে তিনি আজ এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে, যেখানে নিজেকে নিয়ে তিনি স্বচ্ছ ও আত্মবিশ্বাসী।
ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় কোনও পরিকল্পনার কথা এখনই বলতে চান না জেসমিন। তাঁর মতে, জীবনকে একটু ধীরে চলতে দিতে চান তিনি। এই মুহূর্তে ভালোবাসা, কাজ আর নিজের সঙ্গে সময় কাটানো—এই তিনের মধ্যেই তাঁর সুখ খুঁজে পাচ্ছেন অভিনেত্রী। আর সেই সুখই আপাতত ধরে রাখতে চান তিনি।
নতুন বছরের শুরুতে জেসমিন রায়ের এই ব্যক্তিগত ঘোষণা শুধু তাঁর জীবনের পরিবর্তনের গল্প নয়, বরং এটি মনে করিয়ে দেয়—সময়, মানুষ আর পরিস্থিতি মিলেই জীবনের মোড় ঘোরায়। কখনও কখনও পুরনো বিশ্বাস ভেঙে নতুন করে বিশ্বাস করতে শেখাটাই সবচেয়ে বড় সাহসের কাজ। আর সেই সাহস নিয়েই জেসমিন রায় এখন ভালোবাসার নতুন অধ্যায়ে পা রেখেছেন।