দূল্কার সালমানের কান্তা প্রথম তিন দিনে ভারতে প্রায় ১৩ কোটি রুপি ও বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৮ কোটি রুপি আয় করেছে, ভিজ্যুয়াল ও পারফরম্যান্সের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
দূল্কার সালমানের ছবি “কান্তা” (Kaantha) একটি পিরিয়ড মিস্ট্রি-ড্রামা, পরিচালনা করেছেন Selvamani Selvaraj। ছবিটি ১৯৫০-এর দশকের ম্যাড্রাস (বর্তমানে চেন্নাই) ব্যাকগ্রাউন্ডে তৈরি — যেখানে সিনেমা নির্মাণ, সেলিব্রিটি দূরদৃষ্টি, পুরানো সময়ের গ্ল্যামার ও ইগো‑ক্ল্যাশ এক গভীর এবং রহস্যময় কাহিনী গঠন করে।
চলচ্চিত্রটি দূল্কার সালমান এবং রানা দাগগুবাতি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন (Wayfarer Films এবং Spirit Media এর হয়ে)। মূল অভিনেতা হিসেবে রয়েছেন দূল্কার সালমান (T. K. মহাদেবন চরিত্রে), Samuthirakani (অভিনেতা‑পরিচালক Ayya হিসেবে), ভ্যাগ্যাশ্রী বোর্সে এবং রানা দাগগুবাতি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়।
প্রকাশের আগে থেকেই কিছু আইনগত বিতর্ক ছিল — বিশেষ করে M. K. Thyagaraja Bhagavathar-এর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি ছিল যে “কান্তা” চরিত্রায়ন জীবনীচিত্র (biopic)-এর মতো, এবং এটি তাদের দাদুর ভুল উপস্থাপন করেছে। কিন্তু নির্মাতারা বলেছে, এটি একটি রূপকল্পিত গল্প, এবং কোনো জীবনীচিত্র নয়।
“কান্তা” সিনেমাটি ১৪ নভেম্বর ২০২৫-এ মুক্তি পায়। মুক্তির সময় তার প্রথম উইকএন্ড পারফরম্যান্স বেশ উল্লেখযোগ্য ছিল — যদিও কিছু দৈনিক উঠানামা দেখা যায়।
দিন ১ (শুক্রবার): প্রায় ₹ 4.35 কোটি ইনডিয়া নেট।
দিন ২ (শনিবার): কালেকশন বাড়ে প্রায় ₹ 5 কোটি, যা শুক্রবারের তুলনায় প্রায় ১৪–১৫% বৃদ্ধি।
দিন ৩ (রবিবার): ফের প্রায় ₹ 4.35 কোটি বা সামান্য বেশি আনুমানিকভাবে।
এই তিন দিনের মোট ইনডিয়া নেট আয় আনুমানিক ₹ 13.22 কোটি বলে বিভিন্ন উৎস জানাচ্ছে। অন্যদিকে, কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে মোট আয় ₹ 13.85 কোটি হতে পারে।
Hindustan Times রিপোর্ট করে যে তৃতীয় দিনে (রবিবার) আয় কিছুটা কমে গিয়েছে, এটি প্রথম দিনের সমান নয়।
Republic World-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শব্দ-প্রচার (word-of-mouth) মিশ্র রূপ নিয়েছে — কিছু মানুষ সিনেমার স্টাইল ও গল্পকে প্রশংসা করছে, আবার কিছু সমালোচনা করছে, যা কালেকশন‑এর ধারাবাহিকতা প্রভাবিত করতে পারে।
“কান্তা” কেবল ভারতেই নয়, বিদেশেও কিছু পারফরম্যান্স দেখিয়েছে:
Filmibeat বলেছে, বিশ্বব্যাপী মুক্তির প্রথম দুই দিনে সিনেমার মোট আয় প্রায় ₹ 16 কোটি গড়িয়েছে।
Indian Express রিপোর্ট করে, তিন দিনে বিশ্বব্যাপী মোট আয় প্রায় ₹ 18 কোটি।
Hindustan Times তথ্য অনুযায়ী, রবিবারে তামিল ভাষার শোগুলোর অকুপেন্সি প্রায় ২৬.৭০% ছিল।
Moneycontrol-এর রিপোর্ট বলেছে, তেলুগু ভাষাভাষী রাজ্যগুলোর জন্যও দর্শক উপস্থিতি ধাপে ধাপে বাড়ছিল — রবিবার সন্ধ্যার শোগুলোর অকুপেন্সি প্রায় ২০% ছুঁয়ে পারে।
বালান্সিং হলো — দুপুর, সন্ধ্যা ও রাতের শোগুলোর মধ্যে পার্থক্য ছিল; কিছু শো ভালো ভর্তি হয়েছে, অন্যগুলোর মধ্যে মাঝারি পারফরম্যান্স দেখা গেছে।
সমালোচকরা বলেছেন যে “কান্তা” ভিজ্যুয়াল দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী — সেট ডিজাইন, পোশাক, গঠন এবং সঙ্গীত সবকিছু মিলিয়ে এটি খুব “পুরাতন যুগ”-এর অনুভূতি দেয়।
Moneycontrol তাদের বিশ্লেষণে বলেছে, সিনেমার ক্যামেরা কাজে ব্যবহৃত হয়েছে “desaturated sepia” রঙের প্যালেট, যা ১৯৫০-এর দশকের ম্যাড্রাস-এর পরিবেশকে শনাক্তযোগ্যভাবে পুনঃগঠন করতে সাহায্য করেছে।
দূল্কার সালমানের অভিনয়কে বিশেষভাবে প্রশংসিত করা হয়েছে — তাঁর চরিত্রে ছিল বিশ্বাসযোগ্যতা, পথ‑পারিপার্শ্বিকতা এবং নাটকীয় গভীরতা।
Samuthirakani এবং Bhagyashri Borse-র পারফরম্যান্সও সমালোচকদের চোখে এসেছে: Samuthirakani “উপদেশদাতা” অথবা মেন্টর হিসেবে তাঁর উপস্থিতি প্রভাবশালী; Bhagyashri তার চরিত্রে শান্ত কিন্তু শক্তিশালী উপস্থিতি উপস্থাপন করেছেন।
তবে কিছু সমালোচনা আছে গল্পের গতিশীলতা ও দ্বিতীয় ভাগের কাঠামোগত দুর্বলতার দিকে — কিছু দৃষ্টিকোণ থেকে বলা হয়েছে, গল্প মাঝরাস্তায় কিছুটা থেমে যায়।
“কান্তা” মুক্তি পেয়েছে এমন এক সময় যখন প্রচারমূলকভাবে এবং আইনিভাবে বিতর্ক ছিল:
Mint-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, M. K. Thyagaraja Bhagavathar-এর নাতি আদালতে দাবি করেছেন যে সিনেমার কাহিনী তাদের দাদুর চরিত্রায়নকে ভাসিয়ে দিয়েছে — বিশেষ করে, তাদের দাবি ছিল সিনেমা “বিভ্রান্তিকর” এবং “আবশ্যিক তুলনামূলক ভুল তথ্য” ব্যবহার করেছে।
কিন্তু নির্মাতারা এবং প্রযোজকরা পাল্টা ভাষ্য দিয়েছেন — তারা বলেছে “কান্তা” পুরোপুরি কাল্পনিক, এবং এটি কোন জীবনীচিত্র নয়।
আইনি চাপ এবং বিতর্ক দর্শকদের মধ্যে অতিরিক্ত কৌতূহল তৈরি করতে পারে — যা সিনেমার প্রথম দিনগুলোর পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব রাখেছে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি রূপান্তর বা ধারাবাহিকতা প্রভাবে বাধা তৈরি করতে পারে।
ভিজ্যুয়াল অবকাঠামো ও প্রোডাকশন ডিজাইন: পুরাতন যুগের মেজাজ খুব ভালোভাবে ফ্রেম করা হয়েছে।
অভিনয়ের মান: দূল্কার সালমান এবং অন্যান্য অভিনেতারা তাদের চরিত্রে গভীরতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা এনেছেন।
রহস্যময় কাহিনী: সিনেমার হত্যাকাণ্ড এবং তদন্ত অংশ দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখে।
ভালো ওয়ার্ড-অফ-মাউথ: প্রথম দিনে দর্শক প্রতিক্রিয়া ভালো ছিল, যা শনিবার আয়ের বৃদ্ধি দেখায়।
তৃতীয় দিনের আয়ে ধাপ – এটি ইঙ্গিত দিতে পারে যে দর্শক ভাল‑ভালো হলেও সব শো বা সব এলাকায় একই প্রবণতা নেই।
আইনগত বিতর্ক – যদি না আইনি বিষয় সমাধান করা হয়, তাহলে এটি সিনেমার ভবিষ্যত প্রদর্শন বা সম্প্রসারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
মাস্টারিং ও বিপণন ব্যালান্স – একটি পিরিয়ড ড্রামা হিসেবে বাজেট এবং মুনাফার মধ্যে ব্যালান্স রাখা কঠিন হতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদী ধারাবাহিকতা – উইকএন্ড ভালো হলেও, এরপরের সপ্তাহগুলিতে যদি দর্শক ফিরে না আসে, তাহলে পুরো পারফরম্যান্স সীমিত হতে পারে।
দূল্কার সালমানের “কান্তা” প্রথম উইকএন্ডে ভারতীয় ইনডোমেস্টিক বক্স‑অফিসে প্রায় ₹ 13.2 কোটি ইনডিয়া নেটে পৌঁছেছে — যা পিরিয়ড ড্রামা হিসেবে একটি শক্তিশালী শুরু। বিশ্বব্যাপী এটি আনুমানিক ₹ ১৮ কোটি ইনকাম করেছে, যা দেখায় আন্তর্জাতিক দর্শকদের মধ্যেও এর আকর্ষণ আছে।
সিনেমার ভিজ্যুয়াল স্টাইল, সেট ডিজাইন, এবং কাস্ট পারফরম্যান্স তার বড় শক্তি। একই সময়ে, তৃতীয় দিনে ধাপে পড়া আয়, এবং আইনগত বিতর্ক আবিষ্কার করেছে কিছু ঝুঁকি। তবে, ওয়ার্ড-অফ-মাউথ ইতিবাচক থাকার কারণে, “কান্তা” তার প্রথম সপ্তাহে অথবা দ্বিতীয় উইকএন্ডে আরো পারফরম্যান্স বাড়াতে পারে।
ভবিষ্যতে, যদি দর্শক আগ্রহ বজায় থাকে এবং বিতর্ক নিয়ন্ত্রিত হয়, তাহলে “কান্তা” শুধুমাত্র একটি বাণিজ্যিক সফলতা হতে পারে না — এটি দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার এক স্মরণীয় পিরিয়ড ড্রামা হিসেবে দাঁড়াতে পারে।
দুল্কার সালমানের “কান্তা” (Kaantha) ছবি মুক্তি নিয়েছে খুবই উচ্চ প্রত্যাশার সঙ্গে। এটি ১৯৫০-এর দশকের ম্যাড্রাসে (বর্তমানে চেন্নাই) সেট করা একটি পিরিয়ড মাইস্ট্রি-ড্রামা। পরিচালনা করেছেন Selvamani Selvaraj, এবং প্রযোজনা করেছেন Wayfarer Films ও Spirit Media।
মূল চরিত্রে রয়েছেন দুল্কার সালমান (T. K. মহাদেবন হিসেবে), Samuthirakani (Ayya), ভ্যাগ্যাশ্রী বোর্সে এবং রানা দাগগুবাতি। চলচ্চিত্রের কাহিনী এমন — মহাদেবন তাঁর প্রাক্তন মেন্টর Ayya-এর সঙ্গে পেশাগত এবং মানসিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে; তাদের সংঘর্ষ আরও গভীর হয়, বিশেষ করে যখন একটি নাটকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং তা এক গোপন ইতিহাস ও গোপন সত্যকে সামনে আনে।
চিত্রনাট্য, সেট ডিজাইন, ভিজ্যুয়াল স্টাইল এবং ক্যামেরা কাজ একদিকে দর্শকদের মুগ্ধ করছে, কিন্তু পারফরম্যান্স ও কাহিনীর গতিশীলতার দিক থেকে কিছু সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জও রয়েছে।
প্রথম দিন (শুক্রবার): প্রায় ₹ 4.35 কোটি ইনডিয়া নেটে।
দ্বিতীয় দিন (শনিবার): প্রায় ₹ 5 কোটি, যা প্রথম দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
তৃতীয় দিন (রবিবার): আনুমানিক ₹ 4.35 কোটি বা কিছু রিপোর্ট বলছে ~₹ 4.5 কোটি।
এই তিন দিনের মোট ভারত নেট আয় প্রায় ₹ 13.22 কোটি বলে বেশ কিছু মাধ্যম জানিয়েছে। অন্যদিকে, Filmibeat অনুযায়ী কিছু অনুমান বলেছে মোট আয় হতে পারে ₹ 13.85 কোটি।
Indian Express রিপোর্ট করেছে, তিন দিনে বিশ্বব্যাপী মোট আয় ~₹ ১৮ কোটি।
তবে Mint একদৃষ্টিতে দেখায় যে শুরুতে অ্যাক্যুপেন্সি কিছুটা সীমিত ছিল এবং প্রতিক্রিয়া মিশ্র — তাদের হিসেবে ৩ দিনের ইনডিয়া আয় আনুমানিক ₹ 10.17 কোটি হিসেবে ধার্য করা হয়েছিল।
Cinema Express রিপোর্ট করে যে, তৃতীয় দিন (Day 3) সংগ্রহ প্রায় প্রথম দিনের মতোই উঠানামা ছাড়াই “স্থির” (stagnant) ছিল।
যা উত্তরস্থায় গুরুত্বপূর্ণ: চেন্নাই (চেম্বারে) “কান্তা”-র অন্যতম শক্তিশালী মার্কেট হিসেবে কাজ করেছে।
Moneycontrol বলেছে, শনিবার থেকে ওয়ার্ড-অফ-মাউথ ইতিবাচকভাবে কাজ করেছে এবং দর্শক আগ্রহ বেড়েছে, বিশেষ করে তামিল ভাষার স্ক্রিনে।
তবে Hindustan Times রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবারে কিছু অংশে কালেকশন কমে গিয়েছিল এবং মন্তব্য বলেছে “ডিপ” হয়েছে প্রথম উইকএন্ডে।
ভিজ্যুয়াল স্টাইল: ছবিটির সেট ডিজাইন, পোশাক, আলো, এবং শিল্প পরিচালনা খুব প্রভাবশালী — বিশেষ করে পুরাতন ম্যাড্রাস যুগকে জীবন্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
চিত্রগ্রহণ: সিনেমার ক্যামেরা ব্যবহার এবং রঙ‑প্যালেট (যেমন “desaturated sepia” রঙ) ১৯৫০-এর দশকের মেজাজে শাব্দিক ও ভিজ্যুয়াল গভীরতা যোগ করেছে।
অভিনয়: দুল্কার সালমানের পারফরম্যান্স অনেকেই প্রশংসা করেছে — তার চরিত্রে রয়েছে আত্মবিশ্বাস, অনুভূতিময়তা এবং অভ্যন্তরীণ কোণ। Samuthirakani এবং Bhagyashri Borse-ও তাদের চরিত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা এনেছেন।
রহস্য এবং নাটক: হত্যাকাণ্ড এবং তদন্ত অংশ দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে, এবং এতে রয়েছে একটি গোপন ইতিহাস‑ভেঙে পড়া বন্ধুত্ব ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
তৃতীয় দিনের ধাপ: রবিবারে একরকম প্রবণতা স্থির হওয়া এবং আগের দিনের মতো বৃদ্ধি না পাওয়া নির্দেশ করে যে দর্শক আগ্রহ সব জায়গায় একরকম নয়।
আইনি বিতর্ক: চলচ্চিত্রটি মুক্তির আগে থেকেই বিতর্কে রয়েছে — M. K. Thyagaraja Bhagavathar-এর নাতি দাবি করেছেন যে “কান্তা” তাদের দাদুকে অবমাননাকরভাবে তুলে ধরেছে। নির্মাতারা অবশ্য বলছেন এটি পুরোপুরি কাল্পনিক কাহিনী। এই আইনি চাপ দর্শকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বা কিছু ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রচারও জারি করতে পারে।
সপ্তাহের পর পারফরম্যান্স: উইকএন্ড ভালো হলেও, পরবর্তী দিন (বিশেষত সোমবার) দর্শক উপস্থিতি এবং কালেকশন পুরোপুরি ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ হতে পারে। Indian Express রিপোর্টে বলা হয়েছে যে সোমবার পরীক্ষা (Monday test) কঠিন হতে পারে কারণ তৃতীয় দিনের ধাপ রয়েছে।
গল্পগত ভারসাম্য: কিছু সমালোচনায় উল্লেখ হয়েছে যে, যদিও ভিজ্যুয়াল গ্ল্যামার অত্যন্ত শক্তিশালী, কিন্তু গল্প‑গতি এবং থিমেটিক গভীরতা নির্বিঘ্নভাবে কাজ করছে না। Cinema Express-এর পর্যালোচনা বলেছে, “visual grandeur মাঝে মাঝে হত্যা কাহিনাকে ঢেকে দিচ্ছে।”
“কান্তা” মুক্তি পায় এমন এক সময় যখন এটি আইনগত জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছিল। Mint অনুসারে, M. K. Thyagaraja Bhagavathar-এর নাতি একটি আদালতে মামলা করেছেন, দাবী করেন যে সিনেমা তার দাদুকে একটি “ভুল ও অবমাননাকর”ভাবে উপস্থাপন করছে।
তবে নির্মাতা পক্ষ এই দাবি অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে ছবিটি সম্পূর্ণ কল্পনার ভিত্তিতে তৈরি। তারা বলছেন, এটি কোনো বায়োপিক (biopic) নয়, এবং চরিত্রগুলোর সঙ্গে বাস্তব জীবনের ব্যক্তিদের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
আইনি এই চাপ এবং বিতর্ক মুক্তির আগেই প্রচারে রঙ দেয় — একটি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি দর্শকদের কৌতূহল বাড়াতে পারে, আবার অন্যদিকে এটি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং গণমাধ্যমে বিতর্কও বাড়াতে পারে, যা ছবির দীর্ঘমেয়াদী পারফরম্যান্সে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
“কান্তা” এর ভবিষ্যত পারফরম্যান্স বেশির ভাগই নির্ভর করবে নিম্নলিখিত দিকগুলোর উপর:
ওয়ার্ড-অফ-মাউথ: যদি দর্শক যারা ছবিটি দেখেছেন তাদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক থাকে, তাহলে দ্বিতীয় সপ্তাহে দর্শক প্রবাহ বজায় রাখা সম্ভব।
আইনি গতি: আদালতে মামলা কীভাবে এগোয় এবং সেটি কীভাবে সমাধান হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ — নেতিবাচক আইনি সংবাদ এবং প্রচার ছবির জনপ্রিয়তা প্রভাবিত করতে পারে।
মার্কেট বিস্তার: তামিল গ্রিডের বাইরে (অন্যান্য রাজ্য বা আন্তর্জাতিক বাজারে) কতটা পৌঁছাতে পারে, সেটাও বড় ভূমিকা রাখবে।
পরবর্তী দিনগুলোর কালেকশন: সোমবার এবং সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর কালেকশন কি গতিকে ধরে রাখতে পারবে, সেটি দেখার বিষয়।
ডিজিটাল রিলিজ: পরীক্ষার শেষ হয়ে গেলে যদি ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে যাওয়া যায়, তা ছবির আয়কে আরও বাড়াতে পারে এবং দীর্ঘ মুনাফা তৈরি করতে পারে।
দুল্কার সালমানের “কান্তা” তার প্রথম উইকএন্ডে একটি বলিষ্ঠ কিন্তু ভারসাম্যপূর্ণ শুরু করেছে: প্রায় ₹ 13.2 কোটি ভারত‑নেটে (বা কিছু রিপোর্টে ~₹ 13.85 কোটি) তিন দিনে। ছবির শক্তি তার ভিজ্যুয়াল গঠন, সেট ডিজাইন, এবং পারফরম্যান্সে। একই সঙ্গে, তৃতীয় দিনে কিছু ধাপপড়া, আইনি বিতর্ক ও গল্পগত কিছু সীমাবদ্ধতা দেখাচ্ছে যে এটি সর্বদা সহজ পথে এগোচ্ছে না।
যদি “কান্তা” তার ওয়ার্ড-অফ-মাউথ ভালোভাবে ধরে রাখতে পারে, এবং আইনি বিষয় সমাধান পায়, তাহলে এটি শুধুমাত্র একটি বাণিজ্যিক সফলতা হতে পারে না — এটি দক্ষিণ‑ভারতীয় সিনেমার এক স্মরণীয় পিরিয়ড ড্রামা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।