এআই প্রযুক্তির সাহায্যে নিজের ছবি বিকৃত করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হলেন অভিনেত্রী-সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। এই ঘটনায় কারা জড়িত, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে এবার আইনি পদক্ষেপ করলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই তাঁর ছবি, পরিচিতি ও ব্যক্তিসত্তাকে ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে আপত্তিকর এবং বিভ্রান্তিকর ছবি-ভিডিয়ো। এর মাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিচিতির অধিকারও লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রীর আইনজীবী। এই ধরনের কনটেন্ট ইন্টারনেট থেকে সরানো এবং ভবিষ্যতে তার প্রচার বন্ধ করার আর্জি নিয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কঙ্গনা। ৮ অক্টোবর, ২০২৬-এ তাঁর আবেদনের শুনানিতে আদালত বিবাদী পক্ষগুলিকে সমন পাঠিয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সুরক্ষার আবেদন নিয়ে নোটিস জারি করেছে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, সূত্র: LiveLaw
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ছবি, ভিডিয়ো, কণ্ঠস্বর এবং বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে। এই প্রযুক্তি যেমন সৃজনশীল কাজের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনই অন্যের পরিচিতি ব্যবহার করে ভুয়ো বা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরির আশঙ্কাও বেড়েছে। বিশেষ করে পরিচিত অভিনেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং জনসমক্ষে থাকা মানুষদের ছবি বা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কঙ্গনা রানাওয়াতের মামলাতেও এই ধরনের ডিজিটাল কনটেন্টের বিষয়টি সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, অভিনেত্রীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কিছু ছবি, ভিডিয়ো এবং পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে, যেগুলি তাঁর ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে অশ্লীল ও আপত্তিকর কনটেন্ট, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং এআইয়ের সাহায্যে তৈরি এমন কিছু উপাদান, যেখানে কঙ্গনার নামে ভুয়ো বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
অভিনেত্রীর পক্ষের দাবি, এই ধরনের কনটেন্টকে বাস্তব ঘটনা বা আসল ছবি বলে ভুল করতে পারেন সাধারণ মানুষ। ফলে একজন ব্যক্তির সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি তাঁর সামাজিক ও পেশাগত পরিচিতিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কঙ্গনার আইনজীবী আদালতে জানান, সংশ্লিষ্ট কিছু কনটেন্টের সত্যতা যাচাই করে দেখা হয়েছে এবং সেগুলির ক্ষেত্রে প্রকৃত ছবির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। সূত্র: Hindustan Times
কঙ্গনা রানাওয়াত শুধু অভিনেত্রী নন, তিনি একজন সাংসদও। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত পরিচিতি ও জনসমক্ষে থাকা ভাবমূর্তি তাঁর পেশাগত এবং রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে জড়িত। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়া তাঁর ছবি ও পরিচিতি ব্যবহার করে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি এবং ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি আদালতের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিসত্তার অধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন।
ব্যক্তিসত্তার অধিকার বা Personality Rights বলতে সাধারণভাবে কোনও ব্যক্তির নাম, ছবি, কণ্ঠস্বর, পরিচিতি এবং তাঁর সঙ্গে যুক্ত স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অননুমোদিত ব্যবহার থেকে সুরক্ষার বিষয়টিকে বোঝানো হয়। বিশেষত কোনও ব্যক্তির পরিচিতি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচার, অননুমোদিত বাণিজ্যিক সুবিধা নেওয়া কিংবা তাঁর সম্মানহানি ঘটাতে পারে এমন কনটেন্ট তৈরি করা হলে আইনি প্রতিকারের প্রশ্ন উঠতে পারে।
তবে কোনও কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি হলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেআইনি হয়ে যায়, এমন নয়। কনটেন্টের প্রকৃতি, ব্যবহারের উদ্দেশ্য, ব্যক্তির সম্মতি, সম্ভাব্য ক্ষতি এবং প্রযোজ্য আইনের মতো বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কঙ্গনার মামলায় মূল প্রশ্নগুলির মধ্যে রয়েছে তাঁর পরিচিতি কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কনটেন্টের প্রকৃতি কী এবং সেগুলি সরানোর জন্য আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন কি না।
৮ অক্টোবর দিল্লি হাই কোর্টে কঙ্গনা রানাওয়াতের আবেদনের শুনানি হয়। বিচারপতি বিকাশ মহাজন মামলাটি শুনে বিবাদী পক্ষগুলির উদ্দেশে সমন জারি করেন। পাশাপাশি, আপত্তিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী নির্দেশ চেয়ে অভিনেত্রীর যে আবেদন, সেই বিষয়েও নোটিস জারি করা হয়। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্য জানার জন্য আদালত প্রক্রিয়া এগিয়েছে। সূত্র: Bar and Bench
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। সমন বা নোটিস জারি হওয়া মানেই আদালত ইতিমধ্যে কঙ্গনার সমস্ত অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে সত্য বলে মেনে নিয়েছে, এমন নয়। আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্য শুনে এবং মামলার নথি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। তাই মামলাটির পরবর্তী শুনানি ও আদালতের নির্দেশ এই মুহূর্তে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
শুনানিতে কঙ্গনার আইনজীবী সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া অশ্লীল কনটেন্ট, ভুয়ো খবর এবং এআই-নির্মিত উপাদান নিয়ে আপত্তি জানান। তাঁর বক্তব্য ছিল, এই ধরনের পোস্টের মাধ্যমে অভিনেত্রীর পরিচিতিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং তাঁর সম্মানহানির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
অন্য দিকে, আদালতে উত্থাপিত কিছু কনটেন্টের মধ্যে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট বা মিমের বিষয়টিও উঠে আসে। আদালত কয়েকটি উপাদানকে ব্যঙ্গাত্মক বলে পর্যবেক্ষণ করে। কঙ্গনার আইনজীবী জানান, অন্তর্বর্তী পর্যায়ে এই ধরনের মিম সরানোর আবেদন তাঁরা তখনই জোর দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন না। ফলে মামলার মূল জোর ছিল আপত্তিকর এবং কথিত ভুয়ো কনটেন্টের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাওয়ার উপর। সূত্র: Hindustan Times
এআই প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির ফলে কোনও ব্যক্তির মুখ অন্য ছবিতে বসানো, কৃত্রিম কণ্ঠস্বর তৈরি করা কিংবা বাস্তবের মতো দেখতে ভিডিয়ো বানানো অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব। এই ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্টকে অনেক সময় ডিপফেক বা এআই-নির্মিত ভুয়ো কনটেন্ট বলা হয়। সব এআই-নির্মিত ছবি অবশ্য ডিপফেক নয়; তবে বাস্তব ব্যক্তিকে এমন পরিস্থিতিতে দেখানো হলে, যা আদৌ ঘটেনি, তখন তা গুরুতর বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে।
এ ধরনের কনটেন্টের সমস্যা শুধু একজন তারকার ব্যক্তিগত সম্মানহানির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কোনও ব্যক্তির নামে ভুয়ো বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান, পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতা কিংবা জনসমক্ষে থাকা ভাবমূর্তি সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। আবার আপত্তিকর ছবি বা ভিডিয়ো ছড়ালে ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং গোপনীয়তার প্রশ্নও সামনে আসে।
সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত প্রচারব্যবস্থা এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। একটি ভুয়ো ছবি বা ভিডিয়ো অল্প সময়ের মধ্যে বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। পরে সেটি কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে জানা গেলেও, প্রথমে তৈরি হওয়া ভুল ধারণা সম্পূর্ণ দূর করা কঠিন হতে পারে। সেই কারণে এআই-নির্মিত কনটেন্টের সত্যতা যাচাই এবং তার উৎস সম্পর্কে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
কঙ্গনা রানাওয়াতের মামলাটি এই বৃহত্তর সমস্যাকেই সামনে এনেছে। প্রযুক্তির ব্যবহার কতটা স্বাধীন হওয়া উচিত এবং অন্যের পরিচিতি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কোথায় সীমারেখা টানা প্রয়োজন— এই প্রশ্নগুলি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এই ধরনের মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন হল, ব্যক্তিসত্তার অধিকার রক্ষা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে বজায় রাখা হবে। কোনও জনপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনা, ব্যঙ্গ বা রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করা এবং তাঁর ছবি ব্যবহার করে ভুয়ো বা অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি করা এক বিষয় নয়।
জনপরিচিত ব্যক্তিদের নিয়ে মিম, ব্যঙ্গচিত্র কিংবা রাজনৈতিক সমালোচনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল প্রচলিত। কিন্তু কোনও কনটেন্টের মাধ্যমে বাস্তব বলে মনে হয় এমন ভুয়ো ঘটনা তৈরি করা হলে, অথবা কারও পরিচিতিকে ব্যবহার করে তাঁকে আপত্তিকর পরিস্থিতিতে দেখানো হলে, তার আইনি মূল্যায়ন আলাদা হতে পারে।
এই কারণেই কঙ্গনার মামলায় সব ধরনের অনলাইন কনটেন্টকে একসঙ্গে বিচার করার পরিবর্তে নির্দিষ্ট অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানগুলির প্রকৃতি বিবেচনা করা প্রয়োজন। আদালতের পর্যবেক্ষণেও ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট এবং অভিযোগ করা আপত্তিকর উপাদানের মধ্যে পার্থক্যের বিষয়টি উঠে এসেছে।
অর্থাৎ, প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই বৈধ সমালোচনা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও যাতে অযথা বাধাগ্রস্ত না হয়, সেটিও বিবেচ্য। নির্দিষ্ট মামলায় কোন কনটেন্ট সরানো প্রয়োজন এবং কোনটি মতপ্রকাশের পরিসরের মধ্যে পড়ে, তা প্রযোজ্য আইন ও মামলার তথ্যের ভিত্তিতে বিচার করা হবে।
ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচিত ব্যক্তিদের নাম, ছবি, কণ্ঠস্বর এবং পরিচিত বৈশিষ্ট্যের অননুমোদিত ব্যবহার নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি উদ্যোগ দেখা গিয়েছে। বিনোদন জগতের তারকাদের ক্ষেত্রে তাঁদের ছবি বা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ভুয়ো প্রচার, অননুমোদিত পণ্য সমর্থনের দাবি কিংবা কৃত্রিম কনটেন্ট তৈরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে ব্যক্তিসত্তার অধিকার রক্ষার আবেদন আদালতের সামনে নতুন ধরনের প্রশ্ন তুলে ধরছে। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, বাস্তব এবং কৃত্রিমভাবে তৈরি কনটেন্টের পার্থক্য বোঝাও তত কঠিন হতে পারে। ফলে আদালতকে একদিকে ব্যক্তির অধিকার, অন্যদিকে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা— সব দিক বিবেচনা করতে হচ্ছে।
কঙ্গনার মামলাও সেই বৃহত্তর আইনি আলোচনার অংশ। তাঁর আবেদন থেকে স্পষ্ট, তিনি সংশ্লিষ্ট আপত্তিকর কনটেন্টের প্রচার বন্ধ করতে এবং নিজের পরিচিতির অননুমোদিত ব্যবহার থেকে সুরক্ষা পেতে চাইছেন। তবে মামলার চূড়ান্ত ফল কী হবে, তা পরবর্তী শুনানি ও আদালতের নির্দেশের উপর নির্ভর করছে।
দিল্লি হাই কোর্টে আবেদনটির পরবর্তী শুনানি ২০২৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হয়েছে বলে LiveLaw-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আদালত অন্তর্বর্তী সুরক্ষার বিষয়ে কী নির্দেশ দেয় এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলি কী বক্তব্য পেশ করে, তা মামলার পরবর্তী গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সূত্র: LiveLaw
কঙ্গনার আবেদনের মূল লক্ষ্য হল তাঁর পরিচিতি ব্যবহার করে তৈরি করা কথিত আপত্তিকর ও ভুয়ো কনটেন্টের প্রচার বন্ধ করা। আদালত নির্দিষ্ট কনটেন্টের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা জানা যাবে পরবর্তী নির্দেশের পর। তার আগে অভিযোগ, আদালতের প্রাথমিক পদক্ষেপ এবং চূড়ান্ত রায়ের মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা জরুরি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের কাজকে দ্রুত ও সহজ করার পাশাপাশি ছবি, ভিডিয়ো এবং ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির জগতে নতুন সম্ভাবনা এনেছে। কিন্তু এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারও পরিচিতিকে বিকৃত করা, ভুয়ো তথ্য ছড়ানো কিংবা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি করার অভিযোগ উঠলে ব্যক্তিসত্তার অধিকার ও ডিজিটাল নিরাপত্তার প্রশ্ন সামনে আসে।
এআই-নির্মিত ছবি ও ভিডিয়ো নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিনেত্রী-সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট তাঁর ভাবমূর্তির ক্ষতি করছে এবং তাঁর পরিচিতির অননুমোদিত ব্যবহার ঘটছে। আদালত বিবাদী পক্ষগুলিকে সমন পাঠিয়েছে এবং অন্তর্বর্তী আবেদনে নোটিস জারি করেছে। তবে অভিযোগগুলির চূড়ান্ত আইনি নিষ্পত্তি এখনও বাকি।
এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি শুধু কঙ্গনা রানাওয়াতের জন্য নয়, ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি, কণ্ঠস্বর এবং পরিচিতির অপব্যবহার নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বশীল ব্যবহার, তথ্য যাচাই এবং ব্যক্তির অধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তাও যে বাড়ছে, এই ঘটনা তা আরও একবার সামনে আনল।