বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে শৈশবের স্মৃতিতে ফিরে গেলেন প্রসেনজিৎ। পুরনো ছবি শেয়ার করে বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানালেন বুম্বাদা।
সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ বদলায়, দূরত্ব আসে, আবার ধীরে ধীরে সেতুও গড়ে ওঠে—ঠিক তেমনই এক আবেগঘন সম্পর্কের নাম প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বাবা, কিংবদন্তি অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ব্যক্তিগত জীবনের নানা ওঠাপড়া, পারিবারিক জটিলতা কিংবা দূরত্ব—সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকেছে শ্রদ্ধা, আদর্শ এবং ভালোবাসা। বাবার জন্মদিনে একটি পুরনো ছবি ভাগ করে নিয়ে সেই কথাই যেন আবার মনে করিয়ে দিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল অভিনেতা প্রসেনজিৎ।
আজ ১৪ ডিসেম্বর। এই দিনটি শুধু বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনই নয়, বাংলা ও হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের স্মারক। এই বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছোটবেলার একটি সাদাকালো ছবি ভাগ করে নেন প্রসেনজিৎ। ছবিতে দেখা যায়, তরুণ বিশ্বজিৎ কোলে ছোট্ট প্রসেনজিৎ—চোখে মুখে নির্ভরতার ছাপ, একদিকে বাবার স্নেহ, অন্যদিকে সন্তানের নিঃশর্ত ভরসা। একটি ছবিই যেন বলে দেয় বহু না বলা গল্প।
ছবির ক্যাপশনে প্রসেনজিৎ লেখেন বাবার কাছ থেকে পাওয়া জীবনের শিক্ষা, আদর্শ ও অনুপ্রেরণার কথা। খুব বেশি শব্দ নয়, কিন্তু অনুভূতির গভীরতা স্পষ্ট। তাঁর পোস্টে মুহূর্তের মধ্যেই সাড়া পড়ে যায় টলিপাড়া জুড়ে। একের পর এক তারকা, সহকর্মী ও অনুরাগীরা কমেন্ট করে বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান, একই সঙ্গে বাবা–ছেলের এই আবেগঘন মুহূর্তকে সম্মান জানান।
১৪ ডিসেম্বর। এই দিনটি শুধুমাত্র একজন প্রবীণ অভিনেতার জন্মদিন নয়, বরং বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ নামের উদযাপন। বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়—যাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও পর্দা উপস্থিতি একসময় দর্শকদের মুগ্ধ করত। এই বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পুরনো ছবি শেয়ার করে আবেগে ভাসলেন তাঁর পুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ছবিতে ধরা পড়েছে এক অনন্য মুহূর্ত—তরুণ বিশ্বজিতের কোলে ছোট্ট প্রসেনজিৎ, দুই প্রজন্মের মাঝে নিঃশব্দ এক বন্ধন।
ছবিটি সাদাকালো, কিন্তু তার আবেগ রঙিন। সেই ফ্রেম যেন সময়কে থামিয়ে দেয়। একদিকে বাবার স্নেহমাখা দৃষ্টি, অন্যদিকে সন্তানের নির্ভরতার হাত। এই একটি ছবিই যেন বহু বছরের সম্পর্কের গল্প বলে দেয়—ভালোবাসা, অভিমান, দূরত্ব এবং শেষ পর্যন্ত শ্রদ্ধার।
প্রসেনজিৎ ছবির ক্যাপশনে খুব বেশি কথা লেখেননি। কয়েকটি শব্দেই প্রকাশ করেছেন বাবার প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। তবে সেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা, সম্পর্কের ওঠানামা এবং আদর্শের উত্তরাধিকার। পোস্টটি প্রকাশের পরই টলিপাড়ার বহু তারকা, পরিচালক, অভিনেতা ও অনুরাগীরা মন্তব্য করে বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। অনেকেই এই ছবি দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় বাংলা সিনেমার এক স্বর্ণযুগের প্রতিনিধি। ষাট ও সত্তরের দশকে তিনি ছিলেন রোমান্টিক নায়কের প্রতীক। তাঁর অভিনয়ের স্টাইল, সংলাপ বলার ভঙ্গি, পর্দায় আত্মবিশ্বাস—সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন আলাদা। শুধু বাংলা নয়, হিন্দি ছবিতেও তিনি সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। এমন একজন অভিনেতার সন্তান হিসেবে জন্ম নেওয়া মানেই ছিল একদিকে গর্ব, অন্যদিকে প্রবল প্রত্যাশার চাপ।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সেই প্রত্যাশার মাঝেই বড় হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই সিনেমার পরিবেশ ছিল তাঁর চারপাশে। সেটে বাবার সঙ্গে যাওয়া, আলো-ছায়ার খেলা, ক্যামেরার সামনে মানুষের বদলে যাওয়া—এসবই ছিল তাঁর শৈশবের স্বাভাবিক অংশ। অন্য অনেক শিশুর খেলাধুলার জগৎ যেখানে সীমাবদ্ধ ছিল বাড়ির উঠোনে, সেখানে প্রসেনজিতের জগৎ বিস্তৃত ছিল স্টুডিওর ভেতর।
১৯৬৮ সালে ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবির মাধ্যমে শিশু শিল্পী হিসেবে তাঁর অভিনয়ে হাতেখড়ি। সেই ছবিতে বাবার উপস্থিতি শুধু অভিভাবক হিসেবে নয়, এক আদর্শ শিক্ষক হিসেবেও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। অভিনয় কীভাবে শিখতে হয়, ক্যামেরার সামনে কীভাবে নিজেকে সংযত রাখতে হয়—এই পাঠ তিনি বাবার কাছ থেকেই পেয়েছিলেন। তখন হয়তো কেউ ভাবেনি, এই শিশুশিল্পী একদিন বাংলা সিনেমার অন্যতম স্তম্ভ হয়ে উঠবেন।
তবে বাবা–ছেলের সম্পর্ক সবসময় মসৃণ ছিল না। বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর পারিবারিক সম্পর্কে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়। সেই সময় মানসিকভাবে কঠিন ছিল প্রসেনজিতের জীবন। একদিকে নিজের কেরিয়ার গড়ার লড়াই, অন্যদিকে পারিবারিক টানাপড়েন—সব মিলিয়ে এক জটিল সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। এই দূরত্বের কথা প্রসেনজিৎ কখনও লুকোননি। বরং পরিণত মন নিয়ে স্বীকার করেছেন যে, সম্পর্কের জটিলতা থাকলেও বাবার প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা কখনও কমেনি।
সময়ের সঙ্গে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়। অভিমান ধীরে ধীরে প্রশমিত হয়। বছর পেরোতে পেরোতে বাবা–ছেলের সম্পর্কও অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে। মাঝেমধ্যেই প্রসেনজিতের স্ত্রী অর্পিতা ও তাঁর একমাত্র পুত্রের সঙ্গে বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দেখা হয়েছে। নাতির সঙ্গে সময় কাটানো প্রবীণ অভিনেতার জীবনে নতুন এক আনন্দের অধ্যায় খুলে দিয়েছে। সেই মুহূর্তগুলো যেন বহু অপূর্ণতার ক্ষত সারিয়ে দিয়েছে।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কেরিয়ার নিজেই এক দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় যাত্রা। আশির দশকের রোমান্টিক নায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু করে নব্বইয়ের দশকে তিনি হয়ে ওঠেন বক্স অফিসের নির্ভরযোগ্য তারকা। তবে সময়ের সঙ্গে তিনি নিজেকে ভেঙে গড়েছেন বারবার। ‘গুরুদেব’, ‘খাদান’, ‘অটোগ্রাফ’, ‘জাতিস্মর’, ‘হীরক রাজা দেশে়’, ‘বাইশে শ্রাবণ’—একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রমাণ করেছে, তিনি শুধু তারকা নন, একজন শক্তিশালী অভিনেতা।
এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বাবার প্রভাব ছিল গভীর। প্রসেনজিৎ নিজেই বহুবার বলেছেন, জনপ্রিয়তা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু কাজের প্রতি সততা ও শৃঙ্খলাই একজন শিল্পীকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখে—এই শিক্ষা তিনি বাবার কাছ থেকেই পেয়েছেন। বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় কখনও তাঁকে তারকা হওয়ার পরামর্শ দেননি, বরং একজন ভালো অভিনেতা ও ভালো মানুষ হওয়ার দিকেই গুরুত্ব দিয়েছেন।
বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও ছেলের সাফল্য নিয়ে গর্বিত। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি প্রসেনজিতের কাজের প্রশংসা করেছেন, যদিও বাবা–ছেলের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি। তাঁদের সম্পর্ক বরাবরই ছিল সংযত, ব্যক্তিগত এবং আড়ালের। তাই বাবার জন্মদিনে একটি ছোটবেলার ছবি শেয়ার করা যেন সেই নিঃশব্দ অনুভূতিরই প্রকাশ।
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় শুধু একজন অভিনেতা নন, তিনি বাংলা সিনেমার এক প্রতিষ্ঠান। প্রযোজক হিসেবে, নেতৃত্বের ভূমিকায়ও তিনি ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানের শিকড় যে কোথায়, তা তিনি কখনও ভুলে যাননি। বাবার জন্মদিনে সেই শিকড়ের দিকেই ফিরে তাকালেন তিনি।
এই পোস্ট টলিপাড়ায় এক আবেগঘন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বলেছেন, এই ছবি মনে করিয়ে দেয় যে তারকারাও শেষ পর্যন্ত মানুষ—তাঁদের জীবনেও আছে সম্পর্কের জটিলতা, দূরত্ব, আবার মিলনের গল্প। বাবা–ছেলের এই মুহূর্ত তাই শুধু ব্যক্তিগত স্মৃতি নয়, তা অনেক মানুষের কাছেই সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি।
বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে এই মুহূর্তে টলিউড যেন একসঙ্গে ফিরে তাকাল তার অতীতে। সেই সময়কে স্মরণ করল, যখন রুপোলি পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মানেই ছিল আলাদা এক আকর্ষণ। আর সেই উত্তরাধিকার বহন করেই আজও সমান সম্মানের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন তাঁর পুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়—বাংলা ও হিন্দি, দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই।
বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়—একটি নাম, একটি অধ্যায়। ষাট ও সত্তরের দশকে যিনি ছিলেন রোমান্টিক নায়কের প্রতীক, যাঁর স্টাইল, সংলাপ বলার ভঙ্গি ও পর্দা উপস্থিতি আজও স্মরণীয়। বাংলা সিনেমার পাশাপাশি হিন্দি ছবিতেও সমান জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। এমন একজন বাবার সন্তান হিসেবে জন্ম নেওয়া সহজ যেমন নয়, তেমনই গর্বেরও। প্রসেনজিৎ নিজেও বহুবার বলেছেন, ছোটবেলা থেকেই বাবাকে সামনে রেখেই তিনি জীবন ও কেরিয়ারের প্রতিটি ধাপে এগিয়েছেন।
১৯৬৮ সাল। বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরেই ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবির মাধ্যমে শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয়ে হাতেখড়ি হয় প্রসেনজিতের। তখন হয়তো কেউ ভাবেনি, এই ছোট্ট ছেলেটিই একদিন বাংলা সিনেমার সংজ্ঞা বদলে দেবে। বাবার সঙ্গে সেটে যাওয়া, ক্যামেরার আলো, পরিচালকের নির্দেশ—সবই ছিল তাঁর শৈশবের অঙ্গ। সিনেমা তখন শুধুই পেশা নয়, ছিল পরিবারেরই এক অংশ।
তবে সম্পর্কের পথ সবসময় মসৃণ থাকে না। বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর বাবা–ছেলের সম্পর্কে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, যা অস্বীকার করার উপায় নেই। সেই সময় মানসিকভাবে কঠিন ছিল প্রসেনজিতের জীবন। নিজের কেরিয়ার গড়ার লড়াই, ব্যক্তিগত টানাপড়েন—সব মিলিয়ে এক জটিল অধ্যায়। তবু সেই দূরত্ব কখনও আদর্শ বা শ্রদ্ধাকে মুছে দিতে পারেনি।
সময়ের সঙ্গে ক্ষত সারে। ধীরে ধীরে সম্পর্কও স্বাভাবিক হতে থাকে। মাঝেমধ্যেই প্রসেনজিতের স্ত্রী অর্পিতা ও তাঁর একমাত্র পুত্রের সঙ্গে বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দেখা হয়েছে। নাতির সঙ্গে সময় কাটানোর সেই মুহূর্তগুলোই যেন বহু অপূর্ণতার জায়গা পূরণ করেছে। পরিবার আবার নতুন করে অর্থ পেয়েছে, সম্পর্ক পেয়েছে অন্য রকম এক গভীরতা।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কেরিয়ার নিজেই একটি দীর্ঘ যাত্রাপথ। আশির দশকের রোমান্টিক নায়ক থেকে নব্বইয়ের সুপারস্টার, তারপর নিজেকে ভেঙে গড়া এক পরিণত অভিনেতা—এই রূপান্তরের পেছনে বাবার প্রভাব অস্বীকার করা যায় না। তিনি বারবার বলেছেন, জনপ্রিয়তা নয়, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব—এই শিক্ষাই তিনি পেয়েছেন বাবার কাছ থেকে।
বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় নিজেও একাধিক সাক্ষাৎকারে ছেলের সাফল্য নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন। হয়তো সব কথা মুখে বলা হয়নি, হয়তো সব অভিমান মুছে যায়নি, কিন্তু রক্তের সম্পর্কের গভীরতা সেখানে অটুট থেকেছে। বাবার জন্মদিনে সেই শৈশবের ছবি শেয়ার করা যেন সেই নীরব অনুভূতিরই প্রকাশ।
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে প্রসেনজিৎ শুধু একজন অভিনেতা নন, তিনি বাংলা সিনেমার একটি প্রতিষ্ঠান। আবার সেই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর গাঁথা ছিল বাবার হাত ধরেই। তাই এই জন্মদিনের পোস্ট শুধুই একটি সামাজিক মাধ্যমের আপডেট নয়, এটি দুই প্রজন্মের শিল্পীজীবনের সংযোগস্থল।
টলিপাড়ার অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এই ছবি ও পোস্ট যেন মনে করিয়ে দেয়—তারকাদের জীবনেও সম্পর্কের গল্প ঠিক আমাদেরই মতো। ভুল বোঝাবুঝি আছে, দূরত্ব আছে, আবার ভালোবাসা ও সম্মানও আছে। প্রসেনজিতের এই পোস্ট তাই শুধুই ব্যক্তিগত নয়, তা অনেকের কাছেই আবেগের।
বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে এই মুহূর্তে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে টলিউড যেন একসঙ্গে ফিরে তাকাল তার অতীতে, স্মরণ করল সেই সময়কে, যখন রুপোলি পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মানেই ছিল আলাদা এক আকর্ষণ। আর সেই উত্তরাধিকার বহন করেই আজও সমান সম্মানের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন তাঁর পুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়—বাংলা ও হিন্দি, দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই।
শেষ পর্যন্ত বলা যায়, সময় অনেক কিছু বদলায়, কিন্তু শিকড় বদলায় না। বাবার জন্মদিনে এক ফ্রেমে ধরা পড়া সেই শৈশবের মুহূর্তই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।