Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

নির্বিঘ্ন যাত্রার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে গঙ্গাসাগর মেলার জন্য ফ্রন্টলাইন কর্মীদের জোর প্রস্তুতি

গঙ্গাসাগর মেলা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী এই মেলায় অংশগ্রহণ করতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাত্রা করেন। এই বিপুল যাত্রী চাপ সামাল দিতে শিয়ালদহ ডিভিশন আগেভাগেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। যাত্রীদের যাত্রা যাতে নিরাপদ সুশৃঙ্খল এবং নির্বিঘ্ন হয় সেই লক্ষ্যেই ফ্রন্টলাইন কর্মীরা সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছেন মেলার সময় শিয়ালদহ ডিভিশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন যেমন শিয়ালদহ নামখানা লক্ষ্মীকান্তপুর ক্যানিং এবং আশপাশের স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। টিকিট কাউন্টার প্ল্যাটফর্ম ট্রেন চলাচল এবং যাত্রী সহায়তা ব্যবস্থায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। প্রবীণ মহিলা এবং শিশু যাত্রীদের সহায়তার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে তারা সহজেই যাত্রা সম্পন্ন করতে পারেন নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। আরপিএফ জিআরপি এবং বেসামরিক পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্টেশন ও ট্রেনে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যারিকেড কিউ ম্যানেজমেন্ট এবং ঘোষণার মাধ্যমে যাত্রীদের সঠিক দিশা নির্দেশ করা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কন্ট্রোল রুম এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্টেশন চত্বর এবং প্ল্যাটফর্ম নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে। পানীয় জল শৌচাগার এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে স্বেচ্ছাসেবক এবং রেলকর্মীরা একযোগে কাজ করছেন শিয়ালদহ ডিভিশনের এই সমন্বিত উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল গঙ্গাসাগর মেলায় আগত প্রত্যেক পুণ্যার্থীকে একটি নিরাপদ স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং স্মরণীয় যাত্রার অভিজ্ঞতা প্রদান করা। ফ্রন্টলাইন কর্মীদের নিষ্ঠা পরিশ্রম এবং দায়িত্ববোধের মাধ্যমেই এই বৃহৎ আয়োজন সফলভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা করা যায়

গঙ্গাসাগর মেলা ভারতের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গঙ্গাসাগরে আগমন করেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে রেলপথে যাত্রী পরিবহণের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা সমন্বয় ও মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেই দায়িত্বকে সামনে রেখে শিয়ালদহ ডিভিশন গঙ্গাসাগর মেলাকে কেন্দ্র করে আগেভাগেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। যাত্রীদের যাত্রা যেন নিরাপদ সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন হয় সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ডিভিশনের ফ্রন্টলাইন কর্মীরা সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছেন

শিয়ালদহ ডিভিশন পূর্ব ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল ডিভিশন যার আওতায় বহু গুরুত্বপূর্ণ শাখা ও স্টেশন অন্তর্ভুক্ত। গঙ্গাসাগর মেলার সময় এই ডিভিশনের উপর যাত্রী চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বহু গুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিয়ালদহ নামখানা লক্ষ্মীকান্তপুর ক্যানিং ডায়মন্ড হারবার এবং সংশ্লিষ্ট শাখা লাইনে যাত্রী সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে রেল প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে

প্রস্তুতির প্রথম ধাপ হিসেবে যাত্রী প্রবাহের সম্ভাব্য পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করা হয়। পূর্ববর্তী বছরের অভিজ্ঞতা ও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে ট্রেন পরিচালনার একটি বিস্তারিত রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। অতিরিক্ত মেলা স্পেশাল ট্রেন চালানো হয়েছে এবং নিয়মিত ট্রেন পরিষেবার সঙ্গেও সমন্বয় করা হয়েছে যাতে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে না হয়। প্রয়োজনে স্বল্প দূরত্বের শাটল পরিষেবাও চালু করা হয়েছে যাতে স্টেশনগুলিতে ভিড় কমানো যায়

ফ্রন্টলাইন কর্মীদের ভূমিকা এই পুরো ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে। স্টেশন মাস্টার টিকিট পরীক্ষক গার্ড পয়েন্টসম্যান লোকো পাইলট প্ল্যাটফর্ম কর্মী এবং নিরাপত্তা কর্মীরা মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রত্যেক কর্মীকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আগাম নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিউটির সময় কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে নিয়মিত ব্রিফিং করা হচ্ছে

স্টেশন ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিয়ালদহ ডিভিশনের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। টিকিট কাউন্টার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং ভ্রাম্যমাণ টিকিট বিক্রির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে যাতে কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন না তৈরি হয়। প্ল্যাটফর্মে যাত্রী চলাচলের জন্য পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থান পথ নির্ধারণ করা হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যারিকেড ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কর্মীরা সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন

যাত্রী সহায়তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। এই ডেস্কগুলিতে রেল কর্মীদের পাশাপাশি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছেন। ট্রেনের সময়সূচি প্ল্যাটফর্ম নম্বর যাত্রাপথ এবং সংযোগ পরিষেবা সম্পর্কে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে প্রবীণ যাত্রী মহিলা যাত্রী এবং শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সহানুভূতি ও সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে

নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আরপিএফ জিআরপি এবং স্থানীয় পুলিশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে স্টেশন ও ট্রেনগুলিতে নিয়মিত টহল চালানো হচ্ছে। সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে

ভিড় নিয়ন্ত্রণ গঙ্গাসাগর মেলার সময় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিয়ালদহ ডিভিশন এই ক্ষেত্রে আধুনিক কৌশল ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটিয়েছে। প্ল্যাটফর্মে কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কার্যকর করা হয়েছে। লাউড স্পিকারের মাধ্যমে নিয়মিত ঘোষণা করে যাত্রীদের সঠিক দিশা নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় দাঁড়িয়ে থাকা বা ভিড় জমাতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে

পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। স্টেশন চত্বর প্ল্যাটফর্ম ফুট ওভার ব্রিজ এবং ট্রেন নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত সাফাই কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পানীয় জলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং শৌচাগারগুলির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে

স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলিতে প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুত রাখা হয়েছে। হঠাৎ অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রয়োজনে নিকটবর্তী হাসপাতালে রোগী স্থানান্তরের জন্য অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা প্রস্তুত রাখা হয়েছে

গঙ্গাসাগর মেলার সময় অনেক যাত্রী প্রথমবার এই পথে যাত্রা করেন। তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য তথ্য প্রচারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পোস্টার ব্যানার এবং ঘোষণার মাধ্যমে নিরাপদ যাত্রা সম্পর্কিত বার্তা দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের ট্রেনের দরজায় ভিড় না করা চলন্ত ট্রেনে ওঠানামা না করা এবং নির্দেশ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে

news image
আরও খবর

ডিজিটাল ব্যবস্থাকেও কাজে লাগানো হয়েছে। কন্ট্রোল রুম থেকে ট্রেন চলাচল এবং স্টেশনের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান দ্রুত করার জন্য আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে

ফ্রন্টলাইন কর্মীদের মনোবল ও কর্মদক্ষতা এই বিশাল আয়োজনের অন্যতম প্রধান শক্তি। দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম সত্ত্বেও তারা দায়িত্ব পালনে অটল রয়েছেন। রেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মীদের বিশ্রাম খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে যাতে তারা সুস্থভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন

শিয়ালদহ ডিভিশনের এই প্রস্তুতি শুধু একটি মেলার জন্য নয় বরং বৃহৎ যাত্রী ব্যবস্থাপনার একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিকল্পনা শৃঙ্খলা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্যান্য বড় আয়োজনের ক্ষেত্রেও মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জিত হবে

সব মিলিয়ে বলা যায় গঙ্গাসাগর মেলাকে কেন্দ্র করে শিয়ালদহ ডিভিশনের প্রস্তুতি ব্যাপক সুসংগঠিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক। ফ্রন্টলাইন কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সমন্বিত পরিকল্পনা এবং যাত্রীদের সহযোগিতার মাধ্যমে এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশের যাত্রা ব্যবস্থা সফলভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা করা যায়। নির্বিঘ্ন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রা নিশ্চিত করাই এই প্রস্তুতির মূল লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্য পূরণে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ

মেলার সময় বহু যাত্রী দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে শিয়ালদহ ডিভিশনের অধীনে থাকা স্টেশনগুলিতে পৌঁছান। অনেকের সঙ্গে থাকে বয়স্ক পরিবার সদস্য শিশু এবং প্রচুর সামগ্রী। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে স্টেশন পরিকাঠামো ব্যবস্থাপনায় বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফুট ওভার ব্রিজ র‌্যাম্প এবং প্ল্যাটফর্ম এলাকায় কর্মীরা সক্রিয়ভাবে যাত্রীদের পথ দেখাচ্ছেন যাতে কেউ বিভ্রান্ত না হন

ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণে কন্ট্রোল অফিসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিয়ালদহ ডিভিশনের কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিকভাবে ট্রেনের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোনো ট্রেন দেরি হলে বা অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হলে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে

লোকো পাইলট ও গার্ডদের জন্যও বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ট্রেন পরিচালনার সময় গতি নিয়ন্ত্রণ স্টেশনে থামার সময়সীমা এবং যাত্রী ওঠানামার বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। যাত্রী নিরাপত্তাকে সর্বাগ্রে রেখে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত বিশ্রামের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে যাতে কর্মীরা ক্লান্ত হয়ে না পড়েন

গঙ্গাসাগর মেলার সময় তথ্য আদানপ্রদান একটি বড় চ্যালেঞ্জ। শিয়ালদহ ডিভিশন এই ক্ষেত্রে একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করছে। স্টেশনে ঘোষণার পাশাপাশি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডের মাধ্যমে ট্রেন সংক্রান্ত তথ্য আপডেট করা হচ্ছে। যাত্রীদের মধ্যে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে অফিসিয়াল ঘোষণার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা এই আয়োজনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং রেল প্রশাসনের সমন্বয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে। তারা যাত্রীদের লাগেজ বহনে সাহায্য করা পথ নির্দেশ করা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন। এই মানবিক সহায়তা যাত্রীদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করছে

 

 

Preview image