পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসী ১ নম্বর ব্লকের কৃষ্ণরামপুর গ্রামে আয়োজিত এক হৃদয়গ্রাহী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘিরে অঞ্চলজুড়ে তৈরি হয় সামাজিক সম্প্রীতি, উন্নয়নচিন্তা ও সৌহার্দ্যের আবহ। তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সক্রিয় ও মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিত জেলা সংখ্যালঘু সভাপতি জনাব জাকির হোসেন-কে সংবর্ধনা জানালেন সুশিল বাউরী সমাজ এবং বাউরী পাড়া প্রগতি সংঘ। গ্রামের মানুষ, যুবসমাজ, সমাজসেবী ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব একত্রিত হয়ে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, যা রূপ নেয় এক সামাজিক উৎসবে। গ্রামের সাধারণ মানুষের উপস্থিতি থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও শ্রদ্ধা কতটা গভীরভাবে সমাজের মাটিতে প্রোথিত। অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন গলসী ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস এসসি ও ওবিসি সেলের সভাপতি জনাব স্বপন কুমার বাউরী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজের অনগ্রসর ও প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে—শিক্ষার বিস্তার, সামাজিক সমতা, সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছ প্রসার এবং সাধারণ মানুষের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা। তিনি বলেন, সমাজের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নত না হলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে এসসি, ওবিসি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে দল যে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, তা আরও শক্তিশালী করার কথা তিনি তুলে ধরেন।
পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সভাপতি জনাব জাকির হোসেন-কে এক অনাড়ম্বর কিন্তু হৃদ্যতাপূর্ণ সংবর্ধনা জানালেন গলসী ১ নম্বর ব্লকের কৃষ্ণরামপুর গ্রামের সুশিল বাউরী সমাজ এবং বাউরী পাড়া প্রগতি সংঘ।
গ্রামের মানুষ, রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় সমাজকর্মী—সকলের উপস্থিতিতে এই ছোট্ট গ্রামটি রবিবার বিকেলে রূপ নিল এক মিলনমেলা ও সামাজিক সৌহার্দ্যের উৎসবে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুধু একজন নেতৃত্বকে সম্মান জানানো হয়নি, বরং সমাজ, উন্নয়ন, ঐক্য ও সহযোগিতার মূল্যবোধকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানটি কৃষ্ণরামপুর গ্রামে বহু বছর স্মরণীয় হয়ে থাকবে, কারণ রাজনীতি এবং সমাজ একসঙ্গে মিলিত হয়ে মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করল। নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের গুরুত্ব, বক্তব্য, পরিবেশ এবং সামাজিক বার্তা।
এদিনের সংবর্ধনা গ্রহণ করে জনাব জাকির হোসেন আবেগঘন ভাষায় জানান যে এই সম্মান তাঁকে আরও দায়িত্ববান করে তুলেছে। তিনি বলেন—
“মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। যে বিশ্বাস আপনারা আমার উপর রেখেছেন, তা রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আগামিদিনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়ন, শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, এলাকার স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, এবং যুবসমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে আরও বেশি আন্তরিকভাবে কাজ করব।”
জাকির হোসেন আরও বলেন যে রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়; বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হলো প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়। তিনি তুলে ধরেন সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প—যেমন শিক্ষার উন্নয়ন, কন্যাশ্রী-রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী প্রভৃতি—যা ইতিমধ্যেই বহু পরিবারের জীবনে উন্নতি আনছে। তাঁর বক্তব্যে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও দায়িত্ববোধের ছাপ ছিল স্পষ্ট।
গ্রামবাসীর মধ্যে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকে গ্রামের মানুষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুরু করেন। মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল সমানভাবে উল্লেখযোগ্য, যা প্রমাণ করে সমাজের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষই এই সংবর্ধনাকে নিজের মতো করে গুরুত্ব দিয়েছেন। অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রতিটি অংশে ছিল সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব এবং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধার অনুভূতি।
আয়োজক সংগঠন সুশিল বাউরী সমাজ এবং বাউরী পাড়া প্রগতি সংঘ বহুদিন ধরে সমাজসেবা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং জনহিতকর কর্মকাণ্ডে যুক্ত। এদিনের সংবর্ধনাও তাদের ঐক্য, পরিকল্পনা এবং দায়িত্ববোধের একটি বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা জানান, সমাজে সাম্য, উন্নয়ন ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে এ ধরনের অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানের সজ্জা, বসার জায়গা, মাইক ব্যাবস্থা, সুষ্ঠু পরিচালনা—সব মিলিয়ে আয়োজন ছিল সফল ও প্রশংসনীয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় বার্তা ছিল—মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতা এবং নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থা। রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব যদি সাধারণ মানুষের সমস্যায় পাশে থাকে, যদি তাদের কথা শোনে এবং সমাধান করতে এগিয়ে আসে, তাহলে সমাজ স্বাভাবিকভাবেই ঐক্যবদ্ধ হয়।
আজকের এই অনুষ্ঠান তারই প্রমাণ। জাকির হোসেন ও স্বপন কুমার বাউরীর কথায় সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বার্তা পাওয়া গেছে, যা স্থানীয় মানুষের মনোভাব ও প্রত্যাশার সঙ্গে মিল রেখে চলে।
কৃষ্ণরামপুর গ্রামবাসী মনে করেন—এ ধরনের অনুষ্ঠান জনগণকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে এবং নেতাদের কাছেও তুলে ধরে মানুষের বাস্তব সমস্যা, আশা ও চাহিদা।
অনেকেই জানান—
“জাকির সাহেব মানুষের সমস্যায় পাশে দাঁড়ান। তাই তাঁকে সম্মান জানাতে পেরে আমরা খুশি। সমাজের উন্নয়ন করতে গেলে নেতৃত্বকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয়। আজকের অনুষ্ঠান সেই সম্পর্ককে আরও গভীর করে দিল।”
অনুষ্ঠানটিকে কেন্দ্র করে রাজনীতি, সমাজ ও জনসাধারণের মধ্যে একটি সুন্দর যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ নয়, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত অর্থবহ।
গ্রামে উন্নয়নমূলক কাজ, শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, রাস্তাঘাট, পানীয়জল, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা—এসব বিষয়েও আলোচনা উঠে এসেছে।
সবার লক্ষ্য—গ্রাম যেন আরও উন্নত, শান্তিপূর্ণ এবং স্বনির্ভর হয়।
সার্বিকভাবে বলতে গেলে, ২০২৫ সালের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান কৃষ্ণরামপুর গ্রামে এক নতুন উদ্দীপনা, ঐক্যবদ্ধ মনোভাব এবং সমাজ উন্নয়নের বার্তা এনে দিয়েছে।
মানুষের আবেগ, সংগঠনের নিষ্ঠা, নেতৃত্বের বিনয় এবং উন্নয়নচিন্তার সমন্বয়ে এই অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠেছে পূর্ব বর্ধমানের একটি স্মরণীয় সামাজিক-রাজনৈতিক ঘটনা।
সংবর্ধনার মূল উদ্দেশ্য ছিল—
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে নিয়মিত কাজ করে যাওয়ায় জাকির হোসেন মহাশয়কে সম্মান জানানো
সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সংযোগকে আরও দৃঢ় করা
গ্রামবাসীর আশা, চাহিদা ও সমস্যাগুলিকে সামনে তুলে ধরা
সমাজে সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার বার্তা দেওয়া
সুশিল বাউরী সমাজ এবং বাউরী পাড়া প্রগতি সংঘের তরফে জানানো হয়—
“আমরা শুধু রাজনৈতিকভাবে নয়, সামাজিকভাবেও আমাদের গ্রামের উন্নয়ন চাই। জাকির হোসেন সাহেব নিয়মিতভাবে মানুষের পাশে থাকেন, তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন, এবং প্রশাসনের কাছে তা তুলে ধরেন। তাই তাঁকে সম্মান জানানো আমাদের কর্তব্য।”
অনুষ্ঠানে অন্যতম বিশেষ উপস্থিতি ছিলেন গলসী ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের এসসি ও ওবিসি সেলের সভাপতি জনাব স্বপন কুমার বাউরী।
তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন—
“আমাদের সমাজের প্রান্তিক মানুষ এখনও অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের উন্নয়ন করতে হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সরকারি পরিকল্পনার সুবিধা—সবকিছুই মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রকল্প আজ হাজারো মানুষকে সাহায্য করেছে। এই কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”
স্বপন কুমার বাউরী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন—
সবাইকে চাকরি ও শিক্ষায় সমান সুযোগ দিতে হবে
দলিত, আদিবাসী, ও অন্যান্য অনগ্রসর সম্প্রদায়ের উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে
দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সমাজকে একজোট হতে হবে
তাঁর বক্তব্যে একদিকে যেমন বাস্তব সমস্যার কথা উঠে আসে, তেমনই অন্যদিকে সমাধানের রূপরেখাও স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।
সংবর্ধনা গ্রহণের পর জাকির হোসেন আবেগঘন কণ্ঠে বলেন—
“আমাকে যে সম্মান, ভালোবাসা আর বিশ্বাস আপনারা দেখিয়েছেন, এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কিছু নেই। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আগামী দিনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আরও বেশি পরিশ্রম করব।”
তিনি আরও বলেন—
“রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতা নয়। রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। মানুষের সমস্যা সমাধান করা। আজকের এই সংবর্ধনা আমাকে আরও দায়িত্ববান করে তুলল।”
জাকির হোসেন উল্লেখ করেন—
অঞ্চলে স্কুলের উন্নতি,
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তার বাড়ানো,
রাস্তা, সেচব্যবস্থা, পানীয়জলের মতো পরিষেবা উন্নত করা,
এবং যুবসমাজকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে বিশেষ উদ্যোগ
—এসবের উপর তাঁর দল কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিকল্পনা রয়েছে।
গ্রামের মানুষ অনুষ্ঠানস্থলে ভিড় করেন দুপুর থেকেই।
মহিলা, পুরুষ, যুবক, প্রবীণ সকলেই মিলেমিশে এই সংবর্ধনাকে পরিণত করেন এক সামাজিক উৎসবে।
গ্রামবাসীরা বলেন—
“জাকির সাহেব মানুষের পাশে থাকেন। যেকোনো সমস্যায় সমাধানের পথ খোঁজেন। তাই তাঁকে আজ আমরা সম্মান দিতে পেরে গর্বিত।”
আরও অনেকে জানান—
“এই ধরনের অনুষ্ঠান সমাজকে এক করে। আমরা অনুভব করি যে নেতারা শুধু ওপরের স্তরে নেই, বরং আমাদের পাশেই আছেন।”
সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ এবং আবেগঘন এই অনুষ্ঠানটি গ্রামের পরিবেশকে আনন্দে ভরিয়ে তোলে।
সুশিল বাউরী সমাজ এবং বাউরী পাড়া প্রগতি সংঘ বহুদিন ধরেই সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত।
এই সংবর্ধনাও তাদের ঐক্য ও নিষ্ঠার একটি সুন্দর উদাহরণ।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে ছিল—
সজ্জা
মাইক ও ব্যানার
বসার ব্যবস্থা
নিরাপত্তা
সকলকে খাবার পরিবেশন
অতিথিদের আপ্যায়ন
সব মিলিয়ে পুরো আয়োজন নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়।
এই সংবর্ধনা শুধু রাজনীতি নয়, বরং সমাজকে নতুন বার্তা দেয়—
নেতৃত্বের প্রতি সম্মান
সাধারণ মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ
সামাজিক ঐক্য
সম্প্রীতির পরিবেশ
উন্নয়নমুখী চিন্তাধারা
সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাজকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে “মানুষের পাশে মানুষ থাকা”—এর বিকল্প নেই।