Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

লিওনেল মেসি কলকাতায় ‘বিরক্ত মেসি খিলখিলিয়ে হাসলেন হায়দরাবাদে গিয়ে বললেন ঠিক চারটি শব্দ, বড় পাওনা ফুটবলপ্রেমীদের

হায়দরাবাদে আয়োজিত লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল, যেখানে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় কোনও ঘাটতি ছিল না। এর বিপরীতে কলকাতার অনুষ্ঠানে অব্যবস্থা ও বিশৃঙ্খলার কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই কারণেই হায়দরাবাদের ইভেন্ট সফল হলেও কলকাতায় তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়।

বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসিকে এক ঝলক দেখার আকাঙ্ক্ষা ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বহুদিনের। সেই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে দেশে আয়োজন করা হয়েছিল তাঁর উপস্থিতিতে বিশেষ অনুষ্ঠান। তবে একই তারকাকে কেন্দ্র করে দুটি শহরে সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হল দেশ। হায়দরাবাদে যেখানে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠল সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, সেখানে কলকাতায় সেই একই আয়োজন পরিণত হল বিশৃঙ্খলা ও হতাশার গল্পে। এই দুই বিপরীত অভিজ্ঞতার নেপথ্যে কী কারণ, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে ক্রীড়ামহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

হায়দরাবাদের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। আয়োজক সংস্থাগুলি প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে প্রতিটি দিক পরিকল্পনা করেছিল। ভেন্যু নির্বাচন থেকে শুরু করে দর্শক প্রবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এবং মেসির যাতায়াত—সব কিছুতেই ছিল স্পষ্ট রূপরেখা। অনুষ্ঠানের দিন দেখা যায়, দর্শকদের প্রবেশের জন্য নির্দিষ্ট সময় ও গেট ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীরা সুশৃঙ্খলভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করেন এবং কোথাও অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি হতে দেননি। ফলে দর্শকরাও স্বস্তিতে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছেন। মেসির উপস্থিতি, তাঁর হাসি, সংক্ষিপ্ত বক্তব্য এবং ফুটবলপ্রেমীদের উদ্দেশে দেওয়া কয়েকটি কথা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উদযাপনের আবহ, যেখানে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর সামনে আসেনি।

এর ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা যায় কলকাতায়। ফুটবলের শহর হিসেবে পরিচিত কলকাতায় মেসির আগমন ঘিরে উন্মাদনা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু সেই উন্মাদনাকে সামলানোর মতো প্রস্তুতি যে ছিল না, তা অনুষ্ঠান শুরুর আগেই স্পষ্ট হয়ে যায়। ভেন্যুর বাইরে বিশাল ভিড় জমে ওঠে, অনেক দর্শকই জানতেন না কখন এবং কীভাবে তাঁরা প্রবেশ করতে পারবেন। টিকিট সংক্রান্ত বিভ্রান্তি, প্রবেশপথের অপ্রতুলতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ভিড়ের চাপে কোথাও কোথাও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়, যা স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

কলকাতার অনুষ্ঠানে প্রশাসন ও আয়োজকদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। একাধিক সিদ্ধান্ত শেষ মুহূর্তে বদলানো হয়, যার ফলে সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে মিডিয়া সকলেই বিভ্রান্ত হন। কোথাও পরিষ্কার নির্দেশনা ছিল না, কোথাও আবার নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল। এই অব্যবস্থার প্রভাব পড়ে মেসির অভিজ্ঞতার উপরও। অনুষ্ঠানের পরিবেশ যে তাঁর কাছে স্বস্তিদায়ক ছিল না, তা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে। যদিও তিনি পেশাদারিত্ব বজায় রেখে পরিস্থিতি সামাল দেন, তবু ফুটবলপ্রেমীরা প্রত্যাশিত আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন।

এই দুই শহরের অভিজ্ঞতার তুলনা করলে স্পষ্ট হয় যে বড় তারকাকে আমন্ত্রণ জানানোই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন নিখুঁত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন। হায়দরাবাদে আয়োজকরা দর্শকের সংখ্যা অনুমান করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে জরুরি পরিষেবা প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। অন্যদিকে কলকাতায় উন্মাদনার মাত্রা ঠিকভাবে আন্দাজ করা হয়নি, ফলে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের তারকাকে ঘিরে অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে স্থানীয় আবেগের পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি।

কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের হতাশা তাই স্বাভাবিক। বহু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে এসেছিলেন শুধুমাত্র তাঁদের প্রিয় তারকাকে এক ঝলক দেখার জন্য। কিন্তু বিশৃঙ্খলার কারণে অনেকেই ভেন্যুতেই ঢুকতে পারেননি। সামাজিক মাধ্যমে সেই ক্ষোভ উগরে দেন অনেকে। অন্যদিকে হায়দরাবাদের দর্শকরা নিজেদের সৌভাগ্যবান বলে মনে করছেন, কারণ তাঁরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠান উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন।

এই ঘটনার পর আয়োজক সংস্থা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভবিষ্যতে এমন আন্তর্জাতিক আয়োজন করতে হলে কীভাবে আরও ভালো প্রস্তুতি নেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সফল ইভেন্টের জন্য শুধু তারকার উপস্থিতি নয়, দর্শকের অভিজ্ঞতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা, সময়ানুবর্তিতা এবং স্বচ্ছ যোগাযোগ—এই তিনটি বিষয়ের অভাব হলেই বড় আয়োজন ব্যর্থ হতে পারে।

লিওনেল মেসির মতো তারকা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থকের আবেগের প্রতীক। তাঁর উপস্থিতি মানেই বিশাল ভিড় এবং তীব্র উন্মাদনা। সেই উন্মাদনাকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করার দায়িত্ব আয়োজকদের। হায়দরাবাদ সেই পরীক্ষায় সফল হলেও কলকাতা ব্যর্থ হয়েছে, এমনটাই মত অনেকের। তবে এই ব্যর্থতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো আয়োজন সম্ভব, সেটাই আশা ফুটবলপ্রেমীদের।

সব মিলিয়ে বলা যায়, একই তারকাকে কেন্দ্র করে দুই শহরের দুই ভিন্ন অভিজ্ঞতা ভারতের ক্রীড়া আয়োজনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। হায়দরাবাদের সাফল্য প্রমাণ করেছে সঠিক পরিকল্পনা থাকলে আন্তর্জাতিক মানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব। আর কলকাতার বিশৃঙ্খলা মনে করিয়ে দিয়েছে যে আবেগের পাশাপাশি প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা। লিওনেল মেসির এই সফর তাই শুধু স্মরণীয় মুহূর্তই নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাও দিয়ে গেল দেশের ক্রীড়া জগতকে।

news image
আরও খবর

বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসিকে এক ঝলক দেখার আকাঙ্ক্ষা ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বহুদিনের। সেই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে দেশে আয়োজন করা হয়েছিল তাঁর উপস্থিতিতে বিশেষ অনুষ্ঠান। তবে একই তারকাকে কেন্দ্র করে দুটি শহরে সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হল দেশ। হায়দরাবাদে যেখানে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠল সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, সেখানে কলকাতায় সেই একই আয়োজন পরিণত হল বিশৃঙ্খলা ও হতাশার গল্পে। এই দুই বিপরীত অভিজ্ঞতার নেপথ্যে কী কারণ, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে ক্রীড়ামহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

হায়দরাবাদের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। আয়োজক সংস্থাগুলি প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে প্রতিটি দিক পরিকল্পনা করেছিল। ভেন্যু নির্বাচন থেকে শুরু করে দর্শক প্রবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এবং মেসির যাতায়াত—সব কিছুতেই ছিল স্পষ্ট রূপরেখা। অনুষ্ঠানের দিন দেখা যায়, দর্শকদের প্রবেশের জন্য নির্দিষ্ট সময় ও গেট ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীরা সুশৃঙ্খলভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করেন এবং কোথাও অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি হতে দেননি। ফলে দর্শকরাও স্বস্তিতে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছেন। মেসির উপস্থিতি, তাঁর হাসি, সংক্ষিপ্ত বক্তব্য এবং ফুটবলপ্রেমীদের উদ্দেশে দেওয়া কয়েকটি কথা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উদযাপনের আবহ, যেখানে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর সামনে আসেনি।

এর ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা যায় কলকাতায়। ফুটবলের শহর হিসেবে পরিচিত কলকাতায় মেসির আগমন ঘিরে উন্মাদনা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু সেই উন্মাদনাকে সামলানোর মতো প্রস্তুতি যে ছিল না, তা অনুষ্ঠান শুরুর আগেই স্পষ্ট হয়ে যায়। ভেন্যুর বাইরে বিশাল ভিড় জমে ওঠে, অনেক দর্শকই জানতেন না কখন এবং কীভাবে তাঁরা প্রবেশ করতে পারবেন। টিকিট সংক্রান্ত বিভ্রান্তি, প্রবেশপথের অপ্রতুলতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ভিড়ের চাপে কোথাও কোথাও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়, যা স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

কলকাতার অনুষ্ঠানে প্রশাসন ও আয়োজকদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। একাধিক সিদ্ধান্ত শেষ মুহূর্তে বদলানো হয়, যার ফলে সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে মিডিয়া সকলেই বিভ্রান্ত হন। কোথাও পরিষ্কার নির্দেশনা ছিল না, কোথাও আবার নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল। এই অব্যবস্থার প্রভাব পড়ে মেসির অভিজ্ঞতার উপরও। অনুষ্ঠানের পরিবেশ যে তাঁর কাছে স্বস্তিদায়ক ছিল না, তা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে। যদিও তিনি পেশাদারিত্ব বজায় রেখে পরিস্থিতি সামাল দেন, তবু ফুটবলপ্রেমীরা প্রত্যাশিত আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন।

এই দুই শহরের অভিজ্ঞতার তুলনা করলে স্পষ্ট হয় যে বড় তারকাকে আমন্ত্রণ জানানোই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন নিখুঁত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন। হায়দরাবাদে আয়োজকরা দর্শকের সংখ্যা অনুমান করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে জরুরি পরিষেবা প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। অন্যদিকে কলকাতায় উন্মাদনার মাত্রা ঠিকভাবে আন্দাজ করা হয়নি, ফলে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের তারকাকে ঘিরে অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে স্থানীয় আবেগের পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি।

কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের হতাশা তাই স্বাভাবিক। বহু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে এসেছিলেন শুধুমাত্র তাঁদের প্রিয় তারকাকে এক ঝলক দেখার জন্য। কিন্তু বিশৃঙ্খলার কারণে অনেকেই ভেন্যুতেই ঢুকতে পারেননি। সামাজিক মাধ্যমে সেই ক্ষোভ উগরে দেন অনেকে। অন্যদিকে হায়দরাবাদের দর্শকরা নিজেদের সৌভাগ্যবান বলে মনে করছেন, কারণ তাঁরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠান উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন।

এই ঘটনার পর আয়োজক সংস্থা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভবিষ্যতে এমন আন্তর্জাতিক আয়োজন করতে হলে কীভাবে আরও ভালো প্রস্তুতি নেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সফল ইভেন্টের জন্য শুধু তারকার উপস্থিতি নয়, দর্শকের অভিজ্ঞতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা, সময়ানুবর্তিতা এবং স্বচ্ছ যোগাযোগ—এই তিনটি বিষয়ের অভাব হলেই বড় আয়োজন ব্যর্থ হতে পারে।

লিওনেল মেসির মতো তারকা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থকের আবেগের প্রতীক। তাঁর উপস্থিতি মানেই বিশাল ভিড় এবং তীব্র উন্মাদনা। সেই উন্মাদনাকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করার দায়িত্ব আয়োজকদের। হায়দরাবাদ সেই পরীক্ষায় সফল হলেও কলকাতা ব্যর্থ হয়েছে, এমনটাই মত অনেকের। তবে এই ব্যর্থতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো আয়োজন সম্ভব, সেটাই আশা ফুটবলপ্রেমীদের।

সব মিলিয়ে বলা যায়, একই তারকাকে কেন্দ্র করে দুই শহরের দুই ভিন্ন অভিজ্ঞতা ভারতের ক্রীড়া আয়োজনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। হায়দরাবাদের সাফল্য প্রমাণ করেছে সঠিক পরিকল্পনা থাকলে আন্তর্জাতিক মানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব। আর কলকাতার বিশৃঙ্খলা মনে করিয়ে দিয়েছে যে আবেগের পাশাপাশি প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা। লিওনেল মেসির এই সফর তাই শুধু স্মরণীয় মুহূর্তই নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাও দিয়ে গেল দেশের ক্রীড়া জগতকে।

Preview image