Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা মোবাইলে ঢুকতেই চওড়া হাসি মহিলাদের মুখে কৃষ্ণগঞ্জে শুভ উদ্বোধন

কৃষ্ণগঞ্জ বিডিও অফিসের কমিউনিটি হলে ভার্চুয়ালি অন্নপূর্ণা যোজনার শুভ উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রথম দিনেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতেই খুশির হাওয়া মহিলাদের মধ্যে  ১০০ জন গ্রাহকের হাতে তুলে দেওয়া হয় সংশয়পত্র।

রাজ্য সরকারের নতুন সামাজিক প্রকল্প “অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার” নিয়ে শুরু থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছিল। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল অন্নপূর্ণা যোজনার কার্যক্রম। কৃষ্ণগঞ্জ বিডিও অফিসের কমিউনিটি হলে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। একই সময়ে গোটা রাজ্য জুড়েই এই প্রকল্পের সূচনা করা হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস, কৃষ্ণগঞ্জের বিডিও, কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বিরোধী দলনেতা সহ ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। সরকারি আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল যথেষ্ট উৎসবমুখর।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ থেকেই উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা প্রকল্পের আর্থিক সহায়তার টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। মোবাইলে টাকা ঢোকার মেসেজ আসতেই বহু মহিলার মুখে ফুটে ওঠে চওড়া হাসি। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা বহু পরিবারের কাছে এই প্রকল্প যেন নতুন আশার আলো হয়ে উঠেছে।

অনুষ্ঠানে কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস এবং বিডিও অফিসের আধিকারিকদের হাত ধরে মোট ১০০ জন উপভোক্তার হাতে অন্নপূর্ণা যোজনার সংশয়পত্র তুলে দেওয়া হয়। সংশয়পত্র হাতে পাওয়ার পর মহিলাদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ কেউ বলেন, সংসারের খরচ সামলাতে এই টাকা অনেকটাই সাহায্য করবে।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় মহিলাদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস বলেন, “আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। আমরা মাত্র এক মাসের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি। আজ মহিলাদের হাতে সেই টাকা পৌঁছে গিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিরোধীরা বলেছিল বিজেপি ভাওতা দিচ্ছে। কিন্তু মানুষ আজ নিজের চোখে দেখছেন যে আমরা কথার খেলাপ করি না। বিরোধীরা অনেক কিছুই বলবে, তবে তাদের কথায় কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, “সামনে এমন একটা সময় আসছে যখন তৃণমূল দলটাই থাকবে না।” তার এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

বর্তমান সময়ে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প সাধারণ মানুষের জীবনে বড়সড় প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে একের পর এক প্রকল্প চালু করছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় এবার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল “অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার” প্রকল্প। প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ঘিরে এদিন কৃষ্ণগঞ্জ বিডিও অফিসের কমিউনিটি হলে ছিল উৎসবের আবহ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়াল মাধ্যমে গোটা রাজ্যজুড়ে একযোগে এই প্রকল্পের সূচনা করেন। একই সময়ে কৃষ্ণগঞ্জেও সরকারি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস, কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বিরোধী দলনেতা সহ বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান এবং অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সরকারি কর্মসূচিকে ঘিরে সকাল থেকেই বিডিও অফিস চত্বরে উপভোক্তাদের ভিড় চোখে পড়ে। বহু মহিলা উপভোক্তা হাতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রশাসনের তরফে তাদের বসার ব্যবস্থা ও বিভিন্ন তথ্য জানিয়ে সহযোগিতা করা হয়।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলির মহিলাদের আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া। সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, বাজারদর বৃদ্ধি, সন্তানদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ব্যয় সামলাতে যাতে মহিলারা কিছুটা সাহায্য পান, সেই লক্ষ্য নিয়েই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

এদিনের অনুষ্ঠানে কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকদের হাত ধরে মোট ১০০ জন উপভোক্তার হাতে অন্নপূর্ণা যোজনার সংশয়পত্র তুলে দেওয়া হয়। সংশয়পত্র হাতে পেয়েই মহিলাদের মুখে ফুটে ওঠে চওড়া হাসি। অনেকেই মোবাইলে টাকা ঢোকার মেসেজ দেখিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ বলেন, এই আর্থিক সহায়তা পেলে সংসারের অনেক সমস্যার সমাধান হবে। বিশেষ করে যেসব পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী সদস্যের আয় সীমিত, তাদের কাছে এই প্রকল্প অনেক বড় সহায়তা।

স্থানীয় এক মহিলা উপভোক্তা জানান, “বর্তমান বাজারে সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে উঠেছে। চাল, ডাল, তেল থেকে শুরু করে প্রতিদিনের জিনিসের দাম বেড়েই চলেছে। এই টাকা পেলে অন্তত সংসারের কিছু খরচ সামলানো সহজ হবে।” আরেকজন বলেন, “সরকার যদি নিয়মিত এই সহায়তা দেয়, তাহলে আমাদের মতো সাধারণ পরিবারের অনেক উপকার হবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস বলেন, “আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি। আজ উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের জন্য যা বলি, তা আমরা করে দেখাই।”

news image
আরও খবর

তিনি আরও বলেন, “বিরোধীরা নানা সময়ে বলেছিল বিজেপি ভাওতা দিচ্ছে। কিন্তু আজ সাধারণ মানুষ নিজের চোখে দেখছেন যে আমরা কাজ করছি। বিরোধীদের কথায় কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই।” পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক মন্তব্য করে দাবি করেন যে ভবিষ্যতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসবে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত প্রথম পর্যায়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক উপভোক্তাদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে যুক্ত করা হবে। অফলাইন এবং অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। যাঁরা এখনও আবেদন করতে পারেননি, তাঁরাও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

ব্লক প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে সহজেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন এবং কোনও রকম বিভ্রান্তির শিকার না হন, তার জন্য সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন ক্যাম্পের মাধ্যমেও আবেদন গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এই প্রকল্প চালু হওয়ার পর কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের বহু মহিলার মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত এই আর্থিক সহায়তা পেলে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানো কিছুটা সহজ হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার নিম্ন আয়ের পরিবারগুলির কাছে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 

রাজ্য সরকারের নতুন জনমুখী প্রকল্প “অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার” ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ক্রমশ বাড়ছে। কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে এই প্রকল্পের সূচনা হওয়ার পর থেকেই বহু মহিলা উপভোক্তার মুখে দেখা গিয়েছে স্বস্তির হাসি। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রকল্প আগামী দিনে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রকল্প হিসেবে উঠে আসতে পারে। বিশেষ করে মহিলাদের আর্থিক সুরক্ষা এবং পরিবারভিত্তিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প বড় ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

কৃষ্ণগঞ্জ বিডিও অফিসের কমিউনিটি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস, ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক, পঞ্চায়েত প্রতিনিধিসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিতে সকাল থেকেই বহু মহিলা ভিড় জমান বিডিও অফিস চত্বরে।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এই টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। প্রথম দিনেই বহু মহিলার মোবাইলে টাকা ঢোকার মেসেজ পৌঁছাতেই তাঁদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি। সংসারের দৈনন্দিন খরচ সামলাতে এই সহায়তা অনেকটাই কাজে লাগবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

এদিন মোট ১০০ জন উপভোক্তার হাতে অন্নপূর্ণা যোজনার সংশয়পত্র তুলে দেওয়া হয়। সংশয়পত্র হাতে পেয়ে মহিলাদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই বলেন, বর্তমান বাজারদর এবং সংসারের বাড়তি খরচের মধ্যে এই প্রকল্প তাদের কাছে অনেক বড় সহায়তা হয়ে উঠবে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলির মহিলারা এই প্রকল্প থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয় মহিলাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তা পেলে পরিবারের খাদ্য, পড়াশোনা এবং অন্যান্য জরুরি খরচ সামলানো অনেকটাই সহজ হবে। অনেকেই মনে করছেন, এই প্রকল্প ভবিষ্যতে মহিলাদের আর্থিকভাবে আরও আত্মনির্ভর করে তুলবে।

বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস অনুষ্ঠানে বলেন, সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মানুষের কল্যাণে সরকার সবসময় কাজ করছে এবং আগামী দিনেও আরও উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করা হবে। পাশাপাশি তিনি বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিয়ে বলেন, মানুষ এখন নিজের চোখে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। অফলাইন এবং অনলাইন— দুই মাধ্যমেই আবেদন গ্রহণ করা হবে। যাঁরা এখনও আবেদন করতে পারেননি, তাঁরাও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করতে পারবেন। ব্লক প্রশাসনের তরফে বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচারও শুরু হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন।

কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে যেভাবে সাধারণ মানুষের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ দেখা গিয়েছে, তাতে প্রশাসনিক মহল মনে করছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প আগামী দিনে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। মহিলাদের আর্থিক সুরক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

 

Preview image