Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সংসারের হাল ধরতে ক্রিকেটার হওয়া হয়নি বাবার দেনা মেটাতে বড় মূল্য দিতে হয়েছিল এখন কী করেন রেখার জামাইবাবু

খেলোয়াড় কোটায় ব্যাঙ্কের কর্মচারী পদে চাকরি পেয়েছিলেন রেখার জামাইবাবু। কিন্তু সেই বেতনে পাঁচ সদস্যের পরিবারের খরচ বহন করতে পারছিলেন না তিনি। অন্য দিকে, বাবার দেনার দায়েও সংসারের অবস্থা ছিল সঙ্গিন। তখনই বাধ্য হয়ে কেরিয়ার নিয়ে বাজি খেলতে হয়েছিল তাঁকে।

রেখার জামাইবাবু তেজ সপ্রু: বলিউডে পারিবারিক ঐতিহ্য থাকলেও কেন ছোটপর্দাই ভরসা?

বলিউডের ইতিহাসে এমন অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীর নাম রয়েছে, যাঁদের পারিবারিক শিকড় চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কেউ সেই ঐতিহ্য ধরে রেখে সুপারস্টার হয়েছেন, আবার কেউ বা দীর্ঘ সংগ্রামের পরও কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের মুখ দেখেননি। এমনই এক অভিনেতার নাম তেজ সপ্রু। বলিউডের নামকরা পরিবারে জন্ম, সম্পর্কের সূত্রে তিনি বলিউডের চিরসবুজ সুন্দরী অভিনেত্রী রেখার জামাইবাবু— তবুও বড়পর্দায় নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত উপার্জনের জন্য তাঁকে ভরসা রাখতে হয়েছে ছোটপর্দা তথা টেলিভিশনের উপর।

বলিউডের ডাকসাইটে সুন্দরী অভিনেত্রীদের তালিকায় এখনও প্রথম সারিতে রয়েছেন রেখা। বয়স সত্তরের কোঠা পেরিয়ে গেলেও তাঁর জনপ্রিয়তা, ব্যক্তিত্ব এবং রহস্যময় আকর্ষণ এখনও দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখে। কিন্তু একই পরিবারের সঙ্গে যুক্ত তেজ সপ্রুর জীবনের গল্প যেন সম্পূর্ণ অন্যরকম। তিনি অভিনেতা, প্রতিভাবান, চলচ্চিত্র পরিবারে বড় হওয়া— তবুও বলিউডে ধারাবাহিক কাজ পাননি। এই বৈপরীত্যই তেজ সপ্রুর জীবনকে আলাদা করে তোলে।

১৯৫৫ সালের এপ্রিলে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে জন্ম তেজ সপ্রুর। জন্ম থেকেই তিনি যেন সিনেমার পরিবেশে বড় হয়েছেন। তাঁর বাবা ডি কে সপ্রু ছিলেন ষাটের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা। বহু ছবিতে অভিনয় করে তিনি নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন। অন্যদিকে, তেজের মা হেমবতীও ছিলেন অভিনেত্রী। ফলে ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ছিল তাঁর রক্তে।

শুধু বাবা-মা নন, তাঁর পারিবারিক বৃত্ত আরও বড়। বলিউডের বিখ্যাত খলনায়ক জীবন ছিলেন তাঁর কাকা। জীবন ছিলেন এমন এক অভিনেতা, যিনি পর্দায় খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা তৈরি করেছিলেন। তাঁর অভিনয় ছিল ভয়ঙ্কর অথচ আকর্ষণীয়। এমন একজন অভিনেতার পরিবারে বড় হওয়া তেজের কাছে অভিনয়ের পাঠ যেন জন্মগতভাবেই ছিল।

তেজ সপ্রুর দুই বোনও চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বোন প্রীতি সপ্রু একজন পরিচিত অভিনেত্রী। অন্য বোন রিমা রাকেশ নাথ পেশায় চিত্রনাট্যকার। ফলে পুরো পরিবারটাই ছিল সিনেমা ঘিরে। এখানেই শেষ নয়, তাঁর জামাইবাবু রাকেশ নাথও বলিউডের প্রযোজক-পরিচালক হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে তিনি বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন। এত বড় একটি নেটওয়ার্ক থাকা সত্ত্বেও তেজ সপ্রুর ক্যারিয়ারের পথ সহজ হয়নি।

তেজ সপ্রু বলিউডে মূলত খলনায়ক এবং পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের পরিচিতি তৈরি করেন। আশির দশক থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত তিনি বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁর চেহারা, গলা এবং অভিনয়ের ধরণ খলনায়কের চরিত্রে মানানসই ছিল। অনেক ছবিতে তিনি পুলিশ অফিসার, গুন্ডা, দুষ্কৃতী বা নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন। দর্শক তাঁকে চিনতেন, কিন্তু তিনি কখনও প্রধান অভিনেতার জায়গায় পৌঁছতে পারেননি।

বলিউডে কাজ পাওয়া যে শুধু প্রতিভার উপর নির্ভর করে না, তা তেজ সপ্রুর জীবনই প্রমাণ করে। পারিবারিক পরিচয়, সম্পর্ক— সব কিছু থাকা সত্ত্বেও তিনি ধারাবাহিকভাবে বড় সুযোগ পাননি। ধীরে ধীরে বলিউডে তাঁর কাজ কমতে শুরু করে। নতুন প্রজন্মের অভিনেতারা জায়গা নিতে থাকেন, আর পুরনো পার্শ্বচরিত্রের অভিনেতাদের কাজ কমে যায়।

এই পরিস্থিতিতে তেজ সপ্রুকে বিকল্প পথ খুঁজতে হয়। তখনই তিনি ছোটপর্দার দিকে ঝুঁকে পড়েন। টেলিভিশন সিরিয়ালে অভিনয় শুরু করেন। ছোটপর্দা তাঁকে নতুন করে বাঁচার সুযোগ দেয়। নিয়মিত কাজ, স্থায়ী আয় এবং দর্শকদের কাছে পৌঁছনোর একটি মাধ্যম হয়ে ওঠে টেলিভিশন।

অনেকেই মনে করেন, বলিউডের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকলে কাজ পাওয়া সহজ হয়। কিন্তু তেজ সপ্রুর ক্ষেত্রে বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি রেখার জামাইবাবু হলেও সেই সম্পর্ক তাঁর ক্যারিয়ারে বিশেষ প্রভাব ফেলেনি। বরং নিজের যোগ্যতা অনুযায়ীই তাঁকে লড়াই করে কাজ পেতে হয়েছে।

রেখা নিজেও বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। ব্যক্তিগত জীবন এবং ক্যারিয়ার নিয়ে বহু বিতর্ক, সংগ্রাম এবং চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সেই তুলনায় তেজ সপ্রুর ক্যারিয়ার ছিল অনেক বেশি নীরব এবং সংগ্রামমুখী।

তবে তেজ সপ্রু কখনও অভিনয় ছাড়েননি। ছোটপর্দায় অভিনয় করে তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন অভিনেতার কাছে কাজই সবচেয়ে বড় বিষয়। বড়পর্দা বা ছোটপর্দা— যেখানেই সুযোগ মিলুক, অভিনয় করে যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য। এই মানসিকতাই তাঁকে এখনও প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে।

বর্তমান সময়ে যখন অনেক পুরনো অভিনেতা কাজের অভাবে হারিয়ে যান, তখন তেজ সপ্রুর মতো অভিনেতারা ছোটপর্দায় কাজ করে নিজেদের ধরে রেখেছেন। টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি তাঁদের নতুন জীবন দিয়েছে। সিরিয়াল, ওয়েব সিরিজ এবং ছোটপর্দার বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করে তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছেন।

তেজ সপ্রুর জীবন বলিউডের একটি বাস্তব ছবি তুলে ধরে। এখানে পরিবার বা সম্পর্ক সব সময় সাফল্যের গ্যারান্টি নয়। প্রতিভা, সময়, সুযোগ এবং ভাগ্য— সব কিছুর সমন্বয়েই একজন অভিনেতা সফল হন। অনেক সময় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সঠিক সুযোগ না পেলে ক্যারিয়ার থমকে যায়।

news image
আরও খবর

রেখার মতো একজন কিংবদন্তি অভিনেত্রীর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও তেজ সপ্রুর জীবনে সেই গ্ল্যামারের ছোঁয়া তেমনভাবে পড়েনি। বরং তিনি নিজের মতো করে লড়াই করে গেছেন। তাঁর গল্প নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের জন্য একটি শিক্ষা— শুধু পরিচয় নয়, ধারাবাহিক কাজই একজন শিল্পীকে বাঁচিয়ে রাখে।

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তেজ সপ্রু হয়তো বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতা নন, কিন্তু তিনি একজন পরিশ্রমী শিল্পী। বহু বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি নিজের অস্তিত্ব বজায় রেখেছেন। ছোটপর্দার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন সত্যিকারের অভিনেতার কাছে মঞ্চের আকার বড় নয়, অভিনয়টাই বড়।

এই গল্প বলিউডের গ্ল্যামারের আড়ালে থাকা কঠিন বাস্তবকে সামনে আনে। কেউ সাফল্যের শিখরে পৌঁছান, কেউ সংগ্রামের পথে হাঁটেন— তবুও সিনেমার জগত তাঁদের জীবনের অংশ হয়ে থাকে। তেজ সপ্রু সেইসব অভিনেতাদের একজন, যাঁরা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থেকেও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
 

উপসংহার

বলিউডের ঝলমলে দুনিয়ায় সাফল্যের গল্প যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে অসংখ্য নীরব সংগ্রামের কাহিনি। তেজ সপ্রুর জীবন সেই নীরব সংগ্রামেরই এক বাস্তব উদাহরণ। নামী চলচ্চিত্র পরিবারে জন্ম, বলিউডের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক, আবার রেখার মতো কিংবদন্তি অভিনেত্রীর জামাইবাবু— সব কিছু থাকা সত্ত্বেও তিনি যে জীবনের প্রতিটি ধাপে কঠিন লড়াই করেছেন, তা তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবনের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। বলিউডে কাজ পাওয়া বা টিকে থাকা যে কতটা কঠিন, তেজ সপ্রুর জীবন তারই এক জীবন্ত দলিল।

একদিকে রেখার মতো অভিনেত্রী, যিনি বয়সের সীমানা পেরিয়েও আজও দর্শকদের কাছে সমান জনপ্রিয়, অন্যদিকে তেজ সপ্রু— যাঁকে উপার্জনের জন্য ছোটপর্দায় নিয়মিত কাজ করতে হয়েছে। এই বৈপরীত্যই দেখিয়ে দেয়, বলিউডে পারিবারিক পরিচয় বা সম্পর্ক সব সময় সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। এখানে প্রতিভা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ সঠিক সময়, সঠিক সুযোগ এবং দর্শকদের গ্রহণযোগ্যতা। অনেক সময় সব কিছু থাকা সত্ত্বেও একজন অভিনেতা কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছতে পারেন না, আবার কেউ সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতায় শীর্ষে পৌঁছে যান।

তেজ সপ্রুর ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে বোঝা যায়, তিনি কখনও কাজকে ছোট করে দেখেননি। বড়পর্দায় সুযোগ কমে যাওয়ার পর অনেক অভিনেতাই হতাশ হয়ে পড়েন বা অভিনয় জগৎ থেকে সরে যান। কিন্তু তেজ সপ্রু সেই পথ বেছে নেননি। তিনি ছোটপর্দায় অভিনয় করে নিজের ক্যারিয়ার চালিয়ে গেছেন। টেলিভিশন সিরিয়াল, পার্শ্বচরিত্র, বিভিন্ন প্রজেক্ট— সব জায়গাতেই তিনি নিজের উপস্থিতি বজায় রেখেছেন। এই মানসিকতাই তাঁকে একজন প্রকৃত শিল্পী হিসেবে আলাদা করে তোলে।

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে— বলিউডে টিকে থাকার জন্য শুধু প্রতিভা থাকলেই হয় না, প্রয়োজন ধারাবাহিকতা এবং মানসিক দৃঢ়তা। তেজ সপ্রু সেই দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি কখনও নিজেকে বড় অভিনেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেননি, বরং কাজের মাধ্যমে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। দর্শকদের কাছে তিনি হয়তো নায়ক নন, কিন্তু একজন পরিচিত মুখ, একজন দক্ষ অভিনেতা— এই পরিচয়টাই তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জন।

রেখার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তিনি কখনও সেই সম্পর্ককে নিজের ক্যারিয়ারের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেননি। বরং নিজের মতো করে পথ চলেছেন। বলিউডে এমন উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়, যেখানে পারিবারিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও কেউ নিজের লড়াই নিজেই লড়ে। তেজ সপ্রুর জীবন সেই দৃষ্টান্ত তৈরি করে।

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যখন নতুন প্রজন্মের অভিনেতারা বলিউডে জায়গা তৈরি করার স্বপ্ন দেখছেন, তখন তেজ সপ্রুর গল্প তাঁদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে। এখানে বুঝতে হবে, শুধু গ্ল্যামার নয়, এই ইন্ডাস্ট্রির পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং অসংখ্য প্রত্যাখ্যানের ইতিহাস। সাফল্য সব সময় সকলের ভাগ্যে জোটে না, কিন্তু কাজের প্রতি ভালোবাসা থাকলে একজন শিল্পী কখনও হারিয়ে যান না।

ছোটপর্দা তেজ সপ্রুকে নতুন জীবন দিয়েছে— এটা বললে ভুল হবে না। টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি বহু অভিনেতাকে দ্বিতীয় সুযোগ দিয়েছে, তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ দিয়েছে। তেজ সপ্রুও সেই সুযোগকে গ্রহণ করেছেন এবং নিজের ক্যারিয়ারকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। এই সিদ্ধান্তই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

বলিউডের চকচকে আলোয় অনেক সময় এমন অভিনেতাদের গল্প চাপা পড়ে যায়, যাঁরা নীরবে কাজ করে যান। তেজ সপ্রু সেই নীরব যোদ্ধাদের একজন। তিনি হয়তো কখনও সুপারস্টার হননি, কিন্তু তাঁর কাজ, তাঁর সংগ্রাম এবং তাঁর অধ্যবসায় তাঁকে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। একজন শিল্পীর আসল পরিচয় তাঁর কাজেই— এই সত্যই আবারও প্রমাণিত হয় তাঁর জীবনের মাধ্যমে।

সব শেষে বলা যায়, তেজ সপ্রুর জীবন আমাদের শেখায় যে, সাফল্য মানেই শুধু খ্যাতি বা অর্থ নয়। একজন শিল্পীর কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য হল কাজ করে যাওয়া, নিজের স্বপ্নকে ধরে রাখা এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাওয়া। রেখার জামাইবাবু হিসেবে নয়, বরং একজন সংগ্রামী অভিনেতা হিসেবে তেজ সপ্রু বলিউডের ইতিহাসে নিজের একটি আলাদা জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন। তাঁর এই পথচলা ভবিষ্যতের শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে, কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন— গ্ল্যামারের আড়ালে থাকা বাস্তবই একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় গড়ে তোলে।

Preview image