Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পাকিস্তানের পাশে আছি, এবার বার্তা চিনের ভারতকে লক্ষ্য করে ইসলামাবাদ কাণ্ড নিয়ে মুখ খুলল জিনপিং প্রশাসন

ভারতের দিকে আঙুল তোলার পর পাকিস্তানের পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। ইসলামাবাদ-কাণ্ড নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলল জিনপিং প্রশাসন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

পাকিস্তানের পাশে আছি, এবার বার্তা চিনের ভারতকে লক্ষ্য করে ইসলামাবাদ কাণ্ড নিয়ে মুখ খুলল জিনপিং প্রশাসন
International Affairs

গত কিছু বছর ধরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে থাকলেও, চীন এবার সরাসরি পাকিস্তানের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন এক উত্থান ঘটিয়েছে। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রশাসন পাকিস্তানের প্রতি এক দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করে ভারতকে নিয়ে ইসলামাবাদ কাণ্ডের পর এক বিবৃতি দিয়েছে, যা ভারতীয় রাজনীতির মধ্যে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এ বার্তা শুধু পাকিস্তানের প্রতি চিনের সমর্থনই নয়, বরং ভারতের দিকে তীক্ষ্ণ আঙুল তোলা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণের একটি পদক্ষেপ।

ভারত পাকিস্তান সম্পর্কের অবস্থা:

বিগত কয়েক দশক ধরে ভারত এবং পাকিস্তানের সম্পর্ক নানা ধরনের জটিলতার মধ্যে পড়েছে। কাশ্মীরের সমস্যা, সীমান্তে সংঘর্ষ, এবং সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের হুমকির পর, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পাকিস্তান বরাবরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীরের সমস্যা তুলে ধরতে চায় এবং ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমর্থন আহ্বান করে। চীন, যেটি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের বন্ধু, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক পদক্ষেপে সমর্থন জানিয়ে বারবার ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।

চিনের ভূমিকা

পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে চীন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যে অবস্থান গ্রহণ করেছে, তা একদিকে যেমন পাকিস্তানের শক্তি বৃদ্ধি করেছে, তেমনি ভারতের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। চীন এবং পাকিস্তানের মধ্যে এক সুদৃঢ় কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, যা বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের একটি নিদর্শন।

চীন, বিশ্বের এক ক্ষমতাশালী রাষ্ট্র, পাকিস্তানের পাশে থাকার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্য মোকাবিলার একটি কৌশল গ্রহণ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক সবসময়ই উত্থান পতন নির্ভর। তবে, দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চীন যেকোনো সুযোগ কাজে লাগাতে প্রস্তুত থাকে।

ইসলামাবাদ কাণ্ড

ইসলামাবাদ-কাণ্ড, যেখানে পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে সীমানা সংঘর্ষ হয়, তা ভারতীয় কূটনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। পাকিস্তান দাবি করে যে, ভারত কাশ্মীরে তাদের অধিকারকে উপেক্ষা করছে এবং সেখানে সামরিক শক্তির ব্যবহার করছে। ভারত, অপরদিকে, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে সহায়তার জন্য অভিযুক্ত করেছে এবং তাদের ওপর কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন চেয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে চীন সরাসরি পাকিস্তানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং ভারতের দিকে তীব্র আঙুল তুলেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি ছিল একেবারে পরিষ্কার  তারা পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পাকিস্তানকে সমর্থন দেওয়া হবে।

চিনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ

এখানে চিনের মূল কূটনৈতিক পদক্ষেপের দুটি দিক রয়েছে। প্রথমত, পাকিস্তানকে দৃঢ় সমর্থন জানানো, এবং দ্বিতীয়ত, ভারতকে আন্তর্জাতিক মহলে এক ধরনের চাপের মধ্যে রাখা। ভারত এবং চীনের মধ্যে সীমানা বিতর্ক এবং সীমান্ত সংঘর্ষের কারণে চীন ভারতকে এক গুরুত্বপূর্ণ উপায়ে চ্যালেঞ্জ করছে। চীন বুঝে নিয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় তার কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে হলে, পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন জানানো জরুরি।

পাকিস্তান চীন সম্পর্কের দৃঢ়তা

পাকিস্তান এবং চীনের সম্পর্ক বহুদিনের পুরানো। চীন প্রথম থেকেই পাকিস্তানকে সামরিক, অর্থনৈতিক, এবং কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে। দুই দেশের মধ্যে রয়েছে আয়রন ব্রাদার সম্পর্ক, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তান, যেটি ভারতের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে রয়েছে, চীনকে তার পাশে দেখে কৌশলগত ভাবে উপকৃত হতে চায়। পাকিস্তান চীনের সহযোগিতা পেয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে, চীন পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে, আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে। এটি ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, বিশেষত যখন ভারতের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সমঝোতার বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্দেশ্য।

ভারত এবং চীনের মধ্যকার সম্পর্ক

ভারত এবং চীনের মধ্যকার সম্পর্ক সবসময়ই একদিকে খোলামেলা তো, অন্যদিকে সংকীর্ণও ছিল। চীন দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায়, ভারতকে একাধিকার চ্যালেঞ্জের মধ্যে রাখতে চায়। কাশ্মীর এবং সীমান্ত সমস্যা ভারত এবং চীনের মধ্যে সম্পর্কের মূল সমস্যা হিসেবে থেকে গেছে। এর পাশাপাশি, চীন ভারতকে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছে এবং মাঝে মাঝে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করে তুলছে।

বর্তমানে, যখন ভারত এবং চীন দুই পক্ষই তাদের আন্তর্জাতিক সঙ্গী দেশগুলির প্রতি শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করছে, তখন চীন ভারতের প্রতি এক ধরনের সরাসরি চাপ প্রয়োগ করে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইছে। এটি ভারতীয় কূটনীতির জন্য একটি বড় পরীক্ষা হতে পারে।

news image
আরও খবর

চীন পাকিস্তান সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:

চীন এবং পাকিস্তানের মধ্যে এই সম্পর্ক শুধু আঞ্চলিক নয়, তা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। চীন যেভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দিকে এক নতুন নজর ফেলে। এটি ইউরোপ, আমেরিকা এবং অন্যান্য দেশগুলির জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যারা ভারতকে তাদের অন্যতম সহযোগী হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত।

এটি বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সমগ্র আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেতে পারে। ভারত, যে একদিকে চীন এবং পাকিস্তানের মত শক্তিশালী প্রতিবেশীদের মুখোমুখি, অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলির সহযোগিতাও পাচ্ছে, সেই পরিস্থিতিতে তাদের কূটনৈতিক নীতির পুনর্গঠন প্রয়োজন হতে পারে।

সম্প্রতি, পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আবারও একটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পর্যায়ে উঠে এসেছে, যখন পাকিস্তানের পক্ষে সরাসরি বার্তা দিতে চীন তার ভূমিকা পালন করেছে। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমাগত উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, এবং এই সময়ে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে চীন ভারতের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে। শি জিনপিংয়ের প্রশাসন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির অঙ্গনে একটি প্রধান শক্তি হিসেবে পরিচিত, এবার সরাসরি পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে, ভারতকে লক্ষ্য করে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে।

এটি প্রথমবার নয়, যখন চীন এবং পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। তবে এই সীমানা চিত্রটি এবার আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, কারণ পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা কেবল দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিয়েও আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি

ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে অস্থির ছিল, বিশেষ করে কাশ্মীরের অমীমাংসিত সমস্যা এবং সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে। পাকিস্তান চায় ভারতের সঙ্গে কাশ্মীরের সমস্যা নিয়ে আলোচনা এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান। অপরদিকে, ভারত তার আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় পাকিস্তানের ওপর যথাযথ পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে। এই পারস্পরিক বিরোধের মধ্যে চীন, পাকিস্তানের প্রাচীন মিত্র হিসেবে বারবার তাদের সমর্থন জানিয়েছে, যা ভারতীয় কূটনীতি এবং সামরিক পরিকল্পনায় বিশাল প্রভাব ফেলেছে।

বিশ্বব্যাপী নজরদারি আর কূটনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে, ইসলামাবাদ কাণ্ডের পর চীনের সরাসরি বার্তা ভারতের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে। চীন জানিয়েছে যে, তারা পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে এবং ভারতকে তার আঞ্চলিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করতে পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষত, ভারতীয় সেনাবাহিনীর দ্বারা পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টির ঘটনাগুলোর পর চীন এই সমর্থন আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের গভীরতা

চীন এবং পাকিস্তান অনেক বছর ধরে একে অপরকে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিকভাবে সহায়তা দিয়ে আসছে। ১৯৬০ সালে চীন পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অভ্যন্তরীণ অটুটতা স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পায়। এই সম্পর্ক এখন আয়রন ব্রাদার হিসেবে পরিচিত এবং বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কূটনৈতিক বন্ধুত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় চীন ও পাকিস্তান একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতের উপরে চাপ সৃষ্টি করতে চায়।

পাকিস্তান যখন কাশ্মীরের বিষয়টি আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে, তখন চীন সেটিকে সমর্থন জানিয়েছে এবং পাকিস্তানকে সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত থেকেছে। ভারতের কূটনীতির দৃষ্টিতে, চীনের এই অবস্থান আরও জটিল হয়ে উঠেছে, কারণ তারা ভারতের বিরুদ্ধে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে চায়। ভারতের সঙ্গে চীনের সীমান্ত বিতর্ক এবং একাধিক বৈরী বিষয়ও এই সম্পর্কের মধ্যে অব্যাহত থাকে, কিন্তু একই সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতি চীনের দৃঢ় সমর্থন, সেই দেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।

ইসলামাবাদ কাণ্ড চীনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ

ইসলামাবাদ-কাণ্ড, যেখানে পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে সীমানা সংঘর্ষ এবং সামরিক উত্তেজনা হয়, সেটি ছিল এক অস্থির মুহূর্ত। ভারতের কূটনৈতিক দৃষ্টিতে, এই মুহূর্তে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও একবার দুর্বল করা এবং ভারতের পক্ষ থেকে শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি ছিল। এর বিপরীতে, পাকিস্তান দাবি করেছে যে ভারত তাদের সীমান্তে অযথা সামরিক শক্তির প্রয়োগ করছে এবং এই পরিস্থিতি মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। পাকিস্তান তখন আন্তর্জাতিক সমর্থন পাওয়ার জন্য চীনকে পাশে পেয়ে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে চেষ্টা করছে।

চীন, যেটি দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের সমর্থক, এই সংকটের পর সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষে বার্তা দিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে চীন। এটি একটি সরাসরি বার্তা, যা ভারতকে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নতুন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। চীন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে পাকিস্তানের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে, এবং কাশ্মীরের বিষয়টিও আন্তর্জাতিকভাবে সমাধান হওয়া উচিত।

চীন এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের নতুন গতিপথ

চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের মধ্যে ভারতের উপস্থিতি প্রতিটি মুহূর্তেই কূটনৈতিক এবং সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভারত এবং চীনের সম্পর্ক কৌশলগত দিক থেকে একে অপরের বিরোধী অবস্থানে থাকলেও, আন্তর্জাতিক মহলে তাদের কার্যকলাপ একে অপরকে চ্যালেঞ্জ করার মধ্যে থাকছে। ভারতের প্রতিবেশী হিসেবে চীন এবং পাকিস্তান দুজনেই তাদের নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে চান এবং সেই কারণে আন্তর্জাতিক কূটনীতি আরও তীব্র হচ্ছে।

চীন বুঝতে পেরেছে যে পাকিস্তানকে সহায়তা করে তারা ভারতকে আরো চাপের মধ্যে রাখতে পারবে। ভারতের উত্তর পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলে চীনের উপস্থিতি এবং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হতে পারে, এবং চীন এই কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রতি সম্পর্ক আরও গভীর করতে পারে।

ভারতীয় কূটনীতি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ

ভারত, যে চীন এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মঞ্চে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে, এখন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে। চীন এবং পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে ভারতকে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ভারতের সরকার এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জন করতে এবং চীনের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিজেদের কূটনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় করতে কাজ করবে।

ভারতকে এখন এই নতুন বাস্তবতায় নিজেদের কৌশল ও দৃষ্টিভঙ্গি সামঞ্জস্য করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই জটিল পরিস্থিতিতে, ভারত কেবল পাকিস্তান এবং চীনের সম্পর্কের প্রতি নজর রাখবে না, বরং অন্যান্য বিশ্বশক্তির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

 

Preview image