কল্যাণী এইমসে অত্যাধুনিক CO2 লেজার ইউনিটের উদ্বোধন করা হলো এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার CSR ফান্ডে তৈরি এই পরিষেবার মাধ্যমে স্কিন রিপেয়ার ও জটিল চিকিৎসার সুযোগ পাবেন সাধারণ মানুষ একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি এইমস হাসপাতাল গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
নদীয়া জেলার কল্যাণী এইমস আবারও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে এবার কল্যাণী এইমসে উদ্বোধন করা হলো বিশেষ CO2 লেজার ইউনিটের। এই নতুন ইউনিটের মাধ্যমে স্কিনের বিভিন্ন জটিল দাগ, ক্ষত, টিউমার রিপেয়ার এবং প্লাস্টিক সার্জারির একাধিক আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সহ হাসপাতালের শীর্ষ আধিকারিকরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে ভবিষ্যতে আরও একটি এইমস হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ্যে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার চাহিদা অত্যন্ত বেশি এবং সেই চাহিদা পূরণ করতে আরও উন্নত পরিকাঠামো প্রয়োজন।
এদিনের অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া তাদের CSR বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি ফান্ডের মাধ্যমে কল্যাণী এইমসকে এই নতুন ইউনিট গড়ে তুলতে আর্থিক সহযোগিতা করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এই সহযোগিতার ফলে সাধারণ মানুষ অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবার সুবিধা পাবেন, যা এতদিন অনেকের নাগালের বাইরে ছিল।
চিকিৎসকদের মতে, নতুন CO2 লেজার প্রযুক্তি মূলত স্কিনের বিভিন্ন জটিল সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। মুখমণ্ডলের দাগ, পোড়া ক্ষত, জন্মগত স্কিন সমস্যা, টিউমার রিপেয়ার এবং নাকের বিভিন্ন গ্রোথের মতো সমস্যার চিকিৎসায় এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে হবে না এবং কম খরচে আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া সম্ভব হবে।
কল্যাণী এইমসের চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে ভারতে হাতে গোনা কয়েকটি বড় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের আধুনিক লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কলকাতার বহু হাসপাতালেও এখনও এই বিশেষ CO2 লেজার পরিষেবা চালু হয়নি। ফলে কল্যাণী এইমসে এই ইউনিট চালু হওয়া রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে লেজার প্রযুক্তির গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। স্কিন রিপেয়ার থেকে শুরু করে প্লাস্টিক সার্জারি এবং কসমেটিক ট্রিটমেন্ট— সব ক্ষেত্রেই এই প্রযুক্তি দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তবে এই ধরনের পরিষেবা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে উন্নত হাসপাতাল ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়। সেই দিক থেকে কল্যাণী এইমসের এই উদ্যোগ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “এইমস শুধুমাত্র একটি হাসপাতাল নয়, এটি সাধারণ মানুষের ভরসার জায়গা। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা যাতে বাংলার মানুষ নিজের রাজ্যের মধ্যেই পান, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ চলছে।” তিনি আরও বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ এইমস হাসপাতাল তৈরি এবং সম্পূর্ণ পরিষেবা চালু করতে সাধারণত ১০ থেকে ১২ বছর সময় লাগে। কারণ এখানে শুধু ভবন নির্মাণ নয়, চিকিৎসক নিয়োগ, গবেষণা কেন্দ্র, আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং বিশেষায়িত ইউনিট তৈরি করতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়।
তিনি স্বীকার করেন, বর্তমানে মানুষের যে পরিমাণ চিকিৎসা পরিষেবার চাহিদা রয়েছে, তা পুরোপুরি পূরণ করা এখনও সম্ভব হচ্ছে না। তবে ধাপে ধাপে পরিষেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে এবং আগামী দিনে আরও আধুনিক চিকিৎসা ইউনিট চালু হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
কল্যাণী এইমস বর্তমানে পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বহু মানুষ এখানে চিকিৎসার জন্য আসেন। বিশেষ করে কম খরচে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ থাকায় সাধারণ মানুষের কাছে এই হাসপাতালের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মতো জনবহুল রাজ্যে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ প্রতিদিন বাড়ছে। ফলে আরও AIIMS-মানের হাসপাতাল তৈরি হলে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।
রাজনৈতিক মহলেও বিজেপির রাজ্য সভাপতির “আরও একটি এইমস” মন্তব্য ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, এটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা। যদিও বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, বাংলার মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
কল্যাণী এইমসের এই নতুন ইউনিট চালু হওয়ায় চিকিৎসা মহলেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক চিকিৎসক মনে করছেন, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। কারণ বহু রোগী আর্থিক সমস্যার কারণে বড় শহরের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারেন না।
স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, কল্যাণী এইমস চালু হওয়ার পর থেকেই নদীয়া ও আশপাশের জেলার মানুষ অনেক সুবিধা পাচ্ছেন। এখন নতুন লেজার ইউনিট চালু হওয়ায় আরও আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে।
পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে আবারও এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হলো নদীয়ার কল্যাণী এইমসে। অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে এবার উদ্বোধন করা হয়েছে বিশেষ CO2 লেজার ইউনিটের। এই নতুন ইউনিট চালু হওয়ার ফলে স্কিনের বিভিন্ন জটিল দাগ, ক্ষত, টিউমার রিপেয়ার এবং মুখমণ্ডলের নানা সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা আরও সহজলভ্য হবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই পরিষেবা শুধু নদীয়া নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গের রোগীদের জন্যই বড় সুবিধা এনে দেবে।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, হাসপাতালের আধিকারিক, চিকিৎসক এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “কল্যাণী এইমস আজ শুধু বাংলার নয়, পূর্ব ভারতের অন্যতম ভরসার চিকিৎসা কেন্দ্র হয়ে উঠছে। উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।” একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি AIIMS হাসপাতাল তৈরি করা হবে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিন উদ্বোধন হওয়া CO2 লেজার ইউনিটটি তৈরি করতে আর্থিক সহযোগিতা করেছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। সংস্থার CSR বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি ফান্ড থেকে এই প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই ইউনিটে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে স্কিন রিপেয়ার, প্লাস্টিক সার্জারি এবং বিভিন্ন কসমেটিক চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে মুখমণ্ডলের দাগ, পোড়া ক্ষত, জন্মগত ত্বকের সমস্যা এবং নাকের বিভিন্ন গ্রোথ বা টিউমারের চিকিৎসায় এই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
চিকিৎসকদের মতে, বর্তমান সময়ে লেজার প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসা বিজ্ঞানে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে যেসব রোগের চিকিৎসার জন্য বড় শহরের বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হত, এখন সেই পরিষেবা সরকারি প্রতিষ্ঠানে পাওয়া গেলে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। অনেক রোগী অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেন না। ফলে AIIMS-এর মতো প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের পরিষেবা চালু হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
কল্যাণী এইমসের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে খুব কম সময়ে এবং কম জটিলতার মাধ্যমে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে স্কিন রিপেয়ারের ক্ষেত্রে রোগীদের দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। পাশাপাশি সার্জারির পর দাগ কম পড়ে এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও তুলনামূলক কম থাকে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমানে ভারতে হাতে গোনা কয়েকটি বড় হাসপাতালেই এই ধরনের অত্যাধুনিক CO2 লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কলকাতার অনেক হাসপাতালেও এখনও এই পরিষেবা নেই। সেই দিক থেকে কল্যাণী এইমসের এই উদ্যোগ গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য বড় সাফল্য বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন আরও বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ AIIMS হাসপাতাল গড়ে তুলতে দীর্ঘ সময় লাগে। শুধু ভবন নির্মাণ করলেই একটি AIIMS সম্পূর্ণ হয় না। এর জন্য প্রয়োজন আধুনিক যন্ত্রপাতি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষণা কেন্দ্র, নার্সিং পরিকাঠামো এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা। তিনি জানান, সাধারণত একটি AIIMS পুরোপুরি কার্যকর হতে ১০ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যায়।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে মানুষের চিকিৎসা পরিষেবার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে আরও উন্নত স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি AIIMS হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই ঘোষণা আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। কারণ স্বাস্থ্য পরিষেবা বর্তমানে মানুষের অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে। উন্নত হাসপাতাল, কম খরচে চিকিৎসা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার— এই বিষয়গুলি সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশ বিজেপির এই ঘোষণাকে রাজনৈতিক প্রচার হিসেবেও দেখছে। তাদের দাবি, শুধুমাত্র ঘোষণা নয়, বাস্তবে কত দ্রুত প্রকল্পের কাজ এগোয় সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, বাংলার মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
কল্যাণী এইমস বর্তমানে পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বহু রোগী এখানে চিকিৎসার জন্য আসেন। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা তুলনামূলক কম খরচে পাওয়া যাওয়ায় সাধারণ মানুষের আস্থা দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কল্যাণী এইমস চালু হওয়ার ফলে নদীয়া জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য কলকাতা বা অন্য রাজ্যে যেতে হত। এখন অনেক পরিষেবাই স্থানীয়ভাবে পাওয়া যাচ্ছে। নতুন CO2 লেজার ইউনিট চালু হওয়ার ফলে আরও আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন সাধারণ মানুষ।
চিকিৎসা মহলের মতে, AIIMS-এর মতো প্রতিষ্ঠান শুধু চিকিৎসা নয়, গবেষণা এবং নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভবিষ্যতে কল্যাণী এইমসে আরও গবেষণামূলক কাজ এবং বিশেষায়িত বিভাগ চালু হলে গোটা পূর্ব ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই উপকৃত হবে।
এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আগামী দিনে আরও একাধিক বিশেষায়িত বিভাগ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। গবেষণা, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রেও জোর দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের পরিষেবাকে আরও বিস্তৃত করতে নতুন নতুন বিভাগ, উন্নত যন্ত্রপাতি এবং প্রশিক্ষিত চিকিৎসক আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য AIIMS-এর মতো প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। কারণ সাধারণ মানুষের চিকিৎসার চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে। উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং বিশেষজ্ঞ পরিষেবা জেলা ও শহরতলির মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হলে এই ধরনের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রয়োজন রয়েছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, কল্যাণী এইমসে CO2 লেজার ইউনিটের উদ্বোধন শুধু একটি নতুন চিকিৎসা পরিষেবা চালু হওয়া নয়, বরং পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের দিকেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে রাজ্যে আরও একটি AIIMS হাসপাতাল গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথা সামনে আসায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আগামী দিনে এই প্রকল্প কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং সাধারণ মানুষ কতটা উপকৃত হন, সেদিকেই এখন নজর থাকবে রাজ্যবাসীর। উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ভবিষ্যতে কল্যাণী এইমস আরও বড় ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।