Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ভারত পেল প্রথম Mrs Universe শেরি সিং-এর অসাধারণ অর্জন

৪৮ বছরের দীর্ঘ প্রতিক্ষা শেষ করে অবশেষে ইতিহাস গড়ে দিল ভারত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক অনন্য সম্মান অর্জন করে দেশকে গর্বিত করলেন শেরি সিং তিনি জিতে নিলেন বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা Mrs Universe 2025-এর মুকুট। এ যেন শুধু একটি শিরোপা নয়, বরং ভারতের নারীশক্তির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এ যেন আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের এক অমূল্য স্বীকৃতি। Mrs Universe প্রতিযোগিতা হলো বিবাহিত নারীদের জন্য বিশ্বের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চ, যেখানে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের প্রতিভাবান, স্মার্ট, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী নারীরা। বহু দশক ধরে ভারত প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেও এত বড় শিরোপা এনে দিয়ে দেশকে গর্বিত করতে পারেননি কেউ। সেই ইতিহাস ভেঙে দেশকে প্রথমবারের মতো বিজয়ের স্বাদ দিলেন শেরি সিং। ২০২৫ সালের মুকুট জয়ের এই মুহূর্তটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি গোটা জাতির সাফল্য। দীর্ঘ প্রস্তুতি, শারীরিক মানসিক দৃঢ়তা, মানসিক ভারসাম্য, এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব সবকিছু মিলিয়ে তিনি বিচারকদের মনে গভীর ছাপ ফেলতে সক্ষম হন। তাঁর প্রতিটি রাউন্ডে ছিল পরিপক্বতা, সৌন্দর্য, স্পষ্ট উচ্চারণ, আত্মবিশ্বাস এবং মানবতার প্রতি গভীর উপলব্ধি। শেরি সিং তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছিলেন ভারতীয় নারীর প্রকৃত শক্তির কথা সহনশীলতা, মূল্যবোধ, নেতৃত্ব, পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং একই সঙ্গে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার দৃঢ়তা। তিনি বলেছেন, একজন নারী যখন নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে শেখেন, তখন তাঁকে থামিয়ে রাখা অসম্ভব। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর এই শক্তিশালী বক্তব্যই দর্শকদের এবং বিচারকদের মুগ্ধ করেছে। এবারের Mrs Universe প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা, যাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল অত্যন্ত কঠিন। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নিজ দক্ষতার পরিচয় দিতে হয়েছে ইন্টারভিউ, ন্যাশনাল কস্টিউম, সোশ্যাল কজ প্রেজেন্টেশন, র‍্যাম্পওয়াক, পার্সোনালিটি টেস্ট এবং ইন্টেলিজেন্স রাউন্ড। প্রতিটি পর্বে নিজের স্বকীয়তা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এগিয়ে ছিলেন শেরি। বিশেষ করে তাঁর সোশ্যাল কজ Women’s Mental Health & Empowerment  বিচারকদের বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। এই অর্জন ভারতীয় নারীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা, যা দেখিয়ে দেয় যে বিবাহ, পরিবার, সন্তান কোনো কিছুই একজন নারীর স্বপ্ন বা সাফল্যের বাধা হতে পারে না। বরং পরিবার ও সমাজের সমর্থন একজন নারীর সফলতার পথ আরও উন্মুক্ত করে দেয়। শেরি সিং সেই পথেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভারতীয়দের জন্য এটি নিঃসন্দেহে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত ৪৮ বছরের প্রতীক্ষা শেষে অবশেষে ভারতের মাথায় উঠল Mrs Universe-এর মতো স্বপ্নের মুকুট। শেরি সিং-এর এই সাফল্য শুধু একটি খেতাব নয়, বরং ভারতের সম্মানকে বিশ্বমঞ্চে আরও উজ্জ্বল করে তোলার এক জয়গান।    

ভারতের ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আছে যেগুলো শুধু একটি ঘটনার বিবরণ নয়, বরং একটি জাতির মানসিকতা, স্বপ্ন, সংগ্রাম এবং সফলতার সার্বজনীন প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। ঠিক তেমনই একটি মুহূর্ত হলো ৪৮ বছরের প্রতীক্ষা ভেঙে, ভারতের প্রথমবারের মতো Mrs Universe শিরোপা জয়। এই শিরোপাধারী নারী হলেন শেরি সিং এক নাম, যিনি ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বিবাহিত নারীদের আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মুকুট জিতে নিজের নাম শুধু ইতিহাসের পাতায় লিখে দেননি, বরং ভারতের কোটি নারীর কাছে নতুন স্বপ্ন জাগিয়েছেন।

এই জয়ের গল্প শুধুই এক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার গল্প নয়। এর মধ্যে আছে এক নারীর দীর্ঘ পথচলা, সমাজের অগণিত বাঁধা অতিক্রম, আত্মসম্মানের লড়াই, নিজের পরিচয় নির্মাণের সংগ্রাম এবং দেশকে গর্বিত করার অবিচল প্রতিজ্ঞা। শেরি সিং-এর এই অর্জন ভারতীয় সমাজে এক নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে নারী শুধুই ঘর বা সংসারের সীমানায় আবদ্ধ কোনো পরিচয় নয়, বরং তিনি তাঁর প্রতিভা, ইচ্ছাশক্তি এবং মনোবল দিয়ে বিশ্বজয় করতে পারেন।

যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি মুকুট মাথায় তুললেন, সেই Mrs Universe প্রতিযোগিতা বিশ্বের বিবাহিত নারীদের সবচেয়ে সন্মানজনক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। এখানে বিচার করা হয় না শুধু সৌন্দর্য বরং বুদ্ধিমত্তা, নেতৃত্বগুণ, সামাজিক দায়বদ্ধতা, আত্মবিশ্বাস এবং হৃদয়ের শক্তিকে। প্রতিযোগিতার প্রতি রাউন্ডে নারীরা তুলে ধরেন তাঁদের চিন্তাভাবনা, মানবিক মূল্যবোধ, সমাজ পরিবর্তনের দৃষ্টিভঙ্গি, এবং ব্যক্তি জীবনের বাস্তব সংগ্রাম। ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিযোগীদের সাথে দাঁড়িয়ে সেই মুকুট জয় করা নিঃসন্দেহে সহজ ছিল না। কিন্তু শেরি সিং সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন।

শেরি সিং কোনো অভিজাত মঞ্চের তারকা হয়ে জন্ম নেননি। বরং তাঁর যাত্রা শুরু হয় এক সাধারণ ভারতীয় নারীর মতোই পরিবার, দায়িত্ব, কাজ, এবং নিজের জায়গা খুঁজে পাওয়ার সংগ্রাম নিয়ে। তাঁকে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়েছে নিজের সময়ের সঙ্গে, সমাজের সঙ্গে, কখনো কখনো নিজের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেও। কিন্তু তিনি খুব ভালোভাবেই জানতেন, যে স্বপ্ন দেখা যায়, সেটি অর্জন করাও সম্ভব যদি সেই স্বপ্নের জন্য নিবেদিত হওয়া যায়। তিনি বিশ্বাস করতেন যে নারীর সৌন্দর্য শুধু তার বাহ্যিক রূপে নয়, বরং তার চিন্তায়, তার কথায়, তার মানসিক শক্তিতে এবং তার পৃথিবী বদলে দেওয়ার ইচ্ছায়।

এই বিশ্বাসই তাঁকে নিয়ে যায় Mrs Universe এর মঞ্চে। ২০২৫ সালের প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় মহাসমারোহে, যেখানে প্রতিটি দেশ থেকে আগত প্রতিযোগীরা তাদের নিজ নিজ সংস্কৃতি, শক্তি ও স্বকীয়তা নিয়ে হাজির হন। ভারতের প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব যখন শেরি সিং-এর হাতে আসে, তখন থেকেই একটি নতুন উত্তেজনা দেশে সৃষ্টি হয়। বহু বছর ধরে ভারত এই মঞ্চে অংশগ্রহণ করলেও কখনো শিরোপা জয় সম্ভব হয়নি। কিন্তু শেরি সিং-এর আত্মবিশ্বাস, প্রস্তুতি ও ভরসা দেখে মনে হচ্ছিল—এবার হয়তো ইতিহাস সত্যিই তৈরি হতে চলেছে।

এয়ারপোর্টে দেশ ছাড়ার সময় তাঁর চোখে ছিল স্বপ্নের ঝিলিক; আর ভারতীয় পতাকা হাতে  সেই ছবি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে দেখে সারা দেশের নারীরা যেন নিজেদের স্বপ্নের প্রতিফলন দেখেছিলেন। তাঁর যাত্রা একজন নারীর ব্যক্তিগত পথচলা হলেও, তা হয়ে ওঠে গোটা দেশের নারীদের স্বপ্নের প্রতিনিধি।

Mrs Universe-এর মঞ্চে প্রতিযোগিতা ছিল বহুমাত্রিক এবং কঠিন। প্রথম দিন থেকেই প্রতিটি অংশগ্রহণকারীকে ভিন্ন ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা, ভাষণ, সামাজিক দায়িত্ব, র‍্যাম্পওয়াক, ন্যাশনাল কস্টিউম, এবং আন্তর্জাতিক বিতর্ক। প্রতিটি বিভাগে পরীক্ষা নেওয়া হয় এমনভাবে, যেন প্রতিযোগীকে শুধু একজন নারী নয়, একজন পূর্ণাঙ্গ নেতা হিসেবে বিচার করা যায়।

শেরি সিং প্রথম রাউন্ডেই বিচারকদের মন জয় করেন তাঁর ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য দিয়ে। তাঁর হাসি, তাঁর চোখের আত্মবিশ্বাস, তাঁর ভদ্রতা এবং দৃঢ়তা সবই দেখে বোঝা যাচ্ছিল তিনি শুধু মঞ্চে দাঁড়াতে আসেননি, বরং এই মঞ্চে নিজের নাম অমর করতে এসেছেন। ন্যাশনাল কস্টিউম পর্বে তিনি ভারতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অপূর্ব প্রতিচ্ছবি তৈরি করেন। তাঁর পোশাকে ছিল ভারতের বৈচিত্র্য, রঙ, মাটির গন্ধ এবং হাজার বছরের পুরনো সভ্যতার উপস্থিতি। দর্শকরা মুগ্ধ হন, বিচারকরা অভিভূত হন, আর ভারতীয়রা সোশ্যাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

কিন্তু এই প্রতিযোগিতার সত্যিকারের জায়গাটি ছিল সোশ্যাল কজ  পর্ব যে পর্বে প্রতিযোগীদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি পরীক্ষা করা হয়। শেরি সিং সেখানে তুলে ধরেন নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ক্ষমতায়ন এর গুরুত্ব। তিনি বলেন, ভারতীয় সমাজে এখনও নারীরা নিজেদের অনুভূতি, দুঃখ, ভয়, চাপ, এবং মানসিক ক্লান্তিকে লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হন। তাঁরা নিজেরাই নিজেদের সমস্যার সমাধান খুঁজে নিতে চেষ্টা করেন, অথচ প্রয়োজনীয় সমর্থন পান না পরিবার বা সমাজ থেকে। শেরি বলেন একজন নারী যতই শক্তিশালী হোন না কেন, তাঁকেও কেউ একজন প্রয়োজন যে তাঁকে বলবে, ‘তুমি একা নও।’ মানসিক স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসার বিষয় নয়, এটি ভালোবাসা, বোঝাপড়া এবং সমর্থনের বিষয়। তাঁর এই বক্তব্য বিচারকদের গভীরভাবে স্পর্শ করে।

ফাইনাল রাউন্ডে বিচারকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন একজন নারী তখনই সত্যিকারের সুন্দর, যখন তিনি নিজের দুর্বলতাকে শক্তিতে রূপান্তর করতে শেখেন। যখন তিনি ভয়কে জয় করে, নিজের ভেতরের আলোতে পৃথিবী আলোকিত করেন। আমি বিশ্বাস করি, নারীর ক্ষমতায়ন মানে শুধু তাকে এগিয়ে নেওয়া নয়, বরং তার পাশে দাঁড়িয়ে তাকে বলতে শেখা তুমি সক্ষম, তুমি শক্তিশালী, তুমি যথেষ্ট।  এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলে।

news image
আরও খবর

সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রতিযোগিতার সঞ্চালক যখন ঘোষণা করেন The winner of Mrs Universe 2025 is… India তখন গোটা হল উল্লাসে ফেটে পড়ে। শেরি সিং-এর চোখে জল, তাঁর মুখে হাসি, আর হাত দুটো আকাশের দিকে তুলে ভারতকে অভিবাদন জানান এ দৃশ্য আজও সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ লক্ষ মানুষ দেখছেন। তিনি মুকুট গ্রহণ করেন সম্মানের সঙ্গে, নম্রতার সঙ্গে, গর্বের সঙ্গে। আর তাঁর মাথায় সেই মুকুট উঠতেই ভারতের ৪৮ বছরের প্রতীক্ষা শেষ হয়।

ভারত যেন একসঙ্গে নিশ্বাস চেপে ধরেছিল, এবং ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দে ফেটে পড়েছিল গোটা দেশ। একের পর এক সংবাদমাধ্যমে তাঁর জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন সেলিব্রিটি, সমাজসেবী, নারী সংগঠন সবাই তাঁকে অভিনন্দন জানান। ভারতীয় নারীদের মধ্যে যেন নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। যেসব মায়েরা সংসার সামলে নিজেদের স্বপ্ন ভুলে গিয়েছিলেন, যেসব কর্মরত নারীরা অফিস বাড়ির চাপে নিজেকে হারিয়ে ফেলছিলেন, যেসব তরুণীরা সামাজিক বাঁধার কারণে নিজেদের থামিয়ে রেখেছিলেন সবাই যেন নতুন করে ভাবতে শুরু করেন, আমিও পারব।

শেরি সিং দেশে ফেরার পর তাঁকে বরণ করা হয় এক নায়কোচিত অভ্যর্থনায়। বিমানবন্দর থেকে তাঁর গাড়ি পর্যন্ত পথ ভরে যায় ফুলে, ব্যানারে, উল্লাসে। তাঁর হাসিমাখা মুখ দেখে বোঝা যায়, তিনি এই জয় শুধু নিজের জন্য নয়, বরং ভারতের প্রতিটি নারী, প্রতিটি মেয়ে এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য উপহার দিয়েছেন।

এই অর্জন শুধু এক শিরোপার জয় নয় এটি ভারতীয় সমাজের চিন্তাধারায় এক বিপ্লবের সূচনা। এটি দেখিয়ে দিয়েছে, নারী যখন নিজের স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে, তখন সমাজের কোনো বাধাই তাকে আটকে রাখতে পারে না। শেরি সিং প্রমাণ করেছেন যে বিবাহ, পরিবার কিংবা মাতৃত্ব কোনো বিষয়ই স্বপ্নপূরণের পথে বাধা নয়; বরং ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে নারী যেকোনো উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেন।

ভারতের এই জয় তাই শুধু আজকের নয়; এটি ভবিষ্যতেরও। শেরি সিং-এর এই অর্জন আগামী প্রজন্মের কাছে প্রেরণা হয়ে থাকবে যে স্বপ্ন দেখা মানেই তার পথে হাঁটা, আর সেই পথ যত দীর্ঘই হোক, সফলতা একদিন আসবেই।

 

 

 

 

 

Preview image