ভারতের টেলিকম শিল্পে বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে ৬ GHz স্পেকট্রাম ব্যান্ডকে কেন্দ্র করে। দেশের তিন শীর্ষ টেলিকম অপারেটর — রিলায়েন্স জিও, ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন-আইডিয়া — অভিযোগ তুলেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ভারতের স্পেকট্রাম নীতি নিজেদের সুবিধামতো প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এই অভিযোগ সরাসরি তুলে ধরেছে টেলিকম অপারেটরদের সংগঠন COAI (Cellular Operators Association of India), যা সরকারের কাছে একটি বিশদ রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এই রিপোর্টে অ্যাপল, অ্যামাজন, সিসকো, মেটা, এইচপি এবং ইন্টেলের মতো আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। COAI-এর দাবি, এই প্রতিষ্ঠানগুলো ভারতের ৬ GHz ব্যান্ডকে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ মুক্ত করে দিতে চাপ দিচ্ছে। এর ফলে দেশের টেলিকম অপারেটররা যে ব্যান্ডের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা নিলামে ব্যয় করছে, সেই একই ব্যান্ড এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিনামূল্যে ব্যবহারের সুবিধা পেতে চায়। টেলিকম অপারেটরদের মতে, ৬ GHz ব্যান্ড যদি ওয়াই-ফাইয়ের জন্য ফ্রি করে দেওয়া হয়, তাহলে ভারতের টেলিকম সেক্টর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। কারণ, এই ব্যান্ড ৫জি এবং ভবিষ্যতের ৬জি নেটওয়ার্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেলিকম কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে ৫জি অবকাঠামো নির্মাণ করছে। তাদের যুক্তি, যদি একই ব্যান্ড বিদেশি কোম্পানিগুলোকে ফ্রি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়, তাহলে ভারতীয় টেলিকম শিল্প বিশ্বের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।
ভারতের টেলিকম শিল্পে বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিতর্ক হচ্ছে ৬ GHz স্পেকট্রাম ব্যান্ড নিয়ে। একদিকে ভারতের তিন শীর্ষ টেলিকম অপারেটর — রিলায়েন্স জিও, ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন-আইডিয়া, আর অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি — অ্যাপল, অ্যামাজন, সিসকো, মেটা, এইচপি এবং ইন্টেল। ভারত সরকারকে দেওয়া এক বিস্তারিত অভিযোগপত্রে COAI (Cellular Operators Association of India) দাবি করেছে, এই আন্তর্জাতিক টেক-জায়ান্টরা ভারতের বৈধ টেলিকম শিল্পকে বড় ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। টেলিকম সংস্থাগুলোর অভিযোগ—এই কোম্পানিগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে এমন নীতি চাপিয়ে দিতে চাইছে, যা ভারতের মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্ব কমিয়ে দেবে এবং দেশীয় ডিজিটাল অবকাঠামোর উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
এই অভিযোগ সামনে আসতেই প্রযুক্তি-জগত এবং নীতি নির্ধারকদের মধ্যে তীব্র আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ৬ GHz ব্যান্ড আসলে মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য লাইসেন্সকৃত হবে, নাকি এটি ওয়াই-ফাই-এর জন্য বিনামূল্যে ডেলাইসেন্সড ব্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা হবে — এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে এই আন্তর্জাতিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু।
৬ GHz ব্যান্ডকে বলা হয় ভবিষ্যতের ডেটা-হাইওয়ে। ৫জি এবং ৬জি-র জন্য এটি সোনার খনি হিসেবে বিবেচিত, কারণ এই ব্যান্ডে ডেটা-ট্রান্সফারের গতি আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুত এবং লেটেন্সি খুব কম। কিন্তু একই সঙ্গে এই ব্যান্ড ওয়াই-ফাই 6E এবং ভবিষ্যতের ওয়াই-ফাই 7 প্রযুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দুই পক্ষই এই ব্যান্ড নিজের দিকে টানতে চাইছে।
অন্যদিকে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর দাবি সম্পূর্ণ বিপরীত। তাদের মতে, ৬ GHz ব্যান্ড আন্তর্জাতিকভাবে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ব্রাজিল, কানাডা সহ বহু দেশ এই ব্যান্ড ডেলাইসেন্স করেছে, অর্থাৎ জনগণের বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করেছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর যুক্তি—ভারত যদি এই ব্যান্ড মোবাইল অপারেটরদের হাতে তুলে দেয়, তবে বিশ্বব্যাপী ইকোসিস্টেমের সঙ্গে ভারতের সামঞ্জস্যতা কমে যাবে। ডিভাইস প্রস্তুতকারকদের পণ্যের দাম বাড়বে, মানুষের ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সমস্যা হবে, এবং ঘরে বসে দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা কমে যাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিতর্ক আসলে প্রযুক্তিগত যুদ্ধ নয়—এটি রাজস্ব বনাম অ্যাক্সেস অধিকারের লড়াই। টেলিকম অপারেটররা স্পেকট্রাম কেনে, তাই তারা চায় এটি বিক্রি হোক। অন্যদিকে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো চায় ফ্রি ওয়াই-ফাই আরও শক্তিশালী হোক, যাতে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, স্মার্ট ডিভাইস আরও ভালোভাবে কাজ করে।
ভারত সরকার এখনো এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। টেলিকম বিভাগ DoT এবং আইটি মন্ত্রক দুই পক্ষের নথি পরীক্ষা করছে। একদিকে ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থ, অন্যদিকে ডিজিটাল সমতা — দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
৬ GHz ব্যান্ড বিতর্ক শুধু টেলিকম বা টেক কোম্পানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি ভারতের ভবিষ্যৎ ডিজিটাল রূপরেখা নির্ধারণ করবে — দেশের ৫জি, ৬জি পরিকাঠামো, সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট খরচ এবং প্রযুক্তির অ্যাক্সেসের উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে।
COAI যে অভিযোগ তুলেছে, তা অত্যন্ত কঠোর। তারা বলেছে, বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থাগুলো ভারতের মতো দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী —
টেলিকম অপারেটররা যেসব স্পেকট্রামের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে নিলাম প্রক্রিয়ায় কিনছে, সেই একই ব্যান্ড বিদেশি কোম্পানিগুলো ফ্রি-তে ব্যবহার করতে চায়।
এতে ভারতের টেলিকম অপারেটরদের রাজস্ব-ক্ষতি হবে প্রচুর, যা সরাসরি প্রভাব ফেলবে ভারতের ৫জি ও ভবিষ্যতের ৬জি অবকাঠামো গঠনে।
যদি ৬ GHz ব্যান্ড ওয়াই-ফাইয়ের জন্য খোলা দেওয়া হয়, তাহলে ঘরে-ঘরে থাকা ওয়াই-ফাই রাউটারগুলো আরও শক্তিশালী হবে, যার ফলে OTT ও অনলাইন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো দারুণ লাভবান হবে — কিন্তু টেলিকম অপারেটরদের বিনিয়োগের মান কমে যাবে।
বিদেশি কোম্পানিগুলো এভাবে ভারতের স্পেকট্রাম নীতিকে নিজেদের সুবিধামতো নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে, যা “নৈতিকতার বাইরে”।
COAI বলেছে, ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেলিকম মার্কেটগুলোর একটি, এবং এখানে যে অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে তা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যত নির্ধারণ করে। তাই বিদেশি কোম্পানিগুলোকে অযাচিত সুবিধা দিলে দেশের ডিজিটাল উন্নয়ন হুমকির মুখে পড়বে।
অ্যাপল, অ্যামাজন, মেটা, সিসকো, এইচপি এবং ইন্টেল–এর বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের মতে—
৬ GHz ব্যান্ড এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য প্রস্তুত নয়।
এই ব্যান্ডে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই ওয়াই-ফাই ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।
ভারতের মতো দেশে যদি এই ব্যান্ড মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য সংরক্ষিত হয়, তাহলে সেটি বৈশ্বিক ইকোসিস্টেম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে — ফলে ডিভাইস ইকোসিস্টেমের খরচ বাড়বে।
বিশ্বব্যাপী কোম্পানিগুলো ওয়াই-ফাই 6E এবং ওয়াই-ফাই 7 প্রযুক্তিতে গতি আনতে এই ব্যান্ড প্রয়োজন।
মোবাইল অপারেটররা ইতিমধ্যেই ৩.৩–৩.৬ GHz সহ একাধিক ব্যান্ডে ৫জি চালাচ্ছে — তাই ৬ GHz ব্যান্ডের প্রয়োজনীয়তা এখনই নেই।
তারা যুক্তি দিয়েছে—ভারত যদি এই ব্যান্ড লাইসেন্সকৃত করে ফেলে, তাহলে সাধারণ নাগরিকের বাড়িতে ইন্টারনেট খরচ বাড়বে। কারণ ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হয়ে গেলে মানুষ আরও বেশি মোবাইল ডেটার উপর নির্ভরশীল হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের উদাহরণ দেখিয়ে তারা দাবি করেছে, ৬ GHz ব্যান্ড ফ্রি হলে সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহার সহজ হয়।
৬ GHz ব্যান্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচুর আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল, কানাডা সহ অনেক দেশই এটি ডেলাইসেন্সড — অর্থাৎ ওয়াই-ফাইয়ের জন্য মুক্ত করে দিয়েছে।
অপরদিকে চীন ও কিছু টেলিকম-শক্তিধর দেশ চায় এটি ৫জি/৬জি-র জন্য রাখা হোক।
ভারতের জন্য প্রশ্ন—কোন মডেলটি দেশের ভবিষ্যত প্রযুক্তি-পরিকাঠামোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত?
ভারতে প্রায় ১.২০ বিলিয়ন মোবাইল গ্রাহক। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডেটা-ব্যবহারকারী দেশ হয়ে ওঠার পর, ভারতের জন্য স্পেকট্রাম অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। স্পেকট্রাম বিক্রি করেই ভারত সরকার প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করে।
যদি ৬ GHz ব্যান্ড বিনামূল্যে ওয়াই-ফাইয়ের জন্য খুলে দেওয়া হয়, তাহলে বড় রাজস্ব-ক্ষতি হবে। এই কারণেই জিও, এয়ারটেল ও ভোডাফোন-আইডিয়া নীতিনির্ধারকদের সতর্ক করছে।
কিন্তু অপরদিকে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর যুক্তিও গুরুত্বপূর্ণ—ভারত ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের নেতা হতে চাইলে বিশ্বব্যাপী যেসব ব্যান্ড ফ্রি, ভারতেও তা ফ্রি হওয়া দরকার।
যদিও সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি, তবে টেলিকম বিভাগ (DoT) এবং আইটি মন্ত্রক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করছে। উভয় পক্ষের থেকে জমা থাকা নথি, গবেষণা, পরীক্ষামূলক তথ্য ও আন্তর্জাতিক উদাহরণ বিশ্লেষণ করে তারপর সিদ্ধান্ত নেবে।
ভারত সরকার একদিকে ৫জি অবকাঠামো শক্তিশালী করতে চাইছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচও যাতে না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে—
যদি ভারতের লক্ষ্য হয় ৬জি-তে এগিয়ে যাওয়া এবং মোবাইল নেটওয়ার্কে বিশ্বনেতা হওয়া, তাহলে ৬ GHz ব্যান্ড লাইসেন্সকৃত রাখা উচিত।
কিন্তু যদি লক্ষ্য হয় ঘরে-ঘরে দ্রুত ওয়াই-ফাই পৌঁছে দেওয়া এবং ডিজিটাল সমতা আনা — তাহলে এটি ডেলাইসেন্স করা উচিত।
যদি ৬ GHz ব্যান্ড মোবাইল সেবার জন্য লাইসেন্স করা হয়:
৫জি স্পিড আরও বাড়তে পারে
ভবিষ্যতে ৬জি চালু করা সহজ হবে
কিন্তু মোবাইল ডেটার দাম বাড়ার সম্ভাবনা আছে
যদি ব্যান্ড ওয়াই-ফাইয়ের জন্য ফ্রি হয়:
ঘরে-ঘরে সুপার-ফাস্ট ওয়াই-ফাই আসবে
ইন্টারনেট খরচ কমবে
কিন্তু টেলিকম কোম্পানিগুলোর ব্যবসায় প্রভাব পড়বে
মূলত রাজস্ব বনাম এক্সেস — এই দুইয়ের লড়াই।
টেলিকম অপারেটররা স্পেকট্রাম কিনে ব্যবসা চালায়, তাই তারা চায় এই ব্যান্ড বিক্রি হোক।
প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো চায় ফ্রি ওয়াই-ফাই শক্তিশালী হোক, কারণ তাদের পণ্য ও প্ল্যাটফর্ম ওয়াই-ফাই-ভিত্তিক ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি উপকার পায়।
ফলে দুই বিশাল শিল্প পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেছে।
ভারতের সাধারণ মানুষের জন্য কোনটা ভালো? দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিতে বিশেষজ্ঞরা বলেন—
উভয়ের মধ্যে ভারসাম্য প্রয়োজন।
হয়তো ব্যান্ডের অর্ধেক অংশ মোবাইলের জন্য এবং অর্ধেক অংশ ওয়াই-ফাইয়ের জন্য রাখা যেতে পারে।
ভারত সরকারকে সঠিক গবেষণার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এই বিতর্ক শুধু স্পেকট্রাম নিয়ে নয় — এটি ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিকচিহ্ন। জিও, এয়ারটেল, ভোডাফোন-আইডিয়া যেমন ভারতের টেলিকমের মেরুদণ্ড, তেমনি অ্যাপল, অ্যামাজন, মেটা, সিসকো ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ভারতের প্রযুক্তি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৬ GHz ব্যান্ড কীভাবে ব্যবহৃত হবে, তার উপর ভারতের টেক-ইন্ডাস্ট্রির পরবর্তী ২০ বছর নির্ভর করছে।
ভারত কি টেলিকম-নেতৃত্বাধীন নীতি নেবে?
নাকি প্রযুক্তি-কোম্পানিভিত্তিক মুক্ত ওয়াই-ফাই মডেল অনুসরণ করবে?
এর সিদ্ধান্ত দেশের কোটি কোটি মানুষের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা বদলে দেবে।