Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ভারতে কোন কোন ক্যানসারের প্রতিরোধ সম্ভব? সমীক্ষায় জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

কর্কট রোগের প্রাথমিক উপসর্গ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়লে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করা অনেক সহজ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) সমীক্ষা জানাচ্ছে, কোন কোন ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব।চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতিতে কর্কট রোগেরও নিরাময় হচ্ছে। সমস্ত রকম ক্যানসার আর এখন ততটাও ভীতিপ্রদ নয়। বিশেষ করে সঠিক সময়ে সচেতন হলে কোনও কোনও ক্যানসারের প্রতিরোধও সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় প্রতি পাঁচ জনে এক জন ক্যানসারে আক্রান্ত। ২০২২ সালের এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিশ্বে প্রায় ২ কোটি মানুষ নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন।

আবার, চিকিৎসার পরে পাঁচ বছর বা তার বেশি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন প্রায় ৫.৩৫ কোটি মানুষ। ভারতে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে আবার অনেকে ক্যানসার জয় করে স্বাভাবিক জীবনেও ফিরছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, সচেতন হলে এ দেশে কোন কোন ক্যানসার গোড়াতেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ভারতে কোন কোন ক্যানসার প্রতিরোধযোগ্য?

জরায়ুমুখের ক্যানসার

জরায়ুমুখে ক্যানসারের অন্যতম কারণই এইচপিভি বা হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। তবে এই ভাইরাসকে ঠেকানোর টিকা আছে। এ দেশেও সে টিকা এসে গিয়েছে। ৯ বছর বা তার ঊর্ধ্বে টিকা নিলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে। এইচপিভি টিকা নিরাপদ হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। সঠিক বয়সে টিকা নিলে এটি জরায়ু, মলদ্বার, মুখগহ্বরের ক্যানসার থেকেও রক্ষা করতে পারে। ৯ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে প্রতিষেধক নিলে তার কার্যকারিতা অনেক বেশি।

মুখগহ্বরের ক্যানসার

প্রাণঘাতী রোগের মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক হল ‘ওরাল ক্যানসার’ বা মুখের ক্যানসার। সমস্ত ধরনের ক্যানসারের মধ্যে ৩০ শতাংশেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয় মুখের ক্যানসারে। তবে এটি প্রতিরোধযোগ্য। হু জানাচ্ছে, এ দেশে ২০২২ সালে দেড় লাখের কাছাকাছি নতুন ভাবে এই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়, মৃত্যু হয় প্রায় ৮৫ হাজারের। মুখগহ্বরের ক্যানসারের অন্যতম কারণ হল তামাকজাত দ্রব্যের নেশা। সিগারেট, খৈনি, গুটখা ও নানা রকম পানমশলা খাওয়ার অভ্যাস যদি ছাড়া যায়, তা হলে এই ক্যানসারকে রুখে দেওয়া যাবে।

স্তন ক্যানসার

বিশ্বে প্রতি ২০ জন মহিলার মধ্যে অন্তত ১ জন স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি বছরের হিসেবে ৩৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে বলেই আশঙ্কা। হু জানাচ্ছে, চিন ও আমেরিকার পরেই স্তন ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যায় ভারতের স্থান। অথচ গোড়ায় ধরা পড়লে চিকিৎসায় তা নির্মূল করা সম্ভব অনেক ক্ষেত্রেই। সময়ান্তরে পেট সিটি স্ক্যান বা ম্যামোগ্রাফির মতো পরীক্ষা করানোও জরুরি। হঠাৎ যদি স্তনে ব্যথা অনুভব করেন, তা ফেলে না রাখাই ভাল। ক্যানসার ফিরে আসার একটি লক্ষণ এটি। বুক, পিঠ, পাঁজরের হাড়ের ভিতর তীক্ষ্ণ যন্ত্রণা হতে পারে। স্তনের আকারেও বদল আসতে পারে। এই লক্ষণ আগে থেকে চিনতে পারলে ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্বভ।

ফুসফুসের ক্যানসার

যে সব ক্যানসারের শঙ্কা ভারতে সবচেয়ে বেশি, তার মধ্যে অন্যতম ফুসফুসের ক্যানসার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্তন ক্যানসারের পরেই এর স্থান। ধূমপান করলে এই ক্যানসারের শঙ্কা প্রায় ৭০ শতাংশ বাড়ে। তবে আজকাল প্যাসিভ স্মোকার ও নন স্মোকাররাও এই অসুখের শিকার হচ্ছেন। নেশার কবল থেকে বেরিয়ে আসা ও দূষণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারলেই এই ক্যানসার জয় করা সম্ভব।

ভারতে কোন কোন ক্যানসার প্রতিরোধযোগ্য?

সচেতনতা, টিকা ও জীবনযাপনের বদলেই কমতে পারে মৃত্যুঝুঁকি

ক্যানসার মানেই যে অনিবার্য মৃত্যু—এই ধারণা এখন আর সম্পূর্ণ সত্য নয়। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, বহু ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধযোগ্য, আবার অনেক ক্যানসার প্রাথমিক স্তরে ধরা পড়লে পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য। ভারতে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন, সময়মতো টিকাকরণ, নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং সচেতনতা বাড়ানো গেলে ক্যানসারের অন্তত ৪০–৫০ শতাংশ ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ভারতীয় ক্যানসার গবেষণা সংস্থাগুলি বারবার বলছে—ভারতে ক্যানসারের একটি বড় অংশের পিছনে রয়েছে তামাক সেবন, সংক্রমণজনিত কারণ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশগত দূষণ। এই কারণগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই বহু ক্যানসারকে ঠেকানো সম্ভব।

নিচে ভারতের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রতিরোধযোগ্য ক্যানসার এবং সেগুলি থেকে বাঁচার উপায় বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল।


জরায়ুমুখের ক্যানসার (Cervical Cancer)

ভারতে মহিলাদের মধ্যে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর অন্যতম কারণ জরায়ুমুখের ক্যানসার। অথচ এটি এমন একটি ক্যানসার, যা প্রায় সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য

কারণ

জরায়ুমুখের ক্যানসারের প্রধান কারণ হল
এইচপিভি (Human Papillomavirus) সংক্রমণ।
এই ভাইরাস মূলত যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এবং দীর্ঘদিন শরীরে থাকলে জরায়ুমুখের কোষে ক্যানসারজনিত পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়

  • এইচপিভি টিকা:

    • ৯ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে নিলে টিকার কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশি

    • ৯ বছর বা তার ঊর্ধ্বে নেওয়া যায়

    • বিশ্বজুড়ে এই টিকা নিরাপদ ও কার্যকর বলে স্বীকৃত

  • নিয়মিত প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট বা এইচপিভি স্ক্রিনিং

  • নিরাপদ যৌন আচরণ

এইচপিভি টিকা শুধু জরায়ুমুখ নয়, মলদ্বার, মুখগহ্বর ও গলার ক্যানসার থেকেও সুরক্ষা দিতে পারে। তাই এটি মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।


মুখগহ্বরের ক্যানসার (Oral Cancer)

ভারতে ক্যানসারের মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক জায়গায় রয়েছে মুখগহ্বরের ক্যানসার।
সমস্ত ক্যানসারের প্রায় ৩০ শতাংশই মুখের ক্যানসার—যা বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় ভারতে অনেক বেশি।

কারণ

  • তামাকজাত দ্রব্য:

    • সিগারেট

    • বিড়ি

    • খৈনি

    • গুটখা

    • পানমশলা

  • অতিরিক্ত মদ্যপান

  • মুখের অপরিচ্ছন্নতা

WHO-এর তথ্য অনুযায়ী,
২০২২ সালে ভারতে প্রায় ১.৫ লক্ষ নতুন রোগী এই ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ৮৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

প্রতিরোধের উপায়

  • তামাক ও গুটখা সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ

  • নিয়মিত মুখ ও দাঁতের পরীক্ষা

  • মুখে ঘা, সাদা বা লাল দাগ, দীর্ঘদিনের ক্ষত অবহেলা না করা

এই ক্যানসারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল—প্রাথমিক স্তরে চোখেই ধরা পড়ে, তাই সচেতন হলে সহজেই রুখে দেওয়া সম্ভব।


স্তন ক্যানসার (Breast Cancer)

বর্তমানে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে ক্যানসার দেখা যায়, তা হল স্তন ক্যানসার।

পরিসংখ্যান

  • বিশ্বে প্রতি ২০ জন মহিলার মধ্যে ১ জন জীবনের কোনও না কোনও সময়ে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন

  • WHO-এর আশঙ্কা, ২০৫০ সালের মধ্যে বছরে ৩৫ লক্ষের বেশি মানুষ স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন

  • ভারতে আক্রান্তের সংখ্যায় চিন ও আমেরিকার পরেই স্থান

ঝুঁকির কারণ

প্রতিরোধ ও আগাম সতর্কতা

  • নিয়মিত ব্রেস্ট সেলফ এক্সামিনেশন

  • ৪০ বছরের পর থেকে ম্যামোগ্রাফি

  • হঠাৎ স্তনে ব্যথা, আকারের পরিবর্তন, নিপল থেকে রস বেরোনো—এই লক্ষণ উপেক্ষা না করা

শুরুর দিকে ধরা পড়লে স্তন ক্যানসার অনেক ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।


ফুসফুসের ক্যানসার (Lung Cancer)

ফুসফুসের ক্যানসার ভারতের অন্যতম প্রাণঘাতী ক্যানসার।

কারণ

  • ধূমপান (প্রধান কারণ)

  • প্যাসিভ স্মোকিং

  • বায়ুদূষণ

  • শিল্পাঞ্চলের বিষাক্ত গ্যাস

WHO জানাচ্ছে, ধূমপান করলে ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়

প্রতিরোধের উপায়

  • ধূমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করা

  • ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ এড়ানো

  • দূষণপ্রবণ এলাকায় মাস্ক ব্যবহার

ধূমপান ছেড়ে দিলে কয়েক বছরের মধ্যেই ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।


লিভার ক্যানসার

কারণ

  • হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস

  • অতিরিক্ত মদ্যপান

  • ফ্যাটি লিভার রোগ

প্রতিরোধ

  • হেপাটাইটিস বি টিকা

  • নিরাপদ রক্তসঞ্চালন

  • অ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ


কোলোরেক্টাল বা অন্ত্রের ক্যানসার

কারণ

  • অতিরিক্ত লাল মাংস

  • ফাস্ট ফুড

  • কম ফাইবারযুক্ত খাদ্য

  • বসে থাকার জীবনযাপন

প্রতিরোধ

  • ফল, সবজি ও আঁশযুক্ত খাবার

  • নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম

  • ৫০ বছরের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং


উপসংহার

ক্যানসার ভয়ংকর হলেও, সব ক্যানসার অনিবার্য নয়।
আজকের দিনে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হল—
সচেতনতা, প্রতিরোধমূলক টিকা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সময়মতো পরীক্ষা।

ভারতের মতো দেশে যদি পরিবার, স্কুল ও সমাজ স্তরে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায়, তা হলে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই অনেকটাই সহজ হয়ে উঠবে।

ক্যানসারকে ভয় নয়—বোঝা, জানা ও আগাম ঠেকানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


আপনি চাইলে আমি পরের অংশে
? ক্যানসার প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাস
? কোন বয়সে কোন স্ক্রিনিং জরুরি
? ভারতে বিনামূল্যের ক্যানসার টিকা ও পরীক্ষা কোথায় হয়

এই বিষয়গুলিও আলাদা করে বিস্তারিত লিখে দিতে পারি।

প্রতিরোধযোগ্য ক্যানসার নিয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক

প্রতিরোধযোগ্য ক্যানসারের আলোচনা করতে গেলে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা জরুরি—প্রতিরোধ মানে কেবল রোগ না হওয়া নয়, বরং আগেভাগে ঝুঁকি কমিয়ে আনা। অনেক ক্ষেত্রেই ক্যানসার এক দিনে তৈরি হয় না। বছরের পর বছর ধরে শরীরের কোষে ক্ষতিকর পরিবর্তন জমতে জমতেই রোগের সূত্রপাত হয়। তাই জীবনযাপনের ছোট ছোট অভ্যাস ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যাভ্যাস ক্যানসার প্রতিরোধে বড় ভূমিকা নেয়। অতিরিক্ত ভাজাভুজি, প্রক্রিয়াজাত খাবার, প্যাকেটজাত খাবার ও চিনি কমিয়ে ফল, সবুজ শাকসবজি, ডাল, সম্পূর্ণ শস্য এবং পর্যাপ্ত জল খেলে অন্ত্র, লিভার ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে। একই সঙ্গে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম শরীরের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সংক্রমণজনিত ক্যানসার। ভারতের মতো দেশে হেপাটাইটিস বি, এইচপিভি বা হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরির মতো সংক্রমণ বহু ক্ষেত্রে ক্যানসারের কারণ হয়। অথচ টিকাকরণ ও প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই সংক্রমণগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই শুধু ক্যানসার নয়, সাধারণ সংক্রমণকেও অবহেলা করা উচিত নয়।

শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে সচেতনতা আরও জরুরি। কম বয়স থেকেই যদি তামাক, গুটখা বা ধূমপান থেকে দূরে রাখা যায়, তা হলে ভবিষ্যতে মুখগহ্বর ও ফুসফুসের ক্যানসারের আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। পরিবার ও স্কুলের যৌথ ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ক্যানসার প্রতিরোধ কোনও একদিনের কাজ নয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতার প্রক্রিয়া। সময়মতো টিকা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং ভয় নয়—তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্তই পারে ক্যানসারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।

Preview image